আলোচনা সফল হোক চায় না ইসরায়েল

আলোচনা সফল হোক চায় না ইসরায়েল
সিটিজেন ডেস্ক

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুসহ দেশটির রাজনীতিবিদরা আশা করছেন ইসলামাবাদে আলোচনা ব্যর্থ হোক। যাতে তারা শুধু ইরানেই নয়, লেবাননেও যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারেন।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানে যৌথ হামলা চালালে মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত শুরু হয়। গত ৮ এপ্রিল ইরানে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে ইসরায়েলি সরকারের জন্য যুদ্ধবিরতি মোটেই আদর্শ পরিস্থিতি নয়। তারা ইরান ও লেবানন উভয় ফ্রন্টেই বড় সাফল্য অর্জন করেছে বলে দাবি করে আসছে।
ইসরায়েল বলে আসছে দুটি রণাঙ্গন আলাদা। বিশ্লেষকদের মতে, এখন তারা দক্ষিণ লেবাননে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে।
এদিকে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ। তিনি হিজবুল্লাহর মহাসচিব নাঈম কাসেমকে হুমকি দিয়ে বলেছেন, তাকে ‘ভারী মূল্য দিতে হবে’ এবং ইসরায়েল তাকে লক্ষ্য করে হামলা চালাতে পারে। কাৎজ আরও বলেন, আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার জন্য লেবানন সরকারের উচিত তাদের ভূমিকা পালন করা এবং হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করা।
এখন ইসরায়েলি সরকার শুধু লেবানন সরকারের কাছে হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করার দাবিই করছে না বরং তা না করলে এর জন্য বড় মূল্য দেওয়ার হুমকিও দিচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, উত্তর ইসরায়েলের জনগণের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। কারণ তারা দীর্ঘদিন ধরে হিজবুল্লাহর রকেট হামলার মুখে রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সরকার আরও কঠোর অবস্থান নিতে চাইছে।
ফলে ইসরায়েলি সরকার মনে করছে তাদের আরও কিছু করার প্রয়োজন। এই ‘আরও কিছু’ করার অর্থ হলো লেবাননে সেনা মোতায়েন অব্যাহত রাখা, দখল করা এলাকা থেকে না সরা এবং সম্ভাব্য যেকোনো শান্তি চুক্তি ব্যাহত করার চেষ্টা করা। এর ফলে তারা ইরান ও লেবাননে হামলা অব্যাহত রাখতে পারবে।
সূত্র: আল জাজিরা

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুসহ দেশটির রাজনীতিবিদরা আশা করছেন ইসলামাবাদে আলোচনা ব্যর্থ হোক। যাতে তারা শুধু ইরানেই নয়, লেবাননেও যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারেন।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানে যৌথ হামলা চালালে মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত শুরু হয়। গত ৮ এপ্রিল ইরানে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে ইসরায়েলি সরকারের জন্য যুদ্ধবিরতি মোটেই আদর্শ পরিস্থিতি নয়। তারা ইরান ও লেবানন উভয় ফ্রন্টেই বড় সাফল্য অর্জন করেছে বলে দাবি করে আসছে।
ইসরায়েল বলে আসছে দুটি রণাঙ্গন আলাদা। বিশ্লেষকদের মতে, এখন তারা দক্ষিণ লেবাননে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে।
এদিকে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ। তিনি হিজবুল্লাহর মহাসচিব নাঈম কাসেমকে হুমকি দিয়ে বলেছেন, তাকে ‘ভারী মূল্য দিতে হবে’ এবং ইসরায়েল তাকে লক্ষ্য করে হামলা চালাতে পারে। কাৎজ আরও বলেন, আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার জন্য লেবানন সরকারের উচিত তাদের ভূমিকা পালন করা এবং হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করা।
এখন ইসরায়েলি সরকার শুধু লেবানন সরকারের কাছে হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করার দাবিই করছে না বরং তা না করলে এর জন্য বড় মূল্য দেওয়ার হুমকিও দিচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, উত্তর ইসরায়েলের জনগণের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। কারণ তারা দীর্ঘদিন ধরে হিজবুল্লাহর রকেট হামলার মুখে রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সরকার আরও কঠোর অবস্থান নিতে চাইছে।
ফলে ইসরায়েলি সরকার মনে করছে তাদের আরও কিছু করার প্রয়োজন। এই ‘আরও কিছু’ করার অর্থ হলো লেবাননে সেনা মোতায়েন অব্যাহত রাখা, দখল করা এলাকা থেকে না সরা এবং সম্ভাব্য যেকোনো শান্তি চুক্তি ব্যাহত করার চেষ্টা করা। এর ফলে তারা ইরান ও লেবাননে হামলা অব্যাহত রাখতে পারবে।
সূত্র: আল জাজিরা

আলোচনা সফল হোক চায় না ইসরায়েল
সিটিজেন ডেস্ক

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুসহ দেশটির রাজনীতিবিদরা আশা করছেন ইসলামাবাদে আলোচনা ব্যর্থ হোক। যাতে তারা শুধু ইরানেই নয়, লেবাননেও যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারেন।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানে যৌথ হামলা চালালে মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত শুরু হয়। গত ৮ এপ্রিল ইরানে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে ইসরায়েলি সরকারের জন্য যুদ্ধবিরতি মোটেই আদর্শ পরিস্থিতি নয়। তারা ইরান ও লেবানন উভয় ফ্রন্টেই বড় সাফল্য অর্জন করেছে বলে দাবি করে আসছে।
ইসরায়েল বলে আসছে দুটি রণাঙ্গন আলাদা। বিশ্লেষকদের মতে, এখন তারা দক্ষিণ লেবাননে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে।
এদিকে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ। তিনি হিজবুল্লাহর মহাসচিব নাঈম কাসেমকে হুমকি দিয়ে বলেছেন, তাকে ‘ভারী মূল্য দিতে হবে’ এবং ইসরায়েল তাকে লক্ষ্য করে হামলা চালাতে পারে। কাৎজ আরও বলেন, আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার জন্য লেবানন সরকারের উচিত তাদের ভূমিকা পালন করা এবং হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করা।
এখন ইসরায়েলি সরকার শুধু লেবানন সরকারের কাছে হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করার দাবিই করছে না বরং তা না করলে এর জন্য বড় মূল্য দেওয়ার হুমকিও দিচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, উত্তর ইসরায়েলের জনগণের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। কারণ তারা দীর্ঘদিন ধরে হিজবুল্লাহর রকেট হামলার মুখে রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সরকার আরও কঠোর অবস্থান নিতে চাইছে।
ফলে ইসরায়েলি সরকার মনে করছে তাদের আরও কিছু করার প্রয়োজন। এই ‘আরও কিছু’ করার অর্থ হলো লেবাননে সেনা মোতায়েন অব্যাহত রাখা, দখল করা এলাকা থেকে না সরা এবং সম্ভাব্য যেকোনো শান্তি চুক্তি ব্যাহত করার চেষ্টা করা। এর ফলে তারা ইরান ও লেবাননে হামলা অব্যাহত রাখতে পারবে।
সূত্র: আল জাজিরা




