দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্টের ৩০ বছরের কারাদণ্ড

দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্টের ৩০ বছরের কারাদণ্ড
সিটিজেন ডেস্ক

দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইয়লকে ৩০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন সিউলের একটি আদালত। ২০২৪ সালে উত্তর কোরিয়ার আকাশসীমায় সামরিক ড্রোন পাঠিয়ে কৃত্রিমভাবে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরির অভিযোগে তাকে এ দণ্ড দেওয়া হয়।কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা শুক্রবার (১২ জুন) এক প্রতিবেদনে এইচাঞ্চল্যকর রায়ের বিষয়টি সামনে এনেছে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, দেশে সামরিক আইন বা মার্শাল ল জারির উপযুক্ত অজুহাত তৈরি করতেই ইউন তখন উত্তর কোরিয়ায় এ ড্রোন অভিযান চালিয়েছিলেন।
পিয়ংইয়ংয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ওই ড্রোনগুলো থেকে উত্তর কোরিয়ার ভেতরে প্রোপাগান্ডা লিফলেট ছড়ানো হয়েছিল, যার জেরে ২০২৪ সালে দুই দেশের মধ্যে তীব্র সামরিক উত্তেজনা দেখা দেয়। সিউল সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্ট কোর্টের এক মুখপাত্র ইউন সুক ইয়লের এই সাজা ঘোষণার খবর নিশ্চিত করলেও রায়ের বিস্তারিত বিবরণ প্রকাশ করেননি। তবে সাবেক এ রাষ্ট্রপ্রধান তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ শুরু থেকেই অস্বীকার করে আসছেন। এর আগে গত ফেব্রুয়ারি মাসেও সামরিক আইন জারির চেষ্টার মাধ্যমে দেশের বিরুদ্ধে বিদ্রোহে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগে তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছিলেন আদালত।
উল্লেখ্য, সাংবিধানিক আদালতে অভিশংসন বহাল থাকায় গত বছরই ইউনকে প্রেসিডেন্টের পদ থেকে চূড়ান্তভাবে অপসারণ করা হয়। এরপর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে জয়লাভ করে দক্ষিণ কোরিয়ার বর্তমান উদারপন্থি নেতা লি জে মিয়ং রাষ্ট্রক্ষমতায় বসেন। ইউনের আইনজীবীদের দাবি, সাবেক প্রেসিডেন্ট কখনো এ ড্রোন পরিচালনার নির্দেশ বা অনুমোদন দেননি এবং এর সাথে মার্শাল ল জারির কোনো সংযোগ ছিল না। মূলত উত্তর কোরিয়া থেকে দীর্ঘদিন ধরে পাঠানো আবর্জনাভর্তি বেলুনের প্রতিক্রিয়া হিসেবেই সামরিক বাহিনী ড্রোন পাঠিয়েছিল। তবে চলতি বছরের শুরুতে এক সরকারি তদন্তে ড্রোনের বিষয়টি প্রমাণিত হলে বর্তমান প্রেসিডেন্ট লি দুঃখ প্রকাশ করেছিলেন। আল জাজিরা জানিয়েছে, সিউল আদালতের এ রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করার অধিকার এখনো রয়েছে সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউনের।
সূত্র: আল জাজিরা

দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইয়লকে ৩০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন সিউলের একটি আদালত। ২০২৪ সালে উত্তর কোরিয়ার আকাশসীমায় সামরিক ড্রোন পাঠিয়ে কৃত্রিমভাবে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরির অভিযোগে তাকে এ দণ্ড দেওয়া হয়।কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা শুক্রবার (১২ জুন) এক প্রতিবেদনে এইচাঞ্চল্যকর রায়ের বিষয়টি সামনে এনেছে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, দেশে সামরিক আইন বা মার্শাল ল জারির উপযুক্ত অজুহাত তৈরি করতেই ইউন তখন উত্তর কোরিয়ায় এ ড্রোন অভিযান চালিয়েছিলেন।
পিয়ংইয়ংয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ওই ড্রোনগুলো থেকে উত্তর কোরিয়ার ভেতরে প্রোপাগান্ডা লিফলেট ছড়ানো হয়েছিল, যার জেরে ২০২৪ সালে দুই দেশের মধ্যে তীব্র সামরিক উত্তেজনা দেখা দেয়। সিউল সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্ট কোর্টের এক মুখপাত্র ইউন সুক ইয়লের এই সাজা ঘোষণার খবর নিশ্চিত করলেও রায়ের বিস্তারিত বিবরণ প্রকাশ করেননি। তবে সাবেক এ রাষ্ট্রপ্রধান তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ শুরু থেকেই অস্বীকার করে আসছেন। এর আগে গত ফেব্রুয়ারি মাসেও সামরিক আইন জারির চেষ্টার মাধ্যমে দেশের বিরুদ্ধে বিদ্রোহে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগে তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছিলেন আদালত।
উল্লেখ্য, সাংবিধানিক আদালতে অভিশংসন বহাল থাকায় গত বছরই ইউনকে প্রেসিডেন্টের পদ থেকে চূড়ান্তভাবে অপসারণ করা হয়। এরপর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে জয়লাভ করে দক্ষিণ কোরিয়ার বর্তমান উদারপন্থি নেতা লি জে মিয়ং রাষ্ট্রক্ষমতায় বসেন। ইউনের আইনজীবীদের দাবি, সাবেক প্রেসিডেন্ট কখনো এ ড্রোন পরিচালনার নির্দেশ বা অনুমোদন দেননি এবং এর সাথে মার্শাল ল জারির কোনো সংযোগ ছিল না। মূলত উত্তর কোরিয়া থেকে দীর্ঘদিন ধরে পাঠানো আবর্জনাভর্তি বেলুনের প্রতিক্রিয়া হিসেবেই সামরিক বাহিনী ড্রোন পাঠিয়েছিল। তবে চলতি বছরের শুরুতে এক সরকারি তদন্তে ড্রোনের বিষয়টি প্রমাণিত হলে বর্তমান প্রেসিডেন্ট লি দুঃখ প্রকাশ করেছিলেন। আল জাজিরা জানিয়েছে, সিউল আদালতের এ রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করার অধিকার এখনো রয়েছে সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউনের।
সূত্র: আল জাজিরা

দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্টের ৩০ বছরের কারাদণ্ড
সিটিজেন ডেস্ক

দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইয়লকে ৩০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন সিউলের একটি আদালত। ২০২৪ সালে উত্তর কোরিয়ার আকাশসীমায় সামরিক ড্রোন পাঠিয়ে কৃত্রিমভাবে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরির অভিযোগে তাকে এ দণ্ড দেওয়া হয়।কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা শুক্রবার (১২ জুন) এক প্রতিবেদনে এইচাঞ্চল্যকর রায়ের বিষয়টি সামনে এনেছে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, দেশে সামরিক আইন বা মার্শাল ল জারির উপযুক্ত অজুহাত তৈরি করতেই ইউন তখন উত্তর কোরিয়ায় এ ড্রোন অভিযান চালিয়েছিলেন।
পিয়ংইয়ংয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ওই ড্রোনগুলো থেকে উত্তর কোরিয়ার ভেতরে প্রোপাগান্ডা লিফলেট ছড়ানো হয়েছিল, যার জেরে ২০২৪ সালে দুই দেশের মধ্যে তীব্র সামরিক উত্তেজনা দেখা দেয়। সিউল সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্ট কোর্টের এক মুখপাত্র ইউন সুক ইয়লের এই সাজা ঘোষণার খবর নিশ্চিত করলেও রায়ের বিস্তারিত বিবরণ প্রকাশ করেননি। তবে সাবেক এ রাষ্ট্রপ্রধান তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ শুরু থেকেই অস্বীকার করে আসছেন। এর আগে গত ফেব্রুয়ারি মাসেও সামরিক আইন জারির চেষ্টার মাধ্যমে দেশের বিরুদ্ধে বিদ্রোহে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগে তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছিলেন আদালত।
উল্লেখ্য, সাংবিধানিক আদালতে অভিশংসন বহাল থাকায় গত বছরই ইউনকে প্রেসিডেন্টের পদ থেকে চূড়ান্তভাবে অপসারণ করা হয়। এরপর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে জয়লাভ করে দক্ষিণ কোরিয়ার বর্তমান উদারপন্থি নেতা লি জে মিয়ং রাষ্ট্রক্ষমতায় বসেন। ইউনের আইনজীবীদের দাবি, সাবেক প্রেসিডেন্ট কখনো এ ড্রোন পরিচালনার নির্দেশ বা অনুমোদন দেননি এবং এর সাথে মার্শাল ল জারির কোনো সংযোগ ছিল না। মূলত উত্তর কোরিয়া থেকে দীর্ঘদিন ধরে পাঠানো আবর্জনাভর্তি বেলুনের প্রতিক্রিয়া হিসেবেই সামরিক বাহিনী ড্রোন পাঠিয়েছিল। তবে চলতি বছরের শুরুতে এক সরকারি তদন্তে ড্রোনের বিষয়টি প্রমাণিত হলে বর্তমান প্রেসিডেন্ট লি দুঃখ প্রকাশ করেছিলেন। আল জাজিরা জানিয়েছে, সিউল আদালতের এ রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করার অধিকার এখনো রয়েছে সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউনের।
সূত্র: আল জাজিরা

৪ বছর কোমায় থেকে না ফেরার দেশে থাইল্যান্ডের রাজকুমারী

