রাজউকের ১২৫ কোটি টাকার ভবনে বছর ঘুরতেই স্তরে স্তরে ত্রুটি

রাজউকের ১২৫ কোটি টাকার ভবনে বছর ঘুরতেই স্তরে স্তরে ত্রুটি
আয়নাল হোসেন

ঋণের ১২৫ টাকা কোটি ব্যয়ে নির্মাণ করা ভবনটিতে বছর না পেরোতেই নানা ত্রুটি দেখা দিয়েছে। মহাখালীতে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) আরবান রেজিলিয়েন্স প্রজেক্টের (ইউআরপি) সেই ভবনটিতে কমপক্ষে ডজনখানেক ত্রুটি সামনে এসেছে। ফলে সেখানে কর্মরত কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং সেবাপ্রার্থীরা আছেন চরম অস্বস্তিতে। পদে পদে অনিয়মে ভরপুর ইউআরপি প্রজেক্টের ভবনটির নির্মাণ, পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন এবং প্রশাসনিক ও আর্থিক পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন প্রকল্প পরিচালক রাজউকের প্রকৌশলী আব্দুল লতিফ হেলালি ও প্রকৌশলী মোহাম্মদ ওয়াহিদ সাদিক শুভ।
রাজউক জানায়, ২০২০ সালে ভবনটি নির্মাণের কাজ শুরু হয়, শেষ হয় ২০২৪ সালে। তবে ভবনটি নির্মাণের পর দেড় বছর অব্যবহৃত ছিল। এ কারণে কিছু ত্রুটি তৈরি হতে পারে। অতিরিক্ত টাকা বরাদ্দ না পাওয়ায় টাইলসের বিল দেওয়া সম্ভব হয়নি বলেও জানায় রাজউক।
ভবন নির্মাণে রাজউক কিছু শর্ত দিয়ে নকশার অনুমোদন করে। শর্তগুলো পূরণ না হলে বিধি মোতাবেক সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা। তবে মহাখালী ইউআরপি ভবনটি নির্মাণ কাজ নিয়ে নানা ধরনের অভিযোগ পাওয়া গেলেও নীরব ভূমিকা পালন করছেন রাজউকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

রোববার (৯ আগস্ট) সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, ভবনের প্রবেশ পথের ফটকের একটি অংশ নিচের দিকে ভাঙা। মূল ফটক পেরিয়ে ভেতরে ঢুকতেই সামনের খালি জায়গায় চোখে পড়ে দুটি হাউজ। সেখানে বৃষ্টির পানি জমে এডিস মশার লার্ভা তৈরির কারখানায় পরিণত হয়েছে। ভবনে যে দুটি আর্চওয়ে আছে, তা এখনো চালু করা হয়নি। সেন্ট্রাল এসির ব্যবস্থা থাকলেও রিসিপশনিষ্ট যে স্থানে বসেন, সেখানের এসি কাজ করছে না। লিফটে উঠলে ভয় না পেয়ে উপায় নেই। এমন একটা শব্দ করে, মনে হয় এখনই না আবার ছিড়ে যায়। লিফটম্যানসহ সেবা নিতে আসা কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, লিফটের এ সমস্যা শুরু থেকেই।

