হঠাৎ ভুলে যাচ্ছেন, মুক্তি পাবেন যেভাবে

হঠাৎ ভুলে যাচ্ছেন, মুক্তি পাবেন যেভাবে
সিটিজেন ডেস্ক

দোকানে গেলেন, কিন্তু কী কিনবেন তা মনে নেই। বর্তমান জীবনে ব্যস্ততা ও কাজের চাপ বাড়ার সাথে সাথে অনেকের সঙ্গে এমন ঘটনা ঘটে। কথা বলার সময় খেই হারানো বা সাধারণ কাজেও মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন হয়ে যাওয়াকে ব্রেইন ফগ বলে থাকেন বিশেষজ্ঞরা। এটি কোনো আলাদা রোগ নয়, বরং কিছু উপসর্গের সমষ্টি—যেমন মনোযোগ কমে যাওয়া, ভুলে যাওয়া বা চিন্তাভাবনায় ধীরগতি।
ব্রেইন ফগ কাটানোর জন্য কয়েকটি কার্যকর পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।
ব্রেইন ফগ যেকোনো মানুষের হতে পারে। এটি কোনো ব্যক্তিগত দুর্বলতা নয়। অতিরিক্ত কাজের চাপ বা মস্তিষ্ক ক্লান্ত থাকার কারণে এই উপসর্গ দেখা দিতে পারে। তাই নিজেকে ধৈর্য ধরতে এবং প্রয়োজন হলে সাহায্য নিতে হবে।
প্রতিদিনের কাজের একটি নির্দিষ্ট রুটিন বানানো মস্তিষ্কের চাপ কমায়। সকালে ও রাতে নির্দিষ্ট সময়সূচি তৈরি করা, জামা-পোশাক বা নাশতা আগে থেকে প্রস্তুত রাখা— যা মস্তিষ্ককে বারবার সিদ্ধান্ত নেওয়ার ঝামেলা থেকে মুক্ত রাখে।
ধারাবাহিক কাজের মাঝে ছোট—ছোট বিরতি নিতে হবে। ৫ থেকে ১০ মিনিটের বিরতি হালকা স্ট্রেচিং, পানি পান বা চুপচাপ বসে থাকার মাধ্যমে মস্তিষ্কের চাপ কমাতে সাহায্য করে।
সব কাজ শুধু মনে রাখার চেষ্টা করলে দ্রুত ভুলে যাওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়। তাই ক্যালেন্ডার ও রিমাইন্ডার ব্যবহার করে কাজগুলো শিডিউল করুন। এতে মস্তিষ্কের চাপ কমে এবং গুরুত্বপূর্ণ কাজ ভুলে যাওয়ার ঝুঁকি কমে।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে, প্রতিদিন ৭ থেকে ৯ ঘণ্টা ঘুমানো মস্তিষ্ককে বিশ্রাম দেয় এবং স্মৃতিকে দৃঢ় করে। পর্যাপ্ত পানি পান করা মনোযোগ বাড়ায়। হালকা হাঁটা, দৌড় বা স্ট্রেচিং মস্তিষ্কে রক্ত ও অক্সিজেন প্রবাহ বাড়ায়। প্রাকৃতিক খাবার, ডিম, মাছ ও বাদাম মস্তিষ্কের কোলিন সরবরাহ করে মনোযোগ বাড়ায়। শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম, মাইন্ডফুলনেস বা শখের কাজ চাপ কমাতে সাহায্য করে। নিয়মিত এই অভ্যাসগুলো মেনে চললে ব্রেইন ফগ কমানো সম্ভব এবং মস্তিষ্ককে সজাগ ও একাগ্র রাখার ক্ষেত্রে সহায়ক হবে।

