সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ট্রাম্পের অশ্লীল গালাগাল

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ট্রাম্পের অশ্লীল গালাগাল
সিটিজেন ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার জন্য ইরানকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আরানকে নিয়ে অশ্লীল ভাষায় দেওয়া একটি পোস্টকে ঘিরে বিতর্কের মুখে পড়েছেন তিনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ স্যোশালে ইরানকে উদ্দেশ্য করে ট্রাম্প বলেন, ‘প্রণালীটা খুলে দে তোরা সব পাগল হারামজাদা!
একই পোস্টে তিনি আরও বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু না হলে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলা চালানো হতে পারে। এর আগে তিনি তেহরানকে যুদ্ধ বন্ধ ও প্রণালি খুলে দিতে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে ১০ দিনের সময় বেঁধে দিয়েছিলেন।
এদিকে ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানে ভূপাতিত হওয়া একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমানের পাইলটকে সফলভাবে উদ্ধার করেছে মার্কিন বাহিনী। তাঁর ভাষায়, প্রায় ৩৬ ঘণ্টা আটকে থাকার পর দক্ষিণ ইরান থেকে ওই বৈমানিককে উদ্ধারের এই অভিযান ছিল ‘মার্কিন ইতিহাসের অন্যতম দুঃসাহসিক অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান’।
তিনি জানান, অভিযানে অংশ নেয় শত শত বিশেষ অভিযানের সদস্য, যার মধ্যে নেভি সিল টিম-৬-এর কমান্ডোরাও ছিলেন। পাশাপাশি কয়েক ডজন যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার মোতায়েন করা হয়।
মার্কিন গণমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, ইরানের পাহাড়ি এলাকায় লুকিয়ে থাকা ওই পাইলটের কাছে আত্মরক্ষার জন্য শুধু একটি পিস্তল ছিল। তিনি একটি সুরক্ষিত যোগাযোগ যন্ত্রের মাধ্যমে মার্কিন বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিলেন।
উদ্ধার অভিযানের সময় দুটি এমসি-১৩০জে কমান্ডো বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে অচল হয়ে পড়ে। পরে সেগুলো মাটিতেই ধ্বংস করে দেওয়া হয় বলে জানা গেছে।
ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানি বাহিনী ওই এলাকায় ব্যাপক নজরদারি চালাচ্ছিল এবং উদ্ধারকারী দলকে লক্ষ্য করে ছোট অস্ত্র থেকে গুলিও ছোড়া হয়। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এতে উদ্ধারকারী কিছু বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
উদ্ধার হওয়া আহত পাইলটকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুয়েত-এ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার জন্য ইরানকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আরানকে নিয়ে অশ্লীল ভাষায় দেওয়া একটি পোস্টকে ঘিরে বিতর্কের মুখে পড়েছেন তিনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ স্যোশালে ইরানকে উদ্দেশ্য করে ট্রাম্প বলেন, ‘প্রণালীটা খুলে দে তোরা সব পাগল হারামজাদা!
একই পোস্টে তিনি আরও বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু না হলে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলা চালানো হতে পারে। এর আগে তিনি তেহরানকে যুদ্ধ বন্ধ ও প্রণালি খুলে দিতে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে ১০ দিনের সময় বেঁধে দিয়েছিলেন।
এদিকে ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানে ভূপাতিত হওয়া একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমানের পাইলটকে সফলভাবে উদ্ধার করেছে মার্কিন বাহিনী। তাঁর ভাষায়, প্রায় ৩৬ ঘণ্টা আটকে থাকার পর দক্ষিণ ইরান থেকে ওই বৈমানিককে উদ্ধারের এই অভিযান ছিল ‘মার্কিন ইতিহাসের অন্যতম দুঃসাহসিক অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান’।
তিনি জানান, অভিযানে অংশ নেয় শত শত বিশেষ অভিযানের সদস্য, যার মধ্যে নেভি সিল টিম-৬-এর কমান্ডোরাও ছিলেন। পাশাপাশি কয়েক ডজন যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার মোতায়েন করা হয়।
মার্কিন গণমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, ইরানের পাহাড়ি এলাকায় লুকিয়ে থাকা ওই পাইলটের কাছে আত্মরক্ষার জন্য শুধু একটি পিস্তল ছিল। তিনি একটি সুরক্ষিত যোগাযোগ যন্ত্রের মাধ্যমে মার্কিন বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিলেন।
উদ্ধার অভিযানের সময় দুটি এমসি-১৩০জে কমান্ডো বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে অচল হয়ে পড়ে। পরে সেগুলো মাটিতেই ধ্বংস করে দেওয়া হয় বলে জানা গেছে।
ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানি বাহিনী ওই এলাকায় ব্যাপক নজরদারি চালাচ্ছিল এবং উদ্ধারকারী দলকে লক্ষ্য করে ছোট অস্ত্র থেকে গুলিও ছোড়া হয়। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এতে উদ্ধারকারী কিছু বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
উদ্ধার হওয়া আহত পাইলটকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুয়েত-এ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ট্রাম্পের অশ্লীল গালাগাল
সিটিজেন ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার জন্য ইরানকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আরানকে নিয়ে অশ্লীল ভাষায় দেওয়া একটি পোস্টকে ঘিরে বিতর্কের মুখে পড়েছেন তিনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ স্যোশালে ইরানকে উদ্দেশ্য করে ট্রাম্প বলেন, ‘প্রণালীটা খুলে দে তোরা সব পাগল হারামজাদা!
একই পোস্টে তিনি আরও বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু না হলে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলা চালানো হতে পারে। এর আগে তিনি তেহরানকে যুদ্ধ বন্ধ ও প্রণালি খুলে দিতে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে ১০ দিনের সময় বেঁধে দিয়েছিলেন।
এদিকে ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানে ভূপাতিত হওয়া একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমানের পাইলটকে সফলভাবে উদ্ধার করেছে মার্কিন বাহিনী। তাঁর ভাষায়, প্রায় ৩৬ ঘণ্টা আটকে থাকার পর দক্ষিণ ইরান থেকে ওই বৈমানিককে উদ্ধারের এই অভিযান ছিল ‘মার্কিন ইতিহাসের অন্যতম দুঃসাহসিক অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান’।
তিনি জানান, অভিযানে অংশ নেয় শত শত বিশেষ অভিযানের সদস্য, যার মধ্যে নেভি সিল টিম-৬-এর কমান্ডোরাও ছিলেন। পাশাপাশি কয়েক ডজন যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার মোতায়েন করা হয়।
মার্কিন গণমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, ইরানের পাহাড়ি এলাকায় লুকিয়ে থাকা ওই পাইলটের কাছে আত্মরক্ষার জন্য শুধু একটি পিস্তল ছিল। তিনি একটি সুরক্ষিত যোগাযোগ যন্ত্রের মাধ্যমে মার্কিন বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিলেন।
উদ্ধার অভিযানের সময় দুটি এমসি-১৩০জে কমান্ডো বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে অচল হয়ে পড়ে। পরে সেগুলো মাটিতেই ধ্বংস করে দেওয়া হয় বলে জানা গেছে।
ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানি বাহিনী ওই এলাকায় ব্যাপক নজরদারি চালাচ্ছিল এবং উদ্ধারকারী দলকে লক্ষ্য করে ছোট অস্ত্র থেকে গুলিও ছোড়া হয়। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এতে উদ্ধারকারী কিছু বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
উদ্ধার হওয়া আহত পাইলটকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুয়েত-এ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।




