৫ দিনের নাটকীয়তা শেষে তামিলনাড়ুতে বিজয়ের সরকার

৫ দিনের নাটকীয়তা শেষে তামিলনাড়ুতে বিজয়ের সরকার
সিটিজেন ডেস্ক

টানা ৫ দিনের উত্তেজনা ও নাটকীয়তার পর অবশেষে ভারতের তামিলনাডু রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন অভিনেতা থেকে রাজনীতিতে আসা থালাপতি বিজয়। তার দল তামিলাগা ভেট্টি কাজগমের (টিভিকে) এবার তামিলনাড়ুর বিধানসভা নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি আসন পেয়েছে। তবে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে না পারায় সরকার গঠনের বিষয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। শনিবার (৯ মে) পেয়েছেন কাঙ্ক্ষিত সাফল্য।
রবিবার (১০ মে) স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় শপথ নেবে বিজয়ের দল টিভিকে সরকার।
২৩৪ আসনের তামিলনাড়ু বিধানসভায় সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন ছিল ১১৮টি আসন। কিন্তু বিজয়ের দল ১০৮টি আসনে জিতেছে। তার মধ্যে বিজয় নিজে দুইটি আসন থেকে লড়েছিলেন। ফলে তাকে একটি আসন এমনিই ছেড়ে দিতে হবে। তাই আরও অন্তত ১১ জন জয়ী প্রার্থীর সমর্থন দরকার ছিল বিজয়ের।
সোমবার (৪ মে) বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা হয়। বুধবার সরকার গঠনের আবেদন নিয়ে প্রথম বার রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করেন বিজয়। তাকে সমর্থন করতে রাজি হয় ৫টি আসন পাওয়া কংগ্রেস। একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য তখনও বিজয়ের দলের দরকার ৬ জন বিধায়কের সমর্থন।
একাধিক দলের সঙ্গে বৈঠকের পর বৈঠক করেন বিজয়। বৃহস্পতিবার রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে তিনি প্রয়োজনীয় বিধায়কদের সমর্থন আছে বলে দাবি করেন। কিন্তু লিখিত সমর্থন দেখাতে না পারায় তাকে ফিরে আসতে হয়।
শুক্রবার বিজয়ের দলকে সমর্থন করতে রাজি হয় বাম দলগুলো। সিপিআই এবং সিপিএম তামিলনাড়ুতে দুইটি করে আসন পেয়েছে। মোট ৪টি আসন নিয়ে তারা টিভিকে-কে সমর্থনে এগিয়ে আসে। বিজয়ের সমর্থনকারী বিধায়কসংখ্যা এবার পৌঁছোয় ১১৭-তে। আর দুইজনের সমর্থন পেলেই বিজয় সরকার গড়়তে পারবেন। এই পরিস্থিতিতে শুক্রবারই তিনি তৃতীয়বারের মতো রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করেন। কিন্তু লাভ হয়নি। ১১৮ জনের লিখিত সমর্থন দেখতে চান রাজ্যপাল।
এর পর শনিবার ভিসিকে এবং ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগ (আইইউএমএল) বিজয়ের দিকে সমর্থনের হাত বাড়িয়ে দেয়। এই দুই দলের সম্মিলিত বিধায়ক সংখ্যাও ৪। ফলে টিভিকে-র সমর্থনে চলে আসেন ১২০ জন বিধায়ক। এ বার আর রাজ্যপালের তাকে ফিরিয়ে দেওয়ার উপায় ছিল না।
উল্লেখ্য, তামিলনাড়ুর পূর্ববর্তী ক্ষমতাসীন দল ডিএমকের দীর্ঘ দিনের জোটসঙ্গী ছিল কংগ্রেস। আইইউএমএল এবং ভিসিকেও ডিএমকের সঙ্গে জোটে ছিল। এবার তারা বিজয়ের সঙ্গে হাত মেলানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
শনিবার বিজয় আবার লোক ভবনে যান। ঘণ্টা খানেকের বৈঠকের পর ১২০ জনের লিখিত সমর্থন দেখে রাজ্যপাল তাকে সরকার গঠনের আহ্বান জানান। বিজয়কে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ করেন রাজ্যপাল।