দোকানে গেলেন, কিন্তু কী কিনবেন তা মনে নেই। বর্তমান জীবনে ব্যস্ততা ও কাজের চাপ বাড়ার সাথে সাথে অনেকের সঙ্গে এমন ঘটনা ঘটে। কথা বলার সময় খেই হারানো বা সাধারণ কাজেও মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন হয়ে যাওয়াকে ব্রেইন ফগ বলে থাকেন বিশেষজ্ঞরা। এটি কোনো আলাদা রোগ নয়, বরং কিছু উপসর্গের সমষ্টি—যেমন মনোযোগ কমে যাওয়া, ভুলে যাওয়া বা চিন্তাভাবনায় ধীরগতি।
ব্রেইন ফগ কাটানোর জন্য কয়েকটি কার্যকর পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।
ব্রেইন ফগ যেকোনো মানুষের হতে পারে। এটি কোনো ব্যক্তিগত দুর্বলতা নয়। অতিরিক্ত কাজের চাপ বা মস্তিষ্ক ক্লান্ত থাকার কারণে এই উপসর্গ দেখা দিতে পারে। তাই নিজেকে ধৈর্য ধরতে এবং প্রয়োজন হলে সাহায্য নিতে হবে।
প্রতিদিনের কাজের একটি নির্দিষ্ট রুটিন বানানো মস্তিষ্কের চাপ কমায়। সকালে ও রাতে নির্দিষ্ট সময়সূচি তৈরি করা, জামা-পোশাক বা নাশতা আগে থেকে প্রস্তুত রাখা— যা মস্তিষ্ককে বারবার সিদ্ধান্ত নেওয়ার ঝামেলা থেকে মুক্ত রাখে।
ধারাবাহিক কাজের মাঝে ছোট—ছোট বিরতি নিতে হবে। ৫ থেকে ১০ মিনিটের বিরতি হালকা স্ট্রেচিং, পানি পান বা চুপচাপ বসে থাকার মাধ্যমে মস্তিষ্কের চাপ কমাতে সাহায্য করে।
সব কাজ শুধু মনে রাখার চেষ্টা করলে দ্রুত ভুলে যাওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়। তাই ক্যালেন্ডার ও রিমাইন্ডার ব্যবহার করে কাজগুলো শিডিউল করুন। এতে মস্তিষ্কের চাপ কমে এবং গুরুত্বপূর্ণ কাজ ভুলে যাওয়ার ঝুঁকি কমে।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে, প্রতিদিন ৭ থেকে ৯ ঘণ্টা ঘুমানো মস্তিষ্ককে বিশ্রাম দেয় এবং স্মৃতিকে দৃঢ় করে। পর্যাপ্ত পানি পান করা মনোযোগ বাড়ায়। হালকা হাঁটা, দৌড় বা স্ট্রেচিং মস্তিষ্কে রক্ত ও অক্সিজেন প্রবাহ বাড়ায়। প্রাকৃতিক খাবার, ডিম, মাছ ও বাদাম মস্তিষ্কের কোলিন সরবরাহ করে মনোযোগ বাড়ায়। শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম, মাইন্ডফুলনেস বা শখের কাজ চাপ কমাতে সাহায্য করে। নিয়মিত এই অভ্যাসগুলো মেনে চললে ব্রেইন ফগ কমানো সম্ভব এবং মস্তিষ্ককে সজাগ ও একাগ্র রাখার ক্ষেত্রে সহায়ক হবে।

হঠাৎ ভুলে যাচ্ছেন, মুক্তি পাবেন যেভাবে
সিটিজেন ডেস্ক

দোকানে গেলেন, কিন্তু কী কিনবেন তা মনে নেই। বর্তমান জীবনে ব্যস্ততা ও কাজের চাপ বাড়ার সাথে সাথে অনেকের সঙ্গে এমন ঘটনা ঘটে। কথা বলার সময় খেই হারানো বা সাধারণ কাজেও মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন হয়ে যাওয়াকে ব্রেইন ফগ বলে থাকেন বিশেষজ্ঞরা। এটি কোনো আলাদা রোগ নয়, বরং কিছু উপসর্গের সমষ্টি—যেমন মনোযোগ কমে যাওয়া, ভুলে যাওয়া বা চিন্তাভাবনায় ধীরগতি।
ব্রেইন ফগ কাটানোর জন্য কয়েকটি কার্যকর পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।
ব্রেইন ফগ যেকোনো মানুষের হতে পারে। এটি কোনো ব্যক্তিগত দুর্বলতা নয়। অতিরিক্ত কাজের চাপ বা মস্তিষ্ক ক্লান্ত থাকার কারণে এই উপসর্গ দেখা দিতে পারে। তাই নিজেকে ধৈর্য ধরতে এবং প্রয়োজন হলে সাহায্য নিতে হবে।
প্রতিদিনের কাজের একটি নির্দিষ্ট রুটিন বানানো মস্তিষ্কের চাপ কমায়। সকালে ও রাতে নির্দিষ্ট সময়সূচি তৈরি করা, জামা-পোশাক বা নাশতা আগে থেকে প্রস্তুত রাখা— যা মস্তিষ্ককে বারবার সিদ্ধান্ত নেওয়ার ঝামেলা থেকে মুক্ত রাখে।
ধারাবাহিক কাজের মাঝে ছোট—ছোট বিরতি নিতে হবে। ৫ থেকে ১০ মিনিটের বিরতি হালকা স্ট্রেচিং, পানি পান বা চুপচাপ বসে থাকার মাধ্যমে মস্তিষ্কের চাপ কমাতে সাহায্য করে।
সব কাজ শুধু মনে রাখার চেষ্টা করলে দ্রুত ভুলে যাওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়। তাই ক্যালেন্ডার ও রিমাইন্ডার ব্যবহার করে কাজগুলো শিডিউল করুন। এতে মস্তিষ্কের চাপ কমে এবং গুরুত্বপূর্ণ কাজ ভুলে যাওয়ার ঝুঁকি কমে।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে, প্রতিদিন ৭ থেকে ৯ ঘণ্টা ঘুমানো মস্তিষ্ককে বিশ্রাম দেয় এবং স্মৃতিকে দৃঢ় করে। পর্যাপ্ত পানি পান করা মনোযোগ বাড়ায়। হালকা হাঁটা, দৌড় বা স্ট্রেচিং মস্তিষ্কে রক্ত ও অক্সিজেন প্রবাহ বাড়ায়। প্রাকৃতিক খাবার, ডিম, মাছ ও বাদাম মস্তিষ্কের কোলিন সরবরাহ করে মনোযোগ বাড়ায়। শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম, মাইন্ডফুলনেস বা শখের কাজ চাপ কমাতে সাহায্য করে। নিয়মিত এই অভ্যাসগুলো মেনে চললে ব্রেইন ফগ কমানো সম্ভব এবং মস্তিষ্ককে সজাগ ও একাগ্র রাখার ক্ষেত্রে সহায়ক হবে।




