ফারুয়া ইউনিয়নে পানিবন্দি ১২ হাজার মানুষ, পৌঁছেনি ত্রাণ

ফারুয়া ইউনিয়নে পানিবন্দি ১২ হাজার মানুষ, পৌঁছেনি ত্রাণ
রাঙামাটি সংবাদদাতা

রাঙামাটির বিলাইছড়ি উপজেলারর দুর্গম ফারুয়া ইউনিয়নে বন্যা পরিস্থিতি তীব্র আকার ধারণ করেছে। পাশাপাশি সেখানে দেখা দিয়েছে তীব্র খাদ্য সংকট। তবে ওই এলাকায় এখনো পৌঁছেনি কোন সরকারি ত্রাণ।
শনিবার (১১ জুলাই) সকালে ফারুয়া ইউনিয়নের উলুছড়ি গ্রামের বাজার ও বেশকিছু বাড়ি উজানের পানির স্রোতে তলিয়ে গেছে।
স্থানীয়রা জানান, গত সোমবার থেকে টানা বর্ষণে ফারুয়া ও উলুছড়ি ডুবে যায়। বৃহস্পতিবার বৃষ্টি কমে আসায় পানিও কমতে শুরু করে। তবে শুক্রবার রাতের বৃষ্টিতে আবারও তলিয়ে যায় উলুছড়ি গ্রামের বাজার ও বেশকিছু বাড়ি।
স্থানীয় বাসিন্দা তরু তঞ্চঙ্গ্যা বলেন, আশপাশের স্কুলে ঠাঁই নিয়েছে গ্রামের মানুষ। দুর্গম ও মোবাইল নেটওয়ার্ক না থাকায় এখনো ত্রাণ পৌঁছেনি।
বিলাইছড়ির স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল হক বলেন, তীব্র স্রোত থাকায় ফারুয়ায় নৌকা নিয়ে যাওয়া যাচ্ছে না। আবার সীমান্ত সড়ক ভেঙে যাওয়ায় গাড়ি চলাচলও বন্ধ। কয়েকটি বাজার ডুবে যাওয়ায় খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে।
রাঙামাটির বিলাইছড়ির উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাকির হোসেন বলেন, উপজেলায় ২৫ হাজার মানুষ পানি বন্দি হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে ফারুয়া ইউনিয়নে প্রায় ১২ হাজার মানুষ। তীব্র স্রোতের কারণে সেখানে ত্রাণ পৌঁছানো যাচ্ছে না।
ইউপি চেয়ারম্যান বিদ্যালাল তঞ্চঙ্গ্যা জানান, অবস্থা ভয়াবহ। ভোর রাত থেকে প্রবল বর্ষণে ফারুয়ার নিম্নাঞ্চলের সকল গ্রাম পানিতে তলিয়ে যায়।

