এসএসসিতে শতভাগ পাসের নেপথ্যে শিক্ষার্থী বাদ দেওয়ার অভিযোগ

এসএসসিতে শতভাগ পাসের নেপথ্যে শিক্ষার্থী বাদ দেওয়ার অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক

২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় শতভাগ পাসের সুনাম ধরে রাখতে অনেক শিক্ষার্থীকে ফরম পূরণে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। তথ্য অনুযায়ী, নবম শ্রেণিতে নিবন্ধিত হয়েও এবার এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি সাড়ে চার লাখের বেশি শিক্ষার্থী। তাদের অনেকে টেস্ট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও, কাঙ্ক্ষিত জিপিএ না পাওয়ায় চূড়ান্ত পরীক্ষার ফরম পূরণের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
গত ১০ আগস্ট এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ফল বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, এবছর ৬৬৯ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা শতভাগ পাশ করেছে। তবে অভিযোগ উঠেছে, কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ অনেক শিক্ষার্থীকে এসএসসি চূড়ান্ত ফরম পূরণের সুযোগ দেয়নি। অভিযোগের পর বিষয়টি খতিয়ে দেখতে নড়েচড়ে বসেছে শিক্ষা বোর্ডগুলো। ইতোমধ্যে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে তদন্তও শুরু হয়েছে।
১১ শিক্ষা বোর্ডের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে নবম শ্রেণিতে নিয়মিত পরীক্ষার্থী হিসেবে মোট ১৮ লাখ ৯৫ হাজার ৩৯৯ জন শিক্ষার্থী নিবন্ধন করেছিল। তবে, এদের মধ্যে ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য শেষ পর্যন্ত ১৪ লাখ ৪৮ হাজার ৫১১ জন শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করে। ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে নবমে নিবন্ধিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ২ লাখ ২৮ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করেনি। মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে বাকি প্রায় ২ লাখ ১৮ হাজার শিক্ষার্থী নবমে নিবন্ধিত হয়েও এসএসসির ফরম পূরণ করা থেকে বাদ পড়েছে।
সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, একশ্রেণির শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিজেদের পাসের হার ও জিপিএ-৫ পাওয়ার হার বাড়াতে টেস্ট পরীক্ষায় তুলনামূলক কম নম্বর পাওয়া শিক্ষার্থীদের মূল পরীক্ষায় অংশগ্রহণে নিরুৎসাহিত করেছে। এমনকি, টেস্ট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পরও শুধু কাঙ্ক্ষিত জিপিএ না পাওয়ার কারণে কিছু শিক্ষার্থীকে ফরম পূরণের সুযোগ দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।
জানা গেছে, নির্বাচনি বা টেস্ট পরীক্ষা মূলত পাবলিক পরীক্ষার আগে শিক্ষার্থীদের নিজেদের প্রস্তুতি যাচাই ও অবস্থান বোঝার একটি অভ্যন্তরীণ মাধ্যম। তবে, এ পরীক্ষায় কৃতকার্য হওয়া সত্ত্বেও কেবল কাঙ্ক্ষিত জিপিএ না পাওয়ায় মূল পরীক্ষার ফরম পূরণ করতে না দেওয়া শিক্ষা বোর্ডের নিয়মের স্পষ্ট পরিপন্থী।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের একজন কর্মকর্তা বলেন, কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তাদের ফলাফলের জৌলুস বাড়াতে টেস্ট পরীক্ষায় পাশ করা শিক্ষার্থীদের ওপর জিপিএর শর্ত চাপিয়ে বাদ দিতে পারে না। কোনো শিক্ষার্থী এ প্লাস বা নির্দিষ্ট কোনো জিপিএ না পেলে ফরম পূরণ করতে পারবে না, এমন কোনো মনগড়া শর্ত জুড়ে দেওয়ার এক্তিয়ার প্রতিষ্ঠানের নেই। তবে কোনো শিক্ষার্থী যদি টেস্ট পরীক্ষায় কোনো বিষয়ে অকৃতকার্য হয় কিংবা বোর্ডের অন্যান্য আবশ্যক যোগ্যতা পূরণে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে তাকে ফরম পূরণ থেকে বিরত রাখা যেতে পারে।
এদিকে, এসব অভিযোগ খতিয়ে দেখতে শতভাগ পাশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে বৈঠক করবে বোর্ড। আর এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার্থীদের টেস্ট পরীক্ষার ফলাফল, রেজিস্ট্রেশন ও ফরম পূরণের যাবতীয় নথি যাচাই করা হবে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, নবম শ্রেণিতে নিবন্ধন করেও এসএসসি পরীক্ষায় বিপুল শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ না করার কারণ খুঁজে বের করে ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রণালয়ে সুপারিশ পাঠানো হবে। পাশাপাশি শতভাগ ফেল করা ৩১২ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কেন একজন শিক্ষার্থীও কেন পাশ করেনি, তা জানতে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো শুরু হয়েছে।

