ইরানে হামলার পরিকল্পনা স্থগিত করলেন ট্রাম্প

ইরানে হামলার পরিকল্পনা স্থগিত করলেন ট্রাম্প
সিটিজেন ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বেইজিং সফর শেষে ইরানকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন। এটা নিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা শুরু হয়। যেকোনো সময় ইরানে হামলা হতে পারে বলে মনে করছিলেন সামরিক বিশেষজ্ঞরা। অনেকেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হতে পারে বলেও সতর্ক করেন। তবে ইরানের ওপর পরিকল্পিত সামরিক হামলা আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
মঙ্গলবার (২০ মে) গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার কারণে সাময়িকভাবে নির্ধারিত ওই হামলা বাতিল করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি মিত্র দেশের অনুরোধে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান ট্রাম্প। সোমবার নিজের ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন তিনি। পাশাপাশি সতর্ক করে বলেন, আলোচনায় গ্রহণযোগ্য কোনো চুক্তি না হলে যেকোনো সময় ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালাতে প্রস্তুত রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী।
যদিও ট্রাম্প পরিকল্পিত হামলাটি কেমন হবে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি। তবে গ্রহণযোগ্য চুক্তি না হলে মার্কিন সামরিক বাহিনীকে যেকোনো মুহূর্তে ইরানের ওপর একটি পূর্ণাঙ্গ ও বড় আকারের হামলা চালানোর জন্য প্রস্তুত থাকতে বলেছেন তিনি।
১৯ মে প্রকাশ্যে হামলা হবে এমন কোনো পরিকল্পনার কথা না জানালেও ট্রাম্প গত কয়েকদিন ধরেই ইরানকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে আসছিলেন। সম্প্রতি ‘ইরানের জন্য সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। এমনকি দ্রুত সিদ্ধান্ত না নিলে তাদের জন্য কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না বলেও হুমকি দেন ট্রাম্প।
এমনকি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একাধিক এআই ছবি পোস্ট করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সেখানে ইরানের মানচিত্রে মার্কিন পতাকা দেখা যাচ্ছে। আরেকটি ছবিতে তাকে ইরানে হামলা করার জন্য রেড বাটন টিপতে দেখা গেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, সম্প্রতি ইরান ইস্যুতে ওয়াশিংটনের অবস্থান আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে, তবে কূটনৈতিক সমাধানের পথ পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো আঞ্চলিক মিত্ররা উত্তেজনা কমাতে সক্রিয় ভূমিকা রাখছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট তার পোস্টে জানান, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের নেতাদের অনুরোধে হামলার পরিকল্পনা স্থগিত করা হয়েছে।
এদিকে যুদ্ধবিরতির অবসান ঘটিয়ে আগামী সপ্তাহের শুরুতেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল আবারও ইরানে যৌথ সামরিক অভিযান শুরুর প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমস।
দুই দেশের উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তাদের বরাতে সংবাদমাধ্যমটির এক বিশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
ইরান ইস্যুতে এদিকে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে শি জিনপিংয়ের সঙ্গেও আলোচনা করেছেন ট্রাম্প। এতে বোঝা যাচ্ছে, ইরান ইস্যু এখন শুধু মধ্যপ্রাচ্য নয়, বরং বৈশ্বিক কূটনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয়ে পরিণত হয়েছে।
সূত্র: এনডিটিভি, ইয়াহু নিউজ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বেইজিং সফর শেষে ইরানকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন। এটা নিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা শুরু হয়। যেকোনো সময় ইরানে হামলা হতে পারে বলে মনে করছিলেন সামরিক বিশেষজ্ঞরা। অনেকেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হতে পারে বলেও সতর্ক করেন। তবে ইরানের ওপর পরিকল্পিত সামরিক হামলা আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
মঙ্গলবার (২০ মে) গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার কারণে সাময়িকভাবে নির্ধারিত ওই হামলা বাতিল করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি মিত্র দেশের অনুরোধে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান ট্রাম্প। সোমবার নিজের ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন তিনি। পাশাপাশি সতর্ক করে বলেন, আলোচনায় গ্রহণযোগ্য কোনো চুক্তি না হলে যেকোনো সময় ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালাতে প্রস্তুত রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী।
যদিও ট্রাম্প পরিকল্পিত হামলাটি কেমন হবে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি। তবে গ্রহণযোগ্য চুক্তি না হলে মার্কিন সামরিক বাহিনীকে যেকোনো মুহূর্তে ইরানের ওপর একটি পূর্ণাঙ্গ ও বড় আকারের হামলা চালানোর জন্য প্রস্তুত থাকতে বলেছেন তিনি।
১৯ মে প্রকাশ্যে হামলা হবে এমন কোনো পরিকল্পনার কথা না জানালেও ট্রাম্প গত কয়েকদিন ধরেই ইরানকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে আসছিলেন। সম্প্রতি ‘ইরানের জন্য সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। এমনকি দ্রুত সিদ্ধান্ত না নিলে তাদের জন্য কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না বলেও হুমকি দেন ট্রাম্প।
এমনকি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একাধিক এআই ছবি পোস্ট করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সেখানে ইরানের মানচিত্রে মার্কিন পতাকা দেখা যাচ্ছে। আরেকটি ছবিতে তাকে ইরানে হামলা করার জন্য রেড বাটন টিপতে দেখা গেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, সম্প্রতি ইরান ইস্যুতে ওয়াশিংটনের অবস্থান আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে, তবে কূটনৈতিক সমাধানের পথ পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো আঞ্চলিক মিত্ররা উত্তেজনা কমাতে সক্রিয় ভূমিকা রাখছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট তার পোস্টে জানান, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের নেতাদের অনুরোধে হামলার পরিকল্পনা স্থগিত করা হয়েছে।
এদিকে যুদ্ধবিরতির অবসান ঘটিয়ে আগামী সপ্তাহের শুরুতেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল আবারও ইরানে যৌথ সামরিক অভিযান শুরুর প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমস।
দুই দেশের উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তাদের বরাতে সংবাদমাধ্যমটির এক বিশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
ইরান ইস্যুতে এদিকে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে শি জিনপিংয়ের সঙ্গেও আলোচনা করেছেন ট্রাম্প। এতে বোঝা যাচ্ছে, ইরান ইস্যু এখন শুধু মধ্যপ্রাচ্য নয়, বরং বৈশ্বিক কূটনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয়ে পরিণত হয়েছে।
সূত্র: এনডিটিভি, ইয়াহু নিউজ

