সৌদি আরবে মিললো আব্বাসীয় আমলের স্বর্ণালঙ্কার
সিটিজেন ডেস্ক

সৌদি আরবে মিললো আব্বাসীয় আমলের স্বর্ণালঙ্কার
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ২০ মে ২০২৬, ১৮: ৪৮

সৌদি আরবের কাসিম অঞ্চলের ঐতিহাসিক দরিয়াহ প্রত্নতাত্ত্বিক এলাকায় খননকাজের সময় আব্বাসীয় আমলের একটি সম্পূর্ণ স্বর্ণালঙ্কারের সেট আবিষ্কৃত হয়েছে। দেশটির হেরিটেজ কমিশন নিশ্চিত করেছে, উদ্ধারকৃত মূল্যবান এ সংগ্রহের মধ্যে প্রায় ১০০টি স্বর্ণের টুকরো রয়েছে, যা প্রাচীনকালের উন্নত ও সূক্ষ্ম কারুকার্যের এক অনন্য নিদর্শন।
বিশেষজ্ঞ প্রত্নতাত্ত্বিকদের মতে, উদ্ধার করা অলঙ্কারগুলোতে জ্যামিতিক ও বহু পাপড়িযুক্ত ফুলের চমৎকার নকশা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বিশেষ করে স্বর্ণের ফ্রেমে নিখুঁতভাবে বসানো রঙিন পাথর, বহুরঙা পুঁতি এবং সূক্ষ্মভাবে তৈরি স্বর্ণের বিভাজক একে আরও বেশি নজরকাড়া করেছে। প্রাচীন এ গহনাগুলো তৈরিতে স্বর্ণের পাত হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে আকার দেওয়া এবং নিখুঁতভাবে পাথর বসানোর মতো উন্নত কৌশল ব্যবহার করা হয়েছে। এটি মূলত আব্বাসীয় যুগের স্বর্ণশিল্পের পরিশীলিত রূপ ও অভূতপূর্ব উন্নয়নেরই প্রতিফলন।
সোনার গহনার পাশাপাশি কাসিমের প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানে একই আমলের বেশ কিছু প্রাচীন স্থাপত্যের ধ্বংসাবশেষও উন্মোচিত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে পাথরের তৈরি ভবনের ভিত্তি, মাটির দেয়াল, অগ্নিকুণ্ড, মাটির পাত্র এবং বিভিন্ন ধাতব সরঞ্জাম। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রাপ্ত তথ্য ও প্রমাণাদি থেকে এটা স্পষ্ট যে হিজরি তৃতীয় শতাব্দীর শেষভাগ থেকেই ওই অঞ্চলে স্থায়ী মানব বসতি ছিল। একই সঙ্গে এটি ঐতিহাসিক হজ ও প্রাচীন বাণিজ্য পথ বরাবর দরিয়াহ অঞ্চলের কৌশলগত ও বাণিজ্যিক গুরুত্বকে নতুন করে সামনে এনেছে।
মূলত দেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা ঐতিহাসিক স্থানগুলোর নথিভুক্তকরণ, সংরক্ষণ ও গবেষণার অংশ হিসেবে এ খননকার্য চালানো হয়। অভিনব আবিষ্কারটি সৌদি ভিশন ২০৩০ এর সাংস্কৃতিক লক্ষ্য অর্জনে এবং দেশটির সমৃদ্ধ প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্যকে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরার বৃহত্তর প্রচেষ্টারই একটি অংশ।
সূত্র: গালফ নিউজ

