১৯ লাখ ডলারে বিক্রি হলো ট্রাম্পের শৈশবের বাড়ি

১৯ লাখ ডলারে বিক্রি হলো ট্রাম্পের শৈশবের বাড়ি
সিজেডএন ডেস্ক

ডোনাল্ড ট্রাম্পের নিউইয়র্ক সিটির শৈশবের বাড়িটি নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে অবশেষে ১৯ লাখ ৩০ হাজার ডলারে বিক্রি হয়েছে। নিউইয়র্ক সিটির কুইন্সের নিকটে টিউডর-শৈলীর বাড়িটি ১৯৪০ সালে নির্মাণ করেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাবা ফ্রেড ট্রাম্প।
ছোটবেলায় চার বছর বয়স পর্যন্ত ট্রাম্প এ বাড়িতেই কাটিয়েছিলেন। বহুবার হাতবদল হওয়া এবং বছরের পর বছর অবহেলায় পড়ে থাকা বাড়িটি জুলাই মাসে এক অজ্ঞাতপরিচয় ক্রেতার কাছে বিক্রি হয়। একসময় ‘ট্রাম্প বার্থ হাউস এলএলসি’র অধীনে থাকা বাড়িটি এয়ারবিএনবি-তে ভাড়ায় দেওয়া হতো, যেখানে অতিথিদের অভ্যর্থনা জানাত ট্রাম্পের কার্ডবোর্ডের কাটআউট।
গত বছর বাড়িটি যখন টমি লিনের হাতে আসে, তখন সেটির অবস্থা ছিল বেশ শোচনীয়। দীর্ঘদিন খালি পড়ে থাকায় ভেতরে ছত্রাকে ভরে যায় এবং বুনো বিড়ালের আস্তানা হয়ে উঠেছিল। দ্য নিউ ইয়র্ক পোস্ট-এর তথ্য অনুযায়ী, টমি লিন ৮ লাখ ৩৫ হাজার ডলারে বাড়িটি কিনেছিলেন এবং এর ভেতরের অংশ সাজাতে খরচ করেছেন প্রায় ৫ লাখ ডলার। নতুন মেঝে বসানো থেকে শুরু করে আধুনিক শেফ'স কিচেন সব মিলিয়ে পুরোপুরি বদলে ফেলা হয় বাড়িটি।
নিউইয়র্কের সঙ্গে ট্রাম্পের সম্পর্ক সবসময়ই একটু গোলমেলে, যদিও তিনি এখানকারই তৃতীয় প্রজন্মের সন্তান। বিশেষ করে বর্তমান মেয়র জোহরান মামদানির সঙ্গে তার দ্বন্দ্ব ও সম্প্রীতির গল্প বেশ আলোচিত। গত নির্বাচনে মামদানিকে কমিউনিস্ট ও যে কিছুই জানে না বলে আক্রমণ করেছিলেন ট্রাম্প। এমনকি ফেডারেল তহবিল বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিও দিয়েছিলেন।
তবে ২০২৫ সালে মামদানি মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর পাল্টে যায় সমীকরণ। ওভাল অফিসে মামদানিকে পাশে নিয়ে ট্রাম্প নিজেই সুর নরম করে বলেন, ‘আমি মনে করি আপনারা একজন সত্যিই অসাধারণ মেয়র পেতে চলেছেন। তিনি যত ভালো করবেন, আমি তত খুশি হব।’
এদিকে সম্প্রতি নিউইয়র্কের সঙ্গে ট্রাম্পের দূরত্ব আরও স্পষ্ট হয়েছে। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) গ্রাউন্ড জিরোর স্মরণসভায় না গিয়ে তিনি পেন্টাগনের অনুষ্ঠানে যোগ দেন। টুইন টাওয়ার ট্র্যাজেডির পর গ্রাউন্ড জিরোতে নিজের ভূমিকা নিয়ে করা কিছু মন্তব্যের কারণেও তিনি নতুন করে সমালোচনার মুখে পড়েন।
সূত্র: দ্য হিল

