শিরোনাম

প্রাথমিক বৃত্তির ফল প্রকাশ বৃহস্পতিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রাথমিক বৃত্তির ফল প্রকাশ বৃহস্পতিবার

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া লাখো শিক্ষার্থীর অপেক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে। আগামী বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) প্রকাশ করা হবে ২০২৬ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল। ফল প্রকাশকে কেন্দ্র করে সব ধরনের প্রস্তুতি প্রায় শেষ করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের একাধিক কর্মকর্তা সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রশাসন বিভাগের উপপরিচালক (সংস্থাপন) এ এস এম সিরাজুদ্দোহা বলেন, ‘আগামী বৃহস্পতিবার প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশের লক্ষ্যে আমরা সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করছি। ফলাফল প্রকাশের কাজ এখন প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। চূড়ান্ত যাচাই-বাছাই শেষ হলেই নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ফল প্রকাশ করা হবে।’

অধিদপ্তরের আরেক কর্মকর্তা জানান, বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল ঘোষণা করবেন। শিক্ষার্থীরা ওই দিন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট ও এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে পারবে। অনলাইনে ফলাফল জানতে শিক্ষার্থীদের আইপিইএমআইএস (IPEMIS) পোর্টাল ব্যবহার করতে হবে।

এর আগে, গত ১ জুলাই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে ৯ জুলাই ফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ নিয়ে আলোচনা হয়।

জানা যায়, গত এপ্রিল মাসে সারা দেশে একযোগে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পার্বত্য তিন জেলা ছাড়া দেশের অন্যান্য জেলায় ১৫ থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত পরীক্ষা নেওয়া হয়। আর রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে বিশেষ সময়সূচিতে ১৭ থেকে ২০ এপ্রিল পর্যন্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

পরীক্ষা শেষ হওয়ার এক মাসের মধ্যে ফল প্রকাশের কথা থাকলেও বিভিন্ন প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার কারণে নির্ধারিত সময় পেরিয়ে প্রায় আড়াই মাস পর ফল প্রকাশ করা হচ্ছে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এবার সারা দেশে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় মোট ৬ লাখ ৪০ হাজার শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছে। এর মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় সাড়ে ৫ লাখ এবং বেসরকারি বিদ্যালয়ের প্রায় ৯০ হাজার