রাশিয়ার তেল শোধনাগারে ইউক্রেনের ভয়াবহ ড্রোন হামলা

রাশিয়ার তেল শোধনাগারে ইউক্রেনের ভয়াবহ ড্রোন হামলা
সিজেডএন ডেস্ক

শত শত ড্রোন দিয়ে রাশিয়া জুড়ে নজিরবিহীন এক হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। এর বড় একটি অংশ রাজধানী মস্কোর একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল শোধনাগারে আঘাত হেনেছে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ভোররাতের এ হামলায় মস্কোর আকাশ কালো ধোঁয়ায় ছেয়ে যায় এবং একটি বড় তেল শোধনাগারে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। চার বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা এ যুদ্ধে এটিকে কিয়েভের অন্যতম বৃহত্তম দূরপাল্লার বিমান হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রাতভর দেশজুড়ে প্রায় ৫৫৫টি ইউক্রেনীয় ড্রোন ধ্বংস করেছে। মস্কোর মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টেলিগ্রামে জানিয়েছেন, এর মধ্যে প্রায় ১৮০টি ড্রোন কেবল রাজধানীর দিকেই ধেয়ে আসছিল, যা আকাশেই গুলি করে ভূপাতিত করা হয়েছে। তবে এ হামলার ধকল পুরোপুরি এড়ানো যায়নি। মস্কোর দক্ষিণ-পূর্বে কাপোতনিয়া এলাকায় রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি সংস্থা গ্যাজপ্রমের মালিকানাধীন একটি বিশাল তেল শোধনাগারে ড্রোন আঘাত হানলে বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটে। এছাড়া শহরের বেশ কয়েকটি আবাসিক এলাকার অ্যাপার্টমেন্ট ভবনও এ হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং এতে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে বলে নিশ্চিত করেছে মস্কোর সরকারি কৌঁসুলির কার্যালয়।
এ বিধ্বংসী হামলার দায় স্বীকার করে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি একে রাশিয়ার আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ ন্যায্য জবাব হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, এক সপ্তাহের মধ্যে কিয়েভ দ্বিতীয়বারের মতো মস্কোর এ গুরুত্বপূর্ণ তেল শোধনাগারটিকে লক্ষ্যবস্তু বানালো। জেলেনস্কি আরও দাবি করেন, ইউক্রেনের পশ্চিমা অংশীদাররা তাদের এ দূরপাল্লার হামলার কার্যকারিতা লক্ষ্য করেছে এবং এ ধরনের পদক্ষেপ মস্কোকে শেষ পর্যন্ত কূটনীতির টেবিলে বসতে বাধ্য করবে। বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে ন্যাটো দেশগুলোর প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের একটি গুরুত্বপূর্ণ শীর্ষ সম্মেলন শুরু হওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে এ হামলা চালানো হলো, যেখানে ইউক্রেনের নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিষয়টিই ছিল মূল আলোচ্য বিষয়।
এদিকে ইউক্রেনের এ সর্বাত্মক ড্রোন হামলার জবাবে তীব্র পাল্টা আক্রমণ শুরু করেছে মস্কো। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, রুশ বাহিনী ইতোমধ্যে এর প্রতিশোধ হিসেবে ইউক্রেনীয় সশস্ত্র বাহিনীর ব্যবহৃত বিভিন্ন জ্বালানি ও শক্তি উৎপাদনকারী স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে।
সূত্র: এবিসি নিউজ

শত শত ড্রোন দিয়ে রাশিয়া জুড়ে নজিরবিহীন এক হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। এর বড় একটি অংশ রাজধানী মস্কোর একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল শোধনাগারে আঘাত হেনেছে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ভোররাতের এ হামলায় মস্কোর আকাশ কালো ধোঁয়ায় ছেয়ে যায় এবং একটি বড় তেল শোধনাগারে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। চার বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা এ যুদ্ধে এটিকে কিয়েভের অন্যতম বৃহত্তম দূরপাল্লার বিমান হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রাতভর দেশজুড়ে প্রায় ৫৫৫টি ইউক্রেনীয় ড্রোন ধ্বংস করেছে। মস্কোর মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টেলিগ্রামে জানিয়েছেন, এর মধ্যে প্রায় ১৮০টি ড্রোন কেবল রাজধানীর দিকেই ধেয়ে আসছিল, যা আকাশেই গুলি করে ভূপাতিত করা হয়েছে। তবে এ হামলার ধকল পুরোপুরি এড়ানো যায়নি। মস্কোর দক্ষিণ-পূর্বে কাপোতনিয়া এলাকায় রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি সংস্থা গ্যাজপ্রমের মালিকানাধীন একটি বিশাল তেল শোধনাগারে ড্রোন আঘাত হানলে বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটে। এছাড়া শহরের বেশ কয়েকটি আবাসিক এলাকার অ্যাপার্টমেন্ট ভবনও এ হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং এতে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে বলে নিশ্চিত করেছে মস্কোর সরকারি কৌঁসুলির কার্যালয়।
এ বিধ্বংসী হামলার দায় স্বীকার করে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি একে রাশিয়ার আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ ন্যায্য জবাব হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, এক সপ্তাহের মধ্যে কিয়েভ দ্বিতীয়বারের মতো মস্কোর এ গুরুত্বপূর্ণ তেল শোধনাগারটিকে লক্ষ্যবস্তু বানালো। জেলেনস্কি আরও দাবি করেন, ইউক্রেনের পশ্চিমা অংশীদাররা তাদের এ দূরপাল্লার হামলার কার্যকারিতা লক্ষ্য করেছে এবং এ ধরনের পদক্ষেপ মস্কোকে শেষ পর্যন্ত কূটনীতির টেবিলে বসতে বাধ্য করবে। বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে ন্যাটো দেশগুলোর প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের একটি গুরুত্বপূর্ণ শীর্ষ সম্মেলন শুরু হওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে এ হামলা চালানো হলো, যেখানে ইউক্রেনের নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিষয়টিই ছিল মূল আলোচ্য বিষয়।
এদিকে ইউক্রেনের এ সর্বাত্মক ড্রোন হামলার জবাবে তীব্র পাল্টা আক্রমণ শুরু করেছে মস্কো। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, রুশ বাহিনী ইতোমধ্যে এর প্রতিশোধ হিসেবে ইউক্রেনীয় সশস্ত্র বাহিনীর ব্যবহৃত বিভিন্ন জ্বালানি ও শক্তি উৎপাদনকারী স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে।
সূত্র: এবিসি নিউজ

