পূর্বাচলে ২৭ একর জমি পেলো মেট্রোরেল

পূর্বাচলে ২৭ একর জমি পেলো মেট্রোরেল
সেলিনা আক্তার

পূর্বাচলে মেট্রোরেল প্রকল্পের নির্মাণ ইয়ার্ড স্থাপনের জন্য প্রায় ২৭ একর জমি পেলো ঢাকা ম্যাস র্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (লাইন-১)। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) কাছ থেকে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের ২১ নম্বর সেক্টরের ২৬ দশমিক ৭১ একর জমি পাঁচ বছরের জন্য ব্যবহারের অনুমতি পেয়েছে প্রকল্পটি। তবে এ জমির জন্য প্রতি বিঘায় মাসিক ৫০ হাজার টাকা ভাড়া দিতে হবে রাজউক কর্তৃপক্ষকে। একই সঙ্গে এক বছরের ভাড়া অগ্রিম পরিশোধ করতে হবে।
গত ১৯ অক্টোবর রাজউকের ২৪তম বোর্ড সভায় এই অনুমোদন দেওয়া হয়। রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় ঢাকা ম্যাস র্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের (লাইন-১) নির্মাণ ইয়ার্ড তৈরির জন্য জমিটি অস্থায়ীভাবে ব্যবহারের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়। পরে শর্তসাপেক্ষে অনুমতি দেওয়ার বিষয়ে সভায় উপস্থিত সদস্যরা একমত পোষণ করেন।
এ সময় সভায় উপস্থিত ছিলেন রাজউকের সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) শেখ মতিয়ার রহমান, সদস্য (পরিকল্পনা) মোহাম্মদ বশিরুল হক ভূইয়া, সদস্য (উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ) এরাদুল হক, সদস্য (প্রশাসন ও অর্থ) মো. শাহীনুর আলম এবং সদস্য (উন্নয়ন) মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম ও গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (প্রশাসন শাখা-২) মোছা. লুৎফুন নাহার নাজীম।
জানা গেছে, জমি ব্যবহারের বিষয়ে রাজউক ও মেট্রোরেল প্রকল্প কর্তৃপক্ষের মধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তি সম্পাদন করা হবে। আর বোর্ড সভার এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রাজউকের পরিচালক (এস্টেট ও ভূমি-২) মাসুম আলী বেগকে।
রাজউক সূত্র জানায়, পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের ২১ নম্বর সেক্টরের হাউজিং ব্লক ফর গভর্নমেন্ট অফিসার, রেসিডেনশিয়াল ক্যাটাগরি-৮-এর ২ নম্বর প্লটের ২৬ দশমিক ৭১ একর জমি ব্যবহার করতে পারবে মেট্রোরেল প্রকল্প কর্তৃপক্ষ। জমিটি শুধু লাইন-১ প্রকল্পের নির্মাণ ইয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করতে হবে। প্রকল্পের বাইরের কোনো কাজে ব্যবহার কিংবা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানকে ভাড়া বা ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া যাবে না।
জানা গেছে, জমি ব্যবহারের মেয়াদ অনুমতিপত্র দেওয়ার দিন থেকে পাঁচ বছর। এ সময় শেষ হওয়ার পর জমিতে থাকা সব মালামাল সরিয়ে রাজউককে দখল বুঝিয়ে দিতে হবে। ভাড়া পরিশোধের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে রাজউক। প্রতি বিঘার মাসিক ভাড়া ৫০ হাজার টাকা হিসাবে দিতে হবে। এক বছরের ভাড়া অগ্রিম পরিশোধের পাশাপাশি পরবর্তী ভাড়া প্রতি মাসের ৫ তারিখের মধ্যে রাজউকের নির্ধারিত ব্যাংক হিসাবে জমা দিতে হবে।
এ ছাড়া অনুমোদিত পরিমাণের বেশি জমি ব্যবহার করা যাবে না। জমি ব্যবহারের উপযোগী করতে মাটি ভরাট বা অন্য কোনো উন্নয়নকাজ করা হলেও, এ জন্য রাজউকের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করা যাবে না। শর্ত ভঙ্গ করলে অথবা রাজউকের জরুরি প্রয়োজনে যে-কোনো সময় অনুমতি বাতিল করার ক্ষমতা থাকবে সংস্থাটির হাতে।