ভবনের মাঝ বরাবর এবং পশ্চিম পাশে ওঠানামার জন্য দুটি সিঁড়ি রয়েছে। মাঝ বরাবর সিঁড়িটি অস্বাভাবিক খাড়া। পশ্চিম পাশের সিঁড়িটি স্টিলের তৈরি, যেটাতে মরিচা ধরেছে। অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্রগুলোতে নেই মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ। বৃষ্টি হলে ভবনের দক্ষিণ পাশ দিয়ে পানি ভেতরে ঢোকে, যা পুরো ফ্লোরে ছড়িয়ে পড়ে। একই সঙ্গে পানি জমে যায় বেসমেন্টেও। এ কারণে সেখানে কেউ গাড়ি পার্ক করেন না বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তাদের কয়েকজন গাড়িচালক। আর সমস্যাগুলো নকশাগত বলেও মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ ভবনে রাজউকের একাধিক জোনাল অফিস চালু রয়েছে। সেখানে জোন পরিচালক, অথরাইজড অফিসার ছাড়াও রাজউকের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অফিস করেন। নকশা অনুমোদন ছাড়াও নানা ধরনের সেবা নিতে দৈনিক শত শত লোক আসেন। তাদের বেশির ভাগ মানুষ লিফট, সিঁড়ি, লবি, এসি, পার্কিংসহ নানা সমস্যা নিয়ে কর্মরত কর্মকর্তাদের কাছে অভিযোগ দেন। এ বিষয়টি নিয়ে রাজউকের প্রেষণে আসা প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তারা তাদের দাপ্তরিক হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে তৎকালীন এপিডি মোহাম্মদ ওয়াহিদ সাদিক শুভ সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, ‘বিশ্বব্যাংক মূলত চারতলা ভবন করার জন্য অর্থ বরাদ্দ দিয়েছিল। কিন্তু বিশ্বব্যাংককে চারতলার পরিবর্তে ১০তলা ভবন নির্মাণের প্রস্তাব দেওয়া হয়। বিশ্বব্যাংক সেই প্রস্তাব গ্রহণ করে বরাদ্দ দিয়েছে ১২৫ কোটি টাকা। ভবন নির্মাণের পর ফিনিশিং কাজে আরও তিন কোটি ৫০ লাখ টাকা অতিরিক্ত পাওয়া গেলে যথাযথভাবে সেটি নির্মাণ করা সম্ভব হতো। কিন্তু বিশ্বব্যাংক টাকা না বাড়ানোয় অবশিষ্ট কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়ে ওঠেনি। এ কারণে কিছু ত্রুটি থেকে গেছে।’
রাজউক সূত্রে জানা গেছে, ভবনটির ঠিকাদার নিয়োগে বড় ধরনের অনিয়ম ও আর্থিক লেনদেন হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। পিডি ড. আব্দুল লতিফ হেলালি এরই মধ্যে অবসরে চলে গেছেন। এপিডি মোহাম্মদ ওয়াহিদ সাদিক শুভ বর্তমানে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হিসেবে সার্কেল ৩ ও ৪ এর দায়িত্বে আছেন।

ঋণের ১২৫ টাকা কোটি ব্যয়ে নির্মাণ করা ভবনটিতে বছর না পেরোতেই নানা ত্রুটি দেখা দিয়েছে। মহাখালীতে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) আরবান রেজিলিয়েন্স প্রজেক্টের (ইউআরপি) সেই ভবনটিতে কমপক্ষে ডজনখানেক ত্রুটি সামনে এসেছে। ফলে সেখানে কর্মরত কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং সেবাপ্রার্থীরা আছেন চরম অস্বস্তিতে। পদে পদে অনিয়মে ভরপুর ইউআরপি প্রজেক্টের ভবনটির নির্মাণ, পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন এবং প্রশাসনিক ও আর্থিক পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন প্রকল্প পরিচালক রাজউকের প্রকৌশলী আব্দুল লতিফ হেলালি ও প্রকৌশলী মোহাম্মদ ওয়াহিদ সাদিক শুভ।
রাজউক জানায়, ২০২০ সালে ভবনটি নির্মাণের কাজ শুরু হয়, শেষ হয় ২০২৪ সালে। তবে ভবনটি নির্মাণের পর দেড় বছর অব্যবহৃত ছিল। এ কারণে কিছু ত্রুটি তৈরি হতে পারে। অতিরিক্ত টাকা বরাদ্দ না পাওয়ায় টাইলসের বিল দেওয়া সম্ভব হয়নি বলেও জানায় রাজউক।
ভবন নির্মাণে রাজউক কিছু শর্ত দিয়ে নকশার অনুমোদন করে। শর্তগুলো পূরণ না হলে বিধি মোতাবেক সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা। তবে মহাখালী ইউআরপি ভবনটি নির্মাণ কাজ নিয়ে নানা ধরনের অভিযোগ পাওয়া গেলেও নীরব ভূমিকা পালন করছেন রাজউকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

রোববার (৯ আগস্ট) সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, ভবনের প্রবেশ পথের ফটকের একটি অংশ নিচের দিকে ভাঙা। মূল ফটক পেরিয়ে ভেতরে ঢুকতেই সামনের খালি জায়গায় চোখে পড়ে দুটি হাউজ। সেখানে বৃষ্টির পানি জমে এডিস মশার লার্ভা তৈরির কারখানায় পরিণত হয়েছে। ভবনে যে দুটি আর্চওয়ে আছে, তা এখনো চালু করা হয়নি। সেন্ট্রাল এসির ব্যবস্থা থাকলেও রিসিপশনিষ্ট যে স্থানে বসেন, সেখানের এসি কাজ করছে না। লিফটে উঠলে ভয় না পেয়ে উপায় নেই। এমন একটা শব্দ করে, মনে হয় এখনই না আবার ছিড়ে যায়। লিফটম্যানসহ সেবা নিতে আসা কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, লিফটের এ সমস্যা শুরু থেকেই।

