অং সান সুচির সাজা কমলো
সিটিজেন ডেস্ক

অং সান সুচির সাজা কমলো
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৭: ০০

ছবি: সংগৃহীত
মিয়ানমারের কারাবন্দী গণতন্ত্রপন্থী নেত্রী অং সান সুচির সাজার মেয়াদ কমিয়েছে দেশটির সরকার। এছাড়া প্রায় সাড়ে ৪৩ হাজার বন্দিকে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা এবং মৃত্যুদণ্ড পাওয়া অপরাধীদের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সুচির আইনজীবীর বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
মিয়ানমারের নতুন প্রেসিডেন্ট পদে শপথ নেওয়ার পর মিন অং হ্লাইং এর প্রথম আনুষ্ঠানিক আদেশে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো।
সুচির আইনজীবী রয়টার্সকে জানিয়েছেন, মিয়ানমার সরকার অং সান সুচির সাজার মেয়াদ ৬ ভাগের এক ভাগ কমিয়েছে। তবে সুচিকে তার সাজার বাকি মেয়াদ কিভাবে কাটাতে হবে কিনা, তা পরিষ্কার করা হয়নি।
দুর্নীতি, উসকানি, নির্বাচনে জালিয়াতি ও রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা আইন লঙ্ঘনসহ একাধিক অভিযোগে ২৭ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছেন অং সান সুচি। সুচিরকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখতে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এসব অভিযোগ আনা হয়েছে বলে দাবি করেছেন তার মিত্ররা।
উল্লেখ্য, মিয়ানমারে প্রতিবছর জানুয়ারিতে স্বাধীনতা দিবস এবং এপ্রিলে নববর্ষ উপলক্ষে বন্দীদের জন্য এ ধরনের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করা হয়ে থাকে। ২০২১ সালে অং সান সু চির নেতৃত্বাধীন সরকারকে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত করেন সাবেক সিনিয়র জেনারেল মিন অং হ্লাইং। এরপর থেকে জান্তা সরকারের নেতৃত্বে ছিলেন মিন অং হ্লাইং। গত ৩ এপ্রিল মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন তিনি।
তবে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু ছিল না।

মিয়ানমারের কারাবন্দী গণতন্ত্রপন্থী নেত্রী অং সান সুচির সাজার মেয়াদ কমিয়েছে দেশটির সরকার। এছাড়া প্রায় সাড়ে ৪৩ হাজার বন্দিকে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা এবং মৃত্যুদণ্ড পাওয়া অপরাধীদের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সুচির আইনজীবীর বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
মিয়ানমারের নতুন প্রেসিডেন্ট পদে শপথ নেওয়ার পর মিন অং হ্লাইং এর প্রথম আনুষ্ঠানিক আদেশে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো।
সুচির আইনজীবী রয়টার্সকে জানিয়েছেন, মিয়ানমার সরকার অং সান সুচির সাজার মেয়াদ ৬ ভাগের এক ভাগ কমিয়েছে। তবে সুচিকে তার সাজার বাকি মেয়াদ কিভাবে কাটাতে হবে কিনা, তা পরিষ্কার করা হয়নি।
দুর্নীতি, উসকানি, নির্বাচনে জালিয়াতি ও রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা আইন লঙ্ঘনসহ একাধিক অভিযোগে ২৭ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছেন অং সান সুচি। সুচিরকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখতে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এসব অভিযোগ আনা হয়েছে বলে দাবি করেছেন তার মিত্ররা।
উল্লেখ্য, মিয়ানমারে প্রতিবছর জানুয়ারিতে স্বাধীনতা দিবস এবং এপ্রিলে নববর্ষ উপলক্ষে বন্দীদের জন্য এ ধরনের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করা হয়ে থাকে। ২০২১ সালে অং সান সু চির নেতৃত্বাধীন সরকারকে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত করেন সাবেক সিনিয়র জেনারেল মিন অং হ্লাইং। এরপর থেকে জান্তা সরকারের নেতৃত্বে ছিলেন মিন অং হ্লাইং। গত ৩ এপ্রিল মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন তিনি।
তবে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু ছিল না।

অং সান সুচির সাজা কমলো
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৭: ০০

ছবি: সংগৃহীত
মিয়ানমারের কারাবন্দী গণতন্ত্রপন্থী নেত্রী অং সান সুচির সাজার মেয়াদ কমিয়েছে দেশটির সরকার। এছাড়া প্রায় সাড়ে ৪৩ হাজার বন্দিকে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা এবং মৃত্যুদণ্ড পাওয়া অপরাধীদের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সুচির আইনজীবীর বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
মিয়ানমারের নতুন প্রেসিডেন্ট পদে শপথ নেওয়ার পর মিন অং হ্লাইং এর প্রথম আনুষ্ঠানিক আদেশে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো।
সুচির আইনজীবী রয়টার্সকে জানিয়েছেন, মিয়ানমার সরকার অং সান সুচির সাজার মেয়াদ ৬ ভাগের এক ভাগ কমিয়েছে। তবে সুচিকে তার সাজার বাকি মেয়াদ কিভাবে কাটাতে হবে কিনা, তা পরিষ্কার করা হয়নি।
দুর্নীতি, উসকানি, নির্বাচনে জালিয়াতি ও রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা আইন লঙ্ঘনসহ একাধিক অভিযোগে ২৭ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছেন অং সান সুচি। সুচিরকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখতে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এসব অভিযোগ আনা হয়েছে বলে দাবি করেছেন তার মিত্ররা।
উল্লেখ্য, মিয়ানমারে প্রতিবছর জানুয়ারিতে স্বাধীনতা দিবস এবং এপ্রিলে নববর্ষ উপলক্ষে বন্দীদের জন্য এ ধরনের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করা হয়ে থাকে। ২০২১ সালে অং সান সু চির নেতৃত্বাধীন সরকারকে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত করেন সাবেক সিনিয়র জেনারেল মিন অং হ্লাইং। এরপর থেকে জান্তা সরকারের নেতৃত্বে ছিলেন মিন অং হ্লাইং। গত ৩ এপ্রিল মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন তিনি।
তবে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু ছিল না।
/এসবি/