পূর্বাচলে মেট্রোরেল প্রকল্পের নির্মাণ ইয়ার্ড স্থাপনের জন্য প্রায় ২৭ একর জমি পেলো ঢাকা ম্যাস র্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (লাইন-১)। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) কাছ থেকে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের ২১ নম্বর সেক্টরের ২৬ দশমিক ৭১ একর জমি পাঁচ বছরের জন্য ব্যবহারের অনুমতি পেয়েছে প্রকল্পটি। তবে এ জমির জন্য প্রতি বিঘায় মাসিক ৫০ হাজার টাকা ভাড়া দিতে হবে রাজউক কর্তৃপক্ষকে। একই সঙ্গে এক বছরের ভাড়া অগ্রিম পরিশোধ করতে হবে।
গত ১৯ অক্টোবর রাজউকের ২৪তম বোর্ড সভায় এই অনুমোদন দেওয়া হয়। রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় ঢাকা ম্যাস র্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের (লাইন-১) নির্মাণ ইয়ার্ড তৈরির জন্য জমিটি অস্থায়ীভাবে ব্যবহারের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়। পরে শর্তসাপেক্ষে অনুমতি দেওয়ার বিষয়ে সভায় উপস্থিত সদস্যরা একমত পোষণ করেন।
এ সময় সভায় উপস্থিত ছিলেন রাজউকের সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) শেখ মতিয়ার রহমান, সদস্য (পরিকল্পনা) মোহাম্মদ বশিরুল হক ভূইয়া, সদস্য (উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ) এরাদুল হক, সদস্য (প্রশাসন ও অর্থ) মো. শাহীনুর আলম এবং সদস্য (উন্নয়ন) মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম ও গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (প্রশাসন শাখা-২) মোছা. লুৎফুন নাহার নাজীম।
জানা গেছে, জমি ব্যবহারের বিষয়ে রাজউক ও মেট্রোরেল প্রকল্প কর্তৃপক্ষের মধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তি সম্পাদন করা হবে। আর বোর্ড সভার এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রাজউকের পরিচালক (এস্টেট ও ভূমি-২) মাসুম আলী বেগকে।
রাজউক সূত্র জানায়, পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের ২১ নম্বর সেক্টরের হাউজিং ব্লক ফর গভর্নমেন্ট অফিসার, রেসিডেনশিয়াল ক্যাটাগরি-৮-এর ২ নম্বর প্লটের ২৬ দশমিক ৭১ একর জমি ব্যবহার করতে পারবে মেট্রোরেল প্রকল্প কর্তৃপক্ষ। জমিটি শুধু লাইন-১ প্রকল্পের নির্মাণ ইয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করতে হবে। প্রকল্পের বাইরের কোনো কাজে ব্যবহার কিংবা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানকে ভাড়া বা ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া যাবে না।
জানা গেছে, জমি ব্যবহারের মেয়াদ অনুমতিপত্র দেওয়ার দিন থেকে পাঁচ বছর। এ সময় শেষ হওয়ার পর জমিতে থাকা সব মালামাল সরিয়ে রাজউককে দখল বুঝিয়ে দিতে হবে। ভাড়া পরিশোধের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে রাজউক। প্রতি বিঘার মাসিক ভাড়া ৫০ হাজার টাকা হিসাবে দিতে হবে। এক বছরের ভাড়া অগ্রিম পরিশোধের পাশাপাশি পরবর্তী ভাড়া প্রতি মাসের ৫ তারিখের মধ্যে রাজউকের নির্ধারিত ব্যাংক হিসাবে জমা দিতে হবে।
এ ছাড়া অনুমোদিত পরিমাণের বেশি জমি ব্যবহার করা যাবে না। জমি ব্যবহারের উপযোগী করতে মাটি ভরাট বা অন্য কোনো উন্নয়নকাজ করা হলেও, এ জন্য রাজউকের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করা যাবে না। শর্ত ভঙ্গ করলে অথবা রাজউকের জরুরি প্রয়োজনে যে-কোনো সময় অনুমতি বাতিল করার ক্ষমতা থাকবে সংস্থাটির হাতে।

