নাইজেরিয়ায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে ২১ জন নিহত

নাইজেরিয়ায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে ২১ জন নিহত
সিটিজেন ডেস্ক

উত্তর নাইজেরিয়ার জামফারা প্রদেশে স্থানীয় সশস্ত্র দল বা দস্যুদের নিয়মিত দাবিকৃত চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোর কারণে ভয়াবহ সংঘর্ষে অন্তত ২১ জন নিহত হয়েছেন। শনিবার (১১ এপ্রিল) বার্তা সংস্থা এএফপিকে ৩ জন স্থানীয় বাসিন্দা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বুক্কুয়ুম জেলার বুনকাসাউ গ্রামে প্রায় ৮০টি মোটরসাইকেল নিয়ে এসে সশস্ত্র দস্যুরা হামলা চালায়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, গ্রামবাসীরা দস্যুদের বারবার চাঁদা দিতে অতিষ্ঠ হয়ে সেই অর্থে নিজেদের সুরক্ষার জন্য অস্ত্র কিনেছিল। কিন্তু গোলাগুলির একপর্যায়ে গ্রামবাসীদের গুলি ফুরিয়ে গেলে দস্যুরা নির্বিচারে এ হত্যাযজ্ঞ চালায়।
বুক্কুয়ুমের স্থানীয় নেতা লাওয়ালি উমর এবং অপর দুই বাসিন্দা জামিলু আলিউ ও বাবুগা আহমদ ২১ জন নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। রাজ্য পুলিশের মুখপাত্র ইয়াজিদ আবুবকর হামলার সত্যতা স্বীকার করে জানিয়েছেন, তারা বর্তমানে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করছেন। এএফপির এক প্রতিবেদক জানিয়েছেন, গ্রাম থেকে পাঠানো ছবিতে একটি ঘরের মেঝেতে রক্তমাখা অবস্থায় সারি সারি তরুণদের মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখা গেছে।
উত্তর-পশ্চিম ও মধ্য নাইজেরিয়ার বেশ কয়েকটি রাজ্যে এ ধরনের অপরাধী চক্র দীর্ঘদিন ধরে লুট ও অপহরণ চালিয়ে আসছে। সম্প্রতি দস্যুরা উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ১৭ বছর ধরে লড়াইরত সশস্ত্র বিদ্রোহীদের সাথেও জোট বেঁধেছে, যা প্রশাসনের উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
উত্তর নাইজেরিয়ায় এ ধরনের সহিংসতায় এক ব্রিগেডিয়ার জেনারেলসহ শতাধিক মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। মূলত কৃষক ও পশুপালকদের মধ্যে জমি ও পানির বিরোধ থেকে শুরু হওয়া এ সংঘাত বর্তমানে সংঘবদ্ধ অপরাধ ও অপহরণ চক্রে রূপ নিয়েছে। ২০১৫ সাল থেকে জামফারায় সেনাবাহিনী মোতায়েন এবং বিভিন্ন সময়ে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার মাধ্যমে শান্তি চুক্তির চেষ্টা করা হলেও এই অঞ্চলে রক্তপাত থামানো সম্ভব হয়নি।
সূত্র: আরব নিউজ

