বিখ্যাত ইরানি লেখক মারজান সাত্রাপি মারা গেছেন

বিখ্যাত ইরানি লেখক মারজান সাত্রাপি মারা গেছেন
সিটিজেন ডেস্ক

কালজয়ী গ্রাফিক উপন্যাস ‘পারসেপোলিস’-এর স্রষ্টা ও প্রখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক মারজান সাত্রাপি মারা গেছেন। ৫৬ বছর বয়সী এ ফরাসি-ইরানি শিল্পী পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে চলে গেলেন। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) তার এক ঘনিষ্ঠ সূত্র গণমাধ্যমের কাছে এই মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন।
এক বিবৃতিতে জানানো হয়, তার স্বামী ম্যাতিয়াস রিপা ছিলেন তার জীবনের পরম ভালোবাসার মানুষ। প্রিয়তম স্বামীর মৃত্যুর পর গভীর শোক ও দুঃখ গ্রাস করেছিল এ শিল্পীকে, যার মাত্র এক বছরের কিছু বেশি সময়ের ব্যবধানে তিনি নিজেও চিরবিদায় নিলেন।
১৯৬৯ সালে উত্তর ইরানের রশতে জন্ম নেওয়া সাত্রাপি ১৯৯৪ সালে ফ্রান্সে পাড়ি জমান এবং পরবর্তীতে ২০০৬ সালে সেখানকার নাগরিকত্ব লাভ করেন। ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থার একজন স্পষ্টভাষী সমালোচক ছিলেন তিনি। তার সবচেয়ে বড় কীর্তি ‘পারসেপোলিস’ গ্রাফিক উপন্যাসে তেহরানে কাটানো নিজের শৈশব ও কৈশোরের দিনগুলোর গল্প ফুটিয়ে তুলেছেন।
সেখানে ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর ধর্মীয় নেতৃত্বের চাপিয়ে দেওয়া নানাবিধ কঠোর বিধিনিষেধের বিরুদ্ধে তার ব্যক্তিগত লড়াইয়ের চিত্র নিখুঁতভাবে উঠে এসেছে। একপর্যায়ে পরিস্থিতির কারণে তার বাবা-মা তাকে ইউরোপে পাঠিয়ে দিলে শুরু হয় তার নির্বাসিত জীবন। এ মহান শিল্পীর প্রয়াণে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ। সাত্রাপির স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে তিনি বলেন, সাত্রাপি একজন মহান শিল্পী ছিলেন, যিনি ইরানে কাটানো নিজের শৈশবকে একটি সর্বজনীন গল্পে রূপ দিতে পেরেছিলেন।
উল্লেখ্য, নিজের এ জনপ্রিয় গ্রাফিক উপন্যাসের ওপর ভিত্তি করে ২০০৭ সালে একটি চলচ্চিত্রও নির্মাণ করেছিলেন সাত্রাপি। ফরাসি কমিকস শিল্পী ভিনসেন্ট পারোনদের সঙ্গে যৌথভাবে পরিচালিত এই অ্যানিমেটেড ছবিটি কান চলচ্চিত্র উৎসবে মর্যাদাপূর্ণ জুরি প্রাইজ লাভ করে এবং পরবর্তীতে অস্কারের জন্যও মনোনীত হয়েছিল।

