চার জেলায় হামে ৪ শিশুর মৃত্যু

চার জেলায় হামে ৪ শিশুর মৃত্যু
সিটিজেন ডেস্ক

দেশের চার জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে চার শিশু মৃত্যু হয়েছে। কুষ্টিয়া, ময়মনসিংহ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও টাঙ্গাইলে এসব শিশু মারা যায়।
আমাদের জেলা সংবাদদাতাদের পাঠানো তথ্য অনুযায়ী প্রতিবেদন।
কুষ্টিয়া সংবাদদাতা:
কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে আট মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ভোর ছয়টার দিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। শিশুটির নাম আফরান। সে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার ভাদালিয়া গ্রামের আল আমিন ছেলে।
আল আমিন জানান, ‘কয়েক দিন ধরে আফরানের প্রচণ্ড ঠাণ্ডা, জ্বর ও শরীরে লালচে ফোঁটা ফোঁটা দাগ দেখা দিয়েছিল। স্থানীয় এক চিকিৎসকের পরামর্শে তাকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।’
তিনি অভিযোগ করে জানান, ‘বৃহস্পতিবার থেকে আফরানের অবস্থা খারাপ হতে থাকে। আজ ভোরের দিকে অবস্থা আরও অবনতি হলে আমরা চিকিৎসক ও নার্সদের বারবার ডাকি। কিন্তু নার্সরা আমাদের সঠিকভাবে কোনো সহযোগিতা করেনি। শেষ পর্যন্ত আমার সন্তান মারা গেল।’
জানতে চাইলে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক এইচ এম আনোয়ারুল ইসলাম জানান, ‘শিশুটি হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়েছিল এবং প্রথম থেকেই তার অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল। তাই উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় রেফার্ড করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু স্বজনরা যাননি। আমরা আমাদের সাধ্যমতো চেষ্টা করেছি। আজ ভোরে শিশুটি মারা যায়।’
ময়মনসিংহ সংবাদদাতা:
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে হামের আক্রান্ত হয়ে চার মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দিবাগত রাত পৌনে ৪টার দিকে শিশুটি মারা যায়। হাসপাতালের শিশু বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক গোলাম মাওলা গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, গত ২৪ মার্চ কিশোরগঞ্জ থেকে আসা শিশুটিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। হামের পাশাপাশি শিশুটির হৃদযন্ত্রের সমস্যা ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত ছিল।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ:
চাঁপাইনবাবগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে আসা মাসুদা খাতুন নামে আড়াই বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সকাল সাড়ে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসার পরপরই কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মাসুদা খাতুন সদর উপজেলার শাহজাহানপুর ইউনিয়নের হাকিমপুর গ্রামের নৈমুর ইসলামের মেয়ে।
জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. রুমালী খাতুন জানান, হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই শিশুটির মৃত্যু হয়। তার শরীরে লালচে ‘র্যাশ’ বা দাগ দেখা গেছে। তবে ঠিক কোন অসুখে বা কী কারণে তার মৃত্যু হয়েছে, তা এই মুহূর্তে নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়।
টাঙ্গাইল:
হামের উপসর্গ নিয়ে টাঙ্গাইলের ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরো এক শিশু মৃত্যুবরণ করেছে।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ভোরে সাফা নামে ১৩ মাস বয়সী শিশুটির মৃত্যু হয়। সাফা সদর উপজেলার ধলোটিয়া গ্রামের সাদ্দামের মেয়ে।
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক খন্দকার সাদিকুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
প্রসঙ্গত, একই হাসপাতালে গতকাল বৃহস্পতিবার হামে আক্রান্ত সায়ফাল নামে ৮ মাসের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

