প্রেম থেকে বিয়ে, স্বামীকে নিয়ে যা জানালেন সোহানা সাবা

প্রেম থেকে বিয়ে, স্বামীকে নিয়ে যা জানালেন সোহানা সাবা
সিজেডএন ডেস্ক

প্রেমের কথা স্বীকার করলেও সম্পর্কের মানুষটির পরিচয় প্রকাশ করেননি এই অভিনেত্রী। প্রায় তিন বছর পর সেই প্রেমের সম্পর্ক যে বিয়েতে গড়িয়েছে, তা নিজেই জানিয়েছেন সোহানা সাবা।
সোহানা সাবার বর্তমান স্বামীর নাম ফয়সাল। তিনি পেশায় একজন ব্যবসায়ী। দেড় বছরেরও বেশি সময় আগে নিজেদের বাসায় ঘরোয়া আয়োজনে তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী। তবে বিয়ের নির্দিষ্ট তারিখ প্রকাশ করতে চাননি তিনি।
নাটক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা মুরাদ পারভেজের সঙ্গে প্রায় এক দশক সংসার করেছেন সোহানা সাবা। সেই সংসারে তাদের একটি সন্তান রয়েছে। বিচ্ছেদের পর ব্যক্তিগত জীবনে নানা উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে তাকে। একপর্যায়ে নিজেকে সামলে নতুনভাবে জীবন সাজানোর পথে এগিয়ে যান তিনি। সেই সময়ই ফয়সালের সঙ্গে তার পরিচয় হয়।
সোহানা সাবা জানান, ফয়সালের সঙ্গে তার সম্পর্কের বয়স সাড়ে পাঁচ বছর। দীর্ঘ এই সম্পর্কের পর তারা বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন। তবে বিয়ের দিন-তারিখ নিয়ে বিস্তারিত জানাতে আগ্রহী নন তিনি। শুধু জানিয়েছেন, দেড় বছরেরও বেশি সময় আগে নিজেদের বাসাতেই বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে।
বিয়ের পর কেমন কাটছে সংসার—এমন প্রশ্নের জবাবে সোহানা সাবা বলেন, ‘আমার স্বামী, আমরা ভালো আছি। সাড়ে পাঁচ বছরের সম্পর্ক। বিয়ে অনেক আগে হয়েছে। দিন-তারিখ বলতে চাই না। আমার ছেলে অনেক খুশি।’
স্বামীর পরিচয় নিয়ে প্রথম দিকে কিছুটা গোপনীয়তা বজায় রেখেছিলেন সাবা। তখন তিনি শুধু জানিয়েছিলেন, তার স্বামী একজন ব্যবসায়ী এবং নিজের অঙ্গনে পরিচিত। পরে কথার একপর্যায়ে স্বামীর নাম ফয়সাল বলে জানান তিনি। তবে তার পেশা বা ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে এর বেশি তথ্য প্রকাশ করতে চাননি এই অভিনেত্রী।
ফয়সালের সঙ্গে সম্পর্ক কীভাবে শুরু হয়েছিল, সেই গল্পও জানিয়েছেন সোহানা সাবা। তার ভাষায়, ‘মনে হয়েছে, এই মানুষটার জন্যই অপেক্ষা করেছি এত দিন, প্রথম দেখাতেই। কিন্তু তাকে বা কাউকে সেটা বুঝতে দিইনি। সে-ই আমাকে নক করে ভালোবাসার কথা যখন জানায়, তখন তাকে “হ্যাঁ” বলেছি।’
বিয়ের সিদ্ধান্তে সোহানা সাবার ছেলে কীভাবে নিয়েছে—এ প্রসঙ্গেও কথা বলেছেন তিনি। অভিনেত্রীর ভাষ্য, মায়ের নতুন জীবনের সঙ্গীকে তার ছেলে পছন্দ করেছে। বিয়ের খবরেও সে বেশ আনন্দিত হয়েছে। মায়ের নতুন সংসার নিয়ে ছেলের ইতিবাচক প্রতিক্রিয়ায় সোহানা সাবাও খুশি।