ডোনাল্ড ট্রাম্পের নিউইয়র্ক সিটির শৈশবের বাড়িটি নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে অবশেষে ১৯ লাখ ৩০ হাজার ডলারে বিক্রি হয়েছে। নিউইয়র্ক সিটির কুইন্সের নিকটে টিউডর-শৈলীর বাড়িটি ১৯৪০ সালে নির্মাণ করেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাবা ফ্রেড ট্রাম্প।
ছোটবেলায় চার বছর বয়স পর্যন্ত ট্রাম্প এ বাড়িতেই কাটিয়েছিলেন। বহুবার হাতবদল হওয়া এবং বছরের পর বছর অবহেলায় পড়ে থাকা বাড়িটি জুলাই মাসে এক অজ্ঞাতপরিচয় ক্রেতার কাছে বিক্রি হয়। একসময় ‘ট্রাম্প বার্থ হাউস এলএলসি’র অধীনে থাকা বাড়িটি এয়ারবিএনবি-তে ভাড়ায় দেওয়া হতো, যেখানে অতিথিদের অভ্যর্থনা জানাত ট্রাম্পের কার্ডবোর্ডের কাটআউট।
গত বছর বাড়িটি যখন টমি লিনের হাতে আসে, তখন সেটির অবস্থা ছিল বেশ শোচনীয়। দীর্ঘদিন খালি পড়ে থাকায় ভেতরে ছত্রাকে ভরে যায় এবং বুনো বিড়ালের আস্তানা হয়ে উঠেছিল। দ্য নিউ ইয়র্ক পোস্ট-এর তথ্য অনুযায়ী, টমি লিন ৮ লাখ ৩৫ হাজার ডলারে বাড়িটি কিনেছিলেন এবং এর ভেতরের অংশ সাজাতে খরচ করেছেন প্রায় ৫ লাখ ডলার। নতুন মেঝে বসানো থেকে শুরু করে আধুনিক শেফ'স কিচেন সব মিলিয়ে পুরোপুরি বদলে ফেলা হয় বাড়িটি।
নিউইয়র্কের সঙ্গে ট্রাম্পের সম্পর্ক সবসময়ই একটু গোলমেলে, যদিও তিনি এখানকারই তৃতীয় প্রজন্মের সন্তান। বিশেষ করে বর্তমান মেয়র জোহরান মামদানির সঙ্গে তার দ্বন্দ্ব ও সম্প্রীতির গল্প বেশ আলোচিত। গত নির্বাচনে মামদানিকে কমিউনিস্ট ও যে কিছুই জানে না বলে আক্রমণ করেছিলেন ট্রাম্প। এমনকি ফেডারেল তহবিল বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিও দিয়েছিলেন।
তবে ২০২৫ সালে মামদানি মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর পাল্টে যায় সমীকরণ। ওভাল অফিসে মামদানিকে পাশে নিয়ে ট্রাম্প নিজেই সুর নরম করে বলেন, ‘আমি মনে করি আপনারা একজন সত্যিই অসাধারণ মেয়র পেতে চলেছেন। তিনি যত ভালো করবেন, আমি তত খুশি হব।’
এদিকে সম্প্রতি নিউইয়র্কের সঙ্গে ট্রাম্পের দূরত্ব আরও স্পষ্ট হয়েছে। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) গ্রাউন্ড জিরোর স্মরণসভায় না গিয়ে তিনি পেন্টাগনের অনুষ্ঠানে যোগ দেন। টুইন টাওয়ার ট্র্যাজেডির পর গ্রাউন্ড জিরোতে নিজের ভূমিকা নিয়ে করা কিছু মন্তব্যের কারণেও তিনি নতুন করে সমালোচনার মুখে পড়েন।
সূত্র: দ্য হিল

