কনসার্টে স্মার্টফোন ব্যবহার নিয়ে ম্যাডোনার ক্ষোভ

কনসার্টে স্মার্টফোন ব্যবহার নিয়ে ম্যাডোনার ক্ষোভ
বিনোদন ডেস্ক

নিউইয়র্কের ম্যানহাটনের ঐতিহ্যবাহী বিকন থিয়েটারে পপ সম্রাজ্ঞী ম্যাডোনার বহুল প্রতীক্ষিত চলচ্চিত্র ‘কনফেশনস টু–দ্য ফিল্ম’-এর জমকালো প্রিমিয়ার অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৫ জুন) রাতে আয়োজিত প্রদর্শনীতে উপস্থিত দর্শক-অনুরাগীরা এক অনন্য ও মনস্তাত্ত্বিক অভিজ্ঞতার সাক্ষী হন। স্ক্রিনিং শেষে ছবির পরিচালক জুটি ডেভিড টোরো ও সোলোমন চেজকে সঙ্গে নিয়ে দর্শকদের মুখোমুখি হন এ পপ কুইন। শেষ মুহূর্তে সময়ের টানাপোড়েনে জনপ্রিয় সঞ্চালক জিমি ফ্যালনের পরিবর্তে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনার দায়িত্ব নেন অ্যান্ডারসন কুপার। তার নান্দনিক পরিচালনায় আড্ডা জমে ওঠার পর আলোচনায় চলচ্চিত্র, শুটিং সেটের সৃজনশীল অভিজ্ঞতা থেকে শুরু করে ম্যাডোনার তারকাখ্যাতি এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তার বিবর্তনের নানা গল্প উঠে আসে।
আলাপচারিতার একপর্যায়ে কুপার দর্শকদের মনস্তাত্ত্বিক পরিবর্তনের দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করে জানান, মিলনায়তনে প্রবেশের আগে প্রতিটি মানুষের ফোন একটি বিশেষ ‘ইয়ন্ডার পাউচ’ এ লক করে রাখা হয়েছিল, যা অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার আগে খোলার কোনো সুযোগ ছিল না। এ প্রসঙ্গ ধরেই ম্যাডোনা বর্তমান যুগের মানুষের সবকিছু ফ্রেমবন্দি বা রেকর্ড করার অদম্য মানসিকতার তীব্র সমালোচনা করেন। বাস্তবতা মেনে নিয়েও নিজের ব্যক্তিগত দর্শনে অটল এ পপ তারকা জানান, তিনি এ পৃথিবীতে এসেছেন সৃষ্টিশীল কাজ করতে, শুধু দর্শক হয়ে অন্যের জীবন দেখতে নয়।
তরুণ পপ তারকা সাবরিনা কার্পেন্টারের সঙ্গে কোচেলা মিউজিক ফেস্টিভ্যালে পারফর্ম করার অভিজ্ঞতা স্মরণ করে ম্যাডোনা জানান, মঞ্চ থেকে যখনই তিনি সামনে তাকিয়েছেন, মানুষের মুখের চেয়ে হাজার হাজার মোবাইলের স্ক্রিনই বেশি চোখে পড়েছে, যা তার কাছে বেশ অদ্ভুত ও ভীতিকর লেগেছিল। তার মতে, যেকোনো ধরনের নাচ বা পারফরমেন্স আসলে মানুষের সঙ্গে মহাবিশ্বের এবং একে অপরের এক গভীর আদিম মেলবন্ধন তৈরি করে। কিন্তু বর্তমানের মোবাইল সংস্কৃতির কারণে মানুষ মুহূর্তের গভীরে ডুবে না গিয়ে তা ক্যামেরাবন্দি করতে ব্যস্ত থাকে। এটি শিল্পের পরম সত্যটিকে নষ্ট করে দিচ্ছে। তাই বিদায় বেলায় দর্শকদের উদ্দেশ্যে কোনো ভণিতা না করে সরাসরি ভাষায় পপ কুইন আহ্বান জানান, তারা যেন বিরক্তিকর ফোনগুলো পকেটে রেখে মন থেকে একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত হন।
সোমবার (৮ জুন) ইউটিউবে অফিশিয়ালি প্রিমিয়ার হতে যাচ্ছে ‘কনফেশনস টু–দ্য ফিল্ম’। এর পরপরই ৩ জুলাই ওয়ার্নার রেকর্ডসের ব্যানারে মুক্তি পাবে ম্যাডোনার বহুল প্রতীক্ষিত নতুন স্টুডিও অ্যালবাম ‘কনফেশনস টু’। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে এ গায়িকা আগামী মাসগুলোতে বেশ কিছু চমকপ্রদ সারপ্রাইজ পারফরমেন্সের আভাস দিলেও, নতুন কোনো কনসার্ট ট্যুরের ব্যাপারে এখনই মুখ খোলেননি। আপাতত তার পরবর্তী মেগা পারফরমেন্স হতে যাচ্ছে ১৯ জুলাই নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে, ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনালের জমকালো আয়োজনে।

