করাচি কন্স্যুলেটে বিক্ষোভকারীদের গুলি করে ‘মার্কিন মেরিন সেনারা’

করাচি কন্স্যুলেটে বিক্ষোভকারীদের গুলি করে ‘মার্কিন মেরিন সেনারা’
সিটিজেন ডেস্ক

পাকিস্তানের করাচি শহরে যুক্তরাষ্ট্রের কন্স্যুলেটে হামলার সময় বিক্ষোভকারীদের দিকে গুলি ছুড়েছে সেখানে থাকা মার্কিন মেরিন সেনারা। ওয়াশিংটনের দুই কর্মকর্তা সোমবার (২ মার্চ) রয়টার্সকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
এই প্রথম মার্কিন কর্মকর্তারা নিশ্চিত করলেন যে করাচির বিক্ষোভকারীদের দিকে গুলি ছুড়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের মেরিন সেনারা। তবে তাদের গুলিতে কেউ আহত বা নিহত হয়েছেন কি না, তা পরিষ্কার হয়নি বলে প্রাথমিক তথ্যের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছেন তারা।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, একটি কূটনৈতিক মিশন থেকে শক্তির এমন ব্যবহার বিরল ঘটনা। এটি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির হত্যাকাণ্ড নিয়ে ব্যাপক প্রতিবাদ হতে থাকা পাকিস্তানে উত্তেজনার তীব্রতা বাড়িয়ে তুলতে পারে।
রবিবার (১ মার্চ) করাচির ওই প্রতিবাদে অংশ নেওয়া বিক্ষোভকারীরা কন্স্যুলেট কম্পাউন্ডের বাইরের দেয়াল টপকে ভেতরে ঢুকে পড়ার পর গুলিতে ১০ জন নিহত হন।
ওই কর্মকর্তারা জানান, ঘটনার সময় মিশনের নিরাপত্তায় নিয়োজিত বেসরকারি নিরাপত্তা রক্ষী ও স্থানীয় পুলিশও গুলি চালিয়েছিল কি না তা তাদের জানা নেই।
পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশ সরকারের মুখপাত্র সুখদেব আসরদাস হেমনানি জানিয়েছেন, ‘নিরাপত্তা’ সদস্যরা গুলি ছুড়েছেন। তবে এই ‘নিরাপত্তা’ সদস্যরা কারা তা পরিষ্কার করেননি তিনি।
মার্কিন কূটনৈতিক মিশনগুলোর দৈনন্দিন নিরাপত্তার বিষয়গুলো প্রায়ই স্থানীয় বাহিনীগুলো ও ঠিকাদাররা দেখভাল করে। কিন্তু করাচির ঘটনায় মেরিন সেনাদের জড়িয়ে পড়া তুলে ধরে কন্স্যুলেট হুমকিটিকে কতো গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছিল।
ইরানের পর বিশ্বের সবচেয়ে বেশি শিয়া মুসলিমের বসবাস পাকিস্তানে। ইরান ঘিরে সৃষ্ট প্রতিবাদে দেশটিতে এ পর্যন্ত অন্তত ২৬ জন নিহত হয়েছেন। সোমবার পাকিস্তান দেশজুড়ে বড় ধরনের সমাবেশ নিষিদ্ধ করেছে।
রয়টার্সের সংবাদাতারা জানিয়েছেন, রবিবার করাচির কন্স্যুলেটের সামনে ‘আমেরিকার পতন হোক! ইসরায়েলের পতন হোক!’ বলে শ্লোগান দেয় প্রতিবাদকারীরা। এ সময় সেখানকার আশপাশের রাস্তায় গুলি ও কাঁদুনে গ্যাস ছোড়ার শব্দ শোনা যায়।
রয়টার্স জানিয়েছে, সামাজিক মাধ্যমে আসা ভিডিওতে অন্তত এক প্রতিবাদকারীকে কন্স্যুলেট ভবন লক্ষ্য করে আগ্নেয়াস্ত্র থেকে গুলি ছুড়তে দেখা গেছে আর গুলির শব্দ হতে শুরু করতেই রক্তাক্ত বিক্ষোভকারীদের পালাতে দেখা গেছে।
করাচির এক পুলিশ কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, কন্স্যুলেট প্রাঙ্গণ থেকে গুলি ছোড়া হয়েছে।
বর্তমানে দেশজুড়ে সমাবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি থাকলেও শিয়া সম্প্রদায়ের নেতারা লাহোর ও করাচিতে আরও প্রতিবাদের ডাক দিয়েছেন।
পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস রাজধানী ইসলামাবাদে। দেশটির পেশোয়ার ও লাহোর শহরে যুক্তরাষ্ট্রের আরও দুটি কন্স্যুলেট আছে।
করাচির কন্স্যুলেটের দিকে যাওয়ার সব রাস্তায় অবরোধ বসিয়ে সেগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কন্স্যুলেটের আশপাশে প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ইসলামাবাদ ও লাহোরে মার্কিন মিশনের আশপাশেও একই ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