ভবনের মাঝ বরাবর এবং পশ্চিম পাশে ওঠানামার জন্য দুটি সিঁড়ি রয়েছে। মাঝ বরাবর সিঁড়িটি অস্বাভাবিক খাড়া। পশ্চিম পাশের সিঁড়িটি স্টিলের তৈরি, যেটাতে মরিচা ধরেছে। অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্রগুলোতে নেই মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ। বৃষ্টি হলে ভবনের দক্ষিণ পাশ দিয়ে পানি ভেতরে ঢোকে, যা পুরো ফ্লোরে ছড়িয়ে পড়ে। একই সঙ্গে পানি জমে যায় বেসমেন্টেও। এ কারণে সেখানে কেউ গাড়ি পার্ক করেন না বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তাদের কয়েকজন গাড়িচালক। আর সমস্যাগুলো নকশাগত বলেও মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ ভবনে রাজউকের একাধিক জোনাল অফিস চালু রয়েছে। সেখানে জোন পরিচালক, অথরাইজড অফিসার ছাড়াও রাজউকের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অফিস করেন। নকশা অনুমোদন ছাড়াও নানা ধরনের সেবা নিতে দৈনিক শত শত লোক আসেন। তাদের বেশির ভাগ মানুষ লিফট, সিঁড়ি, লবি, এসি, পার্কিংসহ নানা সমস্যা নিয়ে কর্মরত কর্মকর্তাদের কাছে অভিযোগ দেন। এ বিষয়টি নিয়ে রাজউকের প্রেষণে আসা প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তারা তাদের দাপ্তরিক হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে তৎকালীন এপিডি মোহাম্মদ ওয়াহিদ সাদিক শুভ সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, ‘বিশ্বব্যাংক মূলত চারতলা ভবন করার জন্য অর্থ বরাদ্দ দিয়েছিল। কিন্তু বিশ্বব্যাংককে চারতলার পরিবর্তে ১০তলা ভবন নির্মাণের প্রস্তাব দেওয়া হয়। বিশ্বব্যাংক সেই প্রস্তাব গ্রহণ করে বরাদ্দ দিয়েছে ১২৫ কোটি টাকা। ভবন নির্মাণের পর ফিনিশিং কাজে আরও তিন কোটি ৫০ লাখ টাকা অতিরিক্ত পাওয়া গেলে যথাযথভাবে সেটি নির্মাণ করা সম্ভব হতো। কিন্তু বিশ্বব্যাংক টাকা না বাড়ানোয় অবশিষ্ট কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়ে ওঠেনি। এ কারণে কিছু ত্রুটি থেকে গেছে।’
রাজউক সূত্রে জানা গেছে, ভবনটির ঠিকাদার নিয়োগে বড় ধরনের অনিয়ম ও আর্থিক লেনদেন হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। পিডি ড. আব্দুল লতিফ হেলালি এরই মধ্যে অবসরে চলে গেছেন। এপিডি মোহাম্মদ ওয়াহিদ সাদিক শুভ বর্তমানে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হিসেবে সার্কেল ৩ ও ৪ এর দায়িত্বে আছেন।

রাজউকের ১২৫ কোটি টাকার ভবনে বছর ঘুরতেই স্তরে স্তরে ত্রুটি
আয়নাল হোসেন

ঋণের ১২৫ টাকা কোটি ব্যয়ে নির্মাণ করা ভবনটিতে বছর না পেরোতেই নানা ত্রুটি দেখা দিয়েছে। মহাখালীতে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) আরবান রেজিলিয়েন্স প্রজেক্টের (ইউআরপি) সেই ভবনটিতে কমপক্ষে ডজনখানেক ত্রুটি সামনে এসেছে। ফলে সেখানে কর্মরত কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং সেবাপ্রার্থীরা আছেন চরম অস্বস্তিতে। পদে পদে অনিয়মে ভরপুর ইউআরপি প্রজেক্টের ভবনটির নির্মাণ, পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন এবং প্রশাসনিক ও আর্থিক পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন প্রকল্প পরিচালক রাজউকের প্রকৌশলী আব্দুল লতিফ হেলালি ও প্রকৌশলী মোহাম্মদ ওয়াহিদ সাদিক শুভ।
রাজউক জানায়, ২০২০ সালে ভবনটি নির্মাণের কাজ শুরু হয়, শেষ হয় ২০২৪ সালে। তবে ভবনটি নির্মাণের পর দেড় বছর অব্যবহৃত ছিল। এ কারণে কিছু ত্রুটি তৈরি হতে পারে। অতিরিক্ত টাকা বরাদ্দ না পাওয়ায় টাইলসের বিল দেওয়া সম্ভব হয়নি বলেও জানায় রাজউক।
ভবন নির্মাণে রাজউক কিছু শর্ত দিয়ে নকশার অনুমোদন করে। শর্তগুলো পূরণ না হলে বিধি মোতাবেক সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা। তবে মহাখালী ইউআরপি ভবনটি নির্মাণ কাজ নিয়ে নানা ধরনের অভিযোগ পাওয়া গেলেও নীরব ভূমিকা পালন করছেন রাজউকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