ইরানে হামলার পরিকল্পনা স্থগিত করলেন ট্রাম্প
সিটিজেন ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বেইজিং সফর শেষে ইরানকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন। এটা নিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা শুরু হয়। যেকোনো সময় ইরানে হামলা হতে পারে বলে মনে করছিলেন সামরিক বিশেষজ্ঞরা। অনেকেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হতে পারে বলেও সতর্ক করেন। তবে ইরানের ওপর পরিকল্পিত সামরিক হামলা আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
মঙ্গলবার (২০ মে) গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার কারণে সাময়িকভাবে নির্ধারিত ওই হামলা বাতিল করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি মিত্র দেশের অনুরোধে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান ট্রাম্প। সোমবার নিজের ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন তিনি। পাশাপাশি সতর্ক করে বলেন, আলোচনায় গ্রহণযোগ্য কোনো চুক্তি না হলে যেকোনো সময় ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালাতে প্রস্তুত রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী।
যদিও ট্রাম্প পরিকল্পিত হামলাটি কেমন হবে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি। তবে গ্রহণযোগ্য চুক্তি না হলে মার্কিন সামরিক বাহিনীকে যেকোনো মুহূর্তে ইরানের ওপর একটি পূর্ণাঙ্গ ও বড় আকারের হামলা চালানোর জন্য প্রস্তুত থাকতে বলেছেন তিনি।
১৯ মে প্রকাশ্যে হামলা হবে এমন কোনো পরিকল্পনার কথা না জানালেও ট্রাম্প গত কয়েকদিন ধরেই ইরানকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে আসছিলেন। সম্প্রতি ‘ইরানের জন্য সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। এমনকি দ্রুত সিদ্ধান্ত না নিলে তাদের জন্য কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না বলেও হুমকি দেন ট্রাম্প।
এমনকি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একাধিক এআই ছবি পোস্ট করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সেখানে ইরানের মানচিত্রে মার্কিন পতাকা দেখা যাচ্ছে। আরেকটি ছবিতে তাকে ইরানে হামলা করার জন্য রেড বাটন টিপতে দেখা গেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, সম্প্রতি ইরান ইস্যুতে ওয়াশিংটনের অবস্থান আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে, তবে কূটনৈতিক সমাধানের পথ পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো আঞ্চলিক মিত্ররা উত্তেজনা কমাতে সক্রিয় ভূমিকা রাখছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট তার পোস্টে জানান, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের নেতাদের অনুরোধে হামলার পরিকল্পনা স্থগিত করা হয়েছে।
এদিকে যুদ্ধবিরতির অবসান ঘটিয়ে আগামী সপ্তাহের শুরুতেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল আবারও ইরানে যৌথ সামরিক অভিযান শুরুর প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমস।
দুই দেশের উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তাদের বরাতে সংবাদমাধ্যমটির এক বিশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
ইরান ইস্যুতে এদিকে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে শি জিনপিংয়ের সঙ্গেও আলোচনা করেছেন ট্রাম্প। এতে বোঝা যাচ্ছে, ইরান ইস্যু এখন শুধু মধ্যপ্রাচ্য নয়, বরং বৈশ্বিক কূটনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয়ে পরিণত হয়েছে।
সূত্র: এনডিটিভি, ইয়াহু নিউজ

পুনরায় যুদ্ধের শঙ্কা ইরানে
ইরানের নতুন প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, পুনরায় হামলার হুমকি ট্রাম্পের


