বাধার মুখে স্থগিত ‘বনলতা এক্সপ্রেস’-এর প্রদর্শনী, সংস্কৃতিকর্মীদের ক্ষোভ

বাধার মুখে স্থগিত ‘বনলতা এক্সপ্রেস’-এর প্রদর্শনী, সংস্কৃতিকর্মীদের ক্ষোভ
বিনোদন ডেস্ক

কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের বাধার মুখে ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ চলচ্চিত্রের প্রদর্শনী স্থগিত করার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। চলচ্চিত্রটির প্রদর্শনী বন্ধের সিদ্ধান্তকে দেশের সাংস্কৃতিক স্বাধীনতার ওপর বড় আঘাত ও চরম উদ্বেগজনক বলে আখ্যা দিয়েছেন দেশের বিশিষ্ট নাগরিক ও চলচ্চিত্র নির্মাতারা।
শনিবার (৩০ মে) ব্রাহ্মণবাড়িয়া ফিল্ম সোসাইটির উদ্যোগে সিনেমাটির প্রদর্শনী হওয়ার কথা থাকলেও ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে কট্টরপন্থীদের প্রচারণার মুখে বিশৃঙ্খলা এড়াতে শেষ পর্যন্ত তা স্থগিত করে আয়োজক কর্তৃপক্ষ।
এ ঘটনার পর সামাজিক মাধ্যমে দীর্ঘ স্ট্যাটাস দিয়ে নিজের তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ। চলচ্চিত্রটি নিজে দেখেছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যারা এর বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগ তুলে প্রদর্শনী বন্ধের চাপ সৃষ্টি করছে, তা শুধু পুরোপুরি ভুল নয়, বরং বিদ্বেষমূলক এবং অসুস্থ মানসিকতার লক্ষণ। অনতিবিলম্বে এই শহরে বৃহৎ আকারে ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ প্রদর্শনের দাবি জানিয়েছেন তিনি। এ অধ্যাপক আরও বলেন, সংস্কৃতির বিকাশ ও সুস্থ ধারার চর্চায় সেখানে নিয়মিত চলচ্চিত্র উৎসব, থিয়েটার ও গানের মেলার আয়োজন করা উচিত এবং শিল্পকলা একাডেমির নেতৃত্বে প্রশাসনকে এতে বাধা না দিয়ে সমর্থন জোগাতে হবে।
এদিকে বিষয়টিকে সামগ্রিক চলচ্চিত্র শিল্পের জন্য এক বড় হুমকি হিসেবে দেখছেন চলচ্চিত্র নির্মাতা রেদওয়ান রনি। তিনি লিখেছেন, শুধু বনলতা এক্সপ্রেস নয়, দেশের সকল চলচ্চিত্রের জন্য এ ঘটনা চরম উদ্বেগজনক। একে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করলে অদূর ভবিষ্যতেই তা চলচ্চিত্র উন্নয়নের সবচেয়ে বড় ক্ষতির কারণ হবে। ‘শো মাস্ট গো অন’ উল্লেখ করে তিনি প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়কে এ ব্যাপারে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। একইভাবে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে নির্মাতা খন্দকার সুমন প্রশ্ন তোলেন, কোনো চলচ্চিত্রের ভালো-মন্দ বিচার বা কঠোর সমালোচনা হতে পারলেও, তার প্রদর্শনী বন্ধের সিদ্ধান্ত কি কোনো চাপের মুখে নেওয়া হবে, নাকি আইন ও সাংস্কৃতিক স্বাধীনতার ভিত্তিতে নেওয়া হবে?

কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের বাধার মুখে ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ চলচ্চিত্রের প্রদর্শনী স্থগিত করার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। চলচ্চিত্রটির প্রদর্শনী বন্ধের সিদ্ধান্তকে দেশের সাংস্কৃতিক স্বাধীনতার ওপর বড় আঘাত ও চরম উদ্বেগজনক বলে আখ্যা দিয়েছেন দেশের বিশিষ্ট নাগরিক ও চলচ্চিত্র নির্মাতারা।
শনিবার (৩০ মে) ব্রাহ্মণবাড়িয়া ফিল্ম সোসাইটির উদ্যোগে সিনেমাটির প্রদর্শনী হওয়ার কথা থাকলেও ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে কট্টরপন্থীদের প্রচারণার মুখে বিশৃঙ্খলা এড়াতে শেষ পর্যন্ত তা স্থগিত করে আয়োজক কর্তৃপক্ষ।
এ ঘটনার পর সামাজিক মাধ্যমে দীর্ঘ স্ট্যাটাস দিয়ে নিজের তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ। চলচ্চিত্রটি নিজে দেখেছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যারা এর বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগ তুলে প্রদর্শনী বন্ধের চাপ সৃষ্টি করছে, তা শুধু পুরোপুরি ভুল নয়, বরং বিদ্বেষমূলক এবং অসুস্থ মানসিকতার লক্ষণ। অনতিবিলম্বে এই শহরে বৃহৎ আকারে ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ প্রদর্শনের দাবি জানিয়েছেন তিনি। এ অধ্যাপক আরও বলেন, সংস্কৃতির বিকাশ ও সুস্থ ধারার চর্চায় সেখানে নিয়মিত চলচ্চিত্র উৎসব, থিয়েটার ও গানের মেলার আয়োজন করা উচিত এবং শিল্পকলা একাডেমির নেতৃত্বে প্রশাসনকে এতে বাধা না দিয়ে সমর্থন জোগাতে হবে।
এদিকে বিষয়টিকে সামগ্রিক চলচ্চিত্র শিল্পের জন্য এক বড় হুমকি হিসেবে দেখছেন চলচ্চিত্র নির্মাতা রেদওয়ান রনি। তিনি লিখেছেন, শুধু বনলতা এক্সপ্রেস নয়, দেশের সকল চলচ্চিত্রের জন্য এ ঘটনা চরম উদ্বেগজনক। একে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করলে অদূর ভবিষ্যতেই তা চলচ্চিত্র উন্নয়নের সবচেয়ে বড় ক্ষতির কারণ হবে। ‘শো মাস্ট গো অন’ উল্লেখ করে তিনি প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়কে এ ব্যাপারে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। একইভাবে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে নির্মাতা খন্দকার সুমন প্রশ্ন তোলেন, কোনো চলচ্চিত্রের ভালো-মন্দ বিচার বা কঠোর সমালোচনা হতে পারলেও, তার প্রদর্শনী বন্ধের সিদ্ধান্ত কি কোনো চাপের মুখে নেওয়া হবে, নাকি আইন ও সাংস্কৃতিক স্বাধীনতার ভিত্তিতে নেওয়া হবে?

বাধার মুখে স্থগিত ‘বনলতা এক্সপ্রেস’-এর প্রদর্শনী, সংস্কৃতিকর্মীদের ক্ষোভ
বিনোদন ডেস্ক

কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের বাধার মুখে ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ চলচ্চিত্রের প্রদর্শনী স্থগিত করার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। চলচ্চিত্রটির প্রদর্শনী বন্ধের সিদ্ধান্তকে দেশের সাংস্কৃতিক স্বাধীনতার ওপর বড় আঘাত ও চরম উদ্বেগজনক বলে আখ্যা দিয়েছেন দেশের বিশিষ্ট নাগরিক ও চলচ্চিত্র নির্মাতারা।
শনিবার (৩০ মে) ব্রাহ্মণবাড়িয়া ফিল্ম সোসাইটির উদ্যোগে সিনেমাটির প্রদর্শনী হওয়ার কথা থাকলেও ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে কট্টরপন্থীদের প্রচারণার মুখে বিশৃঙ্খলা এড়াতে শেষ পর্যন্ত তা স্থগিত করে আয়োজক কর্তৃপক্ষ।
এ ঘটনার পর সামাজিক মাধ্যমে দীর্ঘ স্ট্যাটাস দিয়ে নিজের তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ। চলচ্চিত্রটি নিজে দেখেছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যারা এর বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগ তুলে প্রদর্শনী বন্ধের চাপ সৃষ্টি করছে, তা শুধু পুরোপুরি ভুল নয়, বরং বিদ্বেষমূলক এবং অসুস্থ মানসিকতার লক্ষণ। অনতিবিলম্বে এই শহরে বৃহৎ আকারে ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ প্রদর্শনের দাবি জানিয়েছেন তিনি। এ অধ্যাপক আরও বলেন, সংস্কৃতির বিকাশ ও সুস্থ ধারার চর্চায় সেখানে নিয়মিত চলচ্চিত্র উৎসব, থিয়েটার ও গানের মেলার আয়োজন করা উচিত এবং শিল্পকলা একাডেমির নেতৃত্বে প্রশাসনকে এতে বাধা না দিয়ে সমর্থন জোগাতে হবে।
এদিকে বিষয়টিকে সামগ্রিক চলচ্চিত্র শিল্পের জন্য এক বড় হুমকি হিসেবে দেখছেন চলচ্চিত্র নির্মাতা রেদওয়ান রনি। তিনি লিখেছেন, শুধু বনলতা এক্সপ্রেস নয়, দেশের সকল চলচ্চিত্রের জন্য এ ঘটনা চরম উদ্বেগজনক। একে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করলে অদূর ভবিষ্যতেই তা চলচ্চিত্র উন্নয়নের সবচেয়ে বড় ক্ষতির কারণ হবে। ‘শো মাস্ট গো অন’ উল্লেখ করে তিনি প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়কে এ ব্যাপারে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। একইভাবে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে নির্মাতা খন্দকার সুমন প্রশ্ন তোলেন, কোনো চলচ্চিত্রের ভালো-মন্দ বিচার বা কঠোর সমালোচনা হতে পারলেও, তার প্রদর্শনী বন্ধের সিদ্ধান্ত কি কোনো চাপের মুখে নেওয়া হবে, নাকি আইন ও সাংস্কৃতিক স্বাধীনতার ভিত্তিতে নেওয়া হবে?

‘বনলতা এক্সপ্রেস’ আসলে কী গল্প বলে


