নতুন ভিসি নিয়োগকে কেন্দ্র করে ডুয়েটে চলছে ব্লকেড কর্মসূচি
সিটিজেন ডেস্ক

নতুন ভিসি নিয়োগকে কেন্দ্র করে ডুয়েটে চলছে ব্লকেড কর্মসূচি
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৮ মে ২০২৬, ১৭: ২০

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (ডুয়েট) নবনিযুক্ত উপাচার্যকে প্রত্যাখ্যান করে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ আরও তীব্র রূপ নিয়েছে। পূর্বঘোষিত ডুয়েট ব্লকেড কর্মসূচির অংশ হিসেবে সোমবার (১৮ মে) সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক ও প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে অবস্থান নিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। এর ফলে ক্যাম্পাসটির সমস্ত একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে পারছেন না।
এর আগে বৃহস্পতিবার (১৪ মে) শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোহাম্মদ ইকবালকে ডুয়েটের নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার। এরপর থেকেই এই নিয়োগের বিরোধিতা করে আন্দোলনে নামেন শিক্ষার্থীদের একটি অংশ। আন্দোলনকারীদের দাবি, ডুয়েট একটি বিশেষায়িত প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় হওয়ায় এখানকার শিক্ষা ব্যবস্থা, প্রশাসনিক বাস্তবতা ও অ্যাকাডেমিক কাঠামো সম্পর্কে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব শিক্ষকদের অভিজ্ঞতাই বেশি। তাই বহিরাগত কাউকে না এনে ডুয়েটের অভ্যন্তরীণ শিক্ষকদের মধ্য থেকেই উপাচার্য নিয়োগ দিতে হবে।
নতুন ভিসির নিয়োগের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সন্ধ্যায় ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল ও ঢাকা-শিমুলতলী সড়কে আগুন জ্বালিয়ে অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা। শুক্রবার (১৫ মে) আন্দোলন অব্যাহত রেখে নতুন উপাচার্যকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে ব্যানার টাঙিয়ে দেওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় রবিবার (১৭ মে) নতুন ভিসিকে লাল কার্ড কর্মসূচি পালনকালে আন্দোলনের পক্ষে ও বিপক্ষে থাকা শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে, এতে অন্তত ২০ জন আহত হন।
এদিকে তীব্র আন্দোলনের মুখে নতুন উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ ইকবাল রবিবার সন্ধ্যায় আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেও তিনি ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে পারেননি। পরে রাতে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে তিনি অনলাইনে মতবিনিময় সভা করেন বলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে।
চলমান আন্দোলনে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের সংশ্লিষ্টতা নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা থাকলেও ক্যাম্পাসভিত্তিক কোনও পক্ষ দায় স্বীকার করেনি। তবে এ নিয়ে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে পৃথক বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। রবিবার রাতে ডুয়েটিয়ানদের পক্ষ থেকে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, ক্যাম্পাসে কোনো ধরনের দলীয় রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না।সার্বিক পরিস্থিতির বিষয়ে গাজীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম জানান,
বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান ফটকে অবস্থান করছেন। অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (ডুয়েট) নবনিযুক্ত উপাচার্যকে প্রত্যাখ্যান করে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ আরও তীব্র রূপ নিয়েছে। পূর্বঘোষিত ডুয়েট ব্লকেড কর্মসূচির অংশ হিসেবে সোমবার (১৮ মে) সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক ও প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে অবস্থান নিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। এর ফলে ক্যাম্পাসটির সমস্ত একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে পারছেন না।
এর আগে বৃহস্পতিবার (১৪ মে) শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোহাম্মদ ইকবালকে ডুয়েটের নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার। এরপর থেকেই এই নিয়োগের বিরোধিতা করে আন্দোলনে নামেন শিক্ষার্থীদের একটি অংশ। আন্দোলনকারীদের দাবি, ডুয়েট একটি বিশেষায়িত প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় হওয়ায় এখানকার শিক্ষা ব্যবস্থা, প্রশাসনিক বাস্তবতা ও অ্যাকাডেমিক কাঠামো সম্পর্কে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব শিক্ষকদের অভিজ্ঞতাই বেশি। তাই বহিরাগত কাউকে না এনে ডুয়েটের অভ্যন্তরীণ শিক্ষকদের মধ্য থেকেই উপাচার্য নিয়োগ দিতে হবে।
নতুন ভিসির নিয়োগের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সন্ধ্যায় ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল ও ঢাকা-শিমুলতলী সড়কে আগুন জ্বালিয়ে অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা। শুক্রবার (১৫ মে) আন্দোলন অব্যাহত রেখে নতুন উপাচার্যকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে ব্যানার টাঙিয়ে দেওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় রবিবার (১৭ মে) নতুন ভিসিকে লাল কার্ড কর্মসূচি পালনকালে আন্দোলনের পক্ষে ও বিপক্ষে থাকা শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে, এতে অন্তত ২০ জন আহত হন।
এদিকে তীব্র আন্দোলনের মুখে নতুন উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ ইকবাল রবিবার সন্ধ্যায় আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেও তিনি ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে পারেননি। পরে রাতে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে তিনি অনলাইনে মতবিনিময় সভা করেন বলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে।
চলমান আন্দোলনে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের সংশ্লিষ্টতা নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা থাকলেও ক্যাম্পাসভিত্তিক কোনও পক্ষ দায় স্বীকার করেনি। তবে এ নিয়ে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে পৃথক বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। রবিবার রাতে ডুয়েটিয়ানদের পক্ষ থেকে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, ক্যাম্পাসে কোনো ধরনের দলীয় রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না।সার্বিক পরিস্থিতির বিষয়ে গাজীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম জানান,
বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান ফটকে অবস্থান করছেন। অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।

