বন্যায় মরদেহ ভেসে গেছে দূরে, মর্গগুলোতেও জায়গা নেই

বন্যায় মরদেহ ভেসে গেছে দূরে, মর্গগুলোতেও জায়গা নেই
সিজেডএন ডেস্ক

নেপালের আকস্মিক বন্যা কেড়ে নিয়েছে শত শত প্রাণ। পাহাড়ি নদীর তীব্র স্রোতে ভেসে যাওয়া মরদেহগুলো এখন একের পর এক ভেসে উঠছে দূরের জেলাগুলোতে। দেশটির পুলিশ এখন পর্যন্ত ৫৪৭টি মরদেহ উদ্ধারের তথ্য নিশ্চিত করেছে। পরিস্থিতির ভয়াবহতা এতোটাই বেশি যে, মরদেহ রাখা ও সেগুলো শনাক্ত করতে হিমশিম খাচ্ছে প্রশাসন, জায়গা নেই অধিকাংশ হাসপাতালগুলোর মর্গে।
কাঠমাণ্ডু পোস্টের তথ্য অনুযায়ী, পাহাড়ি জেলা রাসুয়া ও নুয়াকোটের উজান থেকে ভেসে আসা মরদেহগুলো উদ্ধার হচ্ছে মূল দুর্ঘটনাস্থল থেকে দূরের ভাটি অঞ্চল চিতওয়ান, তানাহুন ও নাওয়ালপারাসিতে। বিপুলসংখ্যক মরদেহ জমা হওয়ায় নুয়াকোট, ধাদিং ও নাওয়ালপারাসির মর্গগুলোতে আর কোনো জায়গা নেই। ফলে বাধ্য হয়ে মরদেহগুলো পাঠানো হচ্ছে পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে। তবে অন্যান্য এলাকা থেকে লাশ আসায় পোখরা ও চিতওয়ানের চিকিৎসাকেন্দ্রগুলোর ওপরও মারাত্মক চাপ সৃষ্টি হয়েছে।
সবচেয়ে নাজুক অবস্থা তৈরি হয়েছে চিতওয়ান জেলায়। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকাল থেকে ত্রিশূলী ও নারায়ণী নদীর আশপাশ থেকেই উদ্ধার করা হয় ১৩৭টি মরদেহ। স্থানসংকট মোকাবিলায় তড়িঘড়ি করে সেখানে অস্থায়ী মর্গ তৈরি করা হচ্ছে। চিতওয়ানের স্থানীয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, তাদের স্থায়ী মর্গে স্বাভাবিক অবস্থায় ৩০ থেকে ৫০টি মরদেহ রাখা সম্ভব। তবে উদ্ভূত পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রায় ২৫০টি মরদেহ রাখার ধারণক্ষমতাসম্পন্ন একটি অস্থায়ী মর্গ প্রস্তুতের কাজ চলছে।
চিতওয়ান অঞ্চলেই সবচেয়ে বেশি মরদেহ পাওয়ার কারণে বন্যাকবলিত অন্যান্য দূরদূরান্তের এলাকা থেকে মানুষ এখন সেখানে ছুটে আসছেন। স্বজন হারানো শত শত মানুষ প্রিয়জনের মরদেহ পেতে কিংবা অন্তত একটি খবরের আশায় ভিড় করছেন হাসপাতাল ও নদীসংলগ্ন এলাকাগুলোতে।
সূত্র: কাঠমাণ্ডু পোস্ট