টানা ৫ দিনের উত্তেজনা ও নাটকীয়তার পর অবশেষে ভারতের তামিলনাডু রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন অভিনেতা থেকে রাজনীতিতে আসা থালাপতি বিজয়। তার দল তামিলাগা ভেট্টি কাজগমের (টিভিকে) এবার তামিলনাড়ুর বিধানসভা নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি আসন পেয়েছে। তবে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে না পারায় সরকার গঠনের বিষয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। শনিবার (৯ মে) পেয়েছেন কাঙ্ক্ষিত সাফল্য।
রবিবার (১০ মে) স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় শপথ নেবে বিজয়ের দল টিভিকে সরকার।
২৩৪ আসনের তামিলনাড়ু বিধানসভায় সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন ছিল ১১৮টি আসন। কিন্তু বিজয়ের দল ১০৮টি আসনে জিতেছে। তার মধ্যে বিজয় নিজে দুইটি আসন থেকে লড়েছিলেন। ফলে তাকে একটি আসন এমনিই ছেড়ে দিতে হবে। তাই আরও অন্তত ১১ জন জয়ী প্রার্থীর সমর্থন দরকার ছিল বিজয়ের।
সোমবার (৪ মে) বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা হয়। বুধবার সরকার গঠনের আবেদন নিয়ে প্রথম বার রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করেন বিজয়। তাকে সমর্থন করতে রাজি হয় ৫টি আসন পাওয়া কংগ্রেস। একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য তখনও বিজয়ের দলের দরকার ৬ জন বিধায়কের সমর্থন।
একাধিক দলের সঙ্গে বৈঠকের পর বৈঠক করেন বিজয়। বৃহস্পতিবার রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে তিনি প্রয়োজনীয় বিধায়কদের সমর্থন আছে বলে দাবি করেন। কিন্তু লিখিত সমর্থন দেখাতে না পারায় তাকে ফিরে আসতে হয়।
শুক্রবার বিজয়ের দলকে সমর্থন করতে রাজি হয় বাম দলগুলো। সিপিআই এবং সিপিএম তামিলনাড়ুতে দুইটি করে আসন পেয়েছে। মোট ৪টি আসন নিয়ে তারা টিভিকে-কে সমর্থনে এগিয়ে আসে। বিজয়ের সমর্থনকারী বিধায়কসংখ্যা এবার পৌঁছোয় ১১৭-তে। আর দুইজনের সমর্থন পেলেই বিজয় সরকার গড়়তে পারবেন। এই পরিস্থিতিতে শুক্রবারই তিনি তৃতীয়বারের মতো রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করেন। কিন্তু লাভ হয়নি। ১১৮ জনের লিখিত সমর্থন দেখতে চান রাজ্যপাল।
এর পর শনিবার ভিসিকে এবং ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগ (আইইউএমএল) বিজয়ের দিকে সমর্থনের হাত বাড়িয়ে দেয়। এই দুই দলের সম্মিলিত বিধায়ক সংখ্যাও ৪। ফলে টিভিকে-র সমর্থনে চলে আসেন ১২০ জন বিধায়ক। এ বার আর রাজ্যপালের তাকে ফিরিয়ে দেওয়ার উপায় ছিল না।
উল্লেখ্য, তামিলনাড়ুর পূর্ববর্তী ক্ষমতাসীন দল ডিএমকের দীর্ঘ দিনের জোটসঙ্গী ছিল কংগ্রেস। আইইউএমএল এবং ভিসিকেও ডিএমকের সঙ্গে জোটে ছিল। এবার তারা বিজয়ের সঙ্গে হাত মেলানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
শনিবার বিজয় আবার লোক ভবনে যান। ঘণ্টা খানেকের বৈঠকের পর ১২০ জনের লিখিত সমর্থন দেখে রাজ্যপাল তাকে সরকার গঠনের আহ্বান জানান। বিজয়কে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ করেন রাজ্যপাল।

