‘বেটার' বাংলাদেশ গঠনে সকলকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

‘বেটার' বাংলাদেশ গঠনে সকলকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
সিটিজেন ডেস্ক

সুখী, সমৃদ্ধ ও ‘বেটার' বাংলাদেশ বিনির্মাণে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রবিবার (৫ এপ্রিল) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুষ্ঠান ‘ইস্টার সানডে’ উপলক্ষে আয়োজিত এক শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আসুন, সবাই মিলে যার যার অবস্থান থেকে কাজ করে একটি বেটার বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ হই।'
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, ইস্টার সানডে উপলক্ষে খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের একটি প্রতিনিধি দল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে।
ফেডারেশন অব প্রোটেস্ট্যান্ট চার্চ ইন বাংলাদেশ-এর সভাপতি ফিলিপ পি. অধিকারীর নেতৃত্বে ১৩ সদস্যের প্রতিনিধি দল সাক্ষাতে অংশ নেয়। এ সময় সংগঠনের নেতারা প্রধানমন্ত্রীকে বড়দিনের অগ্রিম আমন্ত্রণ জানান এবং একটি সম্মাননা স্মারক তুলে দেন।
খ্রিষ্টান সম্প্রদায়কে শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আমরা সব ধর্মের মানুষকে সমানভাবে দেখি, একই রকম ভালোবাসি। ধর্ম যার যার, দেশ সবার। দেশকে এগিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব সব ধর্মের মানুষের।'
তিনি আরও বলেন, অতীতে একটি ধারণা ছিল অন্য ধর্মাবলম্বীরা বিএনপিকে ভোট দেয় না। তবে এবারের নির্বাচনে সে ধারণা ভুল প্রমাণিত হয়েছে। সব ধর্মের মানুষ ভোট দিয়ে বিএনপিকে বিজয়ী করেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
দেশের বিদ্যমান পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভঙ্গুর অর্থনৈতিক অবস্থা, দুর্বল স্বাস্থ্যসেবা ও বেহাল যোগাযোগ ব্যবস্থার মধ্যে সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। তিনি আরও বলেন, পরিস্থিতি ছিল অনেকটা যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের মতো। এর সঙ্গে আন্তর্জাতিক অস্থিরতা, বিশেষ করে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল সংঘাতের প্রভাব নতুন সংকট তৈরি করেছে। মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার কাজ করছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।
এর আগে খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ বাইবেল সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক রেভারেন্ড অসীম বাড়ৈ এবং ফেডারেশন অব প্রোটেস্ট্যান্ট চার্চ ইন বাংলাদেশের অবসরপ্রাপ্ত উইং কমান্ডার খ্রীস্টেফার মি. অধিকারী।
বক্তারা জনকল্যাণে বিএনপি সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেন। এর মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদসহ ঋণ মওকুফ, ইমাম-মুয়াজ্জিন, খাদেম, পুরোহিত, সেবায়েত, বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ ও খ্রিষ্টান চার্চের যাজকদের বিশেষ সম্মানী ভাতা প্রদানসহ বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন তারা। এসব উদ্যোগে জনগণ উপকৃত হতে শুরু করেছে বলেও মন্তব্য করেন বক্তারা।
এ সময় জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত আসনে খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের নারী প্রতিনিধি, ইস্টার সানডেতে সরকারি ছুটি ঘোষণার দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারকে সহযোগিতা এবং সহযাত্রী হিসেবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন খ্রিষ্টান নেতারা।
প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তারা বলেন, 'তার জন্য ৭ হাজার চার্চে প্রার্থনা হয়েছে। এখন আপনার সরকারের জন্যও প্রতিদিন প্রার্থনা হয়।'
প্রধানমন্ত্রী খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের উত্থাপিত দাবিগুলো বিবেচনার আশ্বাস দেন।

সুখী, সমৃদ্ধ ও ‘বেটার' বাংলাদেশ বিনির্মাণে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রবিবার (৫ এপ্রিল) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুষ্ঠান ‘ইস্টার সানডে’ উপলক্ষে আয়োজিত এক শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আসুন, সবাই মিলে যার যার অবস্থান থেকে কাজ করে একটি বেটার বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ হই।'
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, ইস্টার সানডে উপলক্ষে খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের একটি প্রতিনিধি দল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে।
ফেডারেশন অব প্রোটেস্ট্যান্ট চার্চ ইন বাংলাদেশ-এর সভাপতি ফিলিপ পি. অধিকারীর নেতৃত্বে ১৩ সদস্যের প্রতিনিধি দল সাক্ষাতে অংশ নেয়। এ সময় সংগঠনের নেতারা প্রধানমন্ত্রীকে বড়দিনের অগ্রিম আমন্ত্রণ জানান এবং একটি সম্মাননা স্মারক তুলে দেন।
খ্রিষ্টান সম্প্রদায়কে শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আমরা সব ধর্মের মানুষকে সমানভাবে দেখি, একই রকম ভালোবাসি। ধর্ম যার যার, দেশ সবার। দেশকে এগিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব সব ধর্মের মানুষের।'
তিনি আরও বলেন, অতীতে একটি ধারণা ছিল অন্য ধর্মাবলম্বীরা বিএনপিকে ভোট দেয় না। তবে এবারের নির্বাচনে সে ধারণা ভুল প্রমাণিত হয়েছে। সব ধর্মের মানুষ ভোট দিয়ে বিএনপিকে বিজয়ী করেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
দেশের বিদ্যমান পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভঙ্গুর অর্থনৈতিক অবস্থা, দুর্বল স্বাস্থ্যসেবা ও বেহাল যোগাযোগ ব্যবস্থার মধ্যে সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। তিনি আরও বলেন, পরিস্থিতি ছিল অনেকটা যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের মতো। এর সঙ্গে আন্তর্জাতিক অস্থিরতা, বিশেষ করে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল সংঘাতের প্রভাব নতুন সংকট তৈরি করেছে। মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার কাজ করছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।
এর আগে খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ বাইবেল সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক রেভারেন্ড অসীম বাড়ৈ এবং ফেডারেশন অব প্রোটেস্ট্যান্ট চার্চ ইন বাংলাদেশের অবসরপ্রাপ্ত উইং কমান্ডার খ্রীস্টেফার মি. অধিকারী।
বক্তারা জনকল্যাণে বিএনপি সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেন। এর মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদসহ ঋণ মওকুফ, ইমাম-মুয়াজ্জিন, খাদেম, পুরোহিত, সেবায়েত, বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ ও খ্রিষ্টান চার্চের যাজকদের বিশেষ সম্মানী ভাতা প্রদানসহ বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন তারা। এসব উদ্যোগে জনগণ উপকৃত হতে শুরু করেছে বলেও মন্তব্য করেন বক্তারা।
এ সময় জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত আসনে খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের নারী প্রতিনিধি, ইস্টার সানডেতে সরকারি ছুটি ঘোষণার দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারকে সহযোগিতা এবং সহযাত্রী হিসেবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন খ্রিষ্টান নেতারা।
প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তারা বলেন, 'তার জন্য ৭ হাজার চার্চে প্রার্থনা হয়েছে। এখন আপনার সরকারের জন্যও প্রতিদিন প্রার্থনা হয়।'
প্রধানমন্ত্রী খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের উত্থাপিত দাবিগুলো বিবেচনার আশ্বাস দেন।

‘বেটার' বাংলাদেশ গঠনে সকলকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
সিটিজেন ডেস্ক

সুখী, সমৃদ্ধ ও ‘বেটার' বাংলাদেশ বিনির্মাণে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রবিবার (৫ এপ্রিল) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুষ্ঠান ‘ইস্টার সানডে’ উপলক্ষে আয়োজিত এক শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আসুন, সবাই মিলে যার যার অবস্থান থেকে কাজ করে একটি বেটার বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ হই।'
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, ইস্টার সানডে উপলক্ষে খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের একটি প্রতিনিধি দল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে।
ফেডারেশন অব প্রোটেস্ট্যান্ট চার্চ ইন বাংলাদেশ-এর সভাপতি ফিলিপ পি. অধিকারীর নেতৃত্বে ১৩ সদস্যের প্রতিনিধি দল সাক্ষাতে অংশ নেয়। এ সময় সংগঠনের নেতারা প্রধানমন্ত্রীকে বড়দিনের অগ্রিম আমন্ত্রণ জানান এবং একটি সম্মাননা স্মারক তুলে দেন।
খ্রিষ্টান সম্প্রদায়কে শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আমরা সব ধর্মের মানুষকে সমানভাবে দেখি, একই রকম ভালোবাসি। ধর্ম যার যার, দেশ সবার। দেশকে এগিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব সব ধর্মের মানুষের।'
তিনি আরও বলেন, অতীতে একটি ধারণা ছিল অন্য ধর্মাবলম্বীরা বিএনপিকে ভোট দেয় না। তবে এবারের নির্বাচনে সে ধারণা ভুল প্রমাণিত হয়েছে। সব ধর্মের মানুষ ভোট দিয়ে বিএনপিকে বিজয়ী করেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
দেশের বিদ্যমান পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভঙ্গুর অর্থনৈতিক অবস্থা, দুর্বল স্বাস্থ্যসেবা ও বেহাল যোগাযোগ ব্যবস্থার মধ্যে সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। তিনি আরও বলেন, পরিস্থিতি ছিল অনেকটা যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের মতো। এর সঙ্গে আন্তর্জাতিক অস্থিরতা, বিশেষ করে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল সংঘাতের প্রভাব নতুন সংকট তৈরি করেছে। মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার কাজ করছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।
এর আগে খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ বাইবেল সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক রেভারেন্ড অসীম বাড়ৈ এবং ফেডারেশন অব প্রোটেস্ট্যান্ট চার্চ ইন বাংলাদেশের অবসরপ্রাপ্ত উইং কমান্ডার খ্রীস্টেফার মি. অধিকারী।
বক্তারা জনকল্যাণে বিএনপি সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেন। এর মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদসহ ঋণ মওকুফ, ইমাম-মুয়াজ্জিন, খাদেম, পুরোহিত, সেবায়েত, বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ ও খ্রিষ্টান চার্চের যাজকদের বিশেষ সম্মানী ভাতা প্রদানসহ বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন তারা। এসব উদ্যোগে জনগণ উপকৃত হতে শুরু করেছে বলেও মন্তব্য করেন বক্তারা।
এ সময় জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত আসনে খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের নারী প্রতিনিধি, ইস্টার সানডেতে সরকারি ছুটি ঘোষণার দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারকে সহযোগিতা এবং সহযাত্রী হিসেবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন খ্রিষ্টান নেতারা।
প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তারা বলেন, 'তার জন্য ৭ হাজার চার্চে প্রার্থনা হয়েছে। এখন আপনার সরকারের জন্যও প্রতিদিন প্রার্থনা হয়।'
প্রধানমন্ত্রী খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের উত্থাপিত দাবিগুলো বিবেচনার আশ্বাস দেন।




