হাম উপসর্গ নিয়ে দেশে আরও শিশুর ১০ মৃত্যু

হাম উপসর্গ নিয়ে দেশে আরও শিশুর ১০ মৃত্যু
বিশেষ প্রতিনিধি

সারাদেশে হামের সংক্রমণ আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে নতুন করে ১ হাজার ২৪৮ জন সন্দেহভাজন হামের রোগী শনাক্ত হয়েছে।
বুধবার (৮ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সমন্বিত নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন আক্রান্ত (সন্দেহভাজন) ১ হাজার ২৪৮ জন শিশু। এর মধ্যে নিশ্চিত আক্রান্ত (ল্যাব টেস্টে) ১৮৯ জন, হাসপাতালে ভর্তি ৫৬৬ জন এবং সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৫৯৯ জন শিশু।
আক্রান্তের হারে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগ। গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে ৩৩২ জন (সর্বোচ্চ), চট্টগ্রাম বিভাগ ২৩৫ জন, রাজশাহী বিভাগে ২৭৩ জন, বরিশালে ৭১ জন, খুলনায় ১০৮ জন, ময়মনসিংহ ২৮ জন, রংপুরে ৬১ জন এবং সিলেটে ৪০ জন আক্রান্ত হয়েছেন।
চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৮ এপ্রিল পর্যন্ত পাওয়া তথ্যে দেখা গেছে, দেশে মোট সন্দেহভাজন হামে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ হাজার ৯৩৬ জনে। এর মধ্যে ল্যাবরেটরিতে নিশ্চিত হওয়া রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ২৯৯ জন। এই সময়ের মধ্যে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫৮ জনে। যার মধ্যে ২১ জন নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত ছিলেন।
এ পর্যন্ত হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে মোট ৫ হাজার ২৪১ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৭ হাজার ৫৭৭ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তারা সার্বক্ষণিক কাজ করে যাচ্ছে। শিশুদের জ্বর বা শরীরে র্যাশ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে আসার জন্য অভিভাবকদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সারাদেশে হামের সংক্রমণ আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে নতুন করে ১ হাজার ২৪৮ জন সন্দেহভাজন হামের রোগী শনাক্ত হয়েছে।
বুধবার (৮ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সমন্বিত নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন আক্রান্ত (সন্দেহভাজন) ১ হাজার ২৪৮ জন শিশু। এর মধ্যে নিশ্চিত আক্রান্ত (ল্যাব টেস্টে) ১৮৯ জন, হাসপাতালে ভর্তি ৫৬৬ জন এবং সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৫৯৯ জন শিশু।
আক্রান্তের হারে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগ। গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে ৩৩২ জন (সর্বোচ্চ), চট্টগ্রাম বিভাগ ২৩৫ জন, রাজশাহী বিভাগে ২৭৩ জন, বরিশালে ৭১ জন, খুলনায় ১০৮ জন, ময়মনসিংহ ২৮ জন, রংপুরে ৬১ জন এবং সিলেটে ৪০ জন আক্রান্ত হয়েছেন।
চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৮ এপ্রিল পর্যন্ত পাওয়া তথ্যে দেখা গেছে, দেশে মোট সন্দেহভাজন হামে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ হাজার ৯৩৬ জনে। এর মধ্যে ল্যাবরেটরিতে নিশ্চিত হওয়া রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ২৯৯ জন। এই সময়ের মধ্যে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫৮ জনে। যার মধ্যে ২১ জন নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত ছিলেন।
এ পর্যন্ত হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে মোট ৫ হাজার ২৪১ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৭ হাজার ৫৭৭ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তারা সার্বক্ষণিক কাজ করে যাচ্ছে। শিশুদের জ্বর বা শরীরে র্যাশ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে আসার জন্য অভিভাবকদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

হাম উপসর্গ নিয়ে দেশে আরও শিশুর ১০ মৃত্যু
বিশেষ প্রতিনিধি

সারাদেশে হামের সংক্রমণ আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে নতুন করে ১ হাজার ২৪৮ জন সন্দেহভাজন হামের রোগী শনাক্ত হয়েছে।
বুধবার (৮ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সমন্বিত নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন আক্রান্ত (সন্দেহভাজন) ১ হাজার ২৪৮ জন শিশু। এর মধ্যে নিশ্চিত আক্রান্ত (ল্যাব টেস্টে) ১৮৯ জন, হাসপাতালে ভর্তি ৫৬৬ জন এবং সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৫৯৯ জন শিশু।
আক্রান্তের হারে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগ। গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে ৩৩২ জন (সর্বোচ্চ), চট্টগ্রাম বিভাগ ২৩৫ জন, রাজশাহী বিভাগে ২৭৩ জন, বরিশালে ৭১ জন, খুলনায় ১০৮ জন, ময়মনসিংহ ২৮ জন, রংপুরে ৬১ জন এবং সিলেটে ৪০ জন আক্রান্ত হয়েছেন।
চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৮ এপ্রিল পর্যন্ত পাওয়া তথ্যে দেখা গেছে, দেশে মোট সন্দেহভাজন হামে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ হাজার ৯৩৬ জনে। এর মধ্যে ল্যাবরেটরিতে নিশ্চিত হওয়া রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ২৯৯ জন। এই সময়ের মধ্যে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫৮ জনে। যার মধ্যে ২১ জন নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত ছিলেন।
এ পর্যন্ত হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে মোট ৫ হাজার ২৪১ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৭ হাজার ৫৭৭ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তারা সার্বক্ষণিক কাজ করে যাচ্ছে। শিশুদের জ্বর বা শরীরে র্যাশ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে আসার জন্য অভিভাবকদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।