১৯ লাখ ডলারে বিক্রি হলো ট্রাম্পের শৈশবের বাড়ি
সিজেডএন ডেস্ক

ডোনাল্ড ট্রাম্পের নিউইয়র্ক সিটির শৈশবের বাড়িটি নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে অবশেষে ১৯ লাখ ৩০ হাজার ডলারে বিক্রি হয়েছে। নিউইয়র্ক সিটির কুইন্সের নিকটে টিউডর-শৈলীর বাড়িটি ১৯৪০ সালে নির্মাণ করেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাবা ফ্রেড ট্রাম্প।
ছোটবেলায় চার বছর বয়স পর্যন্ত ট্রাম্প এ বাড়িতেই কাটিয়েছিলেন। বহুবার হাতবদল হওয়া এবং বছরের পর বছর অবহেলায় পড়ে থাকা বাড়িটি জুলাই মাসে এক অজ্ঞাতপরিচয় ক্রেতার কাছে বিক্রি হয়। একসময় ‘ট্রাম্প বার্থ হাউস এলএলসি’র অধীনে থাকা বাড়িটি এয়ারবিএনবি-তে ভাড়ায় দেওয়া হতো, যেখানে অতিথিদের অভ্যর্থনা জানাত ট্রাম্পের কার্ডবোর্ডের কাটআউট।
গত বছর বাড়িটি যখন টমি লিনের হাতে আসে, তখন সেটির অবস্থা ছিল বেশ শোচনীয়। দীর্ঘদিন খালি পড়ে থাকায় ভেতরে ছত্রাকে ভরে যায় এবং বুনো বিড়ালের আস্তানা হয়ে উঠেছিল। দ্য নিউ ইয়র্ক পোস্ট-এর তথ্য অনুযায়ী, টমি লিন ৮ লাখ ৩৫ হাজার ডলারে বাড়িটি কিনেছিলেন এবং এর ভেতরের অংশ সাজাতে খরচ করেছেন প্রায় ৫ লাখ ডলার। নতুন মেঝে বসানো থেকে শুরু করে আধুনিক শেফ'স কিচেন সব মিলিয়ে পুরোপুরি বদলে ফেলা হয় বাড়িটি।
নিউইয়র্কের সঙ্গে ট্রাম্পের সম্পর্ক সবসময়ই একটু গোলমেলে, যদিও তিনি এখানকারই তৃতীয় প্রজন্মের সন্তান। বিশেষ করে বর্তমান মেয়র জোহরান মামদানির সঙ্গে তার দ্বন্দ্ব ও সম্প্রীতির গল্প বেশ আলোচিত। গত নির্বাচনে মামদানিকে কমিউনিস্ট ও যে কিছুই জানে না বলে আক্রমণ করেছিলেন ট্রাম্প। এমনকি ফেডারেল তহবিল বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিও দিয়েছিলেন।
তবে ২০২৫ সালে মামদানি মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর পাল্টে যায় সমীকরণ। ওভাল অফিসে মামদানিকে পাশে নিয়ে ট্রাম্প নিজেই সুর নরম করে বলেন, ‘আমি মনে করি আপনারা একজন সত্যিই অসাধারণ মেয়র পেতে চলেছেন। তিনি যত ভালো করবেন, আমি তত খুশি হব।’
এদিকে সম্প্রতি নিউইয়র্কের সঙ্গে ট্রাম্পের দূরত্ব আরও স্পষ্ট হয়েছে। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) গ্রাউন্ড জিরোর স্মরণসভায় না গিয়ে তিনি পেন্টাগনের অনুষ্ঠানে যোগ দেন। টুইন টাওয়ার ট্র্যাজেডির পর গ্রাউন্ড জিরোতে নিজের ভূমিকা নিয়ে করা কিছু মন্তব্যের কারণেও তিনি নতুন করে সমালোচনার মুখে পড়েন।
সূত্র: দ্য হিল

যুক্তরাষ্ট্রের কাছে কি সত্যিই ১৪ দিনের তেল মজুত আছে







