খামেনির অত্যন্ত চিন্তিত হওয়া উচিত: ট্রাম্প

খামেনির অত্যন্ত চিন্তিত হওয়া উচিত: ট্রাম্প

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ‘অত্যন্ত চিন্তিত হওয়া উচিত’ বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আগামীকাল শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। তবে বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বৈঠকটি বাতিল হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিলে সে সময়ই হুমকির সুরে ট্রাম্প বলেন, আলোচনা না হলে খামেনির চিন্তিত হওয়া উচিত।
বিভিন্ন নাটকীয়তার পর শেষ পর্যন্ত আলোচনায় বসতে সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। প্রথমে তুরস্কে বৈঠক হওয়ার কথা থাকলেও ইরানের আপত্তিতে শেষ পর্যন্ত ওমানের রাজধানী মাস্কাটে দুই দেশের প্রতিনিধিরা এ বৈঠকে অংশ নেবেন।
বুধবার এ তথ্য নিশ্চিত করেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। তিনি বলেন শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) মাস্কাটের স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় বৈঠকটি হবে।
বৈঠক নিয়ে যখন শঙ্কা তৈরি হয় তখন সংবাদমাধ্যম এনবিসির এক সাংবাদিক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পকে এ ব্যাপারে প্রশ্ন করেন। জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি বলব তার খুবই চিন্তিত হওয়া উচিত। হ্যাঁ তার চিন্তিত হওয়া উচিত। তবে আপনি জানেন, তারা আমাদের সঙ্গে আলোচনা করছে।’
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় ইরানের পারমাণবিক কার্যক্রমের পাশাপাশি ব্যালিস্টিক মিসাইল এবং প্রক্সি বাহিনীকে সহায়তা নিয়েও কথা বলতে চায়। তবে ইরান জানিয়েছে, তারা পারমাণবিক কার্যক্রমের বাইরে আর কোনো কিছু নিয়ে আলোচনা করবে না।
তাদের এ দৃঢ় অবস্থানের কারণেই যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা থেকে সরে যেতে চেয়েছিল। একটি সূত্র জানিয়েছে, ইরানকে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের শর্তেই আলোচনা করতে হবে, নয়ত কোনো আলোচনা করবে না। তখন ইরান জানায় এমনটি হলে তারা আলোচনায় অংশ নেবে না।
সূত্র: এনবিসি

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ‘অত্যন্ত চিন্তিত হওয়া উচিত’ বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আগামীকাল শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। তবে বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বৈঠকটি বাতিল হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিলে সে সময়ই হুমকির সুরে ট্রাম্প বলেন, আলোচনা না হলে খামেনির চিন্তিত হওয়া উচিত।
বিভিন্ন নাটকীয়তার পর শেষ পর্যন্ত আলোচনায় বসতে সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। প্রথমে তুরস্কে বৈঠক হওয়ার কথা থাকলেও ইরানের আপত্তিতে শেষ পর্যন্ত ওমানের রাজধানী মাস্কাটে দুই দেশের প্রতিনিধিরা এ বৈঠকে অংশ নেবেন।
বুধবার এ তথ্য নিশ্চিত করেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। তিনি বলেন শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) মাস্কাটের স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় বৈঠকটি হবে।
বৈঠক নিয়ে যখন শঙ্কা তৈরি হয় তখন সংবাদমাধ্যম এনবিসির এক সাংবাদিক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পকে এ ব্যাপারে প্রশ্ন করেন। জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি বলব তার খুবই চিন্তিত হওয়া উচিত। হ্যাঁ তার চিন্তিত হওয়া উচিত। তবে আপনি জানেন, তারা আমাদের সঙ্গে আলোচনা করছে।’
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় ইরানের পারমাণবিক কার্যক্রমের পাশাপাশি ব্যালিস্টিক মিসাইল এবং প্রক্সি বাহিনীকে সহায়তা নিয়েও কথা বলতে চায়। তবে ইরান জানিয়েছে, তারা পারমাণবিক কার্যক্রমের বাইরে আর কোনো কিছু নিয়ে আলোচনা করবে না।
তাদের এ দৃঢ় অবস্থানের কারণেই যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা থেকে সরে যেতে চেয়েছিল। একটি সূত্র জানিয়েছে, ইরানকে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের শর্তেই আলোচনা করতে হবে, নয়ত কোনো আলোচনা করবে না। তখন ইরান জানায় এমনটি হলে তারা আলোচনায় অংশ নেবে না।
সূত্র: এনবিসি

খামেনির অত্যন্ত চিন্তিত হওয়া উচিত: ট্রাম্প

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ‘অত্যন্ত চিন্তিত হওয়া উচিত’ বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আগামীকাল শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। তবে বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বৈঠকটি বাতিল হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিলে সে সময়ই হুমকির সুরে ট্রাম্প বলেন, আলোচনা না হলে খামেনির চিন্তিত হওয়া উচিত।
বিভিন্ন নাটকীয়তার পর শেষ পর্যন্ত আলোচনায় বসতে সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। প্রথমে তুরস্কে বৈঠক হওয়ার কথা থাকলেও ইরানের আপত্তিতে শেষ পর্যন্ত ওমানের রাজধানী মাস্কাটে দুই দেশের প্রতিনিধিরা এ বৈঠকে অংশ নেবেন।
বুধবার এ তথ্য নিশ্চিত করেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। তিনি বলেন শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) মাস্কাটের স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় বৈঠকটি হবে।
বৈঠক নিয়ে যখন শঙ্কা তৈরি হয় তখন সংবাদমাধ্যম এনবিসির এক সাংবাদিক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পকে এ ব্যাপারে প্রশ্ন করেন। জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি বলব তার খুবই চিন্তিত হওয়া উচিত। হ্যাঁ তার চিন্তিত হওয়া উচিত। তবে আপনি জানেন, তারা আমাদের সঙ্গে আলোচনা করছে।’
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় ইরানের পারমাণবিক কার্যক্রমের পাশাপাশি ব্যালিস্টিক মিসাইল এবং প্রক্সি বাহিনীকে সহায়তা নিয়েও কথা বলতে চায়। তবে ইরান জানিয়েছে, তারা পারমাণবিক কার্যক্রমের বাইরে আর কোনো কিছু নিয়ে আলোচনা করবে না।
তাদের এ দৃঢ় অবস্থানের কারণেই যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা থেকে সরে যেতে চেয়েছিল। একটি সূত্র জানিয়েছে, ইরানকে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের শর্তেই আলোচনা করতে হবে, নয়ত কোনো আলোচনা করবে না। তখন ইরান জানায় এমনটি হলে তারা আলোচনায় অংশ নেবে না।
সূত্র: এনবিসি