রাঙামাটির বিলাইছড়ি উপজেলারর দুর্গম ফারুয়া ইউনিয়নে বন্যা পরিস্থিতি তীব্র আকার ধারণ করেছে। পাশাপাশি সেখানে দেখা দিয়েছে তীব্র খাদ্য সংকট। তবে ওই এলাকায় এখনো পৌঁছেনি কোন সরকারি ত্রাণ।
শনিবার (১১ জুলাই) সকালে ফারুয়া ইউনিয়নের উলুছড়ি গ্রামের বাজার ও বেশকিছু বাড়ি উজানের পানির স্রোতে তলিয়ে গেছে।
স্থানীয়রা জানান, গত সোমবার থেকে টানা বর্ষণে ফারুয়া ও উলুছড়ি ডুবে যায়। বৃহস্পতিবার বৃষ্টি কমে আসায় পানিও কমতে শুরু করে। তবে শুক্রবার রাতের বৃষ্টিতে আবারও তলিয়ে যায় উলুছড়ি গ্রামের বাজার ও বেশকিছু বাড়ি।
স্থানীয় বাসিন্দা তরু তঞ্চঙ্গ্যা বলেন, আশপাশের স্কুলে ঠাঁই নিয়েছে গ্রামের মানুষ। দুর্গম ও মোবাইল নেটওয়ার্ক না থাকায় এখনো ত্রাণ পৌঁছেনি।
বিলাইছড়ির স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল হক বলেন, তীব্র স্রোত থাকায় ফারুয়ায় নৌকা নিয়ে যাওয়া যাচ্ছে না। আবার সীমান্ত সড়ক ভেঙে যাওয়ায় গাড়ি চলাচলও বন্ধ। কয়েকটি বাজার ডুবে যাওয়ায় খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে।
রাঙামাটির বিলাইছড়ির উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাকির হোসেন বলেন, উপজেলায় ২৫ হাজার মানুষ পানি বন্দি হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে ফারুয়া ইউনিয়নে প্রায় ১২ হাজার মানুষ। তীব্র স্রোতের কারণে সেখানে ত্রাণ পৌঁছানো যাচ্ছে না।
ইউপি চেয়ারম্যান বিদ্যালাল তঞ্চঙ্গ্যা জানান, অবস্থা ভয়াবহ। ভোর রাত থেকে প্রবল বর্ষণে ফারুয়ার নিম্নাঞ্চলের সকল গ্রাম পানিতে তলিয়ে যায়।

ফারুয়া ইউনিয়নে পানিবন্দি ১২ হাজার মানুষ, পৌঁছেনি ত্রাণ
রাঙামাটি সংবাদদাতা

রাঙামাটির বিলাইছড়ি উপজেলারর দুর্গম ফারুয়া ইউনিয়নে বন্যা পরিস্থিতি তীব্র আকার ধারণ করেছে। পাশাপাশি সেখানে দেখা দিয়েছে তীব্র খাদ্য সংকট। তবে ওই এলাকায় এখনো পৌঁছেনি কোন সরকারি ত্রাণ।
শনিবার (১১ জুলাই) সকালে ফারুয়া ইউনিয়নের উলুছড়ি গ্রামের বাজার ও বেশকিছু বাড়ি উজানের পানির স্রোতে তলিয়ে গেছে।
স্থানীয়রা জানান, গত সোমবার থেকে টানা বর্ষণে ফারুয়া ও উলুছড়ি ডুবে যায়। বৃহস্পতিবার বৃষ্টি কমে আসায় পানিও কমতে শুরু করে। তবে শুক্রবার রাতের বৃষ্টিতে আবারও তলিয়ে যায় উলুছড়ি গ্রামের বাজার ও বেশকিছু বাড়ি।
স্থানীয় বাসিন্দা তরু তঞ্চঙ্গ্যা বলেন, আশপাশের স্কুলে ঠাঁই নিয়েছে গ্রামের মানুষ। দুর্গম ও মোবাইল নেটওয়ার্ক না থাকায় এখনো ত্রাণ পৌঁছেনি।
বিলাইছড়ির স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল হক বলেন, তীব্র স্রোত থাকায় ফারুয়ায় নৌকা নিয়ে যাওয়া যাচ্ছে না। আবার সীমান্ত সড়ক ভেঙে যাওয়ায় গাড়ি চলাচলও বন্ধ। কয়েকটি বাজার ডুবে যাওয়ায় খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে।
রাঙামাটির বিলাইছড়ির উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাকির হোসেন বলেন, উপজেলায় ২৫ হাজার মানুষ পানি বন্দি হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে ফারুয়া ইউনিয়নে প্রায় ১২ হাজার মানুষ। তীব্র স্রোতের কারণে সেখানে ত্রাণ পৌঁছানো যাচ্ছে না।
ইউপি চেয়ারম্যান বিদ্যালাল তঞ্চঙ্গ্যা জানান, অবস্থা ভয়াবহ। ভোর রাত থেকে প্রবল বর্ষণে ফারুয়ার নিম্নাঞ্চলের সকল গ্রাম পানিতে তলিয়ে যায়।




