ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৩৩৪২

ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৩৩৪২
সিজেডএন ডেস্ক

ভেনেজুয়েলায় এক মিনিটেরও কম সময়ের ব্যবধানে আঘাত হানা জোড়া ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩ হাজার ৩৪২ জনে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১৬হাজার ৭০০ জন।
রবিবার (৫ জুলাই) দেশটির তথ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভূমিকম্পের পর এখন পর্যন্ত ৬ হাজার ৪৬২ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। এতে ৮৫৬টি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ধসে পড়েছে অন্তত ১৯০টি স্থাপনা ধসে পড়েছে।
ভূমিকম্পের পর ৮৬ হাজার ৭৯৪টি পরিবারকে সহায়তা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এখন পর্যন্ত ১৭ হাজার ৩৪৫ জন বাসিন্দা গৃহহীন রয়েছে।
ভূমিকম্প-বিধ্বস্ত এলাকাগুলোতে ৪ হাজার ৮৮ জন আন্তর্জাতিক উদ্ধারকর্মীকে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করছে। ত্রাণকার্যক্রমের জন্য কারাকাস ২৯ হাজার ৫৬৭ জন কর্মী ও ২৭ হাজার ৪৮২ জন স্বেচ্ছাসেবক মোতায়েন করেছে।
এর আগে বুধবার (২৪ জুন) স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় ভেনেজুয়েলায় দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। যুক্তরাষ্ট্রের জিওলজিক্যাল সার্ভে জানিয়েছে, প্রথম আঘাত হানা ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৭.২। এর কেন্দ্র ছিল ইয়ারাকুয়ি অঙ্গরাজ্যের সান ফেলিপে। এর ৩৯ সেকেন্ড পর আরও শক্তিশালী একটি ভূমিকম্প হয়, যার মাত্রা ছিল ৭.৫। দ্বিতীয় ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ভেনেজুয়েলার ইউমারে শহর থেকে প্রায় ২৩ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত।
এটি ছিল গত ১২৫ বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে ভেনেজুয়েলার সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প। ভূমিকম্পে প্রায় ৫৮ হাজার ৮৭০টি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ।
এদিকে জীবিতদের খোঁজে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রেখেছে দেশি-বিদেশি সংস্থা। ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত শহর লা গুয়াইরার অধিকাংশ ধসে পড়া ভবনে ‘ডি (ডিসিস্ট)’ চিহ্ন দিয়ে রাখা হয়েছে। এর অর্থ, সেখানে তল্লাশি চালিয়ে জীবিত কাউকে পাওয়া যায়নি।
সাধারণত এই ধরনের দুর্যোগের পর পরবর্তী তিন দিনই জীবিতদের খুঁজে বের করার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত সময়। মানুষ পানি ছাড়া তিন দিনই বাঁচতে পারে। তবে এর মাঝেও অলৌকিক কিছু ঘটনা ঘটছে। ভূমিকম্পের ৮ দিন পর এক ব্যক্তিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। এটাকে অলৌকিক ঘটনা বলে উল্লেখ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি, আল জাজিরা

ভেনেজুয়েলায় এক মিনিটেরও কম সময়ের ব্যবধানে আঘাত হানা জোড়া ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩ হাজার ৩৪২ জনে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১৬হাজার ৭০০ জন।
রবিবার (৫ জুলাই) দেশটির তথ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভূমিকম্পের পর এখন পর্যন্ত ৬ হাজার ৪৬২ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। এতে ৮৫৬টি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ধসে পড়েছে অন্তত ১৯০টি স্থাপনা ধসে পড়েছে।
ভূমিকম্পের পর ৮৬ হাজার ৭৯৪টি পরিবারকে সহায়তা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এখন পর্যন্ত ১৭ হাজার ৩৪৫ জন বাসিন্দা গৃহহীন রয়েছে।
ভূমিকম্প-বিধ্বস্ত এলাকাগুলোতে ৪ হাজার ৮৮ জন আন্তর্জাতিক উদ্ধারকর্মীকে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করছে। ত্রাণকার্যক্রমের জন্য কারাকাস ২৯ হাজার ৫৬৭ জন কর্মী ও ২৭ হাজার ৪৮২ জন স্বেচ্ছাসেবক মোতায়েন করেছে।
এর আগে বুধবার (২৪ জুন) স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় ভেনেজুয়েলায় দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। যুক্তরাষ্ট্রের জিওলজিক্যাল সার্ভে জানিয়েছে, প্রথম আঘাত হানা ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৭.২। এর কেন্দ্র ছিল ইয়ারাকুয়ি অঙ্গরাজ্যের সান ফেলিপে। এর ৩৯ সেকেন্ড পর আরও শক্তিশালী একটি ভূমিকম্প হয়, যার মাত্রা ছিল ৭.৫। দ্বিতীয় ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ভেনেজুয়েলার ইউমারে শহর থেকে প্রায় ২৩ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত।
এটি ছিল গত ১২৫ বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে ভেনেজুয়েলার সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প। ভূমিকম্পে প্রায় ৫৮ হাজার ৮৭০টি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ।
এদিকে জীবিতদের খোঁজে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রেখেছে দেশি-বিদেশি সংস্থা। ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত শহর লা গুয়াইরার অধিকাংশ ধসে পড়া ভবনে ‘ডি (ডিসিস্ট)’ চিহ্ন দিয়ে রাখা হয়েছে। এর অর্থ, সেখানে তল্লাশি চালিয়ে জীবিত কাউকে পাওয়া যায়নি।
সাধারণত এই ধরনের দুর্যোগের পর পরবর্তী তিন দিনই জীবিতদের খুঁজে বের করার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত সময়। মানুষ পানি ছাড়া তিন দিনই বাঁচতে পারে। তবে এর মাঝেও অলৌকিক কিছু ঘটনা ঘটছে। ভূমিকম্পের ৮ দিন পর এক ব্যক্তিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। এটাকে অলৌকিক ঘটনা বলে উল্লেখ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি, আল জাজিরা

ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৩৩৪২
সিজেডএন ডেস্ক

ভেনেজুয়েলায় এক মিনিটেরও কম সময়ের ব্যবধানে আঘাত হানা জোড়া ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩ হাজার ৩৪২ জনে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১৬হাজার ৭০০ জন।
রবিবার (৫ জুলাই) দেশটির তথ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভূমিকম্পের পর এখন পর্যন্ত ৬ হাজার ৪৬২ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। এতে ৮৫৬টি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ধসে পড়েছে অন্তত ১৯০টি স্থাপনা ধসে পড়েছে।
ভূমিকম্পের পর ৮৬ হাজার ৭৯৪টি পরিবারকে সহায়তা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এখন পর্যন্ত ১৭ হাজার ৩৪৫ জন বাসিন্দা গৃহহীন রয়েছে।
ভূমিকম্প-বিধ্বস্ত এলাকাগুলোতে ৪ হাজার ৮৮ জন আন্তর্জাতিক উদ্ধারকর্মীকে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করছে। ত্রাণকার্যক্রমের জন্য কারাকাস ২৯ হাজার ৫৬৭ জন কর্মী ও ২৭ হাজার ৪৮২ জন স্বেচ্ছাসেবক মোতায়েন করেছে।
এর আগে বুধবার (২৪ জুন) স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় ভেনেজুয়েলায় দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। যুক্তরাষ্ট্রের জিওলজিক্যাল সার্ভে জানিয়েছে, প্রথম আঘাত হানা ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৭.২। এর কেন্দ্র ছিল ইয়ারাকুয়ি অঙ্গরাজ্যের সান ফেলিপে। এর ৩৯ সেকেন্ড পর আরও শক্তিশালী একটি ভূমিকম্প হয়, যার মাত্রা ছিল ৭.৫। দ্বিতীয় ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ভেনেজুয়েলার ইউমারে শহর থেকে প্রায় ২৩ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত।
এটি ছিল গত ১২৫ বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে ভেনেজুয়েলার সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প। ভূমিকম্পে প্রায় ৫৮ হাজার ৮৭০টি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ।
এদিকে জীবিতদের খোঁজে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রেখেছে দেশি-বিদেশি সংস্থা। ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত শহর লা গুয়াইরার অধিকাংশ ধসে পড়া ভবনে ‘ডি (ডিসিস্ট)’ চিহ্ন দিয়ে রাখা হয়েছে। এর অর্থ, সেখানে তল্লাশি চালিয়ে জীবিত কাউকে পাওয়া যায়নি।
সাধারণত এই ধরনের দুর্যোগের পর পরবর্তী তিন দিনই জীবিতদের খুঁজে বের করার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত সময়। মানুষ পানি ছাড়া তিন দিনই বাঁচতে পারে। তবে এর মাঝেও অলৌকিক কিছু ঘটনা ঘটছে। ভূমিকম্পের ৮ দিন পর এক ব্যক্তিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। এটাকে অলৌকিক ঘটনা বলে উল্লেখ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি, আল জাজিরা

ভেনেজুয়েলার পাশে দাঁড়িয়ে মেসির আবেগঘন বার্তা 


