দক্ষিণ কোরিয়ায় মহাকাশযান তৈরির কারখানায় বিস্ফোরণ, নিহত ৫

দক্ষিণ কোরিয়ায় মহাকাশযান তৈরির কারখানায় বিস্ফোরণ, নিহত ৫
সিটিজেন ডেস্ক

দক্ষিণ কোরিয়াযর দেজন শহরে একটি মহাকাশযান নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের কারখানায় বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডে পাঁচজন নিহত ও আরও দুজন আহত হয়েছেন। সোমবার (১ জুন) হানওয়া অ্যারোস্পেসের রকেট জ্বালানি উৎপাদন কেন্দ্রে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় প্রশাসন নিশ্চিত করেছে।
স্থানীয় ফায়ার ও স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের তীব্রতা এতই বেশি ছিল যে নিহতদের মরদেহ বিকৃত হয়ে যাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তবে আহত দুই কর্মী নিজে থেকেই জ্বলন্ত কারখানা থেকে বের হতে পেরেছিলেন, যাদের মধ্যে একজন গুরুতরভাবে দগ্ধ হয়েছেন। নিহতরা সবাই হানওয়া অ্যারোস্পেসের নিয়মিত কর্মচারী ছিলেন বলে প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, একটি শক্তিশালী বিস্ফোরণের পরেই পুরো কারখানায় দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে। হানওয়া অ্যারোস্পেসের একজন কর্মকর্তা ধারণা করছেন, রকেটের জ্বালানি তৈরির যন্ত্রপাতি থেকে বিস্ফোরক পদার্থ পরিষ্কার করতে পানি ব্যবহার করার সময় রাসায়নিক প্রতিক্রিয়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। তবে বিস্ফোরণের সুনির্দিষ্ট কারণ বের করতে এখনো কাজ চলছে। জাতীয় নিরাপত্তা আইনের আওতায় এই সংবেদনশীল কারখানাটির নকশা ও অভ্যন্তরীণ বিন্যাস সুরক্ষিত থাকায় তদন্তকারীরা তাৎক্ষণিকভাবে সব তথ্য সংগ্রহ করতে পারেননি।
এ ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সন জে-ইল। তিনি নিহতদের পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানিয়ে দুর্ঘটনার সঠিক কারণ উদঘাটনে প্রশাসনকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়েছেন। এদিকে দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং পরিস্থিতি মোকাবিলায় সব ধরনের সরকারি সম্পদ ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে ঘটনাটির সুষ্ঠু ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের জন্য প্রেসিডেন্টের কার্যালয় থেকে কড়া নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স

দক্ষিণ কোরিয়াযর দেজন শহরে একটি মহাকাশযান নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের কারখানায় বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডে পাঁচজন নিহত ও আরও দুজন আহত হয়েছেন। সোমবার (১ জুন) হানওয়া অ্যারোস্পেসের রকেট জ্বালানি উৎপাদন কেন্দ্রে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় প্রশাসন নিশ্চিত করেছে।
স্থানীয় ফায়ার ও স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের তীব্রতা এতই বেশি ছিল যে নিহতদের মরদেহ বিকৃত হয়ে যাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তবে আহত দুই কর্মী নিজে থেকেই জ্বলন্ত কারখানা থেকে বের হতে পেরেছিলেন, যাদের মধ্যে একজন গুরুতরভাবে দগ্ধ হয়েছেন। নিহতরা সবাই হানওয়া অ্যারোস্পেসের নিয়মিত কর্মচারী ছিলেন বলে প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, একটি শক্তিশালী বিস্ফোরণের পরেই পুরো কারখানায় দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে। হানওয়া অ্যারোস্পেসের একজন কর্মকর্তা ধারণা করছেন, রকেটের জ্বালানি তৈরির যন্ত্রপাতি থেকে বিস্ফোরক পদার্থ পরিষ্কার করতে পানি ব্যবহার করার সময় রাসায়নিক প্রতিক্রিয়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। তবে বিস্ফোরণের সুনির্দিষ্ট কারণ বের করতে এখনো কাজ চলছে। জাতীয় নিরাপত্তা আইনের আওতায় এই সংবেদনশীল কারখানাটির নকশা ও অভ্যন্তরীণ বিন্যাস সুরক্ষিত থাকায় তদন্তকারীরা তাৎক্ষণিকভাবে সব তথ্য সংগ্রহ করতে পারেননি।
এ ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সন জে-ইল। তিনি নিহতদের পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানিয়ে দুর্ঘটনার সঠিক কারণ উদঘাটনে প্রশাসনকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়েছেন। এদিকে দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং পরিস্থিতি মোকাবিলায় সব ধরনের সরকারি সম্পদ ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে ঘটনাটির সুষ্ঠু ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের জন্য প্রেসিডেন্টের কার্যালয় থেকে কড়া নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স

দক্ষিণ কোরিয়ায় মহাকাশযান তৈরির কারখানায় বিস্ফোরণ, নিহত ৫
সিটিজেন ডেস্ক

দক্ষিণ কোরিয়াযর দেজন শহরে একটি মহাকাশযান নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের কারখানায় বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডে পাঁচজন নিহত ও আরও দুজন আহত হয়েছেন। সোমবার (১ জুন) হানওয়া অ্যারোস্পেসের রকেট জ্বালানি উৎপাদন কেন্দ্রে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় প্রশাসন নিশ্চিত করেছে।
স্থানীয় ফায়ার ও স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের তীব্রতা এতই বেশি ছিল যে নিহতদের মরদেহ বিকৃত হয়ে যাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তবে আহত দুই কর্মী নিজে থেকেই জ্বলন্ত কারখানা থেকে বের হতে পেরেছিলেন, যাদের মধ্যে একজন গুরুতরভাবে দগ্ধ হয়েছেন। নিহতরা সবাই হানওয়া অ্যারোস্পেসের নিয়মিত কর্মচারী ছিলেন বলে প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, একটি শক্তিশালী বিস্ফোরণের পরেই পুরো কারখানায় দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে। হানওয়া অ্যারোস্পেসের একজন কর্মকর্তা ধারণা করছেন, রকেটের জ্বালানি তৈরির যন্ত্রপাতি থেকে বিস্ফোরক পদার্থ পরিষ্কার করতে পানি ব্যবহার করার সময় রাসায়নিক প্রতিক্রিয়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। তবে বিস্ফোরণের সুনির্দিষ্ট কারণ বের করতে এখনো কাজ চলছে। জাতীয় নিরাপত্তা আইনের আওতায় এই সংবেদনশীল কারখানাটির নকশা ও অভ্যন্তরীণ বিন্যাস সুরক্ষিত থাকায় তদন্তকারীরা তাৎক্ষণিকভাবে সব তথ্য সংগ্রহ করতে পারেননি।
এ ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সন জে-ইল। তিনি নিহতদের পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানিয়ে দুর্ঘটনার সঠিক কারণ উদঘাটনে প্রশাসনকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়েছেন। এদিকে দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং পরিস্থিতি মোকাবিলায় সব ধরনের সরকারি সম্পদ ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে ঘটনাটির সুষ্ঠু ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের জন্য প্রেসিডেন্টের কার্যালয় থেকে কড়া নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স

দক্ষিণ কোরিয়ার রাস্তায় চলছে চালকবিহীন বাস


