সৌদি-ইসরায়েল সম্পর্ক স্বাভাবিক করার সময় হয়েছে: ট্রাম্প

সৌদি-ইসরায়েল সম্পর্ক স্বাভাবিক করার সময় হয়েছে: ট্রাম্প
সিজেডএন ডেস্ক

ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক না করলে সৌদি আরবের সঙ্গে প্রস্তাবিত বেসামরিক পারমাণবিক চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্র কোনো পদক্ষেপ নেবে না বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আব্রাহাম চুক্তির আওতায় রিয়াদকে ইসরায়েলের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সমঝোতায় আসার এই নতুন শর্ত জুড়ে দিয়ে নিজের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন তিনি।
চলতি সপ্তাহের শুরুতেই ওয়াশিংটন ও রিয়াদের মধ্যে একটি বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। মার্কিন জ্বালানি দপ্তর এ চুক্তিকে দুই দেশের কয়েক বিলিয়ন ডলারের ৩ দশকব্যাপী অংশীদারিত্ব হিসেবে তুলে ধরেছিল। তবে চুক্তি স্বাক্ষরের পর পরই ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানিয়ে দেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে পারমাণবিক সুবিধা পেতে হলে রিয়াদকে অবশ্যই ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করতে হবে।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প জানান, চুক্তিটি চূড়ান্ত করার আগে তিনি জ্বালানি সচিবের সঙ্গে আলাদা করে কথা না বললেও এ শর্তের বিষয়টি সবসময়ই সবার জানা ছিল। রিয়াদ ও মার্কিন জ্বালানি দপ্তর শুরু থেকেই বিষয়টি জানত বলে তিনি দাবি করেন।
ট্রাম্পের এ শর্ত যুক্ত করার বিষয়ে সৌদি আরব এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া দেয়নি। তবে রিয়াদ দীর্ঘদিন ধরেই নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে আসছে- একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের সুস্পষ্ট পথ তৈরি না হওয়া পর্যন্ত তারা ইসরায়েলকে কূটনৈতিক স্বীকৃতি দেবে না। অন্যদিকে, বর্তমান ইসরায়েলি সরকার ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের এ প্রস্তাবের ঘোর বিরোধিতা করছে।
প্রস্তাবিত ৩০ বছর মেয়াদি চুক্তির মাধ্যমে সৌদি আরবে মার্কিন প্রযুক্তি ও দক্ষতা হস্তান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে। এ কাজে মূল ঠিকাদার হিসেবে মার্কিন প্রতিষ্ঠান ওয়েস্টিংহাউসের যুক্ত থাকার কথা। এর আগে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের গুঞ্জন থাকলেও ট্রাম্প নিশ্চিত করেছেন, চুক্তির আওতায় কোনো ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ করা হবে না। এছাড়া মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও আশ্বস্ত করেছেন, প্রকল্পটি মার্কিন ঠিকাদারদের কঠোর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে। ফলে ওয়াশিংটনের পূর্ণ নজরদারির সুযোগ থাকবে এবং পারমাণবিক অস্ত্র প্রসারের ঝুঁকি দূর করবে।
সূত্র: আল জাজিরা

ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক না করলে সৌদি আরবের সঙ্গে প্রস্তাবিত বেসামরিক পারমাণবিক চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্র কোনো পদক্ষেপ নেবে না বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আব্রাহাম চুক্তির আওতায় রিয়াদকে ইসরায়েলের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সমঝোতায় আসার এই নতুন শর্ত জুড়ে দিয়ে নিজের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন তিনি।
চলতি সপ্তাহের শুরুতেই ওয়াশিংটন ও রিয়াদের মধ্যে একটি বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। মার্কিন জ্বালানি দপ্তর এ চুক্তিকে দুই দেশের কয়েক বিলিয়ন ডলারের ৩ দশকব্যাপী অংশীদারিত্ব হিসেবে তুলে ধরেছিল। তবে চুক্তি স্বাক্ষরের পর পরই ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানিয়ে দেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে পারমাণবিক সুবিধা পেতে হলে রিয়াদকে অবশ্যই ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করতে হবে।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প জানান, চুক্তিটি চূড়ান্ত করার আগে তিনি জ্বালানি সচিবের সঙ্গে আলাদা করে কথা না বললেও এ শর্তের বিষয়টি সবসময়ই সবার জানা ছিল। রিয়াদ ও মার্কিন জ্বালানি দপ্তর শুরু থেকেই বিষয়টি জানত বলে তিনি দাবি করেন।
ট্রাম্পের এ শর্ত যুক্ত করার বিষয়ে সৌদি আরব এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া দেয়নি। তবে রিয়াদ দীর্ঘদিন ধরেই নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে আসছে- একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের সুস্পষ্ট পথ তৈরি না হওয়া পর্যন্ত তারা ইসরায়েলকে কূটনৈতিক স্বীকৃতি দেবে না। অন্যদিকে, বর্তমান ইসরায়েলি সরকার ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের এ প্রস্তাবের ঘোর বিরোধিতা করছে।
প্রস্তাবিত ৩০ বছর মেয়াদি চুক্তির মাধ্যমে সৌদি আরবে মার্কিন প্রযুক্তি ও দক্ষতা হস্তান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে। এ কাজে মূল ঠিকাদার হিসেবে মার্কিন প্রতিষ্ঠান ওয়েস্টিংহাউসের যুক্ত থাকার কথা। এর আগে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের গুঞ্জন থাকলেও ট্রাম্প নিশ্চিত করেছেন, চুক্তির আওতায় কোনো ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ করা হবে না। এছাড়া মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও আশ্বস্ত করেছেন, প্রকল্পটি মার্কিন ঠিকাদারদের কঠোর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে। ফলে ওয়াশিংটনের পূর্ণ নজরদারির সুযোগ থাকবে এবং পারমাণবিক অস্ত্র প্রসারের ঝুঁকি দূর করবে।
সূত্র: আল জাজিরা