কালজয়ী গ্রাফিক উপন্যাস ‘পারসেপোলিস’-এর স্রষ্টা ও প্রখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক মারজান সাত্রাপি মারা গেছেন। ৫৬ বছর বয়সী এ ফরাসি-ইরানি শিল্পী পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে চলে গেলেন। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) তার এক ঘনিষ্ঠ সূত্র গণমাধ্যমের কাছে এই মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন।
এক বিবৃতিতে জানানো হয়, তার স্বামী ম্যাতিয়াস রিপা ছিলেন তার জীবনের পরম ভালোবাসার মানুষ। প্রিয়তম স্বামীর মৃত্যুর পর গভীর শোক ও দুঃখ গ্রাস করেছিল এ শিল্পীকে, যার মাত্র এক বছরের কিছু বেশি সময়ের ব্যবধানে তিনি নিজেও চিরবিদায় নিলেন।
১৯৬৯ সালে উত্তর ইরানের রশতে জন্ম নেওয়া সাত্রাপি ১৯৯৪ সালে ফ্রান্সে পাড়ি জমান এবং পরবর্তীতে ২০০৬ সালে সেখানকার নাগরিকত্ব লাভ করেন। ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থার একজন স্পষ্টভাষী সমালোচক ছিলেন তিনি। তার সবচেয়ে বড় কীর্তি ‘পারসেপোলিস’ গ্রাফিক উপন্যাসে তেহরানে কাটানো নিজের শৈশব ও কৈশোরের দিনগুলোর গল্প ফুটিয়ে তুলেছেন।
সেখানে ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর ধর্মীয় নেতৃত্বের চাপিয়ে দেওয়া নানাবিধ কঠোর বিধিনিষেধের বিরুদ্ধে তার ব্যক্তিগত লড়াইয়ের চিত্র নিখুঁতভাবে উঠে এসেছে। একপর্যায়ে পরিস্থিতির কারণে তার বাবা-মা তাকে ইউরোপে পাঠিয়ে দিলে শুরু হয় তার নির্বাসিত জীবন। এ মহান শিল্পীর প্রয়াণে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ। সাত্রাপির স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে তিনি বলেন, সাত্রাপি একজন মহান শিল্পী ছিলেন, যিনি ইরানে কাটানো নিজের শৈশবকে একটি সর্বজনীন গল্পে রূপ দিতে পেরেছিলেন।
উল্লেখ্য, নিজের এ জনপ্রিয় গ্রাফিক উপন্যাসের ওপর ভিত্তি করে ২০০৭ সালে একটি চলচ্চিত্রও নির্মাণ করেছিলেন সাত্রাপি। ফরাসি কমিকস শিল্পী ভিনসেন্ট পারোনদের সঙ্গে যৌথভাবে পরিচালিত এই অ্যানিমেটেড ছবিটি কান চলচ্চিত্র উৎসবে মর্যাদাপূর্ণ জুরি প্রাইজ লাভ করে এবং পরবর্তীতে অস্কারের জন্যও মনোনীত হয়েছিল।

বিখ্যাত ইরানি লেখক মারজান সাত্রাপি মারা গেছেন
সিটিজেন ডেস্ক

কালজয়ী গ্রাফিক উপন্যাস ‘পারসেপোলিস’-এর স্রষ্টা ও প্রখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক মারজান সাত্রাপি মারা গেছেন। ৫৬ বছর বয়সী এ ফরাসি-ইরানি শিল্পী পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে চলে গেলেন। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) তার এক ঘনিষ্ঠ সূত্র গণমাধ্যমের কাছে এই মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন।
এক বিবৃতিতে জানানো হয়, তার স্বামী ম্যাতিয়াস রিপা ছিলেন তার জীবনের পরম ভালোবাসার মানুষ। প্রিয়তম স্বামীর মৃত্যুর পর গভীর শোক ও দুঃখ গ্রাস করেছিল এ শিল্পীকে, যার মাত্র এক বছরের কিছু বেশি সময়ের ব্যবধানে তিনি নিজেও চিরবিদায় নিলেন।
১৯৬৯ সালে উত্তর ইরানের রশতে জন্ম নেওয়া সাত্রাপি ১৯৯৪ সালে ফ্রান্সে পাড়ি জমান এবং পরবর্তীতে ২০০৬ সালে সেখানকার নাগরিকত্ব লাভ করেন। ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থার একজন স্পষ্টভাষী সমালোচক ছিলেন তিনি। তার সবচেয়ে বড় কীর্তি ‘পারসেপোলিস’ গ্রাফিক উপন্যাসে তেহরানে কাটানো নিজের শৈশব ও কৈশোরের দিনগুলোর গল্প ফুটিয়ে তুলেছেন।
সেখানে ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর ধর্মীয় নেতৃত্বের চাপিয়ে দেওয়া নানাবিধ কঠোর বিধিনিষেধের বিরুদ্ধে তার ব্যক্তিগত লড়াইয়ের চিত্র নিখুঁতভাবে উঠে এসেছে। একপর্যায়ে পরিস্থিতির কারণে তার বাবা-মা তাকে ইউরোপে পাঠিয়ে দিলে শুরু হয় তার নির্বাসিত জীবন। এ মহান শিল্পীর প্রয়াণে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ। সাত্রাপির স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে তিনি বলেন, সাত্রাপি একজন মহান শিল্পী ছিলেন, যিনি ইরানে কাটানো নিজের শৈশবকে একটি সর্বজনীন গল্পে রূপ দিতে পেরেছিলেন।
উল্লেখ্য, নিজের এ জনপ্রিয় গ্রাফিক উপন্যাসের ওপর ভিত্তি করে ২০০৭ সালে একটি চলচ্চিত্রও নির্মাণ করেছিলেন সাত্রাপি। ফরাসি কমিকস শিল্পী ভিনসেন্ট পারোনদের সঙ্গে যৌথভাবে পরিচালিত এই অ্যানিমেটেড ছবিটি কান চলচ্চিত্র উৎসবে মর্যাদাপূর্ণ জুরি প্রাইজ লাভ করে এবং পরবর্তীতে অস্কারের জন্যও মনোনীত হয়েছিল।




