শিরোনাম

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ২ হাজার মানুষ শহীদ হয়েছেন: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ২ হাজার মানুষ শহীদ হয়েছেন: প্রধানমন্ত্রী
শনিবার রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জুলাই জাতীয় সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: পিআইডি

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সেই উত্তাল দিনগুলোর প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘এখানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করে গেছেন যে, জাতিসংঘের হিসাবে প্রায় ১৪শ’ মানুষ শহীদ হয়েছিলেন। যতটুকু সম্ভব হয়েছে আমার পক্ষে, আমি যতটুকু বিভিন্নভাবে শত বাধা-বিপত্তির মধ্যেও খোঁজ করছিলাম নেতাকর্মীদের মাধ্যমে। অনেকে অনেক হিসাব দিয়েছে। কিন্তু আমার হিসাবের মতে, শুধু জুলাই আন্দোলনে শহীদ হয়েছে ২ হাজারের মতো মানুষ, ৩০ হাজারের মতো মানুষ সার্বিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।’

শনিবার (৪ জুলাই) দুপুরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জুলাই জাতীয় সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

‘জুলাই ২৪ শহীদ পরিবার’ ও ‘আমরা জুলাইযোদ্ধা’ কেন্দ্রীয় কমিটি আয়োজিত অনুষ্ঠানে আহত জুলাইযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন, আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান এবং জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনাদের ডান দিকে একটি ব্যানারের লেখা আছে, জুলাইয়ের শহীদ হওয়া সর্বকনিষ্ঠ ফুলগুলোর নাম। জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী ৬৫ জন শিশু শহীদ হয়েছিল। তাদের কি কোনো অপরাধ ছিল? তাদের অপরাধ ছিল না। কিন্তু দেশকে স্বৈরাচার মুক্ত করতে গিয়ে যেভাবেই হোক এই শিশুগুলো জীবন দিয়েছে। দেশকে ফ্যাসিবাদমুক্ত করতে যারা জীবন দিয়েছেন, তাদের ত্যাগের যথাযথ মূল্যায়ন করা হবে।

বিগত শেখ হাসিনা সরকারের বিভিন্ন অন্যায়-অত্যাচারের চিত্র তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, অনুষ্ঠানে উপস্থিত প্রায় প্রতিটি মানুষই অতীতে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। অসংখ্য মানুষকে মিথ্যা মামলায় হয়রানি করা হয়েছে। শুধু বিএনপিরই ৬০ লাখ নেতাকর্মী মিথ্যা মামলার কারণে বাড়িছাড়া হয়েছেন।

তিনি বলেন, নিহত ও নির্যাতিত প্রতিটি মানুষের স্বপ্ন ছিল দেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা। বিচার করতে কিছুটা সময় লাগলেও সরকার ধৈর্যের সঙ্গে এগোবে, যেন অপরাধীরা সঠিক বিচার পায়। আমরা প্রশ্নবিদ্ধ বিচার করতে চাই না। সব আইন অনুসরণ করেই বিচার সম্পন্ন করা হবে।

/এসআর/