সৌদি আরবের কাসিম অঞ্চলের ঐতিহাসিক দরিয়াহ প্রত্নতাত্ত্বিক এলাকায় খননকাজের সময় আব্বাসীয় আমলের একটি সম্পূর্ণ স্বর্ণালঙ্কারের সেট আবিষ্কৃত হয়েছে। দেশটির হেরিটেজ কমিশন নিশ্চিত করেছে, উদ্ধারকৃত মূল্যবান এ সংগ্রহের মধ্যে প্রায় ১০০টি স্বর্ণের টুকরো রয়েছে, যা প্রাচীনকালের উন্নত ও সূক্ষ্ম কারুকার্যের এক অনন্য নিদর্শন।
বিশেষজ্ঞ প্রত্নতাত্ত্বিকদের মতে, উদ্ধার করা অলঙ্কারগুলোতে জ্যামিতিক ও বহু পাপড়িযুক্ত ফুলের চমৎকার নকশা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বিশেষ করে স্বর্ণের ফ্রেমে নিখুঁতভাবে বসানো রঙিন পাথর, বহুরঙা পুঁতি এবং সূক্ষ্মভাবে তৈরি স্বর্ণের বিভাজক একে আরও বেশি নজরকাড়া করেছে। প্রাচীন এ গহনাগুলো তৈরিতে স্বর্ণের পাত হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে আকার দেওয়া এবং নিখুঁতভাবে পাথর বসানোর মতো উন্নত কৌশল ব্যবহার করা হয়েছে। এটি মূলত আব্বাসীয় যুগের স্বর্ণশিল্পের পরিশীলিত রূপ ও অভূতপূর্ব উন্নয়নেরই প্রতিফলন।
সোনার গহনার পাশাপাশি কাসিমের প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানে একই আমলের বেশ কিছু প্রাচীন স্থাপত্যের ধ্বংসাবশেষও উন্মোচিত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে পাথরের তৈরি ভবনের ভিত্তি, মাটির দেয়াল, অগ্নিকুণ্ড, মাটির পাত্র এবং বিভিন্ন ধাতব সরঞ্জাম। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রাপ্ত তথ্য ও প্রমাণাদি থেকে এটা স্পষ্ট যে হিজরি তৃতীয় শতাব্দীর শেষভাগ থেকেই ওই অঞ্চলে স্থায়ী মানব বসতি ছিল। একই সঙ্গে এটি ঐতিহাসিক হজ ও প্রাচীন বাণিজ্য পথ বরাবর দরিয়াহ অঞ্চলের কৌশলগত ও বাণিজ্যিক গুরুত্বকে নতুন করে সামনে এনেছে।
মূলত দেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা ঐতিহাসিক স্থানগুলোর নথিভুক্তকরণ, সংরক্ষণ ও গবেষণার অংশ হিসেবে এ খননকার্য চালানো হয়। অভিনব আবিষ্কারটি সৌদি ভিশন ২০৩০ এর সাংস্কৃতিক লক্ষ্য অর্জনে এবং দেশটির সমৃদ্ধ প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্যকে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরার বৃহত্তর প্রচেষ্টারই একটি অংশ।
সূত্র: গালফ নিউজ

সৌদি আরবে মিললো আব্বাসীয় আমলের স্বর্ণালঙ্কার
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ২০ মে ২০২৬, ১৮: ৪৮

সৌদি আরবের কাসিম অঞ্চলের ঐতিহাসিক দরিয়াহ প্রত্নতাত্ত্বিক এলাকায় খননকাজের সময় আব্বাসীয় আমলের একটি সম্পূর্ণ স্বর্ণালঙ্কারের সেট আবিষ্কৃত হয়েছে। দেশটির হেরিটেজ কমিশন নিশ্চিত করেছে, উদ্ধারকৃত মূল্যবান এ সংগ্রহের মধ্যে প্রায় ১০০টি স্বর্ণের টুকরো রয়েছে, যা প্রাচীনকালের উন্নত ও সূক্ষ্ম কারুকার্যের এক অনন্য নিদর্শন।
বিশেষজ্ঞ প্রত্নতাত্ত্বিকদের মতে, উদ্ধার করা অলঙ্কারগুলোতে জ্যামিতিক ও বহু পাপড়িযুক্ত ফুলের চমৎকার নকশা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বিশেষ করে স্বর্ণের ফ্রেমে নিখুঁতভাবে বসানো রঙিন পাথর, বহুরঙা পুঁতি এবং সূক্ষ্মভাবে তৈরি স্বর্ণের বিভাজক একে আরও বেশি নজরকাড়া করেছে। প্রাচীন এ গহনাগুলো তৈরিতে স্বর্ণের পাত হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে আকার দেওয়া এবং নিখুঁতভাবে পাথর বসানোর মতো উন্নত কৌশল ব্যবহার করা হয়েছে। এটি মূলত আব্বাসীয় যুগের স্বর্ণশিল্পের পরিশীলিত রূপ ও অভূতপূর্ব উন্নয়নেরই প্রতিফলন।
সোনার গহনার পাশাপাশি কাসিমের প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানে একই আমলের বেশ কিছু প্রাচীন স্থাপত্যের ধ্বংসাবশেষও উন্মোচিত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে পাথরের তৈরি ভবনের ভিত্তি, মাটির দেয়াল, অগ্নিকুণ্ড, মাটির পাত্র এবং বিভিন্ন ধাতব সরঞ্জাম। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রাপ্ত তথ্য ও প্রমাণাদি থেকে এটা স্পষ্ট যে হিজরি তৃতীয় শতাব্দীর শেষভাগ থেকেই ওই অঞ্চলে স্থায়ী মানব বসতি ছিল। একই সঙ্গে এটি ঐতিহাসিক হজ ও প্রাচীন বাণিজ্য পথ বরাবর দরিয়াহ অঞ্চলের কৌশলগত ও বাণিজ্যিক গুরুত্বকে নতুন করে সামনে এনেছে।
মূলত দেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা ঐতিহাসিক স্থানগুলোর নথিভুক্তকরণ, সংরক্ষণ ও গবেষণার অংশ হিসেবে এ খননকার্য চালানো হয়। অভিনব আবিষ্কারটি সৌদি ভিশন ২০৩০ এর সাংস্কৃতিক লক্ষ্য অর্জনে এবং দেশটির সমৃদ্ধ প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্যকে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরার বৃহত্তর প্রচেষ্টারই একটি অংশ।
সূত্র: গালফ নিউজ
/এমএকে/

ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্টকে নিয়ে মার্কিন-ইসরায়েলের গোপন পরিকল্পনা ফাঁস


