
সিটিজেন ডেস্ক

ইসরায়েলের হোম ফ্রন্ট কমান্ড উত্তর গালিলি অঞ্চলে রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আশঙ্কায় সতর্কতা জারি করেছে।
সংস্থাটি জানিয়েছে, মালকিয়া, কিরিয়াত শমোনা, তেল হাই ও মেতুলা এলাকায় এ সতর্কতা দেওয়া হয়েছে।
এর আগে শুক্রবার পশ্চিম গালিলি অঞ্চলেও ‘শত্রু বিমান অনুপ্রবেশ’ সংক্রান্ত একটি সতর্কতা জারি করেছিল এই সংস্থা। তারা মূলত বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে কড়া হুমকি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র এখনো ইরানের অবকাঠামো ধ্বংসের পূর্ণ মাত্রার অভিযান শুরুই করেনি।
নিজের মালিকানাধীন ট্রুথ সোশালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ‘বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী আমাদের সামরিক বাহিনী এখনও ইরানে যা অবশিষ্ট আছে, তা ধ্বংস করা শুরুই করেনি। পরবর্তী লক্ষ্য সেতু, এরপর বিদ্যুৎকেন্দ্র।’
তিনি আরও দাবি করেন, ইরানের নতুন নেতৃত্ব জানে কী করতে হবে এবং তা দ্রুতই করতে হবে।
ট্রাম্পের এই বক্তব্যে বোঝা যাচ্ছে, সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলার সম্ভাবনাও বাড়ছে।
সূত্র: আল জাজিরা

যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য স্থল হামলা নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দিলো ইরান। দেশটির সেনাপ্রধান আমির হাতামি ইরানি কমান্ডারদের যেকোনো হামলার জন্য প্রস্তুত থাকতে বলেছেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে এই তথ্য জানানো হয়।
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে স্থল অভিযানের বিষয়টি বিবেচনায় আছে বলে জানিয়েছিল। যার ফলে মধ্যপ্রাচ্যে হাজার হাজার মেরিন সেনা মোতায়েন করে ওয়াশিংটন। এটি ইরানে সম্ভাব্য স্থল অভিযানের প্রস্তুতির ইঙ্গিত হতে পারে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা।
এমন প্রেক্ষাপটে গতকাল বৃহস্পতিবার ইরানের সেনাপ্রধান আমির হাতামি ইরানি কমান্ডারদের যেকোনো হামলার জন্য প্রস্তুত থাকতে বললেন।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের উদ্ধৃতি অনুযায়ী, আমির হাতামি বলেছেন, প্রতিপক্ষ যদি স্থল অভিযান চালানোর চেষ্টা করে, তাহলে কোনো শত্রুসেনাই যেন জীবিত না ফেরে।
ইসরায়েলি বাহিনীর ওপর আরও হামলার দাবি করেছে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ।
তাদের দাবি, দক্ষিণ লেবাননের বিয়্যাদা এলাকায় ইসরায়েলি সেনাদের লক্ষ্য করে একটি বিস্ফোরক ডিভাইস বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে।
এছাড়া মালকিয়া ও দিশোন বসতিতে অবস্থানরত ইসরায়েলি সেনাদের জড়ো হওয়া লক্ষ্য করে রকেট হামলাও চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে তারা।
সূত্র: আল জাজিরা

যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইরানে একটি সেতুতে হামলার উদ্দেশ্য ছিল ড্রোন তৈরির উপকরণ পরিবহন বন্ধ করা।
হামলার আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে ইরানকে হুঁশিয়ারি দেন। তিনি বলেন, যুদ্ধ অবসানের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ১৫ দফা প্রস্তাবে তেহরান রাজি না হলে ইরানের ভেতরে সামরিক হামলা আরও জোরদার করা হবে।
এই হামলাকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ইরানের দাবি, লক্ষ্যবস্তু সেতুটি একটি বেসামরিক অবকাঠামো, যা ধ্বংস করা যুদ্ধাপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের বক্তব্য, সেতুটি ব্যবহার করা হচ্ছিল এমন উপকরণ পরিবহনে, যা দিয়ে ইরানের সামরিক বাহিনী ড্রোন তৈরি করছিল। যেগুলো যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েলসহ আঞ্চলিক বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলায় ব্যবহৃত হয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা