ইউক্রেনের জাপোরিঝিয়ায় সাময়িক যুদ্ধবিরতি, নেপথ্যে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র

ইউক্রেনের জাপোরিঝিয়ায় সাময়িক যুদ্ধবিরতি, নেপথ্যে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র
সিটিজেন ডেস্ক

ইউরোপের বৃহত্তম জাপোরিঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত ও জরুরি সংস্কার কাজ সম্পন্ন করতে ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে। আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) বিশেষ মধ্যস্থতায় শুক্রবার (৫ জুন) সকাল থেকে এ যুদ্ধবিরতি শুরু হয়।
বিগত চার বছরেরও বেশি সময় ধরে চলমান ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে ঝুঁকিতে থাকা পারমাণবিক কেন্দ্রটির সুরক্ষা নিয়ে বিশ্বব্যাপী তীব্র উদ্বেগের মাঝেই এ সিদ্ধান্ত এলো।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা জানিয়েছে, যুদ্ধবিধ্বস্ত জাপোরিঝিয়া অঞ্চলে তীব্র স্থলযুদ্ধ, ড্রোন হামলা এবং অনবরত গোলন্দাজ বর্ষণের ফলে পারমাণবিক দুর্ঘটনার ঝুঁকি মারাত্মকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছিল। এ আশঙ্কার কথা মাথায় রেখেই আগামী দিনগুলোতে উভয় পক্ষের প্রকৌশলী ও প্রযুক্তিবিদরা যুদ্ধকালীন ক্ষয়ক্ষতি মেরামতের কাজ পরিচালনা করবেন।
২০২২ সালে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকে আইএইএ-এর মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসির হস্তক্ষেপে এটি ষষ্ঠ সাময়িক যুদ্ধবিরতি। তিনি জানান, পারমাণবিক নিরাপত্তার স্বার্থে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘দনিপ্রোভস্কা’ বিদ্যুৎ লাইন সচল করতেই মস্কো ও কিয়েভ এ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। উল্লেখ্য, দুই মাসেরও বেশি সময় আগে মূল সংযোগ থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া প্ল্যান্টটির বন্ধ থাকা ছয়টি রিয়্যাক্টর ঠান্ডা রাখতে বর্তমানে মাত্র একটি লাইনের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে সেই লাইনটিও বারবার সংযোগহীন হয়ে পড়ায় জরুরি ডিজেল জেনারেটর ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছিল কর্তৃপক্ষ।
তবে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার ঠিক পূর্বমুহূর্ত পর্যন্তও অঞ্চলটিতে ব্যাপক সহিংসতার খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয় জরুরি বিভাগের তথ্যমতে, জাপোরিঝিয়া অঞ্চলে রাতভর রুশ ড্রোন হামলায় এক নারী নিহত এবং অন্তত ১৬ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া ইউক্রেনের অন্যান্য অংশেও হামলা অব্যাহত ছিল। আঞ্চলিক গভর্নর মিকোলা কালাশনিক জানিয়েছেন, কিয়েভের কাছাকাছি একটি বেসামরিক খাদ্য উৎপাদন কেন্দ্রে রাশিয়ান ড্রোন হামলায় চারজন প্রাণ হারিয়েছেন। খেরসন শহরের সামরিক প্রশাসনের প্রধান ইয়ারোস্লাভ শ্যাঙ্কো জানান, সেখানে ড্রোন হামলায় এক বৃদ্ধ নিহত হন এবং কোনোটপ শহরে রুশ হামলায় তিন শিশু আহত হয়েছে।
এদিকে, ক্রমবর্ধমান ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলা প্রতিহত করতে নিজেদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার ঘোষণা দিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এক বিবৃতিতে তিনি জানান, রাশিয়ার বর্তমান বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও উন্নত এবং জোরদার করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

ইউরোপের বৃহত্তম জাপোরিঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত ও জরুরি সংস্কার কাজ সম্পন্ন করতে ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে। আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) বিশেষ মধ্যস্থতায় শুক্রবার (৫ জুন) সকাল থেকে এ যুদ্ধবিরতি শুরু হয়।
বিগত চার বছরেরও বেশি সময় ধরে চলমান ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে ঝুঁকিতে থাকা পারমাণবিক কেন্দ্রটির সুরক্ষা নিয়ে বিশ্বব্যাপী তীব্র উদ্বেগের মাঝেই এ সিদ্ধান্ত এলো।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা জানিয়েছে, যুদ্ধবিধ্বস্ত জাপোরিঝিয়া অঞ্চলে তীব্র স্থলযুদ্ধ, ড্রোন হামলা এবং অনবরত গোলন্দাজ বর্ষণের ফলে পারমাণবিক দুর্ঘটনার ঝুঁকি মারাত্মকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছিল। এ আশঙ্কার কথা মাথায় রেখেই আগামী দিনগুলোতে উভয় পক্ষের প্রকৌশলী ও প্রযুক্তিবিদরা যুদ্ধকালীন ক্ষয়ক্ষতি মেরামতের কাজ পরিচালনা করবেন।
২০২২ সালে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকে আইএইএ-এর মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসির হস্তক্ষেপে এটি ষষ্ঠ সাময়িক যুদ্ধবিরতি। তিনি জানান, পারমাণবিক নিরাপত্তার স্বার্থে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘দনিপ্রোভস্কা’ বিদ্যুৎ লাইন সচল করতেই মস্কো ও কিয়েভ এ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। উল্লেখ্য, দুই মাসেরও বেশি সময় আগে মূল সংযোগ থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া প্ল্যান্টটির বন্ধ থাকা ছয়টি রিয়্যাক্টর ঠান্ডা রাখতে বর্তমানে মাত্র একটি লাইনের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে সেই লাইনটিও বারবার সংযোগহীন হয়ে পড়ায় জরুরি ডিজেল জেনারেটর ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছিল কর্তৃপক্ষ।
তবে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার ঠিক পূর্বমুহূর্ত পর্যন্তও অঞ্চলটিতে ব্যাপক সহিংসতার খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয় জরুরি বিভাগের তথ্যমতে, জাপোরিঝিয়া অঞ্চলে রাতভর রুশ ড্রোন হামলায় এক নারী নিহত এবং অন্তত ১৬ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া ইউক্রেনের অন্যান্য অংশেও হামলা অব্যাহত ছিল। আঞ্চলিক গভর্নর মিকোলা কালাশনিক জানিয়েছেন, কিয়েভের কাছাকাছি একটি বেসামরিক খাদ্য উৎপাদন কেন্দ্রে রাশিয়ান ড্রোন হামলায় চারজন প্রাণ হারিয়েছেন। খেরসন শহরের সামরিক প্রশাসনের প্রধান ইয়ারোস্লাভ শ্যাঙ্কো জানান, সেখানে ড্রোন হামলায় এক বৃদ্ধ নিহত হন এবং কোনোটপ শহরে রুশ হামলায় তিন শিশু আহত হয়েছে।
এদিকে, ক্রমবর্ধমান ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলা প্রতিহত করতে নিজেদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার ঘোষণা দিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এক বিবৃতিতে তিনি জানান, রাশিয়ার বর্তমান বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও উন্নত এবং জোরদার করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