পাকিস্তানের করাচি শহরে যুক্তরাষ্ট্রের কন্স্যুলেটে হামলার সময় বিক্ষোভকারীদের দিকে গুলি ছুড়েছে সেখানে থাকা মার্কিন মেরিন সেনারা। ওয়াশিংটনের দুই কর্মকর্তা সোমবার (২ মার্চ) রয়টার্সকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
এই প্রথম মার্কিন কর্মকর্তারা নিশ্চিত করলেন যে করাচির বিক্ষোভকারীদের দিকে গুলি ছুড়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের মেরিন সেনারা। তবে তাদের গুলিতে কেউ আহত বা নিহত হয়েছেন কি না, তা পরিষ্কার হয়নি বলে প্রাথমিক তথ্যের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছেন তারা।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, একটি কূটনৈতিক মিশন থেকে শক্তির এমন ব্যবহার বিরল ঘটনা। এটি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির হত্যাকাণ্ড নিয়ে ব্যাপক প্রতিবাদ হতে থাকা পাকিস্তানে উত্তেজনার তীব্রতা বাড়িয়ে তুলতে পারে।
রবিবার (১ মার্চ) করাচির ওই প্রতিবাদে অংশ নেওয়া বিক্ষোভকারীরা কন্স্যুলেট কম্পাউন্ডের বাইরের দেয়াল টপকে ভেতরে ঢুকে পড়ার পর গুলিতে ১০ জন নিহত হন।
ওই কর্মকর্তারা জানান, ঘটনার সময় মিশনের নিরাপত্তায় নিয়োজিত বেসরকারি নিরাপত্তা রক্ষী ও স্থানীয় পুলিশও গুলি চালিয়েছিল কি না তা তাদের জানা নেই।
পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশ সরকারের মুখপাত্র সুখদেব আসরদাস হেমনানি জানিয়েছেন, ‘নিরাপত্তা’ সদস্যরা গুলি ছুড়েছেন। তবে এই ‘নিরাপত্তা’ সদস্যরা কারা তা পরিষ্কার করেননি তিনি।
মার্কিন কূটনৈতিক মিশনগুলোর দৈনন্দিন নিরাপত্তার বিষয়গুলো প্রায়ই স্থানীয় বাহিনীগুলো ও ঠিকাদাররা দেখভাল করে। কিন্তু করাচির ঘটনায় মেরিন সেনাদের জড়িয়ে পড়া তুলে ধরে কন্স্যুলেট হুমকিটিকে কতো গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছিল।
ইরানের পর বিশ্বের সবচেয়ে বেশি শিয়া মুসলিমের বসবাস পাকিস্তানে। ইরান ঘিরে সৃষ্ট প্রতিবাদে দেশটিতে এ পর্যন্ত অন্তত ২৬ জন নিহত হয়েছেন। সোমবার পাকিস্তান দেশজুড়ে বড় ধরনের সমাবেশ নিষিদ্ধ করেছে।
রয়টার্সের সংবাদাতারা জানিয়েছেন, রবিবার করাচির কন্স্যুলেটের সামনে ‘আমেরিকার পতন হোক! ইসরায়েলের পতন হোক!’ বলে শ্লোগান দেয় প্রতিবাদকারীরা। এ সময় সেখানকার আশপাশের রাস্তায় গুলি ও কাঁদুনে গ্যাস ছোড়ার শব্দ শোনা যায়।
রয়টার্স জানিয়েছে, সামাজিক মাধ্যমে আসা ভিডিওতে অন্তত এক প্রতিবাদকারীকে কন্স্যুলেট ভবন লক্ষ্য করে আগ্নেয়াস্ত্র থেকে গুলি ছুড়তে দেখা গেছে আর গুলির শব্দ হতে শুরু করতেই রক্তাক্ত বিক্ষোভকারীদের পালাতে দেখা গেছে।
করাচির এক পুলিশ কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, কন্স্যুলেট প্রাঙ্গণ থেকে গুলি ছোড়া হয়েছে।
বর্তমানে দেশজুড়ে সমাবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি থাকলেও শিয়া সম্প্রদায়ের নেতারা লাহোর ও করাচিতে আরও প্রতিবাদের ডাক দিয়েছেন।
পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস রাজধানী ইসলামাবাদে। দেশটির পেশোয়ার ও লাহোর শহরে যুক্তরাষ্ট্রের আরও দুটি কন্স্যুলেট আছে।
করাচির কন্স্যুলেটের দিকে যাওয়ার সব রাস্তায় অবরোধ বসিয়ে সেগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কন্স্যুলেটের আশপাশে প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ইসলামাবাদ ও লাহোরে মার্কিন মিশনের আশপাশেও একই ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

