ভারতে সেনানিবাস থেকে অস্ত্র চুরি, আটক ৪

ভারতে সেনানিবাস থেকে অস্ত্র চুরি, আটক ৪
সিজেডএন ডেস্ক

ভারতের অত্যন্ত সুরক্ষিত তেলঙ্গানার সেকান্দারাবাদ সেনানিবাসে মাদ্রাজ রেজিমেন্টের অস্ত্রাগার ভেঙে একে-২০৩ অ্যাসল্ট রাইফেলসহ মোট ১২টি অত্যাধুনিক অস্ত্র ও প্রচুর গোলাবারুদ চুরির ঘটনা ঘটেছে।
কড়া নিরাপত্তার বলয় ঠেলে রবিবার (৩০ আগস্ট) রাতে ঘটনা ঘটে। পরদিন সোমবার (৩১ আগস্ট) সকালে মাদ্রাজ রেজিমেন্টের সদস্যরা দেখতে পান, তাদের অস্ত্রাগারের দরজা খোলা এবং ভেতরে থাকা কয়েকটি অস্ত্রের বাক্স ভাঙা অবস্থায় পড়ে রয়েছে। টাইমস অব ইন্ডিয়ার বরাতে জানা যায়, চরম গোপনীয় এই তথ্যটি সোমবার প্রকাশ্যে আসে।
চুরি যাওয়া অস্ত্রের তালিকায় রয়েছে চারটি একে-২০৩ অ্যাসল্ট রাইফেল, একটি ইনসাস রাইফেল, ছয়টি ৯ মিলিমিটার পিস্তল এবং শত শত রাউন্ড তাজা গুলি। পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, রাতের আঁধারে এ হাই-সিকিউরিটি জোন থেকে নিখুঁতভাবে অস্ত্রগুলো বাইরে চোরাচালান করা হয়েছে। তবে এসব অস্ত্র উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
অস্ত্র হারানোর ঘটনায় মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেল পর্যন্ত জড়িত সন্দেহে ৪ জনকে আটক করেছে সেনানিবাস কর্তৃপক্ষ। পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আটকদের মধ্যে বেসামরিক নাগরিকের পাশাপাশি সেনা কমান্ডো বাহিনী ‘অগ্নিবীর’-এর সদস্যরাও রয়েছেন। তবে তদন্তের স্বার্থে তাদের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য গোপন রাখা হয়েছে।
মূলত একটি সুযোগ কাজে লাগিয়েই এই চুরির ছক বাস্তবায়ন করা হয়। রবিবার যখন ঘটনাটি ঘটে, তখন ব্যাটালিয়নের কমান্ডিং অফিসারসহ মূল বাহিনীর প্রায় সব সদস্যই নিয়মিত অনুশীলনের কাজে রাজস্থানের পোখরান ফায়ারিং রেঞ্জে অবস্থান করছিলেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক শীর্ষ ভারতীয় সেনা কর্মকর্তা জানান, ‘এ ঘটনায় তদন্ত চলমান। ঘটনার পেছনে উদ্দেশ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

ভারতের অত্যন্ত সুরক্ষিত তেলঙ্গানার সেকান্দারাবাদ সেনানিবাসে মাদ্রাজ রেজিমেন্টের অস্ত্রাগার ভেঙে একে-২০৩ অ্যাসল্ট রাইফেলসহ মোট ১২টি অত্যাধুনিক অস্ত্র ও প্রচুর গোলাবারুদ চুরির ঘটনা ঘটেছে।
কড়া নিরাপত্তার বলয় ঠেলে রবিবার (৩০ আগস্ট) রাতে ঘটনা ঘটে। পরদিন সোমবার (৩১ আগস্ট) সকালে মাদ্রাজ রেজিমেন্টের সদস্যরা দেখতে পান, তাদের অস্ত্রাগারের দরজা খোলা এবং ভেতরে থাকা কয়েকটি অস্ত্রের বাক্স ভাঙা অবস্থায় পড়ে রয়েছে। টাইমস অব ইন্ডিয়ার বরাতে জানা যায়, চরম গোপনীয় এই তথ্যটি সোমবার প্রকাশ্যে আসে।
চুরি যাওয়া অস্ত্রের তালিকায় রয়েছে চারটি একে-২০৩ অ্যাসল্ট রাইফেল, একটি ইনসাস রাইফেল, ছয়টি ৯ মিলিমিটার পিস্তল এবং শত শত রাউন্ড তাজা গুলি। পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, রাতের আঁধারে এ হাই-সিকিউরিটি জোন থেকে নিখুঁতভাবে অস্ত্রগুলো বাইরে চোরাচালান করা হয়েছে। তবে এসব অস্ত্র উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
অস্ত্র হারানোর ঘটনায় মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেল পর্যন্ত জড়িত সন্দেহে ৪ জনকে আটক করেছে সেনানিবাস কর্তৃপক্ষ। পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আটকদের মধ্যে বেসামরিক নাগরিকের পাশাপাশি সেনা কমান্ডো বাহিনী ‘অগ্নিবীর’-এর সদস্যরাও রয়েছেন। তবে তদন্তের স্বার্থে তাদের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য গোপন রাখা হয়েছে।
মূলত একটি সুযোগ কাজে লাগিয়েই এই চুরির ছক বাস্তবায়ন করা হয়। রবিবার যখন ঘটনাটি ঘটে, তখন ব্যাটালিয়নের কমান্ডিং অফিসারসহ মূল বাহিনীর প্রায় সব সদস্যই নিয়মিত অনুশীলনের কাজে রাজস্থানের পোখরান ফায়ারিং রেঞ্জে অবস্থান করছিলেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক শীর্ষ ভারতীয় সেনা কর্মকর্তা জানান, ‘এ ঘটনায় তদন্ত চলমান। ঘটনার পেছনে উদ্দেশ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

