পারমাণবিক অস্ত্রভান্ডার বাড়াচ্ছে চীন

পারমাণবিক অস্ত্রভান্ডার বাড়াচ্ছে চীন
সিটিজেন ডেস্ক

চীনের সিচুয়ান প্রদেশে ২০২২ সালে ‘রাষ্ট্রীয় গোপন বিষয়’ আখ্যা দিয়ে স্থানীয়দের উচ্ছেদ করে অধিগ্রহণ করা জমিতে ব্যাপক পারমাণবিক কর্মসূচির সম্প্রসারণ ঘটিয়েছে বেইজিং। সম্প্রতি স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেছে, ওই এলাকার একটি গ্রাম গুঁড়িয়ে দিয়ে সেখানে পারমাণবিক অস্ত্র উৎপাদনের নতুন ও অত্যাধুনিক কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনও চীনের এই দ্রুত পারমাণবিক অস্ত্র আধুনিকীকরণের দাবির সত্যতা নিশ্চিত করেছে। এ উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মধ্যেই পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ নিয়ে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে আলোচনা করতে শিগগিরই বেইজিং সফরে যাচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যকার পারমাণবিক অস্ত্র কমানোর চুক্তি ‘নিউ স্টার্ট’ এর মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রেক্ষাপটে ট্রাম্প নতুন চুক্তিতে চীনকেও অন্তর্ভুক্ত করতে আগ্রহী। তবে সিচুয়ানের সামরিক স্থাপনাগুলোর দ্রুত উন্নয়ন ইঙ্গিত দিচ্ছে, পিপল’স লিবারেশন আর্মি তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি থেকে পিছিয়ে আসছে না। মার্কিন গোয়েন্দা নজরদারিতে থাকা পুরোনো পারমাণবিক ঘাঁটি ‘সাইট ৯০৬’ এর ভেতরে এখন একটি টিক-ট্যাক আকৃতির বিশাল গম্বুজ তৈরি করা হয়েছে। শক্ত কংক্রিট ও স্টিল দিয়ে নির্মিত এবং বিশেষ রেডিয়েশন নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাযুক্ত স্থাপনাটি ইউরেনিয়াম ও প্লুটোনিয়ামের মতো তেজস্ক্রিয় পদার্থ সংরক্ষণে ব্যবহৃত হতে পারে বলে ধারণা বিশেষজ্ঞদের।
পাহাড়ের ভেতরে টানেল ঘেরা এলাকাটিতে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে। পাশাপাশি ‘সাইট ৯৩১’ নামের আরেকটি স্থাপনা সম্প্রসারণের জন্যও পুরো একটি গ্রাম উচ্ছেদ করা হয়েছে এবং স্থাপনাগুলোর মধ্যে নতুন সংযোগ সড়ক নির্মিত হয়েছে। এছাড়া চীনের পারমাণবিক গবেষণার প্রধান কেন্দ্র ‘সায়েন্স সিটি’-তেও ২০২২ সালে ৬০০টির বেশি ভবন ভেঙে নতুন অবকাঠামো তৈরি করা হয়েছে।
১৯৭১ সাল থেকে মার্কিন গোয়েন্দাদের নজরে থাকা চীনের পারমাণবিক সক্ষমতা এখন বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ শক্তিতে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে তাদের ৬০০টির বেশি পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার তুলনায় সংখ্যায় কম হলেও বেইজিং দ্রুতগতিতে এ অস্ত্রভাণ্ডার বাড়াচ্ছে। এমনকি তারা নতুন প্রযুক্তির অস্ত্র পরীক্ষা করছে বলেও অভিযোগ করেছে ওয়াশিংটন। যদিও আত্মরক্ষামূলক ও ‘আগে আঘাত না করার’ নীতির কথা বলে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে চীন। তবে ২০২১ সালে শি জিনপিংয়ের শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ার নির্দেশনার পর থেকেই এ প্রকল্পে গতি পেয়েছে। অস্বাভাবিক নকশার স্থাপনাগুলো দেখে বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন, চীন নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার করছে। শত্রুর ক্ষেপণাস্ত্র আসার আগেই শনাক্ত করে পাল্টা আঘাত করার প্রযুক্তিও এখন চীনের হাতে রয়েছে, যা তাইওয়ান ইস্যুতে পশ্চিমা হস্তক্ষেপ ঠেকাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সামরিক শক্তি প্রদর্শনের মাধ্যমে পশ্চিমা দেশগুলোকে মনস্তাত্ত্বিক চাপে রাখাই চীনের প্রধান লক্ষ্য। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও চীনের মধ্যে একটি নতুন ত্রিমুখী অস্ত্র প্রতিযোগিতার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি চীনের সক্ষমতা নিয়ে অতিরিক্ত উদ্বিগ্ন হয়ে নিজেদের অস্ত্রভাণ্ডার বাড়ায়, তবে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক রূপ নিতে পারে। এমন জটিল ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আসন্ন বেইজিং সফরে অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ ইস্যুতে চীনের কাছ থেকে কোনো ছাড় আদায় করা ট্রাম্পের জন্য এক কঠিন পরীক্ষাই হতে যাচ্ছে।
সূত্র: সিএনএন