নিউইয়র্কের ম্যানহাটনের ঐতিহ্যবাহী বিকন থিয়েটারে পপ সম্রাজ্ঞী ম্যাডোনার বহুল প্রতীক্ষিত চলচ্চিত্র ‘কনফেশনস টু–দ্য ফিল্ম’-এর জমকালো প্রিমিয়ার অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৫ জুন) রাতে আয়োজিত প্রদর্শনীতে উপস্থিত দর্শক-অনুরাগীরা এক অনন্য ও মনস্তাত্ত্বিক অভিজ্ঞতার সাক্ষী হন। স্ক্রিনিং শেষে ছবির পরিচালক জুটি ডেভিড টোরো ও সোলোমন চেজকে সঙ্গে নিয়ে দর্শকদের মুখোমুখি হন এ পপ কুইন। শেষ মুহূর্তে সময়ের টানাপোড়েনে জনপ্রিয় সঞ্চালক জিমি ফ্যালনের পরিবর্তে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনার দায়িত্ব নেন অ্যান্ডারসন কুপার। তার নান্দনিক পরিচালনায় আড্ডা জমে ওঠার পর আলোচনায় চলচ্চিত্র, শুটিং সেটের সৃজনশীল অভিজ্ঞতা থেকে শুরু করে ম্যাডোনার তারকাখ্যাতি এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তার বিবর্তনের নানা গল্প উঠে আসে।
আলাপচারিতার একপর্যায়ে কুপার দর্শকদের মনস্তাত্ত্বিক পরিবর্তনের দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করে জানান, মিলনায়তনে প্রবেশের আগে প্রতিটি মানুষের ফোন একটি বিশেষ ‘ইয়ন্ডার পাউচ’ এ লক করে রাখা হয়েছিল, যা অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার আগে খোলার কোনো সুযোগ ছিল না। এ প্রসঙ্গ ধরেই ম্যাডোনা বর্তমান যুগের মানুষের সবকিছু ফ্রেমবন্দি বা রেকর্ড করার অদম্য মানসিকতার তীব্র সমালোচনা করেন। বাস্তবতা মেনে নিয়েও নিজের ব্যক্তিগত দর্শনে অটল এ পপ তারকা জানান, তিনি এ পৃথিবীতে এসেছেন সৃষ্টিশীল কাজ করতে, শুধু দর্শক হয়ে অন্যের জীবন দেখতে নয়।
তরুণ পপ তারকা সাবরিনা কার্পেন্টারের সঙ্গে কোচেলা মিউজিক ফেস্টিভ্যালে পারফর্ম করার অভিজ্ঞতা স্মরণ করে ম্যাডোনা জানান, মঞ্চ থেকে যখনই তিনি সামনে তাকিয়েছেন, মানুষের মুখের চেয়ে হাজার হাজার মোবাইলের স্ক্রিনই বেশি চোখে পড়েছে, যা তার কাছে বেশ অদ্ভুত ও ভীতিকর লেগেছিল। তার মতে, যেকোনো ধরনের নাচ বা পারফরমেন্স আসলে মানুষের সঙ্গে মহাবিশ্বের এবং একে অপরের এক গভীর আদিম মেলবন্ধন তৈরি করে। কিন্তু বর্তমানের মোবাইল সংস্কৃতির কারণে মানুষ মুহূর্তের গভীরে ডুবে না গিয়ে তা ক্যামেরাবন্দি করতে ব্যস্ত থাকে। এটি শিল্পের পরম সত্যটিকে নষ্ট করে দিচ্ছে। তাই বিদায় বেলায় দর্শকদের উদ্দেশ্যে কোনো ভণিতা না করে সরাসরি ভাষায় পপ কুইন আহ্বান জানান, তারা যেন বিরক্তিকর ফোনগুলো পকেটে রেখে মন থেকে একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত হন।
সোমবার (৮ জুন) ইউটিউবে অফিশিয়ালি প্রিমিয়ার হতে যাচ্ছে ‘কনফেশনস টু–দ্য ফিল্ম’। এর পরপরই ৩ জুলাই ওয়ার্নার রেকর্ডসের ব্যানারে মুক্তি পাবে ম্যাডোনার বহুল প্রতীক্ষিত নতুন স্টুডিও অ্যালবাম ‘কনফেশনস টু’। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে এ গায়িকা আগামী মাসগুলোতে বেশ কিছু চমকপ্রদ সারপ্রাইজ পারফরমেন্সের আভাস দিলেও, নতুন কোনো কনসার্ট ট্যুরের ব্যাপারে এখনই মুখ খোলেননি। আপাতত তার পরবর্তী মেগা পারফরমেন্স হতে যাচ্ছে ১৯ জুলাই নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে, ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনালের জমকালো আয়োজনে।