রাশিয়ার তেল শোধনাগারে ইউক্রেনের ভয়াবহ ড্রোন হামলা
সিজেডএন ডেস্ক

শত শত ড্রোন দিয়ে রাশিয়া জুড়ে নজিরবিহীন এক হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। এর বড় একটি অংশ রাজধানী মস্কোর একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল শোধনাগারে আঘাত হেনেছে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ভোররাতের এ হামলায় মস্কোর আকাশ কালো ধোঁয়ায় ছেয়ে যায় এবং একটি বড় তেল শোধনাগারে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। চার বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা এ যুদ্ধে এটিকে কিয়েভের অন্যতম বৃহত্তম দূরপাল্লার বিমান হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রাতভর দেশজুড়ে প্রায় ৫৫৫টি ইউক্রেনীয় ড্রোন ধ্বংস করেছে। মস্কোর মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টেলিগ্রামে জানিয়েছেন, এর মধ্যে প্রায় ১৮০টি ড্রোন কেবল রাজধানীর দিকেই ধেয়ে আসছিল, যা আকাশেই গুলি করে ভূপাতিত করা হয়েছে। তবে এ হামলার ধকল পুরোপুরি এড়ানো যায়নি। মস্কোর দক্ষিণ-পূর্বে কাপোতনিয়া এলাকায় রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি সংস্থা গ্যাজপ্রমের মালিকানাধীন একটি বিশাল তেল শোধনাগারে ড্রোন আঘাত হানলে বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটে। এছাড়া শহরের বেশ কয়েকটি আবাসিক এলাকার অ্যাপার্টমেন্ট ভবনও এ হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং এতে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে বলে নিশ্চিত করেছে মস্কোর সরকারি কৌঁসুলির কার্যালয়।
এ বিধ্বংসী হামলার দায় স্বীকার করে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি একে রাশিয়ার আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ ন্যায্য জবাব হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, এক সপ্তাহের মধ্যে কিয়েভ দ্বিতীয়বারের মতো মস্কোর এ গুরুত্বপূর্ণ তেল শোধনাগারটিকে লক্ষ্যবস্তু বানালো। জেলেনস্কি আরও দাবি করেন, ইউক্রেনের পশ্চিমা অংশীদাররা তাদের এ দূরপাল্লার হামলার কার্যকারিতা লক্ষ্য করেছে এবং এ ধরনের পদক্ষেপ মস্কোকে শেষ পর্যন্ত কূটনীতির টেবিলে বসতে বাধ্য করবে। বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে ন্যাটো দেশগুলোর প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের একটি গুরুত্বপূর্ণ শীর্ষ সম্মেলন শুরু হওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে এ হামলা চালানো হলো, যেখানে ইউক্রেনের নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিষয়টিই ছিল মূল আলোচ্য বিষয়।
এদিকে ইউক্রেনের এ সর্বাত্মক ড্রোন হামলার জবাবে তীব্র পাল্টা আক্রমণ শুরু করেছে মস্কো। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, রুশ বাহিনী ইতোমধ্যে এর প্রতিশোধ হিসেবে ইউক্রেনীয় সশস্ত্র বাহিনীর ব্যবহৃত বিভিন্ন জ্বালানি ও শক্তি উৎপাদনকারী স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে।
সূত্র: এবিসি নিউজ

বঙ্গোপসাগরে সাবমেরিন মোতায়েনের পরিকল্পনা পাকিস্তানের