নতুন ভিসি নিয়োগকে কেন্দ্র করে ডুয়েটে চলছে ব্লকেড কর্মসূচি
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৮ মে ২০২৬, ১৭: ২০

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (ডুয়েট) নবনিযুক্ত উপাচার্যকে প্রত্যাখ্যান করে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ আরও তীব্র রূপ নিয়েছে। পূর্বঘোষিত ডুয়েট ব্লকেড কর্মসূচির অংশ হিসেবে সোমবার (১৮ মে) সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক ও প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে অবস্থান নিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। এর ফলে ক্যাম্পাসটির সমস্ত একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে পারছেন না।
এর আগে বৃহস্পতিবার (১৪ মে) শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোহাম্মদ ইকবালকে ডুয়েটের নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার। এরপর থেকেই এই নিয়োগের বিরোধিতা করে আন্দোলনে নামেন শিক্ষার্থীদের একটি অংশ। আন্দোলনকারীদের দাবি, ডুয়েট একটি বিশেষায়িত প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় হওয়ায় এখানকার শিক্ষা ব্যবস্থা, প্রশাসনিক বাস্তবতা ও অ্যাকাডেমিক কাঠামো সম্পর্কে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব শিক্ষকদের অভিজ্ঞতাই বেশি। তাই বহিরাগত কাউকে না এনে ডুয়েটের অভ্যন্তরীণ শিক্ষকদের মধ্য থেকেই উপাচার্য নিয়োগ দিতে হবে।
নতুন ভিসির নিয়োগের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সন্ধ্যায় ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল ও ঢাকা-শিমুলতলী সড়কে আগুন জ্বালিয়ে অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা। শুক্রবার (১৫ মে) আন্দোলন অব্যাহত রেখে নতুন উপাচার্যকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে ব্যানার টাঙিয়ে দেওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় রবিবার (১৭ মে) নতুন ভিসিকে লাল কার্ড কর্মসূচি পালনকালে আন্দোলনের পক্ষে ও বিপক্ষে থাকা শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে, এতে অন্তত ২০ জন আহত হন।
এদিকে তীব্র আন্দোলনের মুখে নতুন উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ ইকবাল রবিবার সন্ধ্যায় আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেও তিনি ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে পারেননি। পরে রাতে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে তিনি অনলাইনে মতবিনিময় সভা করেন বলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে।
চলমান আন্দোলনে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের সংশ্লিষ্টতা নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা থাকলেও ক্যাম্পাসভিত্তিক কোনও পক্ষ দায় স্বীকার করেনি। তবে এ নিয়ে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে পৃথক বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। রবিবার রাতে ডুয়েটিয়ানদের পক্ষ থেকে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, ক্যাম্পাসে কোনো ধরনের দলীয় রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না।সার্বিক পরিস্থিতির বিষয়ে গাজীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম জানান,
বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান ফটকে অবস্থান করছেন। অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।
/এমএকে/

রাজশাহীর সঙ্গে সারাদেশের বাস চলাচল বন্ধ