পূর্বাচলে ২৭ একর জমি পেলো মেট্রোরেল
সেলিনা আক্তার

পূর্বাচলে মেট্রোরেল প্রকল্পের নির্মাণ ইয়ার্ড স্থাপনের জন্য প্রায় ২৭ একর জমি পেলো ঢাকা ম্যাস র্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (লাইন-১)। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) কাছ থেকে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের ২১ নম্বর সেক্টরের ২৬ দশমিক ৭১ একর জমি পাঁচ বছরের জন্য ব্যবহারের অনুমতি পেয়েছে প্রকল্পটি। তবে এ জমির জন্য প্রতি বিঘায় মাসিক ৫০ হাজার টাকা ভাড়া দিতে হবে রাজউক কর্তৃপক্ষকে। একই সঙ্গে এক বছরের ভাড়া অগ্রিম পরিশোধ করতে হবে।
গত ১৯ অক্টোবর রাজউকের ২৪তম বোর্ড সভায় এই অনুমোদন দেওয়া হয়। রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় ঢাকা ম্যাস র্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের (লাইন-১) নির্মাণ ইয়ার্ড তৈরির জন্য জমিটি অস্থায়ীভাবে ব্যবহারের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়। পরে শর্তসাপেক্ষে অনুমতি দেওয়ার বিষয়ে সভায় উপস্থিত সদস্যরা একমত পোষণ করেন।
এ সময় সভায় উপস্থিত ছিলেন রাজউকের সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) শেখ মতিয়ার রহমান, সদস্য (পরিকল্পনা) মোহাম্মদ বশিরুল হক ভূইয়া, সদস্য (উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ) এরাদুল হক, সদস্য (প্রশাসন ও অর্থ) মো. শাহীনুর আলম এবং সদস্য (উন্নয়ন) মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম ও গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (প্রশাসন শাখা-২) মোছা. লুৎফুন নাহার নাজীম।
জানা গেছে, জমি ব্যবহারের বিষয়ে রাজউক ও মেট্রোরেল প্রকল্প কর্তৃপক্ষের মধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তি সম্পাদন করা হবে। আর বোর্ড সভার এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রাজউকের পরিচালক (এস্টেট ও ভূমি-২) মাসুম আলী বেগকে।
রাজউক সূত্র জানায়, পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের ২১ নম্বর সেক্টরের হাউজিং ব্লক ফর গভর্নমেন্ট অফিসার, রেসিডেনশিয়াল ক্যাটাগরি-৮-এর ২ নম্বর প্লটের ২৬ দশমিক ৭১ একর জমি ব্যবহার করতে পারবে মেট্রোরেল প্রকল্প কর্তৃপক্ষ। জমিটি শুধু লাইন-১ প্রকল্পের নির্মাণ ইয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করতে হবে। প্রকল্পের বাইরের কোনো কাজে ব্যবহার কিংবা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানকে ভাড়া বা ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া যাবে না।
জানা গেছে, জমি ব্যবহারের মেয়াদ অনুমতিপত্র দেওয়ার দিন থেকে পাঁচ বছর। এ সময় শেষ হওয়ার পর জমিতে থাকা সব মালামাল সরিয়ে রাজউককে দখল বুঝিয়ে দিতে হবে। ভাড়া পরিশোধের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে রাজউক। প্রতি বিঘার মাসিক ভাড়া ৫০ হাজার টাকা হিসাবে দিতে হবে। এক বছরের ভাড়া অগ্রিম পরিশোধের পাশাপাশি পরবর্তী ভাড়া প্রতি মাসের ৫ তারিখের মধ্যে রাজউকের নির্ধারিত ব্যাংক হিসাবে জমা দিতে হবে।
এ ছাড়া অনুমোদিত পরিমাণের বেশি জমি ব্যবহার করা যাবে না। জমি ব্যবহারের উপযোগী করতে মাটি ভরাট বা অন্য কোনো উন্নয়নকাজ করা হলেও, এ জন্য রাজউকের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করা যাবে না। শর্ত ভঙ্গ করলে অথবা রাজউকের জরুরি প্রয়োজনে যে-কোনো সময় অনুমতি বাতিল করার ক্ষমতা থাকবে সংস্থাটির হাতে।

পূর্বাচল-ঝিলমিলে ভবন নির্মাণে বিশেষ সুবিধা দিয়ে ড্যাপের নতুন বিধান
যুক্ত হলো পূর্বাচল, বড় হচ্ছে ঢাকা
পারটেক্স গ্রুপের শওকত আজিজ রাসেল কারাগারে 





