পালানোর সময় ইউক্রেনের সাবেক জ্বালানিমন্ত্রী গ্রেপ্তার

পালানোর সময় ইউক্রেনের সাবেক জ্বালানিমন্ত্রী গ্রেপ্তার

দেশে ছেড়ে পালানোর সময় ইউক্রেনের সাবেক জ্বালানিমন্ত্রী গেরমান গালুশচেঙ্কোকে গ্রেপ্তার করেছে জাতীয় দুর্নীতি দমন ব্যুরোর কর্মকর্তারা। তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে ইউক্রেনের জাতীয় দুর্নীতি দমন ব্যুরো (নাবু)।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “রবিবার গোপনে দেশত্যাগ করার সময় ‘মিডাস’ দুর্নীতি মামলার অন্যতম অভিযুক্ত এবং সাবেক জ্বালানিমন্ত্রী গেরমান গালুশচেঙ্কোকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি কারা হেফাজতে আছেন। আইন এবং আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। পরবর্তীতে এ ব্যাপারর আরও বিস্তারিত জানানো হবে।”
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভোলদিমির জেলেনস্কির একজন ঘনিষ্ঠ মন্ত্রী ছিলেন গেরমান গালুশচেঙ্কো। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে তার বিরুদ্ধে ১০ কোটি ডলার অবৈধভাবে উপার্জন এবং সেই অর্থ বিদেশে পাচারের অভিযোগ ওঠে।
অভিযোগ অনুযায়ী, গালুশচেঙ্কো নিজের প্রভাব ব্যবহার করে দেশের জ্বালানি খাতে ইউক্রেনীয় ব্যবসায়ী তিমরু মিন্ডিচকে বিনিয়োগের সুযোগ করে দিয়েছিলেন। এছাড়া ইউক্রেনের জাতীয় বিদ্যুৎ উৎপাদক প্রতিষ্ঠান এবং দেশটির সবগুলো পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর নিয়ন্ত্রক সংস্থা এনার্জোঅ্যাটমের ঠিকাদারদের কাছ থেকে যে কোনো কন্ট্রাক্টের বিনিময়ে ১০-১৫ শতাংশ ঘুষ নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার তার বিরুদ্ধে।
এসব অভিযোগ ওঠার পর গেরমান গালুশচেঙ্কো গত নভেম্বরে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। এরপর গতকাল দেশ ছেড়ে পালানোর সময় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
২০২৫ সালে ইউক্রেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইউলিয়া তাইমোশেঙ্কোসহ কয়েকজন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। গালুশচেঙ্কো তাদের মধ্যে অন্যতম।
যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেনের সরকারি প্রশাসনের একটি বড় সমস্যা দুর্নীতি। মূলত এই কারণেই ইউক্রেনের জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যপদ প্রাপ্তির ব্যাপারটি এখনও ঝুলে আছে।
সূত্র : আল জাজিরা

