ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা
অগ্রগতি গোপন রাখতে সাংবাদিকদের জন্য রোমাঞ্চকর আয়োজন

অগ্রগতি গোপন রাখতে সাংবাদিকদের জন্য রোমাঞ্চকর আয়োজন
সিটিজেন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনাকে কেন্দ্র করে ইসলামাবাদে এক অভিনব দৃশ্যের সৃষ্টি হয়েছে। শহরের প্রধান সম্মেলন কেন্দ্রটিকে পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ একটি আধুনিক গণমাধ্যম সহায়তা কেন্দ্রে রূপান্তর করেছে, যেখানে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা শত শত সাংবাদিক অবস্থান করছেন। তবে বৈঠকের মূল পর্বটি তাদের নাগালের বাইরেই থেকে গেছে।
সাংবাদিকদের জন্য সেখানে রাখা হয়েছে উচ্চমানের কফি, দ্রুতগতির ইন্টারনেট এবং চমকপ্রদ ব্র্যান্ডিং। কিন্তু আলোচনাটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে মাত্র আধা কিলোমিটার দূরে, সম্পূর্ণ রুদ্ধদ্বার কক্ষে—যেখানে গণমাধ্যমের প্রবেশাধিকার নেই।
মিডিয়া সেন্টারের ভেতরে যেন উৎসবের আমেজ। বিয়ের ভোজের আদলে সাজানো খাবারের আয়োজন—বিরিয়ানি, কাবাব, গোলাপ জামুন—সাংবাদিকদের আপ্যায়নে কোনো কমতি নেই। পাশাপাশি ব্রাজিলিয়ান ও ইথিওপিয়ান কফি বিন দিয়ে তৈরি গুরমে কফিও পরিবেশন করা হচ্ছে।
একটি কফি স্টলের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি জানান, ‘আমরা ‘ব্রুড ফর পিস’ ব্র্যান্ডিংটি শুধু আজকের দিনের জন্যই করেছি।’ এই প্রতীকী উদ্যোগ শান্তির বার্তা তুলে ধরার চেষ্টা হলেও বাস্তবে মূল আলোচনায় সাংবাদিকদের অনুপস্থিতিই বেশি চোখে পড়ছে।
হলের বাইরে ছোট একটি মঞ্চে সংগীতশিল্পীরা লোকসংগীত পরিবেশন করছেন, যা পরিবেশকে কিছুটা প্রাণবন্ত করে তুলছে। তবুও অনেক সাংবাদিকই এতে সন্তুষ্ট নন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সাংবাদিক বলেন, ‘আমি ভীষণ বিরক্ত হয়ে গেছি।’ আরেকজনের মন্তব্য, ‘এখানে করার মতো তেমন কিছুই নেই।’
সব মিলিয়ে, একদিকে আতিথেয়তা আর আয়োজনের জৌলুস, অন্যদিকে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বাইরে থাকা—এই বৈপরীত্যই ইসলামাবাদের এই গণমাধ্যম সহায়তা কেন্দ্রের বাস্তব চিত্র তুলে ধরছে।