নেপালের আকস্মিক বন্যা কেড়ে নিয়েছে শত শত প্রাণ। পাহাড়ি নদীর তীব্র স্রোতে ভেসে যাওয়া মরদেহগুলো এখন একের পর এক ভেসে উঠছে দূরের জেলাগুলোতে। দেশটির পুলিশ এখন পর্যন্ত ৫৪৭টি মরদেহ উদ্ধারের তথ্য নিশ্চিত করেছে। পরিস্থিতির ভয়াবহতা এতোটাই বেশি যে, মরদেহ রাখা ও সেগুলো শনাক্ত করতে হিমশিম খাচ্ছে প্রশাসন, জায়গা নেই অধিকাংশ হাসপাতালগুলোর মর্গে।
কাঠমাণ্ডু পোস্টের তথ্য অনুযায়ী, পাহাড়ি জেলা রাসুয়া ও নুয়াকোটের উজান থেকে ভেসে আসা মরদেহগুলো উদ্ধার হচ্ছে মূল দুর্ঘটনাস্থল থেকে দূরের ভাটি অঞ্চল চিতওয়ান, তানাহুন ও নাওয়ালপারাসিতে। বিপুলসংখ্যক মরদেহ জমা হওয়ায় নুয়াকোট, ধাদিং ও নাওয়ালপারাসির মর্গগুলোতে আর কোনো জায়গা নেই। ফলে বাধ্য হয়ে মরদেহগুলো পাঠানো হচ্ছে পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে। তবে অন্যান্য এলাকা থেকে লাশ আসায় পোখরা ও চিতওয়ানের চিকিৎসাকেন্দ্রগুলোর ওপরও মারাত্মক চাপ সৃষ্টি হয়েছে।
সবচেয়ে নাজুক অবস্থা তৈরি হয়েছে চিতওয়ান জেলায়। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকাল থেকে ত্রিশূলী ও নারায়ণী নদীর আশপাশ থেকেই উদ্ধার করা হয় ১৩৭টি মরদেহ। স্থানসংকট মোকাবিলায় তড়িঘড়ি করে সেখানে অস্থায়ী মর্গ তৈরি করা হচ্ছে। চিতওয়ানের স্থানীয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, তাদের স্থায়ী মর্গে স্বাভাবিক অবস্থায় ৩০ থেকে ৫০টি মরদেহ রাখা সম্ভব। তবে উদ্ভূত পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রায় ২৫০টি মরদেহ রাখার ধারণক্ষমতাসম্পন্ন একটি অস্থায়ী মর্গ প্রস্তুতের কাজ চলছে।
চিতওয়ান অঞ্চলেই সবচেয়ে বেশি মরদেহ পাওয়ার কারণে বন্যাকবলিত অন্যান্য দূরদূরান্তের এলাকা থেকে মানুষ এখন সেখানে ছুটে আসছেন। স্বজন হারানো শত শত মানুষ প্রিয়জনের মরদেহ পেতে কিংবা অন্তত একটি খবরের আশায় ভিড় করছেন হাসপাতাল ও নদীসংলগ্ন এলাকাগুলোতে।
সূত্র: কাঠমাণ্ডু পোস্ট

বন্যায় মরদেহ ভেসে গেছে দূরে, মর্গগুলোতেও জায়গা নেই
সিজেডএন ডেস্ক

নেপালের আকস্মিক বন্যা কেড়ে নিয়েছে শত শত প্রাণ। পাহাড়ি নদীর তীব্র স্রোতে ভেসে যাওয়া মরদেহগুলো এখন একের পর এক ভেসে উঠছে দূরের জেলাগুলোতে। দেশটির পুলিশ এখন পর্যন্ত ৫৪৭টি মরদেহ উদ্ধারের তথ্য নিশ্চিত করেছে। পরিস্থিতির ভয়াবহতা এতোটাই বেশি যে, মরদেহ রাখা ও সেগুলো শনাক্ত করতে হিমশিম খাচ্ছে প্রশাসন, জায়গা নেই অধিকাংশ হাসপাতালগুলোর মর্গে।
কাঠমাণ্ডু পোস্টের তথ্য অনুযায়ী, পাহাড়ি জেলা রাসুয়া ও নুয়াকোটের উজান থেকে ভেসে আসা মরদেহগুলো উদ্ধার হচ্ছে মূল দুর্ঘটনাস্থল থেকে দূরের ভাটি অঞ্চল চিতওয়ান, তানাহুন ও নাওয়ালপারাসিতে। বিপুলসংখ্যক মরদেহ জমা হওয়ায় নুয়াকোট, ধাদিং ও নাওয়ালপারাসির মর্গগুলোতে আর কোনো জায়গা নেই। ফলে বাধ্য হয়ে মরদেহগুলো পাঠানো হচ্ছে পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে। তবে অন্যান্য এলাকা থেকে লাশ আসায় পোখরা ও চিতওয়ানের চিকিৎসাকেন্দ্রগুলোর ওপরও মারাত্মক চাপ সৃষ্টি হয়েছে।
সবচেয়ে নাজুক অবস্থা তৈরি হয়েছে চিতওয়ান জেলায়। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকাল থেকে ত্রিশূলী ও নারায়ণী নদীর আশপাশ থেকেই উদ্ধার করা হয় ১৩৭টি মরদেহ। স্থানসংকট মোকাবিলায় তড়িঘড়ি করে সেখানে অস্থায়ী মর্গ তৈরি করা হচ্ছে। চিতওয়ানের স্থানীয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, তাদের স্থায়ী মর্গে স্বাভাবিক অবস্থায় ৩০ থেকে ৫০টি মরদেহ রাখা সম্ভব। তবে উদ্ভূত পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রায় ২৫০টি মরদেহ রাখার ধারণক্ষমতাসম্পন্ন একটি অস্থায়ী মর্গ প্রস্তুতের কাজ চলছে।
চিতওয়ান অঞ্চলেই সবচেয়ে বেশি মরদেহ পাওয়ার কারণে বন্যাকবলিত অন্যান্য দূরদূরান্তের এলাকা থেকে মানুষ এখন সেখানে ছুটে আসছেন। স্বজন হারানো শত শত মানুষ প্রিয়জনের মরদেহ পেতে কিংবা অন্তত একটি খবরের আশায় ভিড় করছেন হাসপাতাল ও নদীসংলগ্ন এলাকাগুলোতে।
সূত্র: কাঠমাণ্ডু পোস্ট

নেপালে বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৪৭, নিখোঁজ ৯৭৭