সৌদি-ইসরায়েল সম্পর্ক স্বাভাবিক করার সময় হয়েছে: ট্রাম্প
সিজেডএন ডেস্ক

ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক না করলে সৌদি আরবের সঙ্গে প্রস্তাবিত বেসামরিক পারমাণবিক চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্র কোনো পদক্ষেপ নেবে না বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আব্রাহাম চুক্তির আওতায় রিয়াদকে ইসরায়েলের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সমঝোতায় আসার এই নতুন শর্ত জুড়ে দিয়ে নিজের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন তিনি।
চলতি সপ্তাহের শুরুতেই ওয়াশিংটন ও রিয়াদের মধ্যে একটি বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। মার্কিন জ্বালানি দপ্তর এ চুক্তিকে দুই দেশের কয়েক বিলিয়ন ডলারের ৩ দশকব্যাপী অংশীদারিত্ব হিসেবে তুলে ধরেছিল। তবে চুক্তি স্বাক্ষরের পর পরই ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানিয়ে দেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে পারমাণবিক সুবিধা পেতে হলে রিয়াদকে অবশ্যই ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করতে হবে।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প জানান, চুক্তিটি চূড়ান্ত করার আগে তিনি জ্বালানি সচিবের সঙ্গে আলাদা করে কথা না বললেও এ শর্তের বিষয়টি সবসময়ই সবার জানা ছিল। রিয়াদ ও মার্কিন জ্বালানি দপ্তর শুরু থেকেই বিষয়টি জানত বলে তিনি দাবি করেন।
ট্রাম্পের এ শর্ত যুক্ত করার বিষয়ে সৌদি আরব এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া দেয়নি। তবে রিয়াদ দীর্ঘদিন ধরেই নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে আসছে- একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের সুস্পষ্ট পথ তৈরি না হওয়া পর্যন্ত তারা ইসরায়েলকে কূটনৈতিক স্বীকৃতি দেবে না। অন্যদিকে, বর্তমান ইসরায়েলি সরকার ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের এ প্রস্তাবের ঘোর বিরোধিতা করছে।
প্রস্তাবিত ৩০ বছর মেয়াদি চুক্তির মাধ্যমে সৌদি আরবে মার্কিন প্রযুক্তি ও দক্ষতা হস্তান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে। এ কাজে মূল ঠিকাদার হিসেবে মার্কিন প্রতিষ্ঠান ওয়েস্টিংহাউসের যুক্ত থাকার কথা। এর আগে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের গুঞ্জন থাকলেও ট্রাম্প নিশ্চিত করেছেন, চুক্তির আওতায় কোনো ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ করা হবে না। এছাড়া মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও আশ্বস্ত করেছেন, প্রকল্পটি মার্কিন ঠিকাদারদের কঠোর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে। ফলে ওয়াশিংটনের পূর্ণ নজরদারির সুযোগ থাকবে এবং পারমাণবিক অস্ত্র প্রসারের ঝুঁকি দূর করবে।
সূত্র: আল জাজিরা

ইসরায়েলকে স্বীকৃতি ছাড়া পারমাণবিক চুক্তি কার্যকর নয়: ট্রাম্প







