বিএনপি কর্মী মকবুল হত্যা মামলায় আফজাল নাছের ৩ দিনের রিমান্ডে

বিএনপি কর্মী মকবুল হত্যা মামলায় আফজাল নাছের ৩ দিনের রিমান্ডে
সিটিজেন ডেস্ক

পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হামলা এবং দলটির কর্মী মকবুলকে হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সেনাবাহিনীর বরখাস্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আফজাল নাছেরকে তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন আদালত।
আজ রবিবার (৫ এপ্রিল) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ এ আদেশ দেন।
এর আগে জুলাই আন্দোলন ঘিরে মিরপুরে দেলোয়ার হোসেন হত্যা মামলায় ছয় দিনের রিমান্ডে ছিলেন আফজাল নাছের। ওই রিমান্ড শেষে আজ তাকে আদালতে হাজির করে মকবুল হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো ও নতুন করে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করে পুলিশ।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিএমপির স্পেশাল অপারেশন টিমের উপপরিদর্শক মো. তোফাজ্জেল হোসেন আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ড চান। আবেদনে বলা হয়, এটি একটি রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হত্যা মামলা এবং আফজাল নাছের দায়িত্বে থেকে বিরোধী পক্ষকে দমনে বিভিন্নভাবে সহায়তা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে তথ্য পাওয়া গেছে। হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের পরিকল্পনা, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের শনাক্তকরণ, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং অর্থের উৎস ও নির্দেশদাতাদের চিহ্নিত করতে তাকে রিমান্ডে নেওয়া প্রয়োজন।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালের ৭ ডিসেম্বর পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হামলার ঘটনায় মকবুল নামের এক কর্মী নিহত হন। এ ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৫৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর মাহফুজার রহমান নামে এক ব্যক্তি পল্টন থানায় মামলাটি করেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, দুপুর ২টা ৪০ মিনিটে আফজাল নাছেরকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো ও রিমান্ড আবেদনের শুনানির জন্য বেলা ৩টার দিকে আদালতে তোলা হয়। শুনানি শেষে প্রায় ৩টা ৪৫ মিনিটে তাকে আদালতের লকআপে নেওয়া হয়।
শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী বলেন, আসামি অতীতে ক্ষমতাসীন সরকারের সহায়তায় বিভিন্ন কার্যক্রমে যুক্ত ছিলেন এবং এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাকে রিমান্ডে নেওয়া জরুরি।
অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবী শওকত উল্ল্যাহ দাবি করেন, আফজাল নাছেরকে অন্যায়ভাবে জড়ানো হয়েছে। তিনি সংশ্লিষ্ট ঘটনার সময় দায়িত্বে ছিলেন না এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তাকে হয়রানি করা হচ্ছে।
শুনানির একপর্যায়ে আদালতের অনুমতি নিয়ে আফজাল নাছের নিজেও বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে এবং এভাবে তাকে ক্ষতিগ্রস্ত করা হচ্ছে। তিনি দাবি করেন, ইউনাইটেড হাসপাতালে তিনি কখনো কাজ করেননি এবং তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন।
নিজেকে বৈষম্যের শিকার উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ২৬ বছর চাকরি করার পরও তিনি কোনো সুবিধা পাননি এবং রাজনৈতিকভাবে তাকে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে। নিরপেক্ষ তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবি জানান তিনি।
গত ৩০ মার্চ রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস এলাকা থেকে আফজাল নাছেরকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হামলা এবং দলটির কর্মী মকবুলকে হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সেনাবাহিনীর বরখাস্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আফজাল নাছেরকে তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন আদালত।
আজ রবিবার (৫ এপ্রিল) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ এ আদেশ দেন।
এর আগে জুলাই আন্দোলন ঘিরে মিরপুরে দেলোয়ার হোসেন হত্যা মামলায় ছয় দিনের রিমান্ডে ছিলেন আফজাল নাছের। ওই রিমান্ড শেষে আজ তাকে আদালতে হাজির করে মকবুল হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো ও নতুন করে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করে পুলিশ।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিএমপির স্পেশাল অপারেশন টিমের উপপরিদর্শক মো. তোফাজ্জেল হোসেন আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ড চান। আবেদনে বলা হয়, এটি একটি রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হত্যা মামলা এবং আফজাল নাছের দায়িত্বে থেকে বিরোধী পক্ষকে দমনে বিভিন্নভাবে সহায়তা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে তথ্য পাওয়া গেছে। হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের পরিকল্পনা, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের শনাক্তকরণ, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং অর্থের উৎস ও নির্দেশদাতাদের চিহ্নিত করতে তাকে রিমান্ডে নেওয়া প্রয়োজন।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালের ৭ ডিসেম্বর পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হামলার ঘটনায় মকবুল নামের এক কর্মী নিহত হন। এ ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৫৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর মাহফুজার রহমান নামে এক ব্যক্তি পল্টন থানায় মামলাটি করেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, দুপুর ২টা ৪০ মিনিটে আফজাল নাছেরকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো ও রিমান্ড আবেদনের শুনানির জন্য বেলা ৩টার দিকে আদালতে তোলা হয়। শুনানি শেষে প্রায় ৩টা ৪৫ মিনিটে তাকে আদালতের লকআপে নেওয়া হয়।
শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী বলেন, আসামি অতীতে ক্ষমতাসীন সরকারের সহায়তায় বিভিন্ন কার্যক্রমে যুক্ত ছিলেন এবং এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাকে রিমান্ডে নেওয়া জরুরি।
অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবী শওকত উল্ল্যাহ দাবি করেন, আফজাল নাছেরকে অন্যায়ভাবে জড়ানো হয়েছে। তিনি সংশ্লিষ্ট ঘটনার সময় দায়িত্বে ছিলেন না এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তাকে হয়রানি করা হচ্ছে।
শুনানির একপর্যায়ে আদালতের অনুমতি নিয়ে আফজাল নাছের নিজেও বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে এবং এভাবে তাকে ক্ষতিগ্রস্ত করা হচ্ছে। তিনি দাবি করেন, ইউনাইটেড হাসপাতালে তিনি কখনো কাজ করেননি এবং তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন।
নিজেকে বৈষম্যের শিকার উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ২৬ বছর চাকরি করার পরও তিনি কোনো সুবিধা পাননি এবং রাজনৈতিকভাবে তাকে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে। নিরপেক্ষ তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবি জানান তিনি।
গত ৩০ মার্চ রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস এলাকা থেকে আফজাল নাছেরকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

