ভারী বৃষ্টিতে ডুবছে জাপান, সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি

ভারী বৃষ্টিতে ডুবছে জাপান, সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি
সিজেডএন ডেস্ক

জাপানের মধ্যাঞ্চলে রেকর্ড ভারী বৃষ্টিতে স্বাভাবিক জনজীবন থমকে যাওয়ার পাশাপাশি সড়ক ও রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে ঐতিহাসিক নাগোয়া শহরে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল পৌনে পাঁচটা পর্যন্ত মাত্র এক ঘণ্টায় ১০৪ দশমিক ৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এটি শহরটির ইতিহাসে এক ঘণ্টায় সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতের নতুন রেকর্ড। এ বৃষ্টির কারণে আইচি ও গিফু প্রিফেকচারের বিভিন্ন অঞ্চলে ‘লিনিয়ার রেইনব্যান্ড’ নামক দুর্যোগপূর্ণ মেঘমালা তৈরি হয়েছে।
পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক রূপ নেওয়ায় শোনাই নদীর আশপাশের অঞ্চলসহ আইচি ও গিফু প্রিফেকচারের ১৪টি শহর ও জনপদে সর্বোচ্চ ‘লেভেল-৫’ বন্যা সতর্কতা জারি করেছে জাপানের আবহাওয়া সংস্থা (জেএমএ)। নাগোয়া, কাসুগাই, ইচিনোমিয়া কিংবা তা জিমির মতো শহরের অধিবাসীদের অবিলম্বে আশপাশের পরিস্থিতি দেখে উঁচু ভবন কিংবা নিজের বাড়ির ওপরের তলায় আশ্রয় নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বৃষ্টির তীব্রতায় এরই মধ্যে চারজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে এবং প্রায় ২ হাজার ৭০০ মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে সরকারি আশ্রয়কেন্দ্রে ঠাঁই নিয়েছেন। নাগোয়ার সাকায়ে এলাকাসহ বিভিন্ন সড়কে গাড়ির দরজা পর্যন্ত পানি উঠে গেছে। অতিরিক্ত পানির চাপে শহরের নিষ্কাশন ব্যবস্থা অকার্যকর হয়ে পড়ায় ভূগর্ভস্থ বিপণিবিতান ও পার্কিংয়ে পানি ঢোকার চরম ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় ধরনের ধস নেমেছে। নাগোয়ার পাতালরেল সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজার হাজার যাত্রী। জেআর চুও লাইনের রেললাইন পানিতে তলিয়ে গেছে এবং টোকিওগামী তোকাইদো শিনকানসেনসহ সানইয়ো শিনকানসেনের একাধিক বুলেট ট্রেন চলাচল বন্ধ বা ব্যাহত হয়েছে।
১৯ সেপ্টেম্বর থেকে নাগোয়ায় এশিয়ান গেমস শুরু হওয়ার কথা থাকলেও, বৃষ্টির পানি আয়োজকদের নতুন উদ্বেগে ফেলেছে। জেএমএ সতর্ক করেছে, এ বৃষ্টিপাত পশ্চিমাঞ্চল থেকে উত্তর-পূর্ব জাপানের দিকে ছড়িয়ে পড়তে পারে এবং টোকিও, ওসাকা, সাইতামা ও কানাগাওয়ায় নতুন করে বন্যা ও ভূমিধসের ঝুঁকি রয়েছে। সংকটময় পরিস্থিতিতে সতর্কবার্তা দিয়েছে জাপানের আবহাওয়া সংস্থা। সংস্থাটির প্রধান পূর্বাভাস কর্মকর্তা তাকুয়া হোসোমি বলেছেন, বন্যার ঝুঁকি কম এমন উঁচু স্থানে গিয়ে নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি।
সূত্র: জাপান টাইমস

জাপানের মধ্যাঞ্চলে রেকর্ড ভারী বৃষ্টিতে স্বাভাবিক জনজীবন থমকে যাওয়ার পাশাপাশি সড়ক ও রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে ঐতিহাসিক নাগোয়া শহরে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল পৌনে পাঁচটা পর্যন্ত মাত্র এক ঘণ্টায় ১০৪ দশমিক ৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এটি শহরটির ইতিহাসে এক ঘণ্টায় সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতের নতুন রেকর্ড। এ বৃষ্টির কারণে আইচি ও গিফু প্রিফেকচারের বিভিন্ন অঞ্চলে ‘লিনিয়ার রেইনব্যান্ড’ নামক দুর্যোগপূর্ণ মেঘমালা তৈরি হয়েছে।
পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক রূপ নেওয়ায় শোনাই নদীর আশপাশের অঞ্চলসহ আইচি ও গিফু প্রিফেকচারের ১৪টি শহর ও জনপদে সর্বোচ্চ ‘লেভেল-৫’ বন্যা সতর্কতা জারি করেছে জাপানের আবহাওয়া সংস্থা (জেএমএ)। নাগোয়া, কাসুগাই, ইচিনোমিয়া কিংবা তা জিমির মতো শহরের অধিবাসীদের অবিলম্বে আশপাশের পরিস্থিতি দেখে উঁচু ভবন কিংবা নিজের বাড়ির ওপরের তলায় আশ্রয় নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বৃষ্টির তীব্রতায় এরই মধ্যে চারজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে এবং প্রায় ২ হাজার ৭০০ মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে সরকারি আশ্রয়কেন্দ্রে ঠাঁই নিয়েছেন। নাগোয়ার সাকায়ে এলাকাসহ বিভিন্ন সড়কে গাড়ির দরজা পর্যন্ত পানি উঠে গেছে। অতিরিক্ত পানির চাপে শহরের নিষ্কাশন ব্যবস্থা অকার্যকর হয়ে পড়ায় ভূগর্ভস্থ বিপণিবিতান ও পার্কিংয়ে পানি ঢোকার চরম ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় ধরনের ধস নেমেছে। নাগোয়ার পাতালরেল সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজার হাজার যাত্রী। জেআর চুও লাইনের রেললাইন পানিতে তলিয়ে গেছে এবং টোকিওগামী তোকাইদো শিনকানসেনসহ সানইয়ো শিনকানসেনের একাধিক বুলেট ট্রেন চলাচল বন্ধ বা ব্যাহত হয়েছে।
১৯ সেপ্টেম্বর থেকে নাগোয়ায় এশিয়ান গেমস শুরু হওয়ার কথা থাকলেও, বৃষ্টির পানি আয়োজকদের নতুন উদ্বেগে ফেলেছে। জেএমএ সতর্ক করেছে, এ বৃষ্টিপাত পশ্চিমাঞ্চল থেকে উত্তর-পূর্ব জাপানের দিকে ছড়িয়ে পড়তে পারে এবং টোকিও, ওসাকা, সাইতামা ও কানাগাওয়ায় নতুন করে বন্যা ও ভূমিধসের ঝুঁকি রয়েছে। সংকটময় পরিস্থিতিতে সতর্কবার্তা দিয়েছে জাপানের আবহাওয়া সংস্থা। সংস্থাটির প্রধান পূর্বাভাস কর্মকর্তা তাকুয়া হোসোমি বলেছেন, বন্যার ঝুঁকি কম এমন উঁচু স্থানে গিয়ে নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি।
সূত্র: জাপান টাইমস