২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় শতভাগ পাসের সুনাম ধরে রাখতে অনেক শিক্ষার্থীকে ফরম পূরণে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। তথ্য অনুযায়ী, নবম শ্রেণিতে নিবন্ধিত হয়েও এবার এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি সাড়ে চার লাখের বেশি শিক্ষার্থী। তাদের অনেকে টেস্ট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও, কাঙ্ক্ষিত জিপিএ না পাওয়ায় চূড়ান্ত পরীক্ষার ফরম পূরণের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
গত ১০ আগস্ট এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ফল বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, এবছর ৬৬৯ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা শতভাগ পাশ করেছে। তবে অভিযোগ উঠেছে, কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ অনেক শিক্ষার্থীকে এসএসসি চূড়ান্ত ফরম পূরণের সুযোগ দেয়নি। অভিযোগের পর বিষয়টি খতিয়ে দেখতে নড়েচড়ে বসেছে শিক্ষা বোর্ডগুলো। ইতোমধ্যে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে তদন্তও শুরু হয়েছে।
১১ শিক্ষা বোর্ডের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে নবম শ্রেণিতে নিয়মিত পরীক্ষার্থী হিসেবে মোট ১৮ লাখ ৯৫ হাজার ৩৯৯ জন শিক্ষার্থী নিবন্ধন করেছিল। তবে, এদের মধ্যে ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য শেষ পর্যন্ত ১৪ লাখ ৪৮ হাজার ৫১১ জন শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করে। ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে নবমে নিবন্ধিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ২ লাখ ২৮ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করেনি। মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে বাকি প্রায় ২ লাখ ১৮ হাজার শিক্ষার্থী নবমে নিবন্ধিত হয়েও এসএসসির ফরম পূরণ করা থেকে বাদ পড়েছে।
সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, একশ্রেণির শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিজেদের পাসের হার ও জিপিএ-৫ পাওয়ার হার বাড়াতে টেস্ট পরীক্ষায় তুলনামূলক কম নম্বর পাওয়া শিক্ষার্থীদের মূল পরীক্ষায় অংশগ্রহণে নিরুৎসাহিত করেছে। এমনকি, টেস্ট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পরও শুধু কাঙ্ক্ষিত জিপিএ না পাওয়ার কারণে কিছু শিক্ষার্থীকে ফরম পূরণের সুযোগ দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।
জানা গেছে, নির্বাচনি বা টেস্ট পরীক্ষা মূলত পাবলিক পরীক্ষার আগে শিক্ষার্থীদের নিজেদের প্রস্তুতি যাচাই ও অবস্থান বোঝার একটি অভ্যন্তরীণ মাধ্যম। তবে, এ পরীক্ষায় কৃতকার্য হওয়া সত্ত্বেও কেবল কাঙ্ক্ষিত জিপিএ না পাওয়ায় মূল পরীক্ষার ফরম পূরণ করতে না দেওয়া শিক্ষা বোর্ডের নিয়মের স্পষ্ট পরিপন্থী।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের একজন কর্মকর্তা বলেন, কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তাদের ফলাফলের জৌলুস বাড়াতে টেস্ট পরীক্ষায় পাশ করা শিক্ষার্থীদের ওপর জিপিএর শর্ত চাপিয়ে বাদ দিতে পারে না। কোনো শিক্ষার্থী এ প্লাস বা নির্দিষ্ট কোনো জিপিএ না পেলে ফরম পূরণ করতে পারবে না, এমন কোনো মনগড়া শর্ত জুড়ে দেওয়ার এক্তিয়ার প্রতিষ্ঠানের নেই। তবে কোনো শিক্ষার্থী যদি টেস্ট পরীক্ষায় কোনো বিষয়ে অকৃতকার্য হয় কিংবা বোর্ডের অন্যান্য আবশ্যক যোগ্যতা পূরণে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে তাকে ফরম পূরণ থেকে বিরত রাখা যেতে পারে।
এদিকে, এসব অভিযোগ খতিয়ে দেখতে শতভাগ পাশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে বৈঠক করবে বোর্ড। আর এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার্থীদের টেস্ট পরীক্ষার ফলাফল, রেজিস্ট্রেশন ও ফরম পূরণের যাবতীয় নথি যাচাই করা হবে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, নবম শ্রেণিতে নিবন্ধন করেও এসএসসি পরীক্ষায় বিপুল শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ না করার কারণ খুঁজে বের করে ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রণালয়ে সুপারিশ পাঠানো হবে। পাশাপাশি শতভাগ ফেল করা ৩১২ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কেন একজন শিক্ষার্থীও কেন পাশ করেনি, তা জানতে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো শুরু হয়েছে।

এসএসসিতে শতভাগ পাসের নেপথ্যে শিক্ষার্থী বাদ দেওয়ার অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক

২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় শতভাগ পাসের সুনাম ধরে রাখতে অনেক শিক্ষার্থীকে ফরম পূরণে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। তথ্য অনুযায়ী, নবম শ্রেণিতে নিবন্ধিত হয়েও এবার এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি সাড়ে চার লাখের বেশি শিক্ষার্থী। তাদের অনেকে টেস্ট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও, কাঙ্ক্ষিত জিপিএ না পাওয়ায় চূড়ান্ত পরীক্ষার ফরম পূরণের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
গত ১০ আগস্ট এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ফল বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, এবছর ৬৬৯ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা শতভাগ পাশ করেছে। তবে অভিযোগ উঠেছে, কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ অনেক শিক্ষার্থীকে এসএসসি চূড়ান্ত ফরম পূরণের সুযোগ দেয়নি। অভিযোগের পর বিষয়টি খতিয়ে দেখতে নড়েচড়ে বসেছে শিক্ষা বোর্ডগুলো। ইতোমধ্যে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে তদন্তও শুরু হয়েছে।
১১ শিক্ষা বোর্ডের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে নবম শ্রেণিতে নিয়মিত পরীক্ষার্থী হিসেবে মোট ১৮ লাখ ৯৫ হাজার ৩৯৯ জন শিক্ষার্থী নিবন্ধন করেছিল। তবে, এদের মধ্যে ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য শেষ পর্যন্ত ১৪ লাখ ৪৮ হাজার ৫১১ জন শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করে। ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে নবমে নিবন্ধিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ২ লাখ ২৮ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করেনি। মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে বাকি প্রায় ২ লাখ ১৮ হাজার শিক্ষার্থী নবমে নিবন্ধিত হয়েও এসএসসির ফরম পূরণ করা থেকে বাদ পড়েছে।
সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, একশ্রেণির শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিজেদের পাসের হার ও জিপিএ-৫ পাওয়ার হার বাড়াতে টেস্ট পরীক্ষায় তুলনামূলক কম নম্বর পাওয়া শিক্ষার্থীদের মূল পরীক্ষায় অংশগ্রহণে নিরুৎসাহিত করেছে। এমনকি, টেস্ট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পরও শুধু কাঙ্ক্ষিত জিপিএ না পাওয়ার কারণে কিছু শিক্ষার্থীকে ফরম পূরণের সুযোগ দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।
জানা গেছে, নির্বাচনি বা টেস্ট পরীক্ষা মূলত পাবলিক পরীক্ষার আগে শিক্ষার্থীদের নিজেদের প্রস্তুতি যাচাই ও অবস্থান বোঝার একটি অভ্যন্তরীণ মাধ্যম। তবে, এ পরীক্ষায় কৃতকার্য হওয়া সত্ত্বেও কেবল কাঙ্ক্ষিত জিপিএ না পাওয়ায় মূল পরীক্ষার ফরম পূরণ করতে না দেওয়া শিক্ষা বোর্ডের নিয়মের স্পষ্ট পরিপন্থী।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের একজন কর্মকর্তা বলেন, কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তাদের ফলাফলের জৌলুস বাড়াতে টেস্ট পরীক্ষায় পাশ করা শিক্ষার্থীদের ওপর জিপিএর শর্ত চাপিয়ে বাদ দিতে পারে না। কোনো শিক্ষার্থী এ প্লাস বা নির্দিষ্ট কোনো জিপিএ না পেলে ফরম পূরণ করতে পারবে না, এমন কোনো মনগড়া শর্ত জুড়ে দেওয়ার এক্তিয়ার প্রতিষ্ঠানের নেই। তবে কোনো শিক্ষার্থী যদি টেস্ট পরীক্ষায় কোনো বিষয়ে অকৃতকার্য হয় কিংবা বোর্ডের অন্যান্য আবশ্যক যোগ্যতা পূরণে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে তাকে ফরম পূরণ থেকে বিরত রাখা যেতে পারে।
এদিকে, এসব অভিযোগ খতিয়ে দেখতে শতভাগ পাশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে বৈঠক করবে বোর্ড। আর এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার্থীদের টেস্ট পরীক্ষার ফলাফল, রেজিস্ট্রেশন ও ফরম পূরণের যাবতীয় নথি যাচাই করা হবে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, নবম শ্রেণিতে নিবন্ধন করেও এসএসসি পরীক্ষায় বিপুল শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ না করার কারণ খুঁজে বের করে ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রণালয়ে সুপারিশ পাঠানো হবে। পাশাপাশি শতভাগ ফেল করা ৩১২ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কেন একজন শিক্ষার্থীও কেন পাশ করেনি, তা জানতে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো শুরু হয়েছে।

এসএসসিতে শতভাগ শিক্ষার্থী ফেল: ৩১২ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে শোকজ