টেলিভিশন নাটকের মাধ্যমে অভিনয়জীবন শুরু করা সোহানা সাবা পরবর্তী সময়ে বড় পর্দায়ও নিজের জায়গা তৈরি করেন। চলচ্চিত্রের ‘মিষ্টি মেয়ে’খ্যাত অভিনেত্রী কবরী পরিচালিত ‘আয়না’ সিনেমার শুটিংয়ের মধ্য দিয়ে বড় পর্দায় তার যাত্রা শুরু হয়। তবে মুক্তির ক্ষেত্রে এগিয়ে ছিল মোরশেদুল ইসলামের ‘খেলাঘর’। ‘খেলাঘর’ মুক্তির পরের মাসে প্রেক্ষাগৃহে আসে ‘আয়না’।
এরপর সোহানা সাবাকে দেখা গেছে ‘চন্দ্রগ্রহণ’, ‘প্রিয়তমেষু’, ‘বৃহন্নলা’ ও ‘অসম্ভব’সহ বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্রে। ভারতের চলচ্চিত্রেও কাজ করেছেন তিনি। দেশটির ‘ষড়্রিপু’, ‘এপার–ওপার’ এবং নাম চূড়ান্ত না হওয়া আরও একটি সিনেমায় অভিনয় করেছেন এই অভিনেত্রী। এ ছাড়া আফজাল হোসেন পরিচালিত ‘মানিকের লাল কাঁকড়া’ চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেছেন সোহানা সাবা।

প্রেমের কথা স্বীকার করলেও সম্পর্কের মানুষটির পরিচয় প্রকাশ করেননি এই অভিনেত্রী। প্রায় তিন বছর পর সেই প্রেমের সম্পর্ক যে বিয়েতে গড়িয়েছে, তা নিজেই জানিয়েছেন সোহানা সাবা।
সোহানা সাবার বর্তমান স্বামীর নাম ফয়সাল। তিনি পেশায় একজন ব্যবসায়ী। দেড় বছরেরও বেশি সময় আগে নিজেদের বাসায় ঘরোয়া আয়োজনে তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী। তবে বিয়ের নির্দিষ্ট তারিখ প্রকাশ করতে চাননি তিনি।
নাটক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা মুরাদ পারভেজের সঙ্গে প্রায় এক দশক সংসার করেছেন সোহানা সাবা। সেই সংসারে তাদের একটি সন্তান রয়েছে। বিচ্ছেদের পর ব্যক্তিগত জীবনে নানা উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে তাকে। একপর্যায়ে নিজেকে সামলে নতুনভাবে জীবন সাজানোর পথে এগিয়ে যান তিনি। সেই সময়ই ফয়সালের সঙ্গে তার পরিচয় হয়।
সোহানা সাবা জানান, ফয়সালের সঙ্গে তার সম্পর্কের বয়স সাড়ে পাঁচ বছর। দীর্ঘ এই সম্পর্কের পর তারা বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন। তবে বিয়ের দিন-তারিখ নিয়ে বিস্তারিত জানাতে আগ্রহী নন তিনি। শুধু জানিয়েছেন, দেড় বছরেরও বেশি সময় আগে নিজেদের বাসাতেই বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে।
বিয়ের পর কেমন কাটছে সংসার—এমন প্রশ্নের জবাবে সোহানা সাবা বলেন, ‘আমার স্বামী, আমরা ভালো আছি। সাড়ে পাঁচ বছরের সম্পর্ক। বিয়ে অনেক আগে হয়েছে। দিন-তারিখ বলতে চাই না। আমার ছেলে অনেক খুশি।’
