কলকাতায় হোটেলে আগুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার এক

কলকাতায় হোটেলে আগুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার এক
সিজেডএন ডেস্ক

কলকাতার মির্জা গালিব স্ট্রিটের ‘শিখা ইন’ হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আবু জাফর নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগ। হোটেলটি তার নামেই ইজারা নেওয়া ছিল। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দিবাগত রাতে লাগা এই আগুনে ৭ জন বাংলাদেশি নাগরিকসহ মোট ৯ জনের মৃত্যু হয়। এ দুর্ঘটনার পরপরই ঘটনার তদন্তে বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করে পুলিশ। এরপরই উত্তর কলকাতার জোড়াসাঁকোর বাসিন্দা আবু জাফরকে এন্টালি মার্কেট এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দারা। তবে হোটেলটির মূল মালিক বীরেশ্বর মিত্রের এখনও কোনো হদিস পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনার পেছনে অন্য কারও হাত কিংবা অবহেলা রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখতে আরও দু’জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পুলিশ তাদের নাম-পরিচয় আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ না করলেও জানা গেছে, আটক ব্যক্তিদের একজন শিখা ইনের ঠিক পাশেই অবস্থিত ‘যাপন’ হোটেলের কর্মচারী।
ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের কাছেই কীভাবে এমন নিয়মবহির্ভূত একটি ব্যবসা চলছিল, তা নিয়ে ইতোমধ্যেই জোর চর্চা শুরু হয়েছে। জানা গেছে, পাঁচতলা আবাসিক ভবনটিতে নিয়ম ভেঙে অনেকগুলো হোটেল ও অতিথিনিবাস গড়ে তোলা হয়েছিল। ভবনটির তিনতলায় মাত্র ১১০০ বর্গফুটের জায়গায় পাঁচটি খুপরি ঘর বানিয়ে ‘শিখা ইন’ চালানো হতো। সেখানে অগ্নিনির্বাপণ বা জরুরি বেরোনোর কোনো ব্যবস্থা ছিল না। এছাড়া সুরক্ষাবিধি না মানার অভিযোগে মির্জা গালিব স্ট্রিটের ৯টি হোটেল এবং ৪টি রেস্তোরাঁকে শোকজ করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে।
একটি আবাসিক ভবনকে সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে বাণিজ্যিক ভবনে পরিণত করা এবং দীর্ঘদিন ধরে সুরক্ষা উপেক্ষা করা নিয়ে রাজনৈতিক পারদও চড়ছে। পুরসভা ও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বিগত সরকারের ‘অবহেলাকেই’ এই অগ্নিকাণ্ডের প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন তিনি। তার অভিযোগ, আগের সরকার রাজনৈতিক স্বার্থেই এ অনিয়মের বিরুদ্ধে মুখ বন্ধ করেছিল।
সূত্র: আনন্দবাজার

কলকাতার মির্জা গালিব স্ট্রিটের ‘শিখা ইন’ হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আবু জাফর নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগ। হোটেলটি তার নামেই ইজারা নেওয়া ছিল। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দিবাগত রাতে লাগা এই আগুনে ৭ জন বাংলাদেশি নাগরিকসহ মোট ৯ জনের মৃত্যু হয়। এ দুর্ঘটনার পরপরই ঘটনার তদন্তে বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করে পুলিশ। এরপরই উত্তর কলকাতার জোড়াসাঁকোর বাসিন্দা আবু জাফরকে এন্টালি মার্কেট এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দারা। তবে হোটেলটির মূল মালিক বীরেশ্বর মিত্রের এখনও কোনো হদিস পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনার পেছনে অন্য কারও হাত কিংবা অবহেলা রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখতে আরও দু’জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পুলিশ তাদের নাম-পরিচয় আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ না করলেও জানা গেছে, আটক ব্যক্তিদের একজন শিখা ইনের ঠিক পাশেই অবস্থিত ‘যাপন’ হোটেলের কর্মচারী।
ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের কাছেই কীভাবে এমন নিয়মবহির্ভূত একটি ব্যবসা চলছিল, তা নিয়ে ইতোমধ্যেই জোর চর্চা শুরু হয়েছে। জানা গেছে, পাঁচতলা আবাসিক ভবনটিতে নিয়ম ভেঙে অনেকগুলো হোটেল ও অতিথিনিবাস গড়ে তোলা হয়েছিল। ভবনটির তিনতলায় মাত্র ১১০০ বর্গফুটের জায়গায় পাঁচটি খুপরি ঘর বানিয়ে ‘শিখা ইন’ চালানো হতো। সেখানে অগ্নিনির্বাপণ বা জরুরি বেরোনোর কোনো ব্যবস্থা ছিল না। এছাড়া সুরক্ষাবিধি না মানার অভিযোগে মির্জা গালিব স্ট্রিটের ৯টি হোটেল এবং ৪টি রেস্তোরাঁকে শোকজ করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে।
একটি আবাসিক ভবনকে সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে বাণিজ্যিক ভবনে পরিণত করা এবং দীর্ঘদিন ধরে সুরক্ষা উপেক্ষা করা নিয়ে রাজনৈতিক পারদও চড়ছে। পুরসভা ও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বিগত সরকারের ‘অবহেলাকেই’ এই অগ্নিকাণ্ডের প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন তিনি। তার অভিযোগ, আগের সরকার রাজনৈতিক স্বার্থেই এ অনিয়মের বিরুদ্ধে মুখ বন্ধ করেছিল।
সূত্র: আনন্দবাজার

কলকাতায় হোটেলে আগুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার এক
সিজেডএন ডেস্ক

কলকাতার মির্জা গালিব স্ট্রিটের ‘শিখা ইন’ হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আবু জাফর নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগ। হোটেলটি তার নামেই ইজারা নেওয়া ছিল। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দিবাগত রাতে লাগা এই আগুনে ৭ জন বাংলাদেশি নাগরিকসহ মোট ৯ জনের মৃত্যু হয়। এ দুর্ঘটনার পরপরই ঘটনার তদন্তে বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করে পুলিশ। এরপরই উত্তর কলকাতার জোড়াসাঁকোর বাসিন্দা আবু জাফরকে এন্টালি মার্কেট এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দারা। তবে হোটেলটির মূল মালিক বীরেশ্বর মিত্রের এখনও কোনো হদিস পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনার পেছনে অন্য কারও হাত কিংবা অবহেলা রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখতে আরও দু’জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পুলিশ তাদের নাম-পরিচয় আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ না করলেও জানা গেছে, আটক ব্যক্তিদের একজন শিখা ইনের ঠিক পাশেই অবস্থিত ‘যাপন’ হোটেলের কর্মচারী।
ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের কাছেই কীভাবে এমন নিয়মবহির্ভূত একটি ব্যবসা চলছিল, তা নিয়ে ইতোমধ্যেই জোর চর্চা শুরু হয়েছে। জানা গেছে, পাঁচতলা আবাসিক ভবনটিতে নিয়ম ভেঙে অনেকগুলো হোটেল ও অতিথিনিবাস গড়ে তোলা হয়েছিল। ভবনটির তিনতলায় মাত্র ১১০০ বর্গফুটের জায়গায় পাঁচটি খুপরি ঘর বানিয়ে ‘শিখা ইন’ চালানো হতো। সেখানে অগ্নিনির্বাপণ বা জরুরি বেরোনোর কোনো ব্যবস্থা ছিল না। এছাড়া সুরক্ষাবিধি না মানার অভিযোগে মির্জা গালিব স্ট্রিটের ৯টি হোটেল এবং ৪টি রেস্তোরাঁকে শোকজ করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে।
একটি আবাসিক ভবনকে সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে বাণিজ্যিক ভবনে পরিণত করা এবং দীর্ঘদিন ধরে সুরক্ষা উপেক্ষা করা নিয়ে রাজনৈতিক পারদও চড়ছে। পুরসভা ও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বিগত সরকারের ‘অবহেলাকেই’ এই অগ্নিকাণ্ডের প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন তিনি। তার অভিযোগ, আগের সরকার রাজনৈতিক স্বার্থেই এ অনিয়মের বিরুদ্ধে মুখ বন্ধ করেছিল।
সূত্র: আনন্দবাজার

কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মমতার সরকারকে দুষলেন শুভেন্দু