চীনের সিচুয়ান প্রদেশে ২০২২ সালে ‘রাষ্ট্রীয় গোপন বিষয়’ আখ্যা দিয়ে স্থানীয়দের উচ্ছেদ করে অধিগ্রহণ করা জমিতে ব্যাপক পারমাণবিক কর্মসূচির সম্প্রসারণ ঘটিয়েছে বেইজিং। সম্প্রতি স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেছে, ওই এলাকার একটি গ্রাম গুঁড়িয়ে দিয়ে সেখানে পারমাণবিক অস্ত্র উৎপাদনের নতুন ও অত্যাধুনিক কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনও চীনের এই দ্রুত পারমাণবিক অস্ত্র আধুনিকীকরণের দাবির সত্যতা নিশ্চিত করেছে। এ উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মধ্যেই পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ নিয়ে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে আলোচনা করতে শিগগিরই বেইজিং সফরে যাচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যকার পারমাণবিক অস্ত্র কমানোর চুক্তি ‘নিউ স্টার্ট’ এর মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রেক্ষাপটে ট্রাম্প নতুন চুক্তিতে চীনকেও অন্তর্ভুক্ত করতে আগ্রহী। তবে সিচুয়ানের সামরিক স্থাপনাগুলোর দ্রুত উন্নয়ন ইঙ্গিত দিচ্ছে, পিপল’স লিবারেশন আর্মি তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি থেকে পিছিয়ে আসছে না। মার্কিন গোয়েন্দা নজরদারিতে থাকা পুরোনো পারমাণবিক ঘাঁটি ‘সাইট ৯০৬’ এর ভেতরে এখন একটি টিক-ট্যাক আকৃতির বিশাল গম্বুজ তৈরি করা হয়েছে। শক্ত কংক্রিট ও স্টিল দিয়ে নির্মিত এবং বিশেষ রেডিয়েশন নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাযুক্ত স্থাপনাটি ইউরেনিয়াম ও প্লুটোনিয়ামের মতো তেজস্ক্রিয় পদার্থ সংরক্ষণে ব্যবহৃত হতে পারে বলে ধারণা বিশেষজ্ঞদের।
পাহাড়ের ভেতরে টানেল ঘেরা এলাকাটিতে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে। পাশাপাশি ‘সাইট ৯৩১’ নামের আরেকটি স্থাপনা সম্প্রসারণের জন্যও পুরো একটি গ্রাম উচ্ছেদ করা হয়েছে এবং স্থাপনাগুলোর মধ্যে নতুন সংযোগ সড়ক নির্মিত হয়েছে। এছাড়া চীনের পারমাণবিক গবেষণার প্রধান কেন্দ্র ‘সায়েন্স সিটি’-তেও ২০২২ সালে ৬০০টির বেশি ভবন ভেঙে নতুন অবকাঠামো তৈরি করা হয়েছে।
১৯৭১ সাল থেকে মার্কিন গোয়েন্দাদের নজরে থাকা চীনের পারমাণবিক সক্ষমতা এখন বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ শক্তিতে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে তাদের ৬০০টির বেশি পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার তুলনায় সংখ্যায় কম হলেও বেইজিং দ্রুতগতিতে এ অস্ত্রভাণ্ডার বাড়াচ্ছে। এমনকি তারা নতুন প্রযুক্তির অস্ত্র পরীক্ষা করছে বলেও অভিযোগ করেছে ওয়াশিংটন। যদিও আত্মরক্ষামূলক ও ‘আগে আঘাত না করার’ নীতির কথা বলে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে চীন। তবে ২০২১ সালে শি জিনপিংয়ের শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ার নির্দেশনার পর থেকেই এ প্রকল্পে গতি পেয়েছে। অস্বাভাবিক নকশার স্থাপনাগুলো দেখে বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন, চীন নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার করছে। শত্রুর ক্ষেপণাস্ত্র আসার আগেই শনাক্ত করে পাল্টা আঘাত করার প্রযুক্তিও এখন চীনের হাতে রয়েছে, যা তাইওয়ান ইস্যুতে পশ্চিমা হস্তক্ষেপ ঠেকাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সামরিক শক্তি প্রদর্শনের মাধ্যমে পশ্চিমা দেশগুলোকে মনস্তাত্ত্বিক চাপে রাখাই চীনের প্রধান লক্ষ্য। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও চীনের মধ্যে একটি নতুন ত্রিমুখী অস্ত্র প্রতিযোগিতার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি চীনের সক্ষমতা নিয়ে অতিরিক্ত উদ্বিগ্ন হয়ে নিজেদের অস্ত্রভাণ্ডার বাড়ায়, তবে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক রূপ নিতে পারে। এমন জটিল ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আসন্ন বেইজিং সফরে অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ ইস্যুতে চীনের কাছ থেকে কোনো ছাড় আদায় করা ট্রাম্পের জন্য এক কঠিন পরীক্ষাই হতে যাচ্ছে।
সূত্র: সিএনএন

