ইন্দোনেশিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ২০

ইন্দোনেশিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ২০
সিজেডএন ডেস্ক

ইন্দোনেশিয়ায় আঘাত হানা ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ২০ জনে দাঁড়িয়েছে। শনিবার (১৫ আগস্ট) ভোরে পূর্ব নুসা তেঙ্গারা প্রদেশের চারটি শহর প্রবলভাবে কেঁপে উঠলে ধসে পড়ে অসংখ্য ভবন ও ঘরবাড়ি। ইট-পাথরের নিচে এখনও মানুষ আটকে থাকায় চলছে উদ্ধার অভিযান। কম্পনের পরপরই তীব্র হয় সুনামির আশঙ্কা। প্রাণ বাঁচাতে ঘরবাড়ি ছেড়ে উঁচু জায়গায় আশ্রয় নিয়েছে হাজার হাজার মানুষ।
ভূমিকম্পের পর পাহাড়ি এলাকায় দেখা দিয়েছে ভয়াবহ ভূমিধস। এতে প্রধান সড়কগুলো অবরুদ্ধ হয়ে পড়ায় উদ্ধারকর্মীদের ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে প্রচণ্ড বেগ পেতে হচ্ছে। উদ্ধারকারী দলের প্রধান লক্ষ্য এখন ধসে পড়া কাঠামোর নিচ থেকে মানুষদের জীবিত বের করে আনা। ক্ষয়ক্ষতির শিকার মাউমেরে শহরের একটি হাসপাতালে ফাটল দেখা দেওয়ায় রোগীদের খোলা আকাশের নিচে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। দেশটির আবহাওয়া ও ভূ-পদার্থবিদ্যা সংস্থা পরে সুনামি সতর্কতা প্রত্যাহার করলেও আফটারশকের আশঙ্কায় বাসিন্দাদের নিরাপদ দূরত্বে থাকার পরামর্শ দিয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে মূলত ছোট ছোট গ্রাম ও নিচু ভবন বেশি থাকায় ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ চিত্র পেতে কিছুটা সময় লাগছে। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে ১৭ হাজারেরও বেশি দ্বীপ নিয়ে গঠিত ইন্দোনেশিয়া চরম ভূমিকম্পপ্রবণ। প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’-এ অবস্থিত হওয়ায় দেশটি প্রায়ই এমন বিপর্যয়ের মুখোমুখি হয়। এর আগে ১৯৯২ সালে ফ্লোরেস দ্বীপে ভয়াবহ ভূমিকম্প ও সুনামিতে প্রায় আড়াই হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। এ ছাড়া ২০০৪ সালের স্মরণকালের ভয়াবহ সুনামি এবং ২০১৮ সালের লম্বক দ্বীপের কম্পনেও বিপুল প্রাণহানি ঘটেছিল।
সূত্র: গালফ নিউজ