দেশে ছেড়ে পালানোর সময় ইউক্রেনের সাবেক জ্বালানিমন্ত্রী গেরমান গালুশচেঙ্কোকে গ্রেপ্তার করেছে জাতীয় দুর্নীতি দমন ব্যুরোর কর্মকর্তারা। তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে ইউক্রেনের জাতীয় দুর্নীতি দমন ব্যুরো (নাবু)।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “রবিবার গোপনে দেশত্যাগ করার সময় ‘মিডাস’ দুর্নীতি মামলার অন্যতম অভিযুক্ত এবং সাবেক জ্বালানিমন্ত্রী গেরমান গালুশচেঙ্কোকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি কারা হেফাজতে আছেন। আইন এবং আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। পরবর্তীতে এ ব্যাপারর আরও বিস্তারিত জানানো হবে।”
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভোলদিমির জেলেনস্কির একজন ঘনিষ্ঠ মন্ত্রী ছিলেন গেরমান গালুশচেঙ্কো। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে তার বিরুদ্ধে ১০ কোটি ডলার অবৈধভাবে উপার্জন এবং সেই অর্থ বিদেশে পাচারের অভিযোগ ওঠে।
অভিযোগ অনুযায়ী, গালুশচেঙ্কো নিজের প্রভাব ব্যবহার করে দেশের জ্বালানি খাতে ইউক্রেনীয় ব্যবসায়ী তিমরু মিন্ডিচকে বিনিয়োগের সুযোগ করে দিয়েছিলেন। এছাড়া ইউক্রেনের জাতীয় বিদ্যুৎ উৎপাদক প্রতিষ্ঠান এবং দেশটির সবগুলো পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর নিয়ন্ত্রক সংস্থা এনার্জোঅ্যাটমের ঠিকাদারদের কাছ থেকে যে কোনো কন্ট্রাক্টের বিনিময়ে ১০-১৫ শতাংশ ঘুষ নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার তার বিরুদ্ধে।
এসব অভিযোগ ওঠার পর গেরমান গালুশচেঙ্কো গত নভেম্বরে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। এরপর গতকাল দেশ ছেড়ে পালানোর সময় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
২০২৫ সালে ইউক্রেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইউলিয়া তাইমোশেঙ্কোসহ কয়েকজন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। গালুশচেঙ্কো তাদের মধ্যে অন্যতম।
যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেনের সরকারি প্রশাসনের একটি বড় সমস্যা দুর্নীতি। মূলত এই কারণেই ইউক্রেনের জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যপদ প্রাপ্তির ব্যাপারটি এখনও ঝুলে আছে।
সূত্র : আল জাজিরা

পালানোর সময় ইউক্রেনের সাবেক জ্বালানিমন্ত্রী গ্রেপ্তার

দেশে ছেড়ে পালানোর সময় ইউক্রেনের সাবেক জ্বালানিমন্ত্রী গেরমান গালুশচেঙ্কোকে গ্রেপ্তার করেছে জাতীয় দুর্নীতি দমন ব্যুরোর কর্মকর্তারা। তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে ইউক্রেনের জাতীয় দুর্নীতি দমন ব্যুরো (নাবু)।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “রবিবার গোপনে দেশত্যাগ করার সময় ‘মিডাস’ দুর্নীতি মামলার অন্যতম অভিযুক্ত এবং সাবেক জ্বালানিমন্ত্রী গেরমান গালুশচেঙ্কোকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি কারা হেফাজতে আছেন। আইন এবং আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। পরবর্তীতে এ ব্যাপারর আরও বিস্তারিত জানানো হবে।”
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভোলদিমির জেলেনস্কির একজন ঘনিষ্ঠ মন্ত্রী ছিলেন গেরমান গালুশচেঙ্কো। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে তার বিরুদ্ধে ১০ কোটি ডলার অবৈধভাবে উপার্জন এবং সেই অর্থ বিদেশে পাচারের অভিযোগ ওঠে।
অভিযোগ অনুযায়ী, গালুশচেঙ্কো নিজের প্রভাব ব্যবহার করে দেশের জ্বালানি খাতে ইউক্রেনীয় ব্যবসায়ী তিমরু মিন্ডিচকে বিনিয়োগের সুযোগ করে দিয়েছিলেন। এছাড়া ইউক্রেনের জাতীয় বিদ্যুৎ উৎপাদক প্রতিষ্ঠান এবং দেশটির সবগুলো পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর নিয়ন্ত্রক সংস্থা এনার্জোঅ্যাটমের ঠিকাদারদের কাছ থেকে যে কোনো কন্ট্রাক্টের বিনিময়ে ১০-১৫ শতাংশ ঘুষ নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার তার বিরুদ্ধে।
এসব অভিযোগ ওঠার পর গেরমান গালুশচেঙ্কো গত নভেম্বরে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। এরপর গতকাল দেশ ছেড়ে পালানোর সময় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
২০২৫ সালে ইউক্রেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইউলিয়া তাইমোশেঙ্কোসহ কয়েকজন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। গালুশচেঙ্কো তাদের মধ্যে অন্যতম।
যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেনের সরকারি প্রশাসনের একটি বড় সমস্যা দুর্নীতি। মূলত এই কারণেই ইউক্রেনের জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যপদ প্রাপ্তির ব্যাপারটি এখনও ঝুলে আছে।
সূত্র : আল জাজিরা




