সেপ্টেম্বরের পরও বাংলাদেশকে এলএনজি দিতে পারবে না কাতার

সেপ্টেম্বরের পরও বাংলাদেশকে এলএনজি দিতে পারবে না কাতার
সিজেডএন ডেস্ক

হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ থাকায় তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) সরবরাহ নভেম্বর পর্যন্ত বাতিল (ফোর্স মেজর) করেছে কাতারএনার্জি। এর আওতায় ইউরোপ ও এশিয়ার বেশকিছু ক্রেতা দেশের এলএনজি সরবরাহ বাতিল অব্যাহত থাকবে। এশিয়ার ক্রেতাদের মধ্যে ফোর্স মেজরের আওতায় রয়েছে পাকিস্তান ও বাংলাদেশ।
‘ফোর্স মেজর’ হচ্ছে যুদ্ধ, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা মহামারীর মতো অপ্রত্যাশিত ও অনিবার্য পরিস্থিতিতে চুক্তি পালনের বাধ্যবাধকতা থেকে সাময়িক অব্যাহতি।
ফেব্রুয়ারির শেষ দিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ৪ মার্চ কাতারএনার্জি এলএনজি কার্যক্রম স্থগিত করে এবং ‘ফোর্স মেজর’ ঘোষণা করে। এরপর হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় সেই সিদ্ধান্ত বারবার বাড়ানো হচ্ছে।
দীর্ঘমেয়াদি এলএনজি আমদানি চুক্তিতে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সরবরাহকারী কাতার। প্রতি বছর দেশটি থেকে অন্তত ৪০ কার্গো এলএনজি আসে দেশে। সংঘাত না বাঁধলে দীর্ঘমেয়াদি দুটি চুক্তির আওতায় চলতি অর্থবছরে দেশটি থেকে মোট ৫৬ কার্গো এলএনজি আসার কথা ছিল। যদিও এখন এসব কার্গোর মধ্যে অর্ধেক পাওয়ার প্রত্যাশার কথা জানিয়েছে পেট্রোবাংলা।
ব্লুমবার্গের বরাত দিয়ে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দোহা নিউজ জানিয়েছে, বাংলাদেশের জন্য এলএনজি সরবরাহে ফোর্স মেজরের মেয়াদ সেপ্টেম্বরের পরও বাড়ানো হয়েছে। তবে বিষয়টি নিয়ে এখনো কাতার এনার্জি থেকে বার্তা পাননি বলে জানিয়েছেন পেট্রোবাংলার কর্মকর্তারা।
এদিকে দীর্ঘমেয়াদি উৎস থেকে কার্গো পেতে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি কেনা বাড়িয়েছে পেট্রোবাংলা। গত সপ্তাহে পেট্রোবাংলা দুই কার্গো এলএনজি কিনেছে, যার প্রতি এমএমবিটিইউর দাম পড়েছে ২৪ ডলারের ওপরে।
এলএনজি সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন ও প্রতিযোগিতা বাড়াতে পেট্রোবাংলা সরবরাহকারীর তালিকা আরও বড় করছে। বর্তমানে ২৯টি কোম্পানি তালিকাভুক্ত রয়েছে। নতুন করে আরো ৯টি কোম্পানিকে যোগ্য বিবেচনা করে তালিকাভুক্ত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোকে চিঠি পাঠিয়েছে।
পেট্রোবাংলার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মূলত এলএনজি কিনতে দরপত্রে প্রতিযোগিতা বাড়াতে এবং সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে কোম্পানির তালিকা বাড়ানো হয়েছে।

হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ থাকায় তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) সরবরাহ নভেম্বর পর্যন্ত বাতিল (ফোর্স মেজর) করেছে কাতারএনার্জি। এর আওতায় ইউরোপ ও এশিয়ার বেশকিছু ক্রেতা দেশের এলএনজি সরবরাহ বাতিল অব্যাহত থাকবে। এশিয়ার ক্রেতাদের মধ্যে ফোর্স মেজরের আওতায় রয়েছে পাকিস্তান ও বাংলাদেশ।
‘ফোর্স মেজর’ হচ্ছে যুদ্ধ, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা মহামারীর মতো অপ্রত্যাশিত ও অনিবার্য পরিস্থিতিতে চুক্তি পালনের বাধ্যবাধকতা থেকে সাময়িক অব্যাহতি।
ফেব্রুয়ারির শেষ দিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ৪ মার্চ কাতারএনার্জি এলএনজি কার্যক্রম স্থগিত করে এবং ‘ফোর্স মেজর’ ঘোষণা করে। এরপর হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় সেই সিদ্ধান্ত বারবার বাড়ানো হচ্ছে।
দীর্ঘমেয়াদি এলএনজি আমদানি চুক্তিতে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সরবরাহকারী কাতার। প্রতি বছর দেশটি থেকে অন্তত ৪০ কার্গো এলএনজি আসে দেশে। সংঘাত না বাঁধলে দীর্ঘমেয়াদি দুটি চুক্তির আওতায় চলতি অর্থবছরে দেশটি থেকে মোট ৫৬ কার্গো এলএনজি আসার কথা ছিল। যদিও এখন এসব কার্গোর মধ্যে অর্ধেক পাওয়ার প্রত্যাশার কথা জানিয়েছে পেট্রোবাংলা।
ব্লুমবার্গের বরাত দিয়ে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দোহা নিউজ জানিয়েছে, বাংলাদেশের জন্য এলএনজি সরবরাহে ফোর্স মেজরের মেয়াদ সেপ্টেম্বরের পরও বাড়ানো হয়েছে। তবে বিষয়টি নিয়ে এখনো কাতার এনার্জি থেকে বার্তা পাননি বলে জানিয়েছেন পেট্রোবাংলার কর্মকর্তারা।
এদিকে দীর্ঘমেয়াদি উৎস থেকে কার্গো পেতে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি কেনা বাড়িয়েছে পেট্রোবাংলা। গত সপ্তাহে পেট্রোবাংলা দুই কার্গো এলএনজি কিনেছে, যার প্রতি এমএমবিটিইউর দাম পড়েছে ২৪ ডলারের ওপরে।
এলএনজি সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন ও প্রতিযোগিতা বাড়াতে পেট্রোবাংলা সরবরাহকারীর তালিকা আরও বড় করছে। বর্তমানে ২৯টি কোম্পানি তালিকাভুক্ত রয়েছে। নতুন করে আরো ৯টি কোম্পানিকে যোগ্য বিবেচনা করে তালিকাভুক্ত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোকে চিঠি পাঠিয়েছে।
পেট্রোবাংলার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মূলত এলএনজি কিনতে দরপত্রে প্রতিযোগিতা বাড়াতে এবং সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে কোম্পানির তালিকা বাড়ানো হয়েছে।

সেপ্টেম্বরের পরও বাংলাদেশকে এলএনজি দিতে পারবে না কাতার
সিজেডএন ডেস্ক

হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ থাকায় তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) সরবরাহ নভেম্বর পর্যন্ত বাতিল (ফোর্স মেজর) করেছে কাতারএনার্জি। এর আওতায় ইউরোপ ও এশিয়ার বেশকিছু ক্রেতা দেশের এলএনজি সরবরাহ বাতিল অব্যাহত থাকবে। এশিয়ার ক্রেতাদের মধ্যে ফোর্স মেজরের আওতায় রয়েছে পাকিস্তান ও বাংলাদেশ।
‘ফোর্স মেজর’ হচ্ছে যুদ্ধ, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা মহামারীর মতো অপ্রত্যাশিত ও অনিবার্য পরিস্থিতিতে চুক্তি পালনের বাধ্যবাধকতা থেকে সাময়িক অব্যাহতি।
ফেব্রুয়ারির শেষ দিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ৪ মার্চ কাতারএনার্জি এলএনজি কার্যক্রম স্থগিত করে এবং ‘ফোর্স মেজর’ ঘোষণা করে। এরপর হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় সেই সিদ্ধান্ত বারবার বাড়ানো হচ্ছে।
দীর্ঘমেয়াদি এলএনজি আমদানি চুক্তিতে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সরবরাহকারী কাতার। প্রতি বছর দেশটি থেকে অন্তত ৪০ কার্গো এলএনজি আসে দেশে। সংঘাত না বাঁধলে দীর্ঘমেয়াদি দুটি চুক্তির আওতায় চলতি অর্থবছরে দেশটি থেকে মোট ৫৬ কার্গো এলএনজি আসার কথা ছিল। যদিও এখন এসব কার্গোর মধ্যে অর্ধেক পাওয়ার প্রত্যাশার কথা জানিয়েছে পেট্রোবাংলা।
ব্লুমবার্গের বরাত দিয়ে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দোহা নিউজ জানিয়েছে, বাংলাদেশের জন্য এলএনজি সরবরাহে ফোর্স মেজরের মেয়াদ সেপ্টেম্বরের পরও বাড়ানো হয়েছে। তবে বিষয়টি নিয়ে এখনো কাতার এনার্জি থেকে বার্তা পাননি বলে জানিয়েছেন পেট্রোবাংলার কর্মকর্তারা।
এদিকে দীর্ঘমেয়াদি উৎস থেকে কার্গো পেতে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি কেনা বাড়িয়েছে পেট্রোবাংলা। গত সপ্তাহে পেট্রোবাংলা দুই কার্গো এলএনজি কিনেছে, যার প্রতি এমএমবিটিইউর দাম পড়েছে ২৪ ডলারের ওপরে।
এলএনজি সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন ও প্রতিযোগিতা বাড়াতে পেট্রোবাংলা সরবরাহকারীর তালিকা আরও বড় করছে। বর্তমানে ২৯টি কোম্পানি তালিকাভুক্ত রয়েছে। নতুন করে আরো ৯টি কোম্পানিকে যোগ্য বিবেচনা করে তালিকাভুক্ত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোকে চিঠি পাঠিয়েছে।
পেট্রোবাংলার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মূলত এলএনজি কিনতে দরপত্রে প্রতিযোগিতা বাড়াতে এবং সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে কোম্পানির তালিকা বাড়ানো হয়েছে।

দরপত্রেও পাওয়া যায়নি এলএনজি, কাটছে না গ্যাস সংকট