ভারী বৃষ্টিতে ডুবছে জাপান, সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি
সিজেডএন ডেস্ক

জাপানের মধ্যাঞ্চলে রেকর্ড ভারী বৃষ্টিতে স্বাভাবিক জনজীবন থমকে যাওয়ার পাশাপাশি সড়ক ও রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে ঐতিহাসিক নাগোয়া শহরে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল পৌনে পাঁচটা পর্যন্ত মাত্র এক ঘণ্টায় ১০৪ দশমিক ৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এটি শহরটির ইতিহাসে এক ঘণ্টায় সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতের নতুন রেকর্ড। এ বৃষ্টির কারণে আইচি ও গিফু প্রিফেকচারের বিভিন্ন অঞ্চলে ‘লিনিয়ার রেইনব্যান্ড’ নামক দুর্যোগপূর্ণ মেঘমালা তৈরি হয়েছে।
পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক রূপ নেওয়ায় শোনাই নদীর আশপাশের অঞ্চলসহ আইচি ও গিফু প্রিফেকচারের ১৪টি শহর ও জনপদে সর্বোচ্চ ‘লেভেল-৫’ বন্যা সতর্কতা জারি করেছে জাপানের আবহাওয়া সংস্থা (জেএমএ)। নাগোয়া, কাসুগাই, ইচিনোমিয়া কিংবা তা জিমির মতো শহরের অধিবাসীদের অবিলম্বে আশপাশের পরিস্থিতি দেখে উঁচু ভবন কিংবা নিজের বাড়ির ওপরের তলায় আশ্রয় নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বৃষ্টির তীব্রতায় এরই মধ্যে চারজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে এবং প্রায় ২ হাজার ৭০০ মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে সরকারি আশ্রয়কেন্দ্রে ঠাঁই নিয়েছেন। নাগোয়ার সাকায়ে এলাকাসহ বিভিন্ন সড়কে গাড়ির দরজা পর্যন্ত পানি উঠে গেছে। অতিরিক্ত পানির চাপে শহরের নিষ্কাশন ব্যবস্থা অকার্যকর হয়ে পড়ায় ভূগর্ভস্থ বিপণিবিতান ও পার্কিংয়ে পানি ঢোকার চরম ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় ধরনের ধস নেমেছে। নাগোয়ার পাতালরেল সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজার হাজার যাত্রী। জেআর চুও লাইনের রেললাইন পানিতে তলিয়ে গেছে এবং টোকিওগামী তোকাইদো শিনকানসেনসহ সানইয়ো শিনকানসেনের একাধিক বুলেট ট্রেন চলাচল বন্ধ বা ব্যাহত হয়েছে।
১৯ সেপ্টেম্বর থেকে নাগোয়ায় এশিয়ান গেমস শুরু হওয়ার কথা থাকলেও, বৃষ্টির পানি আয়োজকদের নতুন উদ্বেগে ফেলেছে। জেএমএ সতর্ক করেছে, এ বৃষ্টিপাত পশ্চিমাঞ্চল থেকে উত্তর-পূর্ব জাপানের দিকে ছড়িয়ে পড়তে পারে এবং টোকিও, ওসাকা, সাইতামা ও কানাগাওয়ায় নতুন করে বন্যা ও ভূমিধসের ঝুঁকি রয়েছে। সংকটময় পরিস্থিতিতে সতর্কবার্তা দিয়েছে জাপানের আবহাওয়া সংস্থা। সংস্থাটির প্রধান পূর্বাভাস কর্মকর্তা তাকুয়া হোসোমি বলেছেন, বন্যার ঝুঁকি কম এমন উঁচু স্থানে গিয়ে নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি।
সূত্র: জাপান টাইমস

জাপানে ৫.৯ মাত্রার ভূমিকম্প, আহত ২০







