যুদ্ধবিরতি বাড়লেও থেমে নেই লেবানন-ইসরায়েল সংঘাত

যুদ্ধবিরতি বাড়লেও থেমে নেই লেবানন-ইসরায়েল সংঘাত
সিটিজেন ডেস্ক

লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি আরও তিন সপ্তাহের জন্য বাড়ানোর ঘোষণা এলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন নিয়ে চরম সংশয় দেখা দিয়েছে।
হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও উভয় দেশের রাষ্ট্রদূতদের উপস্থিতিতে এ চুক্তিকে সাধুবাদ জানানো হলেও এর কয়েক ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই সীমান্তে বেজে উঠেছে যুদ্ধের সাইরেন। ইসরায়েলের শতুলা এলাকায় রকেট হামলার খবর নিশ্চিত করে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দাবি করেছে, তারা বেশ কয়েকটি প্রজেক্টাইল প্রতিহত করেছে। অন্যদিকে, সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহও টেলিগ্রামে দেওয়া বার্তায় ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে এ হামলার দায় স্বীকার করেছে। সংঘাতের রেশ কেবল সীমান্তেই সীমাবদ্ধ নেই, খোদ ইরানের রাজধানী তেহরানেও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় হওয়ার খবর পাওয়া গেছে, যা পুরো অঞ্চলের অস্থিরতাকে আরও উসকে দিচ্ছে।
জাতিসংঘে নিযুক্ত ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত ড্যানি ড্যানন সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ চুক্তির কার্যকারিতা নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন। তার মতে, লেবানন সরকারের হিজবুল্লাহর ওপর কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই, যার ফলে যুদ্ধবিরতি বারবার লঙ্ঘিত হচ্ছে। ড্যানন স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, হিজবুল্লাহ যখনই যুদ্ধবিরতি ব্যাহত করতে রকেট হামলা চালাচ্ছে, ইসরায়েলকে আত্মরক্ষার্থে তখনই পাল্টা জবাব দিতে হচ্ছে। তিনি বলেন, লেবাননের সেনাবাহিনী বাস্তবে এ চুক্তি কার্যকর করতে পারবে, তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে এটি শতভাগ নিশ্চিত নয়। মূলত, দীর্ঘমেয়াদী শান্তি প্রতিষ্ঠার উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনার কেন্দ্রে রয়েছে হিজবুল্লাহকে পুরোপুরি নিরস্ত্র করার দাবি। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল মনে করছে, সাম্প্রতিক সময়ে ইরান ও হিজবুল্লাহর শক্তি হ্রাস পাওয়া তাদের নিরস্ত্র করার একটি বড় সুযোগ তৈরি করেছে।
তবে এ শান্তি প্রক্রিয়া বাস্তবায়নে বড় ধরনের জটিলতা দেখছেন বিশ্লেষকরা। হিজবুল্লাহ নিজেদেরকে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে লেবাননের একমাত্র কার্যকর প্রতিরোধ শক্তি হিসেবে বিবেচনা করে। এমতাবস্থায় লেবানন রাষ্ট্রের সম্মতি পেতে হলে কেবল চাপের নীতি নয়, বরং ইসরায়েলি দখলদারিত্বের অবসান এবং লেবাননের জাতীয় বাহিনীকে শক্তিশালী করতে ওয়াশিংটনের ব্যাপক সহায়তার প্রয়োজন হবে। বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, কার্যকর কোনো সমাধান ছাড়া কেবল হিজবুল্লাহর ওপর চাপ প্রয়োগ করলে লেবাননের ভেতরে নতুন করে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়তে পারে। ফলে তিন সপ্তাহের এ বর্ধিত সময়সীমা মধ্যপ্রাচ্যে প্রকৃত স্থিতিশীলতা আনবে নাকি বড় কোনো ঝড়ের পূর্বাভাস দিচ্ছে, তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ থেকেই যায়।
সূত্র: বিবিসি

লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি আরও তিন সপ্তাহের জন্য বাড়ানোর ঘোষণা এলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন নিয়ে চরম সংশয় দেখা দিয়েছে।
হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও উভয় দেশের রাষ্ট্রদূতদের উপস্থিতিতে এ চুক্তিকে সাধুবাদ জানানো হলেও এর কয়েক ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই সীমান্তে বেজে উঠেছে যুদ্ধের সাইরেন। ইসরায়েলের শতুলা এলাকায় রকেট হামলার খবর নিশ্চিত করে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দাবি করেছে, তারা বেশ কয়েকটি প্রজেক্টাইল প্রতিহত করেছে। অন্যদিকে, সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহও টেলিগ্রামে দেওয়া বার্তায় ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে এ হামলার দায় স্বীকার করেছে। সংঘাতের রেশ কেবল সীমান্তেই সীমাবদ্ধ নেই, খোদ ইরানের রাজধানী তেহরানেও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় হওয়ার খবর পাওয়া গেছে, যা পুরো অঞ্চলের অস্থিরতাকে আরও উসকে দিচ্ছে।
জাতিসংঘে নিযুক্ত ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত ড্যানি ড্যানন সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ চুক্তির কার্যকারিতা নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন। তার মতে, লেবানন সরকারের হিজবুল্লাহর ওপর কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই, যার ফলে যুদ্ধবিরতি বারবার লঙ্ঘিত হচ্ছে। ড্যানন স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, হিজবুল্লাহ যখনই যুদ্ধবিরতি ব্যাহত করতে রকেট হামলা চালাচ্ছে, ইসরায়েলকে আত্মরক্ষার্থে তখনই পাল্টা জবাব দিতে হচ্ছে। তিনি বলেন, লেবাননের সেনাবাহিনী বাস্তবে এ চুক্তি কার্যকর করতে পারবে, তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে এটি শতভাগ নিশ্চিত নয়। মূলত, দীর্ঘমেয়াদী শান্তি প্রতিষ্ঠার উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনার কেন্দ্রে রয়েছে হিজবুল্লাহকে পুরোপুরি নিরস্ত্র করার দাবি। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল মনে করছে, সাম্প্রতিক সময়ে ইরান ও হিজবুল্লাহর শক্তি হ্রাস পাওয়া তাদের নিরস্ত্র করার একটি বড় সুযোগ তৈরি করেছে।
তবে এ শান্তি প্রক্রিয়া বাস্তবায়নে বড় ধরনের জটিলতা দেখছেন বিশ্লেষকরা। হিজবুল্লাহ নিজেদেরকে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে লেবাননের একমাত্র কার্যকর প্রতিরোধ শক্তি হিসেবে বিবেচনা করে। এমতাবস্থায় লেবানন রাষ্ট্রের সম্মতি পেতে হলে কেবল চাপের নীতি নয়, বরং ইসরায়েলি দখলদারিত্বের অবসান এবং লেবাননের জাতীয় বাহিনীকে শক্তিশালী করতে ওয়াশিংটনের ব্যাপক সহায়তার প্রয়োজন হবে। বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, কার্যকর কোনো সমাধান ছাড়া কেবল হিজবুল্লাহর ওপর চাপ প্রয়োগ করলে লেবাননের ভেতরে নতুন করে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়তে পারে। ফলে তিন সপ্তাহের এ বর্ধিত সময়সীমা মধ্যপ্রাচ্যে প্রকৃত স্থিতিশীলতা আনবে নাকি বড় কোনো ঝড়ের পূর্বাভাস দিচ্ছে, তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ থেকেই যায়।
সূত্র: বিবিসি

যুদ্ধবিরতি বাড়লেও থেমে নেই লেবানন-ইসরায়েল সংঘাত
সিটিজেন ডেস্ক

লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি আরও তিন সপ্তাহের জন্য বাড়ানোর ঘোষণা এলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন নিয়ে চরম সংশয় দেখা দিয়েছে।
হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও উভয় দেশের রাষ্ট্রদূতদের উপস্থিতিতে এ চুক্তিকে সাধুবাদ জানানো হলেও এর কয়েক ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই সীমান্তে বেজে উঠেছে যুদ্ধের সাইরেন। ইসরায়েলের শতুলা এলাকায় রকেট হামলার খবর নিশ্চিত করে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দাবি করেছে, তারা বেশ কয়েকটি প্রজেক্টাইল প্রতিহত করেছে। অন্যদিকে, সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহও টেলিগ্রামে দেওয়া বার্তায় ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে এ হামলার দায় স্বীকার করেছে। সংঘাতের রেশ কেবল সীমান্তেই সীমাবদ্ধ নেই, খোদ ইরানের রাজধানী তেহরানেও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় হওয়ার খবর পাওয়া গেছে, যা পুরো অঞ্চলের অস্থিরতাকে আরও উসকে দিচ্ছে।
জাতিসংঘে নিযুক্ত ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত ড্যানি ড্যানন সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ চুক্তির কার্যকারিতা নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন। তার মতে, লেবানন সরকারের হিজবুল্লাহর ওপর কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই, যার ফলে যুদ্ধবিরতি বারবার লঙ্ঘিত হচ্ছে। ড্যানন স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, হিজবুল্লাহ যখনই যুদ্ধবিরতি ব্যাহত করতে রকেট হামলা চালাচ্ছে, ইসরায়েলকে আত্মরক্ষার্থে তখনই পাল্টা জবাব দিতে হচ্ছে। তিনি বলেন, লেবাননের সেনাবাহিনী বাস্তবে এ চুক্তি কার্যকর করতে পারবে, তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে এটি শতভাগ নিশ্চিত নয়। মূলত, দীর্ঘমেয়াদী শান্তি প্রতিষ্ঠার উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনার কেন্দ্রে রয়েছে হিজবুল্লাহকে পুরোপুরি নিরস্ত্র করার দাবি। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল মনে করছে, সাম্প্রতিক সময়ে ইরান ও হিজবুল্লাহর শক্তি হ্রাস পাওয়া তাদের নিরস্ত্র করার একটি বড় সুযোগ তৈরি করেছে।
তবে এ শান্তি প্রক্রিয়া বাস্তবায়নে বড় ধরনের জটিলতা দেখছেন বিশ্লেষকরা। হিজবুল্লাহ নিজেদেরকে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে লেবাননের একমাত্র কার্যকর প্রতিরোধ শক্তি হিসেবে বিবেচনা করে। এমতাবস্থায় লেবানন রাষ্ট্রের সম্মতি পেতে হলে কেবল চাপের নীতি নয়, বরং ইসরায়েলি দখলদারিত্বের অবসান এবং লেবাননের জাতীয় বাহিনীকে শক্তিশালী করতে ওয়াশিংটনের ব্যাপক সহায়তার প্রয়োজন হবে। বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, কার্যকর কোনো সমাধান ছাড়া কেবল হিজবুল্লাহর ওপর চাপ প্রয়োগ করলে লেবাননের ভেতরে নতুন করে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়তে পারে। ফলে তিন সপ্তাহের এ বর্ধিত সময়সীমা মধ্যপ্রাচ্যে প্রকৃত স্থিতিশীলতা আনবে নাকি বড় কোনো ঝড়ের পূর্বাভাস দিচ্ছে, তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ থেকেই যায়।
সূত্র: বিবিসি




