ব্রাজিলের পেনাল্টি মিস নিয়ে যা বললেন ভিনিসিয়ুস

ব্রাজিলের পেনাল্টি মিস নিয়ে যা বললেন ভিনিসিয়ুস
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

নরওয়ের কাছে ২-১ ব্যবধানে হেরে বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিলের আকস্মিক বিদায়ে তোলপাড় চলছে দেশটির ফুটবল অঙ্গনে। বিশেষ করে ম্যাচের দশম মিনিটে দলের প্রধান তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়র পেনাল্টি না নিয়ে কেন মিডফিল্ডার ব্রুনো গিমারেসকে শট নেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হলো, তা নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র বিতর্ক। কোচের এ সিদ্ধান্তের পেছনে থাকা রহস্য নিয়ে কার্লো আনচেলত্তি নিজের অবস্থান পরিষ্কার করার পর, এবার বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন স্বয়ং ভিনিসিয়ুস।
ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে সেলেসাও কোচ কার্লো আনচেলত্তি পেনাল্টি টেকার নির্বাচনের নেপথ্য কারণ ব্যাখ্যা করেন। তিনি জানান, খেলোয়াড়দের বিগত এক বছরের পেনাল্টির খতিয়ান দেখে একটি তালিকা তৈরি করা হয়েছিল। সেই তালিকায় ক্রমানুসারে সেরা পেনাল্টি টেকার হলেন নেইমার, ইগর থিয়াগো, রাফিনিয়া, ব্রুনো গিমারেইস এবং মার্তিনেল্লি। পেনাল্টি পাওয়ার মুহূর্তে মাঠে থাকা খেলোয়াড়দের মধ্যে ব্রুনোই তালিকায় সবার ওপরে থাকায় তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। পরিসংখ্যানও বলছিল, ব্রুনো ক্লাব ফুটবলে তার শেষ তিনটি পেনাল্টিতেই সফল ছিলেন। অপরদিকে ভিনিসিয়ুস রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে গত মৌসুমে ৫টি গোল করলেও ২টি পেনাল্টি মিস করেছিলেন। মূলত এই গাণিতিক হিসাব থেকেই ফাটকা খেলেছিলেন আনচেলত্তি, যা শেষ পর্যন্ত কাজে লাগেনি।
এদিকে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে চাপের মুখে ভিনিসিয়ুস গুরুদায়িত্ব এড়াতে চেয়েছিলেন বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে গুঞ্জন উঠেছে, তা কঠোরভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন এ রিয়াল মাদ্রিদ তারকা। স্টেডিয়াম ছাড়ার সময় মিক্সড জোনে ক্ষোভ প্রকাশ করে ভিনিসিয়ুস বলেন, তিনি কখনো দায়িত্ব থেকে পালিয়ে যাননি। ম্যাচের আগেই কোচ ব্রুনোকে পেনাল্টি টেকার হিসেবে নির্ধারণ করেছিলেন এবং ব্রুনো তখন ভালো ফর্মে থাকায় কোচ ওকেই যোগ্য মনে করেছেন। টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার কোনো লোভ বা ব্যক্তিগত অহংকার তার নেই উল্লেখ করে ভিনি বলেন, এখন তাদের এই দুঃখ সহ্য করে ২০৩০ বিশ্বকাপের জন্য আরও ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে। অন্যদিকে, পুরো টুর্নামেন্টে দারুণ খেলা সত্ত্বেও পেনাল্টি মিস করায় চরম হতাশ ব্রুনো গিমারেইস জানান, গোলরক্ষককে নিয়ে যথেষ্ট পড়াশোনা করে উপযুক্ত দিকে শট নিলেও প্রতিপক্ষ কীপারের অসাধারণ সেভের কারণেই বলটি জালে জড়ায়নি।

নরওয়ের কাছে ২-১ ব্যবধানে হেরে বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিলের আকস্মিক বিদায়ে তোলপাড় চলছে দেশটির ফুটবল অঙ্গনে। বিশেষ করে ম্যাচের দশম মিনিটে দলের প্রধান তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়র পেনাল্টি না নিয়ে কেন মিডফিল্ডার ব্রুনো গিমারেসকে শট নেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হলো, তা নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র বিতর্ক। কোচের এ সিদ্ধান্তের পেছনে থাকা রহস্য নিয়ে কার্লো আনচেলত্তি নিজের অবস্থান পরিষ্কার করার পর, এবার বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন স্বয়ং ভিনিসিয়ুস।
ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে সেলেসাও কোচ কার্লো আনচেলত্তি পেনাল্টি টেকার নির্বাচনের নেপথ্য কারণ ব্যাখ্যা করেন। তিনি জানান, খেলোয়াড়দের বিগত এক বছরের পেনাল্টির খতিয়ান দেখে একটি তালিকা তৈরি করা হয়েছিল। সেই তালিকায় ক্রমানুসারে সেরা পেনাল্টি টেকার হলেন নেইমার, ইগর থিয়াগো, রাফিনিয়া, ব্রুনো গিমারেইস এবং মার্তিনেল্লি। পেনাল্টি পাওয়ার মুহূর্তে মাঠে থাকা খেলোয়াড়দের মধ্যে ব্রুনোই তালিকায় সবার ওপরে থাকায় তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। পরিসংখ্যানও বলছিল, ব্রুনো ক্লাব ফুটবলে তার শেষ তিনটি পেনাল্টিতেই সফল ছিলেন। অপরদিকে ভিনিসিয়ুস রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে গত মৌসুমে ৫টি গোল করলেও ২টি পেনাল্টি মিস করেছিলেন। মূলত এই গাণিতিক হিসাব থেকেই ফাটকা খেলেছিলেন আনচেলত্তি, যা শেষ পর্যন্ত কাজে লাগেনি।
এদিকে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে চাপের মুখে ভিনিসিয়ুস গুরুদায়িত্ব এড়াতে চেয়েছিলেন বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে গুঞ্জন উঠেছে, তা কঠোরভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন এ রিয়াল মাদ্রিদ তারকা। স্টেডিয়াম ছাড়ার সময় মিক্সড জোনে ক্ষোভ প্রকাশ করে ভিনিসিয়ুস বলেন, তিনি কখনো দায়িত্ব থেকে পালিয়ে যাননি। ম্যাচের আগেই কোচ ব্রুনোকে পেনাল্টি টেকার হিসেবে নির্ধারণ করেছিলেন এবং ব্রুনো তখন ভালো ফর্মে থাকায় কোচ ওকেই যোগ্য মনে করেছেন। টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার কোনো লোভ বা ব্যক্তিগত অহংকার তার নেই উল্লেখ করে ভিনি বলেন, এখন তাদের এই দুঃখ সহ্য করে ২০৩০ বিশ্বকাপের জন্য আরও ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে। অন্যদিকে, পুরো টুর্নামেন্টে দারুণ খেলা সত্ত্বেও পেনাল্টি মিস করায় চরম হতাশ ব্রুনো গিমারেইস জানান, গোলরক্ষককে নিয়ে যথেষ্ট পড়াশোনা করে উপযুক্ত দিকে শট নিলেও প্রতিপক্ষ কীপারের অসাধারণ সেভের কারণেই বলটি জালে জড়ায়নি।

ব্রাজিলের পেনাল্টি মিস নিয়ে যা বললেন ভিনিসিয়ুস
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

নরওয়ের কাছে ২-১ ব্যবধানে হেরে বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিলের আকস্মিক বিদায়ে তোলপাড় চলছে দেশটির ফুটবল অঙ্গনে। বিশেষ করে ম্যাচের দশম মিনিটে দলের প্রধান তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়র পেনাল্টি না নিয়ে কেন মিডফিল্ডার ব্রুনো গিমারেসকে শট নেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হলো, তা নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র বিতর্ক। কোচের এ সিদ্ধান্তের পেছনে থাকা রহস্য নিয়ে কার্লো আনচেলত্তি নিজের অবস্থান পরিষ্কার করার পর, এবার বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন স্বয়ং ভিনিসিয়ুস।
ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে সেলেসাও কোচ কার্লো আনচেলত্তি পেনাল্টি টেকার নির্বাচনের নেপথ্য কারণ ব্যাখ্যা করেন। তিনি জানান, খেলোয়াড়দের বিগত এক বছরের পেনাল্টির খতিয়ান দেখে একটি তালিকা তৈরি করা হয়েছিল। সেই তালিকায় ক্রমানুসারে সেরা পেনাল্টি টেকার হলেন নেইমার, ইগর থিয়াগো, রাফিনিয়া, ব্রুনো গিমারেইস এবং মার্তিনেল্লি। পেনাল্টি পাওয়ার মুহূর্তে মাঠে থাকা খেলোয়াড়দের মধ্যে ব্রুনোই তালিকায় সবার ওপরে থাকায় তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। পরিসংখ্যানও বলছিল, ব্রুনো ক্লাব ফুটবলে তার শেষ তিনটি পেনাল্টিতেই সফল ছিলেন। অপরদিকে ভিনিসিয়ুস রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে গত মৌসুমে ৫টি গোল করলেও ২টি পেনাল্টি মিস করেছিলেন। মূলত এই গাণিতিক হিসাব থেকেই ফাটকা খেলেছিলেন আনচেলত্তি, যা শেষ পর্যন্ত কাজে লাগেনি।
এদিকে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে চাপের মুখে ভিনিসিয়ুস গুরুদায়িত্ব এড়াতে চেয়েছিলেন বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে গুঞ্জন উঠেছে, তা কঠোরভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন এ রিয়াল মাদ্রিদ তারকা। স্টেডিয়াম ছাড়ার সময় মিক্সড জোনে ক্ষোভ প্রকাশ করে ভিনিসিয়ুস বলেন, তিনি কখনো দায়িত্ব থেকে পালিয়ে যাননি। ম্যাচের আগেই কোচ ব্রুনোকে পেনাল্টি টেকার হিসেবে নির্ধারণ করেছিলেন এবং ব্রুনো তখন ভালো ফর্মে থাকায় কোচ ওকেই যোগ্য মনে করেছেন। টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার কোনো লোভ বা ব্যক্তিগত অহংকার তার নেই উল্লেখ করে ভিনি বলেন, এখন তাদের এই দুঃখ সহ্য করে ২০৩০ বিশ্বকাপের জন্য আরও ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে। অন্যদিকে, পুরো টুর্নামেন্টে দারুণ খেলা সত্ত্বেও পেনাল্টি মিস করায় চরম হতাশ ব্রুনো গিমারেইস জানান, গোলরক্ষককে নিয়ে যথেষ্ট পড়াশোনা করে উপযুক্ত দিকে শট নিলেও প্রতিপক্ষ কীপারের অসাধারণ সেভের কারণেই বলটি জালে জড়ায়নি।

দীর্ঘ ৪০ পর বিশ্বকাপে যে ঘটনার সাক্ষী হলো ব্রাজিল 


