শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার কারণ উদঘাটনে কাজ করছে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার কারণ উদঘাটনে কাজ করছে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার কারণ উদঘাটনে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
বুধবার (১ জুলাই) সচিবালয়ে ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এ বছর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী। ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। আগামী বছর থেকে মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কমন বিষয়গুলোতেও একই প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি বলেন, পরীক্ষা কেন্দ্রে দায়িত্ব পালনকারী আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের বডি-ওর্ন ক্যামেরা থাকবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন ফাঁস বা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর চেষ্টা করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এহছানুল হক মিলন বলেন, যেকোনো দুর্যোগ, প্রশ্নপত্র ফাঁস বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় তিন সেট প্রশ্নপত্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। দুর্যোগপূর্ণ এলাকার ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসন পরিস্থিতি বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবে।
তিনি বলেন, ২০২৮ সাল থেকে নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার। প্রয়োজনীয় পরিবর্তনের মাধ্যমে কারিকুলামকে আরও যুগোপযোগী করা হবে।২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা আগামী ৭ জানুয়ারি শুরু হবে।

শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার কারণ উদঘাটনে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
বুধবার (১ জুলাই) সচিবালয়ে ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এ বছর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী। ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। আগামী বছর থেকে মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কমন বিষয়গুলোতেও একই প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি বলেন, পরীক্ষা কেন্দ্রে দায়িত্ব পালনকারী আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের বডি-ওর্ন ক্যামেরা থাকবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন ফাঁস বা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর চেষ্টা করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এহছানুল হক মিলন বলেন, যেকোনো দুর্যোগ, প্রশ্নপত্র ফাঁস বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় তিন সেট প্রশ্নপত্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। দুর্যোগপূর্ণ এলাকার ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসন পরিস্থিতি বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবে।
তিনি বলেন, ২০২৮ সাল থেকে নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার। প্রয়োজনীয় পরিবর্তনের মাধ্যমে কারিকুলামকে আরও যুগোপযোগী করা হবে।২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা আগামী ৭ জানুয়ারি শুরু হবে।

শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার কারণ উদঘাটনে কাজ করছে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার কারণ উদঘাটনে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
বুধবার (১ জুলাই) সচিবালয়ে ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এ বছর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী। ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। আগামী বছর থেকে মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কমন বিষয়গুলোতেও একই প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি বলেন, পরীক্ষা কেন্দ্রে দায়িত্ব পালনকারী আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের বডি-ওর্ন ক্যামেরা থাকবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন ফাঁস বা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর চেষ্টা করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এহছানুল হক মিলন বলেন, যেকোনো দুর্যোগ, প্রশ্নপত্র ফাঁস বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় তিন সেট প্রশ্নপত্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। দুর্যোগপূর্ণ এলাকার ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসন পরিস্থিতি বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবে।
তিনি বলেন, ২০২৮ সাল থেকে নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার। প্রয়োজনীয় পরিবর্তনের মাধ্যমে কারিকুলামকে আরও যুগোপযোগী করা হবে।২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা আগামী ৭ জানুয়ারি শুরু হবে।

প্রশ্ন ফাঁসের গুজব ছড়ালে কঠোর ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী

