চাঁদের মালিকানা দাবি ট্রাম্পের

চাঁদের মালিকানা দাবি ট্রাম্পের
সিজেডএন ডেস্ক

চাঁদের মালিকানা দাবি করে বসলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে চাঁদের একটি ছবি পোস্ট করে তার ওপর লিখেছেন, ‘দ্য মুন ইজ আওয়ার্স’, অর্থাৎ ‘চাঁদ আমাদের’। ছবিটির পাশে যুক্তরাষ্ট্রের একটি পতাকাও যুক্ত করেছেন তিনি।
রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) হঠাৎ করেই এমন পোস্ট দেওয়ার ঠিক আগের মুহূর্তে স্পেস ফোর্সের নতুন কিছু ইউনিফর্মের ছবি শেয়ার করেন ট্রাম্প। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দিয়ে তৈরি কালো রঙের এসব ইউনিফর্মের রংকে তিনি ‘স্পেস গ্রে, মিডনাইট ব্ল্যাক, সিলভার গ্রে এবং স্যাটিন ব্ল্যাক’ হিসেবে বর্ণনা করেন। ইউনিফর্মগুলোর কাঁধ, কলারের প্রতীক, হাতার প্যাচ আর বেল্টসহ পুরো ডিজাইনটি বেশ নজরকাড়া। আর এতেই বাঁধে বিপত্তি। ট্রাম্পের চাঁদের মালিকানা দাবি এবং এই নতুন লুক দেখে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যবহারকারীরা সেগুলোকে জনপ্রিয় সিনেমা সিরিজ ‘স্টার ওয়ার্স’-এর ইম্পেরিয়াল সামরিক বাহিনীর সঙ্গে তুলনা করতে শুরু করেন।
নেটদুনিয়ায় একজন ব্যবহারকারী মজা করে লিখেছেন, ‘স্টার ওয়ার্সের ইম্পেরিয়াল মার্চ বাজান’। আরেকজন মন্তব্য করেন ইউনিফর্মগুলো ‘নিশ্চিতভাবেই স্টার ওয়ার্সের ইম্পেরিয়াল আর্মির মতো’। ট্রাম্পের চাঁদ দখলের এই উচ্ছ্বাস দেখে কেউ কেউ আরও এক ধাপ এগিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, ‘চাঁদেই কেন থামবেন? মঙ্গলগ্রহের কী হবে? অথবা আরও ভালো, তার সূর্যে যাওয়া উচিত’। অন্য এক ব্যবহারকারী রসিকতা করে লিখেছেন, ‘দ্রুত! কীভাবে আমরা মঙ্গলবাসীদের সতর্ক করব?’
তবে ট্রাম্পের এ দাবির সঙ্গে বাস্তবের কোনো মিল নেই। ১৯৬৭ সালের আউটার স্পেস ট্রিটি বা মহাকাশ চুক্তি স্পষ্টভাবে এর বিরোধিতা করছে। যুক্তরাষ্ট্রসহ শতাধিক দেশের স্বাক্ষরিত এ চুক্তিতে জানানো হয়েছে, কোনো দেশই সার্বভৌমত্ব, ব্যবহার বা দখলের মাধ্যমে চাঁদ কিংবা অন্য কোনো মহাজাগতিক বস্তুর ওপর মালিকানা দাবি করতে পারবে না। ফলে ট্রাম্পের এ ঘোষণা সামাজিক মাধ্যমে বিনোদনের খোরাক জোগালেও আন্তর্জাতিক আইনের চোখে এর কোনো ভিত্তি নেই।
সূত্র: সিএনবিসি টিভি ১৮

চাঁদের মালিকানা দাবি করে বসলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে চাঁদের একটি ছবি পোস্ট করে তার ওপর লিখেছেন, ‘দ্য মুন ইজ আওয়ার্স’, অর্থাৎ ‘চাঁদ আমাদের’। ছবিটির পাশে যুক্তরাষ্ট্রের একটি পতাকাও যুক্ত করেছেন তিনি।
রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) হঠাৎ করেই এমন পোস্ট দেওয়ার ঠিক আগের মুহূর্তে স্পেস ফোর্সের নতুন কিছু ইউনিফর্মের ছবি শেয়ার করেন ট্রাম্প। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দিয়ে তৈরি কালো রঙের এসব ইউনিফর্মের রংকে তিনি ‘স্পেস গ্রে, মিডনাইট ব্ল্যাক, সিলভার গ্রে এবং স্যাটিন ব্ল্যাক’ হিসেবে বর্ণনা করেন। ইউনিফর্মগুলোর কাঁধ, কলারের প্রতীক, হাতার প্যাচ আর বেল্টসহ পুরো ডিজাইনটি বেশ নজরকাড়া। আর এতেই বাঁধে বিপত্তি। ট্রাম্পের চাঁদের মালিকানা দাবি এবং এই নতুন লুক দেখে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যবহারকারীরা সেগুলোকে জনপ্রিয় সিনেমা সিরিজ ‘স্টার ওয়ার্স’-এর ইম্পেরিয়াল সামরিক বাহিনীর সঙ্গে তুলনা করতে শুরু করেন।
নেটদুনিয়ায় একজন ব্যবহারকারী মজা করে লিখেছেন, ‘স্টার ওয়ার্সের ইম্পেরিয়াল মার্চ বাজান’। আরেকজন মন্তব্য করেন ইউনিফর্মগুলো ‘নিশ্চিতভাবেই স্টার ওয়ার্সের ইম্পেরিয়াল আর্মির মতো’। ট্রাম্পের চাঁদ দখলের এই উচ্ছ্বাস দেখে কেউ কেউ আরও এক ধাপ এগিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, ‘চাঁদেই কেন থামবেন? মঙ্গলগ্রহের কী হবে? অথবা আরও ভালো, তার সূর্যে যাওয়া উচিত’। অন্য এক ব্যবহারকারী রসিকতা করে লিখেছেন, ‘দ্রুত! কীভাবে আমরা মঙ্গলবাসীদের সতর্ক করব?’
তবে ট্রাম্পের এ দাবির সঙ্গে বাস্তবের কোনো মিল নেই। ১৯৬৭ সালের আউটার স্পেস ট্রিটি বা মহাকাশ চুক্তি স্পষ্টভাবে এর বিরোধিতা করছে। যুক্তরাষ্ট্রসহ শতাধিক দেশের স্বাক্ষরিত এ চুক্তিতে জানানো হয়েছে, কোনো দেশই সার্বভৌমত্ব, ব্যবহার বা দখলের মাধ্যমে চাঁদ কিংবা অন্য কোনো মহাজাগতিক বস্তুর ওপর মালিকানা দাবি করতে পারবে না। ফলে ট্রাম্পের এ ঘোষণা সামাজিক মাধ্যমে বিনোদনের খোরাক জোগালেও আন্তর্জাতিক আইনের চোখে এর কোনো ভিত্তি নেই।
সূত্র: সিএনবিসি টিভি ১৮

চাঁদের মালিকানা দাবি ট্রাম্পের
সিজেডএন ডেস্ক

চাঁদের মালিকানা দাবি করে বসলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে চাঁদের একটি ছবি পোস্ট করে তার ওপর লিখেছেন, ‘দ্য মুন ইজ আওয়ার্স’, অর্থাৎ ‘চাঁদ আমাদের’। ছবিটির পাশে যুক্তরাষ্ট্রের একটি পতাকাও যুক্ত করেছেন তিনি।
রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) হঠাৎ করেই এমন পোস্ট দেওয়ার ঠিক আগের মুহূর্তে স্পেস ফোর্সের নতুন কিছু ইউনিফর্মের ছবি শেয়ার করেন ট্রাম্প। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দিয়ে তৈরি কালো রঙের এসব ইউনিফর্মের রংকে তিনি ‘স্পেস গ্রে, মিডনাইট ব্ল্যাক, সিলভার গ্রে এবং স্যাটিন ব্ল্যাক’ হিসেবে বর্ণনা করেন। ইউনিফর্মগুলোর কাঁধ, কলারের প্রতীক, হাতার প্যাচ আর বেল্টসহ পুরো ডিজাইনটি বেশ নজরকাড়া। আর এতেই বাঁধে বিপত্তি। ট্রাম্পের চাঁদের মালিকানা দাবি এবং এই নতুন লুক দেখে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যবহারকারীরা সেগুলোকে জনপ্রিয় সিনেমা সিরিজ ‘স্টার ওয়ার্স’-এর ইম্পেরিয়াল সামরিক বাহিনীর সঙ্গে তুলনা করতে শুরু করেন।
নেটদুনিয়ায় একজন ব্যবহারকারী মজা করে লিখেছেন, ‘স্টার ওয়ার্সের ইম্পেরিয়াল মার্চ বাজান’। আরেকজন মন্তব্য করেন ইউনিফর্মগুলো ‘নিশ্চিতভাবেই স্টার ওয়ার্সের ইম্পেরিয়াল আর্মির মতো’। ট্রাম্পের চাঁদ দখলের এই উচ্ছ্বাস দেখে কেউ কেউ আরও এক ধাপ এগিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, ‘চাঁদেই কেন থামবেন? মঙ্গলগ্রহের কী হবে? অথবা আরও ভালো, তার সূর্যে যাওয়া উচিত’। অন্য এক ব্যবহারকারী রসিকতা করে লিখেছেন, ‘দ্রুত! কীভাবে আমরা মঙ্গলবাসীদের সতর্ক করব?’
তবে ট্রাম্পের এ দাবির সঙ্গে বাস্তবের কোনো মিল নেই। ১৯৬৭ সালের আউটার স্পেস ট্রিটি বা মহাকাশ চুক্তি স্পষ্টভাবে এর বিরোধিতা করছে। যুক্তরাষ্ট্রসহ শতাধিক দেশের স্বাক্ষরিত এ চুক্তিতে জানানো হয়েছে, কোনো দেশই সার্বভৌমত্ব, ব্যবহার বা দখলের মাধ্যমে চাঁদ কিংবা অন্য কোনো মহাজাগতিক বস্তুর ওপর মালিকানা দাবি করতে পারবে না। ফলে ট্রাম্পের এ ঘোষণা সামাজিক মাধ্যমে বিনোদনের খোরাক জোগালেও আন্তর্জাতিক আইনের চোখে এর কোনো ভিত্তি নেই।
সূত্র: সিএনবিসি টিভি ১৮

১৯ লাখ ডলারে বিক্রি হলো ট্রাম্পের শৈশবের বাড়ি