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনাকে কেন্দ্র করে ইসলামাবাদে এক অভিনব দৃশ্যের সৃষ্টি হয়েছে। শহরের প্রধান সম্মেলন কেন্দ্রটিকে পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ একটি আধুনিক গণমাধ্যম সহায়তা কেন্দ্রে রূপান্তর করেছে, যেখানে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা শত শত সাংবাদিক অবস্থান করছেন। তবে বৈঠকের মূল পর্বটি তাদের নাগালের বাইরেই থেকে গেছে।
সাংবাদিকদের জন্য সেখানে রাখা হয়েছে উচ্চমানের কফি, দ্রুতগতির ইন্টারনেট এবং চমকপ্রদ ব্র্যান্ডিং। কিন্তু আলোচনাটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে মাত্র আধা কিলোমিটার দূরে, সম্পূর্ণ রুদ্ধদ্বার কক্ষে—যেখানে গণমাধ্যমের প্রবেশাধিকার নেই।
মিডিয়া সেন্টারের ভেতরে যেন উৎসবের আমেজ। বিয়ের ভোজের আদলে সাজানো খাবারের আয়োজন—বিরিয়ানি, কাবাব, গোলাপ জামুন—সাংবাদিকদের আপ্যায়নে কোনো কমতি নেই। পাশাপাশি ব্রাজিলিয়ান ও ইথিওপিয়ান কফি বিন দিয়ে তৈরি গুরমে কফিও পরিবেশন করা হচ্ছে।
একটি কফি স্টলের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি জানান, ‘আমরা ‘ব্রুড ফর পিস’ ব্র্যান্ডিংটি শুধু আজকের দিনের জন্যই করেছি।’ এই প্রতীকী উদ্যোগ শান্তির বার্তা তুলে ধরার চেষ্টা হলেও বাস্তবে মূল আলোচনায় সাংবাদিকদের অনুপস্থিতিই বেশি চোখে পড়ছে।
হলের বাইরে ছোট একটি মঞ্চে সংগীতশিল্পীরা লোকসংগীত পরিবেশন করছেন, যা পরিবেশকে কিছুটা প্রাণবন্ত করে তুলছে। তবুও অনেক সাংবাদিকই এতে সন্তুষ্ট নন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সাংবাদিক বলেন, ‘আমি ভীষণ বিরক্ত হয়ে গেছি।’ আরেকজনের মন্তব্য, ‘এখানে করার মতো তেমন কিছুই নেই।’
সব মিলিয়ে, একদিকে আতিথেয়তা আর আয়োজনের জৌলুস, অন্যদিকে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বাইরে থাকা—এই বৈপরীত্যই ইসলামাবাদের এই গণমাধ্যম সহায়তা কেন্দ্রের বাস্তব চিত্র তুলে ধরছে।

অগ্রগতি গোপন রাখতে সাংবাদিকদের জন্য রোমাঞ্চকর আয়োজন
সিটিজেন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনাকে কেন্দ্র করে ইসলামাবাদে এক অভিনব দৃশ্যের সৃষ্টি হয়েছে। শহরের প্রধান সম্মেলন কেন্দ্রটিকে পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ একটি আধুনিক গণমাধ্যম সহায়তা কেন্দ্রে রূপান্তর করেছে, যেখানে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা শত শত সাংবাদিক অবস্থান করছেন। তবে বৈঠকের মূল পর্বটি তাদের নাগালের বাইরেই থেকে গেছে।
সাংবাদিকদের জন্য সেখানে রাখা হয়েছে উচ্চমানের কফি, দ্রুতগতির ইন্টারনেট এবং চমকপ্রদ ব্র্যান্ডিং। কিন্তু আলোচনাটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে মাত্র আধা কিলোমিটার দূরে, সম্পূর্ণ রুদ্ধদ্বার কক্ষে—যেখানে গণমাধ্যমের প্রবেশাধিকার নেই।
মিডিয়া সেন্টারের ভেতরে যেন উৎসবের আমেজ। বিয়ের ভোজের আদলে সাজানো খাবারের আয়োজন—বিরিয়ানি, কাবাব, গোলাপ জামুন—সাংবাদিকদের আপ্যায়নে কোনো কমতি নেই। পাশাপাশি ব্রাজিলিয়ান ও ইথিওপিয়ান কফি বিন দিয়ে তৈরি গুরমে কফিও পরিবেশন করা হচ্ছে।
একটি কফি স্টলের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি জানান, ‘আমরা ‘ব্রুড ফর পিস’ ব্র্যান্ডিংটি শুধু আজকের দিনের জন্যই করেছি।’ এই প্রতীকী উদ্যোগ শান্তির বার্তা তুলে ধরার চেষ্টা হলেও বাস্তবে মূল আলোচনায় সাংবাদিকদের অনুপস্থিতিই বেশি চোখে পড়ছে।
হলের বাইরে ছোট একটি মঞ্চে সংগীতশিল্পীরা লোকসংগীত পরিবেশন করছেন, যা পরিবেশকে কিছুটা প্রাণবন্ত করে তুলছে। তবুও অনেক সাংবাদিকই এতে সন্তুষ্ট নন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সাংবাদিক বলেন, ‘আমি ভীষণ বিরক্ত হয়ে গেছি।’ আরেকজনের মন্তব্য, ‘এখানে করার মতো তেমন কিছুই নেই।’
সব মিলিয়ে, একদিকে আতিথেয়তা আর আয়োজনের জৌলুস, অন্যদিকে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বাইরে থাকা—এই বৈপরীত্যই ইসলামাবাদের এই গণমাধ্যম সহায়তা কেন্দ্রের বাস্তব চিত্র তুলে ধরছে।