ভারতে সেনানিবাস থেকে অস্ত্র চুরি, আটক ৪
সিজেডএন ডেস্ক

ভারতের অত্যন্ত সুরক্ষিত তেলঙ্গানার সেকান্দারাবাদ সেনানিবাসে মাদ্রাজ রেজিমেন্টের অস্ত্রাগার ভেঙে একে-২০৩ অ্যাসল্ট রাইফেলসহ মোট ১২টি অত্যাধুনিক অস্ত্র ও প্রচুর গোলাবারুদ চুরির ঘটনা ঘটেছে।
কড়া নিরাপত্তার বলয় ঠেলে রবিবার (৩০ আগস্ট) রাতে ঘটনা ঘটে। পরদিন সোমবার (৩১ আগস্ট) সকালে মাদ্রাজ রেজিমেন্টের সদস্যরা দেখতে পান, তাদের অস্ত্রাগারের দরজা খোলা এবং ভেতরে থাকা কয়েকটি অস্ত্রের বাক্স ভাঙা অবস্থায় পড়ে রয়েছে। টাইমস অব ইন্ডিয়ার বরাতে জানা যায়, চরম গোপনীয় এই তথ্যটি সোমবার প্রকাশ্যে আসে।
চুরি যাওয়া অস্ত্রের তালিকায় রয়েছে চারটি একে-২০৩ অ্যাসল্ট রাইফেল, একটি ইনসাস রাইফেল, ছয়টি ৯ মিলিমিটার পিস্তল এবং শত শত রাউন্ড তাজা গুলি। পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, রাতের আঁধারে এ হাই-সিকিউরিটি জোন থেকে নিখুঁতভাবে অস্ত্রগুলো বাইরে চোরাচালান করা হয়েছে। তবে এসব অস্ত্র উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
অস্ত্র হারানোর ঘটনায় মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেল পর্যন্ত জড়িত সন্দেহে ৪ জনকে আটক করেছে সেনানিবাস কর্তৃপক্ষ। পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আটকদের মধ্যে বেসামরিক নাগরিকের পাশাপাশি সেনা কমান্ডো বাহিনী ‘অগ্নিবীর’-এর সদস্যরাও রয়েছেন। তবে তদন্তের স্বার্থে তাদের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য গোপন রাখা হয়েছে।
মূলত একটি সুযোগ কাজে লাগিয়েই এই চুরির ছক বাস্তবায়ন করা হয়। রবিবার যখন ঘটনাটি ঘটে, তখন ব্যাটালিয়নের কমান্ডিং অফিসারসহ মূল বাহিনীর প্রায় সব সদস্যই নিয়মিত অনুশীলনের কাজে রাজস্থানের পোখরান ফায়ারিং রেঞ্জে অবস্থান করছিলেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক শীর্ষ ভারতীয় সেনা কর্মকর্তা জানান, ‘এ ঘটনায় তদন্ত চলমান। ঘটনার পেছনে উদ্দেশ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

ভারতীয় বিমানবাহিনী ছাড়লেন পাকিস্তানে আটক সেই পাইলট 







