যুক্ত হলো পূর্বাচল, বড় হচ্ছে ঢাকা

যুক্ত হলো পূর্বাচল, বড় হচ্ছে ঢাকা
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর উপকণ্ঠে অবস্থিত পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের পুরো এলাকা ঢাকা জেলায় অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ঢাকাসহ শহরটির বড় একটি অংশ নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলা এবং কিছু অংশ গাজীপুরের কালীগঞ্জে পড়েছে। তিন জেলায় বিভক্ত হওয়ায় এ প্রকল্পের প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনায় জটিলতা হচ্ছিল।
এই সমস্যা সমাধানে প্রকল্পটির পুরো এলাকা ঢাকা জেলায় অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব দিয়েছিল গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। বুধবার (১ জুলাই) প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস-সংক্রান্ত প্রস্তাবটি জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) ১২১তম সভায় এ প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
নিকারের অনুমোদনের ফলে, পূর্বাচলের প্রায় ৬ হাজার ২১ একর জমি ঢাকা জেলার আওতায় আসবে। একইসঙ্গে দেশের সবচেয়ে বড় পরিকল্পিত আবাসন প্রকল্পটি সম্পূর্ণভাবে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি), ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) এবং ঢাকা ওয়াসার আওতায় আসছে। ফলে ঢাকা জেলার আয়তন বাড়ছে। আর কিছুটা ছোট হবে গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ জেলা।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পর গত ২৫ মার্চ গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। পরে ২৩ এপ্রিল মন্ত্রিসভার বৈঠকে পূর্বাচলকে ঢাকা জেলার আওতায় আনার নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়। এরপর মে মাসে প্রাক-নিকার সচিব কমিটিও প্রস্তাবটি অনুমোদন দেয়।
বর্তমানে পূর্বাচল প্রকল্পের একটি অংশ ঢাকা জেলার ক্যান্টনমেন্ট ও খিলক্ষেত থানার কয়েকটি মৌজায়, দুটি মৌজা গাজীপুরের কালীগঞ্জে এবং বাকি ১৪টি মৌজা নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত।
সরকারের নতুন এই সিদ্ধান্তে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ, ভূমি ব্যবস্থাপনা, নাগরিক সেবা এবং অবকাঠামো পরিচালনায় সমন্বয় অনেক সহজ হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এর আগে গৃহায়ন ও গণপূর্ত সচিব বলেছেন, ‘প্রকল্পটি নিকারের সভায় অনুমোদন পেলে প্রকল্প এলাকাটি ঢাকা উত্তর সিটির আওতায় আনা হবে। এটি বাস্তবায়ন হলে প্রকল্প এলাকার মানুষের নাগরিক সেবা, নিরাপত্তা ও সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করবে ঢাকা উত্তর সিটি।’
তবে সরকারের এমন সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে নগর পরিকল্পনাবিদদের অনেকে বলছেন, এমনটি করা হলে ঢাকা শহর আরও ‘ভারাক্রান্ত’ হবে।
নগর পরিকল্পনাবিদ অধ্যাপক আদিল মুহাম্মদ খান বলেছেন, ‘পূর্বাচলের সিংহভাগই নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর জেলায়। নতুন শহরের জন্য নতুন কর্তৃপক্ষ হতে পারত। তা না করে এটিকে ঢাকা শহরের ভেতরে এনে ঢাকাকে আরও জটিল করা হচ্ছে। এমনিতেই কাঙ্ক্ষিত সেবা দিতে পারছে না দুই সিটি কর্পোরেশন। আয়তন বাড়লে বরং সেবার মান আরও কমবে।