বিএনপি কর্মী মকবুল হত্যা মামলায় আফজাল নাছের ৩ দিনের রিমান্ডে
সিটিজেন ডেস্ক

পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হামলা এবং দলটির কর্মী মকবুলকে হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সেনাবাহিনীর বরখাস্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আফজাল নাছেরকে তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন আদালত।
আজ রবিবার (৫ এপ্রিল) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ এ আদেশ দেন।
এর আগে জুলাই আন্দোলন ঘিরে মিরপুরে দেলোয়ার হোসেন হত্যা মামলায় ছয় দিনের রিমান্ডে ছিলেন আফজাল নাছের। ওই রিমান্ড শেষে আজ তাকে আদালতে হাজির করে মকবুল হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো ও নতুন করে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করে পুলিশ।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিএমপির স্পেশাল অপারেশন টিমের উপপরিদর্শক মো. তোফাজ্জেল হোসেন আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ড চান। আবেদনে বলা হয়, এটি একটি রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হত্যা মামলা এবং আফজাল নাছের দায়িত্বে থেকে বিরোধী পক্ষকে দমনে বিভিন্নভাবে সহায়তা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে তথ্য পাওয়া গেছে। হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের পরিকল্পনা, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের শনাক্তকরণ, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং অর্থের উৎস ও নির্দেশদাতাদের চিহ্নিত করতে তাকে রিমান্ডে নেওয়া প্রয়োজন।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালের ৭ ডিসেম্বর পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হামলার ঘটনায় মকবুল নামের এক কর্মী নিহত হন। এ ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৫৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর মাহফুজার রহমান নামে এক ব্যক্তি পল্টন থানায় মামলাটি করেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, দুপুর ২টা ৪০ মিনিটে আফজাল নাছেরকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো ও রিমান্ড আবেদনের শুনানির জন্য বেলা ৩টার দিকে আদালতে তোলা হয়। শুনানি শেষে প্রায় ৩টা ৪৫ মিনিটে তাকে আদালতের লকআপে নেওয়া হয়।
শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী বলেন, আসামি অতীতে ক্ষমতাসীন সরকারের সহায়তায় বিভিন্ন কার্যক্রমে যুক্ত ছিলেন এবং এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাকে রিমান্ডে নেওয়া জরুরি।
অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবী শওকত উল্ল্যাহ দাবি করেন, আফজাল নাছেরকে অন্যায়ভাবে জড়ানো হয়েছে। তিনি সংশ্লিষ্ট ঘটনার সময় দায়িত্বে ছিলেন না এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তাকে হয়রানি করা হচ্ছে।
শুনানির একপর্যায়ে আদালতের অনুমতি নিয়ে আফজাল নাছের নিজেও বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে এবং এভাবে তাকে ক্ষতিগ্রস্ত করা হচ্ছে। তিনি দাবি করেন, ইউনাইটেড হাসপাতালে তিনি কখনো কাজ করেননি এবং তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন।
নিজেকে বৈষম্যের শিকার উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ২৬ বছর চাকরি করার পরও তিনি কোনো সুবিধা পাননি এবং রাজনৈতিকভাবে তাকে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে। নিরপেক্ষ তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবি জানান তিনি।
গত ৩০ মার্চ রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস এলাকা থেকে আফজাল নাছেরকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।




