‘পূর্ণিমা সন্ধ্যা’য় সুরে ভাসালেন অণিমা রায়

‘পূর্ণিমা সন্ধ্যা’য় সুরে ভাসালেন অণিমা রায়
সিজেডএন ডেস্ক

প্রতিবছরের মতো এবারও বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হলো ‘পূর্ণিমা সন্ধ্যা’। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গানে পূর্ণিমার রাত উদযাপনের এই ব্যতিক্রমী আয়োজন এবার বৃষ্টির কারণে ছাদ থেকে স্থানান্তরিত হয় কেন্দ্রের অডিটরিয়ামে। শনিবার (২৯ আগস্ট) অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে শিল্পী ছিলেন ড. অণিমা রায়।
‘আলোর ইশকুল, চৈতন্যের আলোকযাত্রা’ শীর্ষক এই মনোমুগ্ধকর আয়োজনে দর্শক-শ্রোতায় পরিপূর্ণ ছিলো বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের অডিটরিয়াম। যেখানে টানা প্রায় আড়াই ঘণ্টা রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশন করেন অণিমা রায়।
শিল্পীর পরিবেশনায় ছিলো রবীন্দ্রনাথের ২০টি গান। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য– চোখরে আলোয়, যদি তোমার দেখা না পাই প্রভু, অমল ধবল পালে লেগেছে, খেলাঘর বাঁধতে লেগেছে, আমার মন মানেনা, তোমাকেই করিয়াছি, কিছুই তো হলো না, আমার প্রাণের পরে চলে গেলো, আগুনরে পরশমনি ইত্যাদি কালজয়ী রবীন্দ্র সংগীত।

এমন মনোমুগ্ধকর আয়োজন প্রসঙ্গে শিল্পী অণিমা রায় বলেন, ‘এর আগেও আমি এমন আয়োজনে গান করেছি। আসলে রবীন্দ্রনাথকে ভালোবেসেই এই প্রকৃতির বৈচিত্র্যকে সম্বোধন করতে কিছু দারুণ শ্রোতা এদিন এক হয়ে গান করেন। তাই আমার কাছে এই আয়োজনটা খুবই সমাদরের। এমন আগ্রহী শ্রোতাদের সামনে গান গাইতেও ভালো লাগে।’
অনুষ্ঠানের যন্ত্রানুসঙ্গে ছিলেন বাঁশিতে-গাজী আব্দুল হাকিম, কী-বোর্ডে অন্তর, তবলায় গৌতম, গিটারে নাসির, অক্টোপ্যাডে প্রদীপ।

প্রতিবছরের মতো এবারও বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হলো ‘পূর্ণিমা সন্ধ্যা’। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গানে পূর্ণিমার রাত উদযাপনের এই ব্যতিক্রমী আয়োজন এবার বৃষ্টির কারণে ছাদ থেকে স্থানান্তরিত হয় কেন্দ্রের অডিটরিয়ামে। শনিবার (২৯ আগস্ট) অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে শিল্পী ছিলেন ড. অণিমা রায়।
‘আলোর ইশকুল, চৈতন্যের আলোকযাত্রা’ শীর্ষক এই মনোমুগ্ধকর আয়োজনে দর্শক-শ্রোতায় পরিপূর্ণ ছিলো বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের অডিটরিয়াম। যেখানে টানা প্রায় আড়াই ঘণ্টা রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশন করেন অণিমা রায়।
শিল্পীর পরিবেশনায় ছিলো রবীন্দ্রনাথের ২০টি গান। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য– চোখরে আলোয়, যদি তোমার দেখা না পাই প্রভু, অমল ধবল পালে লেগেছে, খেলাঘর বাঁধতে লেগেছে, আমার মন মানেনা, তোমাকেই করিয়াছি, কিছুই তো হলো না, আমার প্রাণের পরে চলে গেলো, আগুনরে পরশমনি ইত্যাদি কালজয়ী রবীন্দ্র সংগীত।

এমন মনোমুগ্ধকর আয়োজন প্রসঙ্গে শিল্পী অণিমা রায় বলেন, ‘এর আগেও আমি এমন আয়োজনে গান করেছি। আসলে রবীন্দ্রনাথকে ভালোবেসেই এই প্রকৃতির বৈচিত্র্যকে সম্বোধন করতে কিছু দারুণ শ্রোতা এদিন এক হয়ে গান করেন। তাই আমার কাছে এই আয়োজনটা খুবই সমাদরের। এমন আগ্রহী শ্রোতাদের সামনে গান গাইতেও ভালো লাগে।’
অনুষ্ঠানের যন্ত্রানুসঙ্গে ছিলেন বাঁশিতে-গাজী আব্দুল হাকিম, কী-বোর্ডে অন্তর, তবলায় গৌতম, গিটারে নাসির, অক্টোপ্যাডে প্রদীপ।

‘পূর্ণিমা সন্ধ্যা’য় সুরে ভাসালেন অণিমা রায়
সিজেডএন ডেস্ক

প্রতিবছরের মতো এবারও বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হলো ‘পূর্ণিমা সন্ধ্যা’। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গানে পূর্ণিমার রাত উদযাপনের এই ব্যতিক্রমী আয়োজন এবার বৃষ্টির কারণে ছাদ থেকে স্থানান্তরিত হয় কেন্দ্রের অডিটরিয়ামে। শনিবার (২৯ আগস্ট) অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে শিল্পী ছিলেন ড. অণিমা রায়।
‘আলোর ইশকুল, চৈতন্যের আলোকযাত্রা’ শীর্ষক এই মনোমুগ্ধকর আয়োজনে দর্শক-শ্রোতায় পরিপূর্ণ ছিলো বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের অডিটরিয়াম। যেখানে টানা প্রায় আড়াই ঘণ্টা রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশন করেন অণিমা রায়।
শিল্পীর পরিবেশনায় ছিলো রবীন্দ্রনাথের ২০টি গান। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য– চোখরে আলোয়, যদি তোমার দেখা না পাই প্রভু, অমল ধবল পালে লেগেছে, খেলাঘর বাঁধতে লেগেছে, আমার মন মানেনা, তোমাকেই করিয়াছি, কিছুই তো হলো না, আমার প্রাণের পরে চলে গেলো, আগুনরে পরশমনি ইত্যাদি কালজয়ী রবীন্দ্র সংগীত।

এমন মনোমুগ্ধকর আয়োজন প্রসঙ্গে শিল্পী অণিমা রায় বলেন, ‘এর আগেও আমি এমন আয়োজনে গান করেছি। আসলে রবীন্দ্রনাথকে ভালোবেসেই এই প্রকৃতির বৈচিত্র্যকে সম্বোধন করতে কিছু দারুণ শ্রোতা এদিন এক হয়ে গান করেন। তাই আমার কাছে এই আয়োজনটা খুবই সমাদরের। এমন আগ্রহী শ্রোতাদের সামনে গান গাইতেও ভালো লাগে।’
অনুষ্ঠানের যন্ত্রানুসঙ্গে ছিলেন বাঁশিতে-গাজী আব্দুল হাকিম, কী-বোর্ডে অন্তর, তবলায় গৌতম, গিটারে নাসির, অক্টোপ্যাডে প্রদীপ।







-CznNewsLab-4a580c-480x270.webp)

