যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতার কারিগরি পর্যায় নিয়ে আলোচনা শুরু

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতার কারিগরি পর্যায় নিয়ে আলোচনা শুরু
সিজেডএন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সমঝোতা চুক্তির কারিগরি পর্যায় নিয়ে কাতারের রাজধানী দোহায় আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে আলোচনায় দুইদেশের শীর্ষ কর্মকর্তারা কেউ মুখোমুখি হচ্ছেন না।
আল জাজিরা জানিয়েছে, কাতারে অন্তত তিনটি দল কারিগরি বিষয় নিয়ে কাজ করছে। বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে– পারমাণবিক ইস্যু, কূটনীতি এবং অর্থনীতি ও জব্দ করা সম্পদ।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তির সম্ভাবনায় আশঙ্কার ছায়া পড়েছে। ইরান জানিয়েছে, তারা দোহায় উপস্থিত হওয়া শীর্ষ মার্কিন দূতদের সঙ্গে বৈঠক করবে না। কয়েকদিন ধরে চলা পাল্টাপাল্টি হামলার পর ইরান এ সিদ্ধান্ত জানায়।
ইরানি কর্মকর্তারা আরও জানিয়েছেন, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচির ওপর সম্ভাব্য সীমাবদ্ধতা আরোপের মতো আরও কঠিন বিষয়গুলো মোকাবিলার আগে দুই পক্ষকে অবশ্যই দুই সপ্তাহ আগে স্বাক্ষরিত চুক্তির শর্তগুলো চূড়ান্ত করতে হবে।
ইরানের এই সিদ্ধান্তে দৃশ্যমান হয়েছে যে, প্রাথমিক সমঝোতা চুক্তির মূল স্তম্ভগুলোর বিষয়ে দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক মতপার্থক্য রয়েছে। ওই সমঝোতা চুক্তিতে আর্থিক প্রণোদনার বিনিময়ে ইরানকে হরমুজ প্রণালির ওপর থেকে তাদের নিয়ন্ত্রণ তুলে নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। একইসঙ্গে একটি স্থায়ী শান্তি চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য ৬০ দিনের আলোচনার ব্যবস্থা রাখা হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার ও তার দূত স্টিভ উইটকফ হোয়াইট হাউজ বর্ণিত ‘উচ্চ পর্যায়ের’ আলোচনার জন্য কাতারের রাজধানী দোহায় হাজির হয়েছেন। কিন্তু ইরান ও আলোচনার আয়োজক কাতার জানিয়েছে, কুশনার ও উইটকফ ইরানিদের সঙ্গে নয়, মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। বৈঠকে কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুলরহমান আল-থানিও থাকছেন।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমায়েল বাকায়ি বলেছেন, আগামী দিনগুলোয় আমেরিকান পক্ষের সঙ্গে কোনো পর্যায়ে কোনো বৈঠক করার কর্মসূচি নেই।
কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি জানিয়েছেন, দুই দেশের মধ্যে নিম্ন পর্যায়ের কারিগরি আলোচনা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সমঝোতা চুক্তির কারিগরি পর্যায় নিয়ে কাতারের রাজধানী দোহায় আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে আলোচনায় দুইদেশের শীর্ষ কর্মকর্তারা কেউ মুখোমুখি হচ্ছেন না।
আল জাজিরা জানিয়েছে, কাতারে অন্তত তিনটি দল কারিগরি বিষয় নিয়ে কাজ করছে। বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে– পারমাণবিক ইস্যু, কূটনীতি এবং অর্থনীতি ও জব্দ করা সম্পদ।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তির সম্ভাবনায় আশঙ্কার ছায়া পড়েছে। ইরান জানিয়েছে, তারা দোহায় উপস্থিত হওয়া শীর্ষ মার্কিন দূতদের সঙ্গে বৈঠক করবে না। কয়েকদিন ধরে চলা পাল্টাপাল্টি হামলার পর ইরান এ সিদ্ধান্ত জানায়।
ইরানি কর্মকর্তারা আরও জানিয়েছেন, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচির ওপর সম্ভাব্য সীমাবদ্ধতা আরোপের মতো আরও কঠিন বিষয়গুলো মোকাবিলার আগে দুই পক্ষকে অবশ্যই দুই সপ্তাহ আগে স্বাক্ষরিত চুক্তির শর্তগুলো চূড়ান্ত করতে হবে।