এদিকে গত ১০ এপ্রিল জারি হওয়া ‘রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০২৬’-এ রাজউকের কার্যপরিধি নতুনভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে। আইনের ১(২) ধারায় বলা হয়েছে, রাজউকের আওতা ঢাকা মহানগরী ছাড়াও ঢাকা জেলার সাভার ও কেরানীগঞ্জ এবং নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর জেলার নির্ধারিত এলাকা জুড়ে বিস্তৃত থাকবে। নতুন আইনে রাজউকের ভৌগোলিক কার্যপরিধি বহাল থাকলেও প্রশাসনিক সুবিধার জন্য পূর্বাচল প্রকল্পের অংশবিশেষকে ঢাকা জেলায় অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে।
এর কারণ হিসেবে রাজউক কর্মকর্তা বলেছেন, ‘প্রকল্প হস্তান্তরের পরই রাজউকের দায়িত্ব শেষ। সেক্ষেত্রে পূর্বাচল প্রকল্পের রাস্তাঘাট নির্মাণ, নিরাপত্তা, বিদ্যুৎ, পানিসহ সেবা-পরিসেবার বিষয় দেখভাল এবং সবকিছুর সুষ্ঠু সমাধানের জন্যই পুরো প্রকল্পটি ঢাকা জেলার অধীনে আনা হচ্ছে।’
আধুনিক অবকাঠামো গড়ে উঠলেও প্রশাসনিক বিভাজনের কারণে নাগরিক সেবা ও ব্যবস্থাপনায় যে জটিলতা এতদিন ছিল, এই নতুন সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে তার অবসান ঘটবে বলে আশা করছে সরকার।

রাজধানীর উপকণ্ঠে অবস্থিত পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের পুরো এলাকা ঢাকা জেলায় অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ঢাকাসহ শহরটির বড় একটি অংশ নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলা এবং কিছু অংশ গাজীপুরের কালীগঞ্জে পড়েছে। তিন জেলায় বিভক্ত হওয়ায় এ প্রকল্পের প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনায় জটিলতা হচ্ছিল।
এই সমস্যা সমাধানে প্রকল্পটির পুরো এলাকা ঢাকা জেলায় অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব দিয়েছিল গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। বুধবার (১ জুলাই) প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস-সংক্রান্ত প্রস্তাবটি জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) ১২১তম সভায় এ প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
নিকারের অনুমোদনের ফলে, পূর্বাচলের প্রায় ৬ হাজার ২১ একর জমি ঢাকা জেলার আওতায় আসবে। একইসঙ্গে দেশের সবচেয়ে বড় পরিকল্পিত আবাসন প্রকল্পটি সম্পূর্ণভাবে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি), ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) এবং ঢাকা ওয়াসার আওতায় আসছে। ফলে ঢাকা জেলার আয়তন বাড়ছে। আর কিছুটা ছোট হবে গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ জেলা।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পর গত ২৫ মার্চ গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। পরে ২৩ এপ্রিল মন্ত্রিসভার বৈঠকে পূর্বাচলকে ঢাকা জেলার আওতায় আনার নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়। এরপর মে মাসে প্রাক-নিকার সচিব কমিটিও প্রস্তাবটি অনুমোদন দেয়।
বর্তমানে পূর্বাচল প্রকল্পের একটি অংশ ঢাকা জেলার ক্যান্টনমেন্ট ও খিলক্ষেত থানার কয়েকটি মৌজায়, দুটি মৌজা গাজীপুরের কালীগঞ্জে এবং বাকি ১৪টি মৌজা নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত।