দেশের চার জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে চার শিশু মৃত্যু হয়েছে। কুষ্টিয়া, ময়মনসিংহ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও টাঙ্গাইলে এসব শিশু মারা যায়।
আমাদের জেলা সংবাদদাতাদের পাঠানো তথ্য অনুযায়ী প্রতিবেদন।
কুষ্টিয়া সংবাদদাতা:
কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে আট মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ভোর ছয়টার দিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। শিশুটির নাম আফরান। সে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার ভাদালিয়া গ্রামের আল আমিন ছেলে।
আল আমিন জানান, ‘কয়েক দিন ধরে আফরানের প্রচণ্ড ঠাণ্ডা, জ্বর ও শরীরে লালচে ফোঁটা ফোঁটা দাগ দেখা দিয়েছিল। স্থানীয় এক চিকিৎসকের পরামর্শে তাকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।’
তিনি অভিযোগ করে জানান, ‘বৃহস্পতিবার থেকে আফরানের অবস্থা খারাপ হতে থাকে। আজ ভোরের দিকে অবস্থা আরও অবনতি হলে আমরা চিকিৎসক ও নার্সদের বারবার ডাকি। কিন্তু নার্সরা আমাদের সঠিকভাবে কোনো সহযোগিতা করেনি। শেষ পর্যন্ত আমার সন্তান মারা গেল।’
জানতে চাইলে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক এইচ এম আনোয়ারুল ইসলাম জানান, ‘শিশুটি হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়েছিল এবং প্রথম থেকেই তার অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল। তাই উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় রেফার্ড করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু স্বজনরা যাননি। আমরা আমাদের সাধ্যমতো চেষ্টা করেছি। আজ ভোরে শিশুটি মারা যায়।’
ময়মনসিংহ সংবাদদাতা:
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে হামের আক্রান্ত হয়ে চার মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দিবাগত রাত পৌনে ৪টার দিকে শিশুটি মারা যায়। হাসপাতালের শিশু বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক গোলাম মাওলা গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, গত ২৪ মার্চ কিশোরগঞ্জ থেকে আসা শিশুটিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। হামের পাশাপাশি শিশুটির হৃদযন্ত্রের সমস্যা ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত ছিল।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ:
চাঁপাইনবাবগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে আসা মাসুদা খাতুন নামে আড়াই বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সকাল সাড়ে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসার পরপরই কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মাসুদা খাতুন সদর উপজেলার শাহজাহানপুর ইউনিয়নের হাকিমপুর গ্রামের নৈমুর ইসলামের মেয়ে।
জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. রুমালী খাতুন জানান, হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই শিশুটির মৃত্যু হয়। তার শরীরে লালচে ‘র্যাশ’ বা দাগ দেখা গেছে। তবে ঠিক কোন অসুখে বা কী কারণে তার মৃত্যু হয়েছে, তা এই মুহূর্তে নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়।
টাঙ্গাইল:
হামের উপসর্গ নিয়ে টাঙ্গাইলের ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরো এক শিশু মৃত্যুবরণ করেছে।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ভোরে সাফা নামে ১৩ মাস বয়সী শিশুটির মৃত্যু হয়। সাফা সদর উপজেলার ধলোটিয়া গ্রামের সাদ্দামের মেয়ে।
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক খন্দকার সাদিকুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
প্রসঙ্গত, একই হাসপাতালে গতকাল বৃহস্পতিবার হামে আক্রান্ত সায়ফাল নামে ৮ মাসের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

চার জেলায় হামে ৪ শিশুর মৃত্যু
সিটিজেন ডেস্ক

দেশের চার জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে চার শিশু মৃত্যু হয়েছে। কুষ্টিয়া, ময়মনসিংহ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও টাঙ্গাইলে এসব শিশু মারা যায়।
আমাদের জেলা সংবাদদাতাদের পাঠানো তথ্য অনুযায়ী প্রতিবেদন।
কুষ্টিয়া সংবাদদাতা:
কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে আট মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ভোর ছয়টার দিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। শিশুটির নাম আফরান। সে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার ভাদালিয়া গ্রামের আল আমিন ছেলে।
আল আমিন জানান, ‘কয়েক দিন ধরে আফরানের প্রচণ্ড ঠাণ্ডা, জ্বর ও শরীরে লালচে ফোঁটা ফোঁটা দাগ দেখা দিয়েছিল। স্থানীয় এক চিকিৎসকের পরামর্শে তাকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।’
তিনি অভিযোগ করে জানান, ‘বৃহস্পতিবার থেকে আফরানের অবস্থা খারাপ হতে থাকে। আজ ভোরের দিকে অবস্থা আরও অবনতি হলে আমরা চিকিৎসক ও নার্সদের বারবার ডাকি। কিন্তু নার্সরা আমাদের সঠিকভাবে কোনো সহযোগিতা করেনি। শেষ পর্যন্ত আমার সন্তান মারা গেল।’
জানতে চাইলে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক এইচ এম আনোয়ারুল ইসলাম জানান, ‘শিশুটি হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়েছিল এবং প্রথম থেকেই তার অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল। তাই উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় রেফার্ড করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু স্বজনরা যাননি। আমরা আমাদের সাধ্যমতো চেষ্টা করেছি। আজ ভোরে শিশুটি মারা যায়।’
ময়মনসিংহ সংবাদদাতা:
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে হামের আক্রান্ত হয়ে চার মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দিবাগত রাত পৌনে ৪টার দিকে শিশুটি মারা যায়। হাসপাতালের শিশু বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক গোলাম মাওলা গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, গত ২৪ মার্চ কিশোরগঞ্জ থেকে আসা শিশুটিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। হামের পাশাপাশি শিশুটির হৃদযন্ত্রের সমস্যা ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত ছিল।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ:
চাঁপাইনবাবগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে আসা মাসুদা খাতুন নামে আড়াই বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সকাল সাড়ে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসার পরপরই কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মাসুদা খাতুন সদর উপজেলার শাহজাহানপুর ইউনিয়নের হাকিমপুর গ্রামের নৈমুর ইসলামের মেয়ে।
জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. রুমালী খাতুন জানান, হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই শিশুটির মৃত্যু হয়। তার শরীরে লালচে ‘র্যাশ’ বা দাগ দেখা গেছে। তবে ঠিক কোন অসুখে বা কী কারণে তার মৃত্যু হয়েছে, তা এই মুহূর্তে নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়।
টাঙ্গাইল:
হামের উপসর্গ নিয়ে টাঙ্গাইলের ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরো এক শিশু মৃত্যুবরণ করেছে।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ভোরে সাফা নামে ১৩ মাস বয়সী শিশুটির মৃত্যু হয়। সাফা সদর উপজেলার ধলোটিয়া গ্রামের সাদ্দামের মেয়ে।
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক খন্দকার সাদিকুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
প্রসঙ্গত, একই হাসপাতালে গতকাল বৃহস্পতিবার হামে আক্রান্ত সায়ফাল নামে ৮ মাসের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।