পারমাণবিক অস্ত্রভান্ডার বাড়াচ্ছে চীন
সিটিজেন ডেস্ক

চীনের সিচুয়ান প্রদেশে ২০২২ সালে ‘রাষ্ট্রীয় গোপন বিষয়’ আখ্যা দিয়ে স্থানীয়দের উচ্ছেদ করে অধিগ্রহণ করা জমিতে ব্যাপক পারমাণবিক কর্মসূচির সম্প্রসারণ ঘটিয়েছে বেইজিং। সম্প্রতি স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেছে, ওই এলাকার একটি গ্রাম গুঁড়িয়ে দিয়ে সেখানে পারমাণবিক অস্ত্র উৎপাদনের নতুন ও অত্যাধুনিক কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনও চীনের এই দ্রুত পারমাণবিক অস্ত্র আধুনিকীকরণের দাবির সত্যতা নিশ্চিত করেছে। এ উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মধ্যেই পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ নিয়ে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে আলোচনা করতে শিগগিরই বেইজিং সফরে যাচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যকার পারমাণবিক অস্ত্র কমানোর চুক্তি ‘নিউ স্টার্ট’ এর মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রেক্ষাপটে ট্রাম্প নতুন চুক্তিতে চীনকেও অন্তর্ভুক্ত করতে আগ্রহী। তবে সিচুয়ানের সামরিক স্থাপনাগুলোর দ্রুত উন্নয়ন ইঙ্গিত দিচ্ছে, পিপল’স লিবারেশন আর্মি তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি থেকে পিছিয়ে আসছে না। মার্কিন গোয়েন্দা নজরদারিতে থাকা পুরোনো পারমাণবিক ঘাঁটি ‘সাইট ৯০৬’ এর ভেতরে এখন একটি টিক-ট্যাক আকৃতির বিশাল গম্বুজ তৈরি করা হয়েছে। শক্ত কংক্রিট ও স্টিল দিয়ে নির্মিত এবং বিশেষ রেডিয়েশন নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাযুক্ত স্থাপনাটি ইউরেনিয়াম ও প্লুটোনিয়ামের মতো তেজস্ক্রিয় পদার্থ সংরক্ষণে ব্যবহৃত হতে পারে বলে ধারণা বিশেষজ্ঞদের।
পাহাড়ের ভেতরে টানেল ঘেরা এলাকাটিতে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে। পাশাপাশি ‘সাইট ৯৩১’ নামের আরেকটি স্থাপনা সম্প্রসারণের জন্যও পুরো একটি গ্রাম উচ্ছেদ করা হয়েছে এবং স্থাপনাগুলোর মধ্যে নতুন সংযোগ সড়ক নির্মিত হয়েছে। এছাড়া চীনের পারমাণবিক গবেষণার প্রধান কেন্দ্র ‘সায়েন্স সিটি’-তেও ২০২২ সালে ৬০০টির বেশি ভবন ভেঙে নতুন অবকাঠামো তৈরি করা হয়েছে।
১৯৭১ সাল থেকে মার্কিন গোয়েন্দাদের নজরে থাকা চীনের পারমাণবিক সক্ষমতা এখন বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ শক্তিতে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে তাদের ৬০০টির বেশি পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার তুলনায় সংখ্যায় কম হলেও বেইজিং দ্রুতগতিতে এ অস্ত্রভাণ্ডার বাড়াচ্ছে। এমনকি তারা নতুন প্রযুক্তির অস্ত্র পরীক্ষা করছে বলেও অভিযোগ করেছে ওয়াশিংটন। যদিও আত্মরক্ষামূলক ও ‘আগে আঘাত না করার’ নীতির কথা বলে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে চীন। তবে ২০২১ সালে শি জিনপিংয়ের শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ার নির্দেশনার পর থেকেই এ প্রকল্পে গতি পেয়েছে। অস্বাভাবিক নকশার স্থাপনাগুলো দেখে বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন, চীন নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার করছে। শত্রুর ক্ষেপণাস্ত্র আসার আগেই শনাক্ত করে পাল্টা আঘাত করার প্রযুক্তিও এখন চীনের হাতে রয়েছে, যা তাইওয়ান ইস্যুতে পশ্চিমা হস্তক্ষেপ ঠেকাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সামরিক শক্তি প্রদর্শনের মাধ্যমে পশ্চিমা দেশগুলোকে মনস্তাত্ত্বিক চাপে রাখাই চীনের প্রধান লক্ষ্য। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও চীনের মধ্যে একটি নতুন ত্রিমুখী অস্ত্র প্রতিযোগিতার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি চীনের সক্ষমতা নিয়ে অতিরিক্ত উদ্বিগ্ন হয়ে নিজেদের অস্ত্রভাণ্ডার বাড়ায়, তবে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক রূপ নিতে পারে। এমন জটিল ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আসন্ন বেইজিং সফরে অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ ইস্যুতে চীনের কাছ থেকে কোনো ছাড় আদায় করা ট্রাম্পের জন্য এক কঠিন পরীক্ষাই হতে যাচ্ছে।
সূত্র: সিএনএন