সরকারের নতুন এই সিদ্ধান্তে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ, ভূমি ব্যবস্থাপনা, নাগরিক সেবা এবং অবকাঠামো পরিচালনায় সমন্বয় অনেক সহজ হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এর আগে গৃহায়ন ও গণপূর্ত সচিব বলেছেন, ‘প্রকল্পটি নিকারের সভায় অনুমোদন পেলে প্রকল্প এলাকাটি ঢাকা উত্তর সিটির আওতায় আনা হবে। এটি বাস্তবায়ন হলে প্রকল্প এলাকার মানুষের নাগরিক সেবা, নিরাপত্তা ও সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করবে ঢাকা উত্তর সিটি।’
তবে সরকারের এমন সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে নগর পরিকল্পনাবিদদের অনেকে বলছেন, এমনটি করা হলে ঢাকা শহর আরও ‘ভারাক্রান্ত’ হবে।
নগর পরিকল্পনাবিদ অধ্যাপক আদিল মুহাম্মদ খান বলেছেন, ‘পূর্বাচলের সিংহভাগই নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর জেলায়। নতুন শহরের জন্য নতুন কর্তৃপক্ষ হতে পারত। তা না করে এটিকে ঢাকা শহরের ভেতরে এনে ঢাকাকে আরও জটিল করা হচ্ছে। এমনিতেই কাঙ্ক্ষিত সেবা দিতে পারছে না দুই সিটি কর্পোরেশন। আয়তন বাড়লে বরং সেবার মান আরও কমবে।
এদিকে গত ১০ এপ্রিল জারি হওয়া ‘রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০২৬’-এ রাজউকের কার্যপরিধি নতুনভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে। আইনের ১(২) ধারায় বলা হয়েছে, রাজউকের আওতা ঢাকা মহানগরী ছাড়াও ঢাকা জেলার সাভার ও কেরানীগঞ্জ এবং নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর জেলার নির্ধারিত এলাকা জুড়ে বিস্তৃত থাকবে। নতুন আইনে রাজউকের ভৌগোলিক কার্যপরিধি বহাল থাকলেও প্রশাসনিক সুবিধার জন্য পূর্বাচল প্রকল্পের অংশবিশেষকে ঢাকা জেলায় অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে।
এর কারণ হিসেবে রাজউক কর্মকর্তা বলেছেন, ‘প্রকল্প হস্তান্তরের পরই রাজউকের দায়িত্ব শেষ। সেক্ষেত্রে পূর্বাচল প্রকল্পের রাস্তাঘাট নির্মাণ, নিরাপত্তা, বিদ্যুৎ, পানিসহ সেবা-পরিসেবার বিষয় দেখভাল এবং সবকিছুর সুষ্ঠু সমাধানের জন্যই পুরো প্রকল্পটি ঢাকা জেলার অধীনে আনা হচ্ছে।’
আধুনিক অবকাঠামো গড়ে উঠলেও প্রশাসনিক বিভাজনের কারণে নাগরিক সেবা ও ব্যবস্থাপনায় যে জটিলতা এতদিন ছিল, এই নতুন সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে তার অবসান ঘটবে বলে আশা করছে সরকার।

যুক্ত হলো পূর্বাচল, বড় হচ্ছে ঢাকা
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর উপকণ্ঠে অবস্থিত পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের পুরো এলাকা ঢাকা জেলায় অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ঢাকাসহ শহরটির বড় একটি অংশ নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলা এবং কিছু অংশ গাজীপুরের কালীগঞ্জে পড়েছে। তিন জেলায় বিভক্ত হওয়ায় এ প্রকল্পের প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনায় জটিলতা হচ্ছিল।
এই সমস্যা সমাধানে প্রকল্পটির পুরো এলাকা ঢাকা জেলায় অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব দিয়েছিল গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। বুধবার (১ জুলাই) প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস-সংক্রান্ত প্রস্তাবটি জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) ১২১তম সভায় এ প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