করাচি কন্স্যুলেটে বিক্ষোভকারীদের গুলি করে ‘মার্কিন মেরিন সেনারা’
সিটিজেন ডেস্ক

পাকিস্তানের করাচি শহরে যুক্তরাষ্ট্রের কন্স্যুলেটে হামলার সময় বিক্ষোভকারীদের দিকে গুলি ছুড়েছে সেখানে থাকা মার্কিন মেরিন সেনারা। ওয়াশিংটনের দুই কর্মকর্তা সোমবার (২ মার্চ) রয়টার্সকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
এই প্রথম মার্কিন কর্মকর্তারা নিশ্চিত করলেন যে করাচির বিক্ষোভকারীদের দিকে গুলি ছুড়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের মেরিন সেনারা। তবে তাদের গুলিতে কেউ আহত বা নিহত হয়েছেন কি না, তা পরিষ্কার হয়নি বলে প্রাথমিক তথ্যের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছেন তারা।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, একটি কূটনৈতিক মিশন থেকে শক্তির এমন ব্যবহার বিরল ঘটনা। এটি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির হত্যাকাণ্ড নিয়ে ব্যাপক প্রতিবাদ হতে থাকা পাকিস্তানে উত্তেজনার তীব্রতা বাড়িয়ে তুলতে পারে।
রবিবার (১ মার্চ) করাচির ওই প্রতিবাদে অংশ নেওয়া বিক্ষোভকারীরা কন্স্যুলেট কম্পাউন্ডের বাইরের দেয়াল টপকে ভেতরে ঢুকে পড়ার পর গুলিতে ১০ জন নিহত হন।
ওই কর্মকর্তারা জানান, ঘটনার সময় মিশনের নিরাপত্তায় নিয়োজিত বেসরকারি নিরাপত্তা রক্ষী ও স্থানীয় পুলিশও গুলি চালিয়েছিল কি না তা তাদের জানা নেই।
পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশ সরকারের মুখপাত্র সুখদেব আসরদাস হেমনানি জানিয়েছেন, ‘নিরাপত্তা’ সদস্যরা গুলি ছুড়েছেন। তবে এই ‘নিরাপত্তা’ সদস্যরা কারা তা পরিষ্কার করেননি তিনি।
মার্কিন কূটনৈতিক মিশনগুলোর দৈনন্দিন নিরাপত্তার বিষয়গুলো প্রায়ই স্থানীয় বাহিনীগুলো ও ঠিকাদাররা দেখভাল করে। কিন্তু করাচির ঘটনায় মেরিন সেনাদের জড়িয়ে পড়া তুলে ধরে কন্স্যুলেট হুমকিটিকে কতো গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছিল।
ইরানের পর বিশ্বের সবচেয়ে বেশি শিয়া মুসলিমের বসবাস পাকিস্তানে। ইরান ঘিরে সৃষ্ট প্রতিবাদে দেশটিতে এ পর্যন্ত অন্তত ২৬ জন নিহত হয়েছেন। সোমবার পাকিস্তান দেশজুড়ে বড় ধরনের সমাবেশ নিষিদ্ধ করেছে।
রয়টার্সের সংবাদাতারা জানিয়েছেন, রবিবার করাচির কন্স্যুলেটের সামনে ‘আমেরিকার পতন হোক! ইসরায়েলের পতন হোক!’ বলে শ্লোগান দেয় প্রতিবাদকারীরা। এ সময় সেখানকার আশপাশের রাস্তায় গুলি ও কাঁদুনে গ্যাস ছোড়ার শব্দ শোনা যায়।
রয়টার্স জানিয়েছে, সামাজিক মাধ্যমে আসা ভিডিওতে অন্তত এক প্রতিবাদকারীকে কন্স্যুলেট ভবন লক্ষ্য করে আগ্নেয়াস্ত্র থেকে গুলি ছুড়তে দেখা গেছে আর গুলির শব্দ হতে শুরু করতেই রক্তাক্ত বিক্ষোভকারীদের পালাতে দেখা গেছে।
করাচির এক পুলিশ কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, কন্স্যুলেট প্রাঙ্গণ থেকে গুলি ছোড়া হয়েছে।
বর্তমানে দেশজুড়ে সমাবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি থাকলেও শিয়া সম্প্রদায়ের নেতারা লাহোর ও করাচিতে আরও প্রতিবাদের ডাক দিয়েছেন।
পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস রাজধানী ইসলামাবাদে। দেশটির পেশোয়ার ও লাহোর শহরে যুক্তরাষ্ট্রের আরও দুটি কন্স্যুলেট আছে।
করাচির কন্স্যুলেটের দিকে যাওয়ার সব রাস্তায় অবরোধ বসিয়ে সেগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কন্স্যুলেটের আশপাশে প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ইসলামাবাদ ও লাহোরে মার্কিন মিশনের আশপাশেও একই ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।