রোববার (৯ আগস্ট) সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, ভবনের প্রবেশ পথের ফটকের একটি অংশ নিচের দিকে ভাঙা। মূল ফটক পেরিয়ে ভেতরে ঢুকতেই সামনের খালি জায়গায় চোখে পড়ে দুটি হাউজ। সেখানে বৃষ্টির পানি জমে এডিস মশার লার্ভা তৈরির কারখানায় পরিণত হয়েছে। ভবনে যে দুটি আর্চওয়ে আছে, তা এখনো চালু করা হয়নি। সেন্ট্রাল এসির ব্যবস্থা থাকলেও রিসিপশনিষ্ট যে স্থানে বসেন, সেখানের এসি কাজ করছে না। লিফটে উঠলে ভয় না পেয়ে উপায় নেই। এমন একটা শব্দ করে, মনে হয় এখনই না আবার ছিড়ে যায়। লিফটম্যানসহ সেবা নিতে আসা কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, লিফটের এ সমস্যা শুরু থেকেই।

ভবনের মাঝ বরাবর এবং পশ্চিম পাশে ওঠানামার জন্য দুটি সিঁড়ি রয়েছে। মাঝ বরাবর সিঁড়িটি অস্বাভাবিক খাড়া। পশ্চিম পাশের সিঁড়িটি স্টিলের তৈরি, যেটাতে মরিচা ধরেছে। অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্রগুলোতে নেই মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ। বৃষ্টি হলে ভবনের দক্ষিণ পাশ দিয়ে পানি ভেতরে ঢোকে, যা পুরো ফ্লোরে ছড়িয়ে পড়ে। একই সঙ্গে পানি জমে যায় বেসমেন্টেও। এ কারণে সেখানে কেউ গাড়ি পার্ক করেন না বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তাদের কয়েকজন গাড়িচালক। আর সমস্যাগুলো নকশাগত বলেও মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ ভবনে রাজউকের একাধিক জোনাল অফিস চালু রয়েছে। সেখানে জোন পরিচালক, অথরাইজড অফিসার ছাড়াও রাজউকের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অফিস করেন। নকশা অনুমোদন ছাড়াও নানা ধরনের সেবা নিতে দৈনিক শত শত লোক আসেন। তাদের বেশির ভাগ মানুষ লিফট, সিঁড়ি, লবি, এসি, পার্কিংসহ নানা সমস্যা নিয়ে কর্মরত কর্মকর্তাদের কাছে অভিযোগ দেন। এ বিষয়টি নিয়ে রাজউকের প্রেষণে আসা প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তারা তাদের দাপ্তরিক হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে তৎকালীন এপিডি মোহাম্মদ ওয়াহিদ সাদিক শুভ সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, ‘বিশ্বব্যাংক মূলত চারতলা ভবন করার জন্য অর্থ বরাদ্দ দিয়েছিল। কিন্তু বিশ্বব্যাংককে চারতলার পরিবর্তে ১০তলা ভবন নির্মাণের প্রস্তাব দেওয়া হয়। বিশ্বব্যাংক সেই প্রস্তাব গ্রহণ করে বরাদ্দ দিয়েছে ১২৫ কোটি টাকা। ভবন নির্মাণের পর ফিনিশিং কাজে আরও তিন কোটি ৫০ লাখ টাকা অতিরিক্ত পাওয়া গেলে যথাযথভাবে সেটি নির্মাণ করা সম্ভব হতো। কিন্তু বিশ্বব্যাংক টাকা না বাড়ানোয় অবশিষ্ট কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়ে ওঠেনি। এ কারণে কিছু ত্রুটি থেকে গেছে।’
রাজউক সূত্রে জানা গেছে, ভবনটির ঠিকাদার নিয়োগে বড় ধরনের অনিয়ম ও আর্থিক লেনদেন হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। পিডি ড. আব্দুল লতিফ হেলালি এরই মধ্যে অবসরে চলে গেছেন। এপিডি মোহাম্মদ ওয়াহিদ সাদিক শুভ বর্তমানে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হিসেবে সার্কেল ৩ ও ৪ এর দায়িত্বে আছেন।