নিকারের অনুমোদনের ফলে, পূর্বাচলের প্রায় ৬ হাজার ২১ একর জমি ঢাকা জেলার আওতায় আসবে। একইসঙ্গে দেশের সবচেয়ে বড় পরিকল্পিত আবাসন প্রকল্পটি সম্পূর্ণভাবে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি), ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) এবং ঢাকা ওয়াসার আওতায় আসছে। ফলে ঢাকা জেলার আয়তন বাড়ছে। আর কিছুটা ছোট হবে গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ জেলা।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পর গত ২৫ মার্চ গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। পরে ২৩ এপ্রিল মন্ত্রিসভার বৈঠকে পূর্বাচলকে ঢাকা জেলার আওতায় আনার নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়। এরপর মে মাসে প্রাক-নিকার সচিব কমিটিও প্রস্তাবটি অনুমোদন দেয়।
বর্তমানে পূর্বাচল প্রকল্পের একটি অংশ ঢাকা জেলার ক্যান্টনমেন্ট ও খিলক্ষেত থানার কয়েকটি মৌজায়, দুটি মৌজা গাজীপুরের কালীগঞ্জে এবং বাকি ১৪টি মৌজা নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত।
সরকারের নতুন এই সিদ্ধান্তে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ, ভূমি ব্যবস্থাপনা, নাগরিক সেবা এবং অবকাঠামো পরিচালনায় সমন্বয় অনেক সহজ হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এর আগে গৃহায়ন ও গণপূর্ত সচিব বলেছেন, ‘প্রকল্পটি নিকারের সভায় অনুমোদন পেলে প্রকল্প এলাকাটি ঢাকা উত্তর সিটির আওতায় আনা হবে। এটি বাস্তবায়ন হলে প্রকল্প এলাকার মানুষের নাগরিক সেবা, নিরাপত্তা ও সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করবে ঢাকা উত্তর সিটি।’
তবে সরকারের এমন সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে নগর পরিকল্পনাবিদদের অনেকে বলছেন, এমনটি করা হলে ঢাকা শহর আরও ‘ভারাক্রান্ত’ হবে।
নগর পরিকল্পনাবিদ অধ্যাপক আদিল মুহাম্মদ খান বলেছেন, ‘পূর্বাচলের সিংহভাগই নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর জেলায়। নতুন শহরের জন্য নতুন কর্তৃপক্ষ হতে পারত। তা না করে এটিকে ঢাকা শহরের ভেতরে এনে ঢাকাকে আরও জটিল করা হচ্ছে। এমনিতেই কাঙ্ক্ষিত সেবা দিতে পারছে না দুই সিটি কর্পোরেশন। আয়তন বাড়লে বরং সেবার মান আরও কমবে।
এদিকে গত ১০ এপ্রিল জারি হওয়া ‘রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০২৬’-এ রাজউকের কার্যপরিধি নতুনভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে। আইনের ১(২) ধারায় বলা হয়েছে, রাজউকের আওতা ঢাকা মহানগরী ছাড়াও ঢাকা জেলার সাভার ও কেরানীগঞ্জ এবং নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর জেলার নির্ধারিত এলাকা জুড়ে বিস্তৃত থাকবে। নতুন আইনে রাজউকের ভৌগোলিক কার্যপরিধি বহাল থাকলেও প্রশাসনিক সুবিধার জন্য পূর্বাচল প্রকল্পের অংশবিশেষকে ঢাকা জেলায় অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে।
এর কারণ হিসেবে রাজউক কর্মকর্তা বলেছেন, ‘প্রকল্প হস্তান্তরের পরই রাজউকের দায়িত্ব শেষ। সেক্ষেত্রে পূর্বাচল প্রকল্পের রাস্তাঘাট নির্মাণ, নিরাপত্তা, বিদ্যুৎ, পানিসহ সেবা-পরিসেবার বিষয় দেখভাল এবং সবকিছুর সুষ্ঠু সমাধানের জন্যই পুরো প্রকল্পটি ঢাকা জেলার অধীনে আনা হচ্ছে।’
আধুনিক অবকাঠামো গড়ে উঠলেও প্রশাসনিক বিভাজনের কারণে নাগরিক সেবা ও ব্যবস্থাপনায় যে জটিলতা এতদিন ছিল, এই নতুন সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে তার অবসান ঘটবে বলে আশা করছে সরকার।

নতুন ৩ উপজেলা ও ১ থানার অনুমোদন
পূর্বাচলে প্রাতিষ্ঠানিক প্লটের চূড়ান্ত বরাদ্দ ঝুলে আছে ৮ বছর