ইরানের এই সিদ্ধান্তে দৃশ্যমান হয়েছে যে, প্রাথমিক সমঝোতা চুক্তির মূল স্তম্ভগুলোর বিষয়ে দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক মতপার্থক্য রয়েছে। ওই সমঝোতা চুক্তিতে আর্থিক প্রণোদনার বিনিময়ে ইরানকে হরমুজ প্রণালির ওপর থেকে তাদের নিয়ন্ত্রণ তুলে নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। একইসঙ্গে একটি স্থায়ী শান্তি চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য ৬০ দিনের আলোচনার ব্যবস্থা রাখা হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার ও তার দূত স্টিভ উইটকফ হোয়াইট হাউজ বর্ণিত ‘উচ্চ পর্যায়ের’ আলোচনার জন্য কাতারের রাজধানী দোহায় হাজির হয়েছেন। কিন্তু ইরান ও আলোচনার আয়োজক কাতার জানিয়েছে, কুশনার ও উইটকফ ইরানিদের সঙ্গে নয়, মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। বৈঠকে কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুলরহমান আল-থানিও থাকছেন।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমায়েল বাকায়ি বলেছেন, আগামী দিনগুলোয় আমেরিকান পক্ষের সঙ্গে কোনো পর্যায়ে কোনো বৈঠক করার কর্মসূচি নেই।
কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি জানিয়েছেন, দুই দেশের মধ্যে নিম্ন পর্যায়ের কারিগরি আলোচনা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতার কারিগরি পর্যায় নিয়ে আলোচনা শুরু
সিজেডএন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সমঝোতা চুক্তির কারিগরি পর্যায় নিয়ে কাতারের রাজধানী দোহায় আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে আলোচনায় দুইদেশের শীর্ষ কর্মকর্তারা কেউ মুখোমুখি হচ্ছেন না।
আল জাজিরা জানিয়েছে, কাতারে অন্তত তিনটি দল কারিগরি বিষয় নিয়ে কাজ করছে। বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে– পারমাণবিক ইস্যু, কূটনীতি এবং অর্থনীতি ও জব্দ করা সম্পদ।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তির সম্ভাবনায় আশঙ্কার ছায়া পড়েছে। ইরান জানিয়েছে, তারা দোহায় উপস্থিত হওয়া শীর্ষ মার্কিন দূতদের সঙ্গে বৈঠক করবে না। কয়েকদিন ধরে চলা পাল্টাপাল্টি হামলার পর ইরান এ সিদ্ধান্ত জানায়।
ইরানি কর্মকর্তারা আরও জানিয়েছেন, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচির ওপর সম্ভাব্য সীমাবদ্ধতা আরোপের মতো আরও কঠিন বিষয়গুলো মোকাবিলার আগে দুই পক্ষকে অবশ্যই দুই সপ্তাহ আগে স্বাক্ষরিত চুক্তির শর্তগুলো চূড়ান্ত করতে হবে।
ইরানের এই সিদ্ধান্তে দৃশ্যমান হয়েছে যে, প্রাথমিক সমঝোতা চুক্তির মূল স্তম্ভগুলোর বিষয়ে দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক মতপার্থক্য রয়েছে। ওই সমঝোতা চুক্তিতে আর্থিক প্রণোদনার বিনিময়ে ইরানকে হরমুজ প্রণালির ওপর থেকে তাদের নিয়ন্ত্রণ তুলে নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। একইসঙ্গে একটি স্থায়ী শান্তি চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য ৬০ দিনের আলোচনার ব্যবস্থা রাখা হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার ও তার দূত স্টিভ উইটকফ হোয়াইট হাউজ বর্ণিত ‘উচ্চ পর্যায়ের’ আলোচনার জন্য কাতারের রাজধানী দোহায় হাজির হয়েছেন। কিন্তু ইরান ও আলোচনার আয়োজক কাতার জানিয়েছে, কুশনার ও উইটকফ ইরানিদের সঙ্গে নয়, মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। বৈঠকে কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুলরহমান আল-থানিও থাকছেন।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমায়েল বাকায়ি বলেছেন, আগামী দিনগুলোয় আমেরিকান পক্ষের সঙ্গে কোনো পর্যায়ে কোনো বৈঠক করার কর্মসূচি নেই।
কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি জানিয়েছেন, দুই দেশের মধ্যে নিম্ন পর্যায়ের কারিগরি আলোচনা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

কাতার যাচ্ছে ইরানের প্রতিনিধিদল, যে বিষয়ে আলোচনা