কনসার্টে স্মার্টফোন ব্যবহার নিয়ে ম্যাডোনার ক্ষোভ
বিনোদন ডেস্ক

নিউইয়র্কের ম্যানহাটনের ঐতিহ্যবাহী বিকন থিয়েটারে পপ সম্রাজ্ঞী ম্যাডোনার বহুল প্রতীক্ষিত চলচ্চিত্র ‘কনফেশনস টু–দ্য ফিল্ম’-এর জমকালো প্রিমিয়ার অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৫ জুন) রাতে আয়োজিত প্রদর্শনীতে উপস্থিত দর্শক-অনুরাগীরা এক অনন্য ও মনস্তাত্ত্বিক অভিজ্ঞতার সাক্ষী হন। স্ক্রিনিং শেষে ছবির পরিচালক জুটি ডেভিড টোরো ও সোলোমন চেজকে সঙ্গে নিয়ে দর্শকদের মুখোমুখি হন এ পপ কুইন। শেষ মুহূর্তে সময়ের টানাপোড়েনে জনপ্রিয় সঞ্চালক জিমি ফ্যালনের পরিবর্তে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনার দায়িত্ব নেন অ্যান্ডারসন কুপার। তার নান্দনিক পরিচালনায় আড্ডা জমে ওঠার পর আলোচনায় চলচ্চিত্র, শুটিং সেটের সৃজনশীল অভিজ্ঞতা থেকে শুরু করে ম্যাডোনার তারকাখ্যাতি এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তার বিবর্তনের নানা গল্প উঠে আসে।
আলাপচারিতার একপর্যায়ে কুপার দর্শকদের মনস্তাত্ত্বিক পরিবর্তনের দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করে জানান, মিলনায়তনে প্রবেশের আগে প্রতিটি মানুষের ফোন একটি বিশেষ ‘ইয়ন্ডার পাউচ’ এ লক করে রাখা হয়েছিল, যা অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার আগে খোলার কোনো সুযোগ ছিল না। এ প্রসঙ্গ ধরেই ম্যাডোনা বর্তমান যুগের মানুষের সবকিছু ফ্রেমবন্দি বা রেকর্ড করার অদম্য মানসিকতার তীব্র সমালোচনা করেন। বাস্তবতা মেনে নিয়েও নিজের ব্যক্তিগত দর্শনে অটল এ পপ তারকা জানান, তিনি এ পৃথিবীতে এসেছেন সৃষ্টিশীল কাজ করতে, শুধু দর্শক হয়ে অন্যের জীবন দেখতে নয়।
তরুণ পপ তারকা সাবরিনা কার্পেন্টারের সঙ্গে কোচেলা মিউজিক ফেস্টিভ্যালে পারফর্ম করার অভিজ্ঞতা স্মরণ করে ম্যাডোনা জানান, মঞ্চ থেকে যখনই তিনি সামনে তাকিয়েছেন, মানুষের মুখের চেয়ে হাজার হাজার মোবাইলের স্ক্রিনই বেশি চোখে পড়েছে, যা তার কাছে বেশ অদ্ভুত ও ভীতিকর লেগেছিল। তার মতে, যেকোনো ধরনের নাচ বা পারফরমেন্স আসলে মানুষের সঙ্গে মহাবিশ্বের এবং একে অপরের এক গভীর আদিম মেলবন্ধন তৈরি করে। কিন্তু বর্তমানের মোবাইল সংস্কৃতির কারণে মানুষ মুহূর্তের গভীরে ডুবে না গিয়ে তা ক্যামেরাবন্দি করতে ব্যস্ত থাকে। এটি শিল্পের পরম সত্যটিকে নষ্ট করে দিচ্ছে। তাই বিদায় বেলায় দর্শকদের উদ্দেশ্যে কোনো ভণিতা না করে সরাসরি ভাষায় পপ কুইন আহ্বান জানান, তারা যেন বিরক্তিকর ফোনগুলো পকেটে রেখে মন থেকে একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত হন।
সোমবার (৮ জুন) ইউটিউবে অফিশিয়ালি প্রিমিয়ার হতে যাচ্ছে ‘কনফেশনস টু–দ্য ফিল্ম’। এর পরপরই ৩ জুলাই ওয়ার্নার রেকর্ডসের ব্যানারে মুক্তি পাবে ম্যাডোনার বহুল প্রতীক্ষিত নতুন স্টুডিও অ্যালবাম ‘কনফেশনস টু’। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে এ গায়িকা আগামী মাসগুলোতে বেশ কিছু চমকপ্রদ সারপ্রাইজ পারফরমেন্সের আভাস দিলেও, নতুন কোনো কনসার্ট ট্যুরের ব্যাপারে এখনই মুখ খোলেননি। আপাতত তার পরবর্তী মেগা পারফরমেন্স হতে যাচ্ছে ১৯ জুলাই নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে, ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনালের জমকালো আয়োজনে।

বিয়ের সাজে ছবি পোস্ট করে আলোচনায় অপু বিশ্বাস