৫ দিনের নাটকীয়তা শেষে তামিলনাড়ুতে বিজয়ের সরকার
সিটিজেন ডেস্ক

টানা ৫ দিনের উত্তেজনা ও নাটকীয়তার পর অবশেষে ভারতের তামিলনাডু রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন অভিনেতা থেকে রাজনীতিতে আসা থালাপতি বিজয়। তার দল তামিলাগা ভেট্টি কাজগমের (টিভিকে) এবার তামিলনাড়ুর বিধানসভা নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি আসন পেয়েছে। তবে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে না পারায় সরকার গঠনের বিষয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। শনিবার (৯ মে) পেয়েছেন কাঙ্ক্ষিত সাফল্য।
রবিবার (১০ মে) স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় শপথ নেবে বিজয়ের দল টিভিকে সরকার।
২৩৪ আসনের তামিলনাড়ু বিধানসভায় সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন ছিল ১১৮টি আসন। কিন্তু বিজয়ের দল ১০৮টি আসনে জিতেছে। তার মধ্যে বিজয় নিজে দুইটি আসন থেকে লড়েছিলেন। ফলে তাকে একটি আসন এমনিই ছেড়ে দিতে হবে। তাই আরও অন্তত ১১ জন জয়ী প্রার্থীর সমর্থন দরকার ছিল বিজয়ের।
সোমবার (৪ মে) বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা হয়। বুধবার সরকার গঠনের আবেদন নিয়ে প্রথম বার রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করেন বিজয়। তাকে সমর্থন করতে রাজি হয় ৫টি আসন পাওয়া কংগ্রেস। একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য তখনও বিজয়ের দলের দরকার ৬ জন বিধায়কের সমর্থন।
একাধিক দলের সঙ্গে বৈঠকের পর বৈঠক করেন বিজয়। বৃহস্পতিবার রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে তিনি প্রয়োজনীয় বিধায়কদের সমর্থন আছে বলে দাবি করেন। কিন্তু লিখিত সমর্থন দেখাতে না পারায় তাকে ফিরে আসতে হয়।
শুক্রবার বিজয়ের দলকে সমর্থন করতে রাজি হয় বাম দলগুলো। সিপিআই এবং সিপিএম তামিলনাড়ুতে দুইটি করে আসন পেয়েছে। মোট ৪টি আসন নিয়ে তারা টিভিকে-কে সমর্থনে এগিয়ে আসে। বিজয়ের সমর্থনকারী বিধায়কসংখ্যা এবার পৌঁছোয় ১১৭-তে। আর দুইজনের সমর্থন পেলেই বিজয় সরকার গড়়তে পারবেন। এই পরিস্থিতিতে শুক্রবারই তিনি তৃতীয়বারের মতো রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করেন। কিন্তু লাভ হয়নি। ১১৮ জনের লিখিত সমর্থন দেখতে চান রাজ্যপাল।
এর পর শনিবার ভিসিকে এবং ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগ (আইইউএমএল) বিজয়ের দিকে সমর্থনের হাত বাড়িয়ে দেয়। এই দুই দলের সম্মিলিত বিধায়ক সংখ্যাও ৪। ফলে টিভিকে-র সমর্থনে চলে আসেন ১২০ জন বিধায়ক। এ বার আর রাজ্যপালের তাকে ফিরিয়ে দেওয়ার উপায় ছিল না।
উল্লেখ্য, তামিলনাড়ুর পূর্ববর্তী ক্ষমতাসীন দল ডিএমকের দীর্ঘ দিনের জোটসঙ্গী ছিল কংগ্রেস। আইইউএমএল এবং ভিসিকেও ডিএমকের সঙ্গে জোটে ছিল। এবার তারা বিজয়ের সঙ্গে হাত মেলানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
শনিবার বিজয় আবার লোক ভবনে যান। ঘণ্টা খানেকের বৈঠকের পর ১২০ জনের লিখিত সমর্থন দেখে রাজ্যপাল তাকে সরকার গঠনের আহ্বান জানান। বিজয়কে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ করেন রাজ্যপাল।

শঙ্কায় পড়লেন বিজয়, শপথ নেওয়া হচ্ছে না আজ