ইন্দোনেশিয়ায় আঘাত হানা ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ২০ জনে দাঁড়িয়েছে। শনিবার (১৫ আগস্ট) ভোরে পূর্ব নুসা তেঙ্গারা প্রদেশের চারটি শহর প্রবলভাবে কেঁপে উঠলে ধসে পড়ে অসংখ্য ভবন ও ঘরবাড়ি। ইট-পাথরের নিচে এখনও মানুষ আটকে থাকায় চলছে উদ্ধার অভিযান। কম্পনের পরপরই তীব্র হয় সুনামির আশঙ্কা। প্রাণ বাঁচাতে ঘরবাড়ি ছেড়ে উঁচু জায়গায় আশ্রয় নিয়েছে হাজার হাজার মানুষ।
ভূমিকম্পের পর পাহাড়ি এলাকায় দেখা দিয়েছে ভয়াবহ ভূমিধস। এতে প্রধান সড়কগুলো অবরুদ্ধ হয়ে পড়ায় উদ্ধারকর্মীদের ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে প্রচণ্ড বেগ পেতে হচ্ছে। উদ্ধারকারী দলের প্রধান লক্ষ্য এখন ধসে পড়া কাঠামোর নিচ থেকে মানুষদের জীবিত বের করে আনা। ক্ষয়ক্ষতির শিকার মাউমেরে শহরের একটি হাসপাতালে ফাটল দেখা দেওয়ায় রোগীদের খোলা আকাশের নিচে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। দেশটির আবহাওয়া ও ভূ-পদার্থবিদ্যা সংস্থা পরে সুনামি সতর্কতা প্রত্যাহার করলেও আফটারশকের আশঙ্কায় বাসিন্দাদের নিরাপদ দূরত্বে থাকার পরামর্শ দিয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে মূলত ছোট ছোট গ্রাম ও নিচু ভবন বেশি থাকায় ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ চিত্র পেতে কিছুটা সময় লাগছে। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে ১৭ হাজারেরও বেশি দ্বীপ নিয়ে গঠিত ইন্দোনেশিয়া চরম ভূমিকম্পপ্রবণ। প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’-এ অবস্থিত হওয়ায় দেশটি প্রায়ই এমন বিপর্যয়ের মুখোমুখি হয়। এর আগে ১৯৯২ সালে ফ্লোরেস দ্বীপে ভয়াবহ ভূমিকম্প ও সুনামিতে প্রায় আড়াই হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। এ ছাড়া ২০০৪ সালের স্মরণকালের ভয়াবহ সুনামি এবং ২০১৮ সালের লম্বক দ্বীপের কম্পনেও বিপুল প্রাণহানি ঘটেছিল।
সূত্র: গালফ নিউজ

ইন্দোনেশিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ২০
সিজেডএন ডেস্ক

ইন্দোনেশিয়ায় আঘাত হানা ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ২০ জনে দাঁড়িয়েছে। শনিবার (১৫ আগস্ট) ভোরে পূর্ব নুসা তেঙ্গারা প্রদেশের চারটি শহর প্রবলভাবে কেঁপে উঠলে ধসে পড়ে অসংখ্য ভবন ও ঘরবাড়ি। ইট-পাথরের নিচে এখনও মানুষ আটকে থাকায় চলছে উদ্ধার অভিযান। কম্পনের পরপরই তীব্র হয় সুনামির আশঙ্কা। প্রাণ বাঁচাতে ঘরবাড়ি ছেড়ে উঁচু জায়গায় আশ্রয় নিয়েছে হাজার হাজার মানুষ।
ভূমিকম্পের পর পাহাড়ি এলাকায় দেখা দিয়েছে ভয়াবহ ভূমিধস। এতে প্রধান সড়কগুলো অবরুদ্ধ হয়ে পড়ায় উদ্ধারকর্মীদের ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে প্রচণ্ড বেগ পেতে হচ্ছে। উদ্ধারকারী দলের প্রধান লক্ষ্য এখন ধসে পড়া কাঠামোর নিচ থেকে মানুষদের জীবিত বের করে আনা। ক্ষয়ক্ষতির শিকার মাউমেরে শহরের একটি হাসপাতালে ফাটল দেখা দেওয়ায় রোগীদের খোলা আকাশের নিচে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। দেশটির আবহাওয়া ও ভূ-পদার্থবিদ্যা সংস্থা পরে সুনামি সতর্কতা প্রত্যাহার করলেও আফটারশকের আশঙ্কায় বাসিন্দাদের নিরাপদ দূরত্বে থাকার পরামর্শ দিয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে মূলত ছোট ছোট গ্রাম ও নিচু ভবন বেশি থাকায় ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ চিত্র পেতে কিছুটা সময় লাগছে। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে ১৭ হাজারেরও বেশি দ্বীপ নিয়ে গঠিত ইন্দোনেশিয়া চরম ভূমিকম্পপ্রবণ। প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’-এ অবস্থিত হওয়ায় দেশটি প্রায়ই এমন বিপর্যয়ের মুখোমুখি হয়। এর আগে ১৯৯২ সালে ফ্লোরেস দ্বীপে ভয়াবহ ভূমিকম্প ও সুনামিতে প্রায় আড়াই হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। এ ছাড়া ২০০৪ সালের স্মরণকালের ভয়াবহ সুনামি এবং ২০১৮ সালের লম্বক দ্বীপের কম্পনেও বিপুল প্রাণহানি ঘটেছিল।
সূত্র: গালফ নিউজ

ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্প, নিহত ২