স্বামীর পরিচয় নিয়ে প্রথম দিকে কিছুটা গোপনীয়তা বজায় রেখেছিলেন সাবা। তখন তিনি শুধু জানিয়েছিলেন, তার স্বামী একজন ব্যবসায়ী এবং নিজের অঙ্গনে পরিচিত। পরে কথার একপর্যায়ে স্বামীর নাম ফয়সাল বলে জানান তিনি। তবে তার পেশা বা ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে এর বেশি তথ্য প্রকাশ করতে চাননি এই অভিনেত্রী।
ফয়সালের সঙ্গে সম্পর্ক কীভাবে শুরু হয়েছিল, সেই গল্পও জানিয়েছেন সোহানা সাবা। তার ভাষায়, ‘মনে হয়েছে, এই মানুষটার জন্যই অপেক্ষা করেছি এত দিন, প্রথম দেখাতেই। কিন্তু তাকে বা কাউকে সেটা বুঝতে দিইনি। সে-ই আমাকে নক করে ভালোবাসার কথা যখন জানায়, তখন তাকে “হ্যাঁ” বলেছি।’
বিয়ের সিদ্ধান্তে সোহানা সাবার ছেলে কীভাবে নিয়েছে—এ প্রসঙ্গেও কথা বলেছেন তিনি। অভিনেত্রীর ভাষ্য, মায়ের নতুন জীবনের সঙ্গীকে তার ছেলে পছন্দ করেছে। বিয়ের খবরেও সে বেশ আনন্দিত হয়েছে। মায়ের নতুন সংসার নিয়ে ছেলের ইতিবাচক প্রতিক্রিয়ায় সোহানা সাবাও খুশি।
টেলিভিশন নাটকের মাধ্যমে অভিনয়জীবন শুরু করা সোহানা সাবা পরবর্তী সময়ে বড় পর্দায়ও নিজের জায়গা তৈরি করেন। চলচ্চিত্রের ‘মিষ্টি মেয়ে’খ্যাত অভিনেত্রী কবরী পরিচালিত ‘আয়না’ সিনেমার শুটিংয়ের মধ্য দিয়ে বড় পর্দায় তার যাত্রা শুরু হয়। তবে মুক্তির ক্ষেত্রে এগিয়ে ছিল মোরশেদুল ইসলামের ‘খেলাঘর’। ‘খেলাঘর’ মুক্তির পরের মাসে প্রেক্ষাগৃহে আসে ‘আয়না’।
এরপর সোহানা সাবাকে দেখা গেছে ‘চন্দ্রগ্রহণ’, ‘প্রিয়তমেষু’, ‘বৃহন্নলা’ ও ‘অসম্ভব’সহ বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্রে। ভারতের চলচ্চিত্রেও কাজ করেছেন তিনি। দেশটির ‘ষড়্রিপু’, ‘এপার–ওপার’ এবং নাম চূড়ান্ত না হওয়া আরও একটি সিনেমায় অভিনয় করেছেন এই অভিনেত্রী। এ ছাড়া আফজাল হোসেন পরিচালিত ‘মানিকের লাল কাঁকড়া’ চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেছেন সোহানা সাবা।

প্রেম থেকে বিয়ে, স্বামীকে নিয়ে যা জানালেন সোহানা সাবা
সিজেডএন ডেস্ক

প্রেমের কথা স্বীকার করলেও সম্পর্কের মানুষটির পরিচয় প্রকাশ করেননি এই অভিনেত্রী। প্রায় তিন বছর পর সেই প্রেমের সম্পর্ক যে বিয়েতে গড়িয়েছে, তা নিজেই জানিয়েছেন সোহানা সাবা।
সোহানা সাবার বর্তমান স্বামীর নাম ফয়সাল। তিনি পেশায় একজন ব্যবসায়ী। দেড় বছরেরও বেশি সময় আগে নিজেদের বাসায় ঘরোয়া আয়োজনে তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী। তবে বিয়ের নির্দিষ্ট তারিখ প্রকাশ করতে চাননি তিনি।
নাটক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা মুরাদ পারভেজের সঙ্গে প্রায় এক দশক সংসার করেছেন সোহানা সাবা। সেই সংসারে তাদের একটি সন্তান রয়েছে। বিচ্ছেদের পর ব্যক্তিগত জীবনে নানা উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে তাকে। একপর্যায়ে নিজেকে সামলে নতুনভাবে জীবন সাজানোর পথে এগিয়ে যান তিনি। সেই সময়ই ফয়সালের সঙ্গে তার পরিচয় হয়।