ইউক্রেনের জাপোরিঝিয়ায় সাময়িক যুদ্ধবিরতি, নেপথ্যে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র
সিটিজেন ডেস্ক

ইউরোপের বৃহত্তম জাপোরিঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত ও জরুরি সংস্কার কাজ সম্পন্ন করতে ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে। আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) বিশেষ মধ্যস্থতায় শুক্রবার (৫ জুন) সকাল থেকে এ যুদ্ধবিরতি শুরু হয়।
বিগত চার বছরেরও বেশি সময় ধরে চলমান ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে ঝুঁকিতে থাকা পারমাণবিক কেন্দ্রটির সুরক্ষা নিয়ে বিশ্বব্যাপী তীব্র উদ্বেগের মাঝেই এ সিদ্ধান্ত এলো।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা জানিয়েছে, যুদ্ধবিধ্বস্ত জাপোরিঝিয়া অঞ্চলে তীব্র স্থলযুদ্ধ, ড্রোন হামলা এবং অনবরত গোলন্দাজ বর্ষণের ফলে পারমাণবিক দুর্ঘটনার ঝুঁকি মারাত্মকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছিল। এ আশঙ্কার কথা মাথায় রেখেই আগামী দিনগুলোতে উভয় পক্ষের প্রকৌশলী ও প্রযুক্তিবিদরা যুদ্ধকালীন ক্ষয়ক্ষতি মেরামতের কাজ পরিচালনা করবেন।
২০২২ সালে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকে আইএইএ-এর মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসির হস্তক্ষেপে এটি ষষ্ঠ সাময়িক যুদ্ধবিরতি। তিনি জানান, পারমাণবিক নিরাপত্তার স্বার্থে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘দনিপ্রোভস্কা’ বিদ্যুৎ লাইন সচল করতেই মস্কো ও কিয়েভ এ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। উল্লেখ্য, দুই মাসেরও বেশি সময় আগে মূল সংযোগ থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া প্ল্যান্টটির বন্ধ থাকা ছয়টি রিয়্যাক্টর ঠান্ডা রাখতে বর্তমানে মাত্র একটি লাইনের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে সেই লাইনটিও বারবার সংযোগহীন হয়ে পড়ায় জরুরি ডিজেল জেনারেটর ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছিল কর্তৃপক্ষ।
তবে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার ঠিক পূর্বমুহূর্ত পর্যন্তও অঞ্চলটিতে ব্যাপক সহিংসতার খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয় জরুরি বিভাগের তথ্যমতে, জাপোরিঝিয়া অঞ্চলে রাতভর রুশ ড্রোন হামলায় এক নারী নিহত এবং অন্তত ১৬ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া ইউক্রেনের অন্যান্য অংশেও হামলা অব্যাহত ছিল। আঞ্চলিক গভর্নর মিকোলা কালাশনিক জানিয়েছেন, কিয়েভের কাছাকাছি একটি বেসামরিক খাদ্য উৎপাদন কেন্দ্রে রাশিয়ান ড্রোন হামলায় চারজন প্রাণ হারিয়েছেন। খেরসন শহরের সামরিক প্রশাসনের প্রধান ইয়ারোস্লাভ শ্যাঙ্কো জানান, সেখানে ড্রোন হামলায় এক বৃদ্ধ নিহত হন এবং কোনোটপ শহরে রুশ হামলায় তিন শিশু আহত হয়েছে।
এদিকে, ক্রমবর্ধমান ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলা প্রতিহত করতে নিজেদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার ঘোষণা দিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এক বিবৃতিতে তিনি জানান, রাশিয়ার বর্তমান বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও উন্নত এবং জোরদার করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

কিয়েভে রাশিয়ার ভয়াবহ মিসাইল হামলা
ক্রিমিয়ায় ইউক্রেনের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত ৪