উত্তর নাইজেরিয়ার জামফারা প্রদেশে স্থানীয় সশস্ত্র দল বা দস্যুদের নিয়মিত দাবিকৃত চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোর কারণে ভয়াবহ সংঘর্ষে অন্তত ২১ জন নিহত হয়েছেন। শনিবার (১১ এপ্রিল) বার্তা সংস্থা এএফপিকে ৩ জন স্থানীয় বাসিন্দা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বুক্কুয়ুম জেলার বুনকাসাউ গ্রামে প্রায় ৮০টি মোটরসাইকেল নিয়ে এসে সশস্ত্র দস্যুরা হামলা চালায়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, গ্রামবাসীরা দস্যুদের বারবার চাঁদা দিতে অতিষ্ঠ হয়ে সেই অর্থে নিজেদের সুরক্ষার জন্য অস্ত্র কিনেছিল। কিন্তু গোলাগুলির একপর্যায়ে গ্রামবাসীদের গুলি ফুরিয়ে গেলে দস্যুরা নির্বিচারে এ হত্যাযজ্ঞ চালায়।
বুক্কুয়ুমের স্থানীয় নেতা লাওয়ালি উমর এবং অপর দুই বাসিন্দা জামিলু আলিউ ও বাবুগা আহমদ ২১ জন নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। রাজ্য পুলিশের মুখপাত্র ইয়াজিদ আবুবকর হামলার সত্যতা স্বীকার করে জানিয়েছেন, তারা বর্তমানে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করছেন। এএফপির এক প্রতিবেদক জানিয়েছেন, গ্রাম থেকে পাঠানো ছবিতে একটি ঘরের মেঝেতে রক্তমাখা অবস্থায় সারি সারি তরুণদের মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখা গেছে।
উত্তর-পশ্চিম ও মধ্য নাইজেরিয়ার বেশ কয়েকটি রাজ্যে এ ধরনের অপরাধী চক্র দীর্ঘদিন ধরে লুট ও অপহরণ চালিয়ে আসছে। সম্প্রতি দস্যুরা উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ১৭ বছর ধরে লড়াইরত সশস্ত্র বিদ্রোহীদের সাথেও জোট বেঁধেছে, যা প্রশাসনের উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
উত্তর নাইজেরিয়ায় এ ধরনের সহিংসতায় এক ব্রিগেডিয়ার জেনারেলসহ শতাধিক মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। মূলত কৃষক ও পশুপালকদের মধ্যে জমি ও পানির বিরোধ থেকে শুরু হওয়া এ সংঘাত বর্তমানে সংঘবদ্ধ অপরাধ ও অপহরণ চক্রে রূপ নিয়েছে। ২০১৫ সাল থেকে জামফারায় সেনাবাহিনী মোতায়েন এবং বিভিন্ন সময়ে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার মাধ্যমে শান্তি চুক্তির চেষ্টা করা হলেও এই অঞ্চলে রক্তপাত থামানো সম্ভব হয়নি।
সূত্র: আরব নিউজ

নাইজেরিয়ায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে ২১ জন নিহত
সিটিজেন ডেস্ক

উত্তর নাইজেরিয়ার জামফারা প্রদেশে স্থানীয় সশস্ত্র দল বা দস্যুদের নিয়মিত দাবিকৃত চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোর কারণে ভয়াবহ সংঘর্ষে অন্তত ২১ জন নিহত হয়েছেন। শনিবার (১১ এপ্রিল) বার্তা সংস্থা এএফপিকে ৩ জন স্থানীয় বাসিন্দা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বুক্কুয়ুম জেলার বুনকাসাউ গ্রামে প্রায় ৮০টি মোটরসাইকেল নিয়ে এসে সশস্ত্র দস্যুরা হামলা চালায়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, গ্রামবাসীরা দস্যুদের বারবার চাঁদা দিতে অতিষ্ঠ হয়ে সেই অর্থে নিজেদের সুরক্ষার জন্য অস্ত্র কিনেছিল। কিন্তু গোলাগুলির একপর্যায়ে গ্রামবাসীদের গুলি ফুরিয়ে গেলে দস্যুরা নির্বিচারে এ হত্যাযজ্ঞ চালায়।
বুক্কুয়ুমের স্থানীয় নেতা লাওয়ালি উমর এবং অপর দুই বাসিন্দা জামিলু আলিউ ও বাবুগা আহমদ ২১ জন নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। রাজ্য পুলিশের মুখপাত্র ইয়াজিদ আবুবকর হামলার সত্যতা স্বীকার করে জানিয়েছেন, তারা বর্তমানে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করছেন। এএফপির এক প্রতিবেদক জানিয়েছেন, গ্রাম থেকে পাঠানো ছবিতে একটি ঘরের মেঝেতে রক্তমাখা অবস্থায় সারি সারি তরুণদের মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখা গেছে।
উত্তর-পশ্চিম ও মধ্য নাইজেরিয়ার বেশ কয়েকটি রাজ্যে এ ধরনের অপরাধী চক্র দীর্ঘদিন ধরে লুট ও অপহরণ চালিয়ে আসছে। সম্প্রতি দস্যুরা উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ১৭ বছর ধরে লড়াইরত সশস্ত্র বিদ্রোহীদের সাথেও জোট বেঁধেছে, যা প্রশাসনের উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
উত্তর নাইজেরিয়ায় এ ধরনের সহিংসতায় এক ব্রিগেডিয়ার জেনারেলসহ শতাধিক মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। মূলত কৃষক ও পশুপালকদের মধ্যে জমি ও পানির বিরোধ থেকে শুরু হওয়া এ সংঘাত বর্তমানে সংঘবদ্ধ অপরাধ ও অপহরণ চক্রে রূপ নিয়েছে। ২০১৫ সাল থেকে জামফারায় সেনাবাহিনী মোতায়েন এবং বিভিন্ন সময়ে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার মাধ্যমে শান্তি চুক্তির চেষ্টা করা হলেও এই অঞ্চলে রক্তপাত থামানো সম্ভব হয়নি।
সূত্র: আরব নিউজ