সোহানা সাবা জানান, ফয়সালের সঙ্গে তার সম্পর্কের বয়স সাড়ে পাঁচ বছর। দীর্ঘ এই সম্পর্কের পর তারা বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন। তবে বিয়ের দিন-তারিখ নিয়ে বিস্তারিত জানাতে আগ্রহী নন তিনি। শুধু জানিয়েছেন, দেড় বছরেরও বেশি সময় আগে নিজেদের বাসাতেই বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে।
বিয়ের পর কেমন কাটছে সংসার—এমন প্রশ্নের জবাবে সোহানা সাবা বলেন, ‘আমার স্বামী, আমরা ভালো আছি। সাড়ে পাঁচ বছরের সম্পর্ক। বিয়ে অনেক আগে হয়েছে। দিন-তারিখ বলতে চাই না। আমার ছেলে অনেক খুশি।’
স্বামীর পরিচয় নিয়ে প্রথম দিকে কিছুটা গোপনীয়তা বজায় রেখেছিলেন সাবা। তখন তিনি শুধু জানিয়েছিলেন, তার স্বামী একজন ব্যবসায়ী এবং নিজের অঙ্গনে পরিচিত। পরে কথার একপর্যায়ে স্বামীর নাম ফয়সাল বলে জানান তিনি। তবে তার পেশা বা ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে এর বেশি তথ্য প্রকাশ করতে চাননি এই অভিনেত্রী।
ফয়সালের সঙ্গে সম্পর্ক কীভাবে শুরু হয়েছিল, সেই গল্পও জানিয়েছেন সোহানা সাবা। তার ভাষায়, ‘মনে হয়েছে, এই মানুষটার জন্যই অপেক্ষা করেছি এত দিন, প্রথম দেখাতেই। কিন্তু তাকে বা কাউকে সেটা বুঝতে দিইনি। সে-ই আমাকে নক করে ভালোবাসার কথা যখন জানায়, তখন তাকে “হ্যাঁ” বলেছি।’
বিয়ের সিদ্ধান্তে সোহানা সাবার ছেলে কীভাবে নিয়েছে—এ প্রসঙ্গেও কথা বলেছেন তিনি। অভিনেত্রীর ভাষ্য, মায়ের নতুন জীবনের সঙ্গীকে তার ছেলে পছন্দ করেছে। বিয়ের খবরেও সে বেশ আনন্দিত হয়েছে। মায়ের নতুন সংসার নিয়ে ছেলের ইতিবাচক প্রতিক্রিয়ায় সোহানা সাবাও খুশি।
টেলিভিশন নাটকের মাধ্যমে অভিনয়জীবন শুরু করা সোহানা সাবা পরবর্তী সময়ে বড় পর্দায়ও নিজের জায়গা তৈরি করেন। চলচ্চিত্রের ‘মিষ্টি মেয়ে’খ্যাত অভিনেত্রী কবরী পরিচালিত ‘আয়না’ সিনেমার শুটিংয়ের মধ্য দিয়ে বড় পর্দায় তার যাত্রা শুরু হয়। তবে মুক্তির ক্ষেত্রে এগিয়ে ছিল মোরশেদুল ইসলামের ‘খেলাঘর’। ‘খেলাঘর’ মুক্তির পরের মাসে প্রেক্ষাগৃহে আসে ‘আয়না’।
এরপর সোহানা সাবাকে দেখা গেছে ‘চন্দ্রগ্রহণ’, ‘প্রিয়তমেষু’, ‘বৃহন্নলা’ ও ‘অসম্ভব’সহ বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্রে। ভারতের চলচ্চিত্রেও কাজ করেছেন তিনি। দেশটির ‘ষড়্রিপু’, ‘এপার–ওপার’ এবং নাম চূড়ান্ত না হওয়া আরও একটি সিনেমায় অভিনয় করেছেন এই অভিনেত্রী। এ ছাড়া আফজাল হোসেন পরিচালিত ‘মানিকের লাল কাঁকড়া’ চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেছেন সোহানা সাবা।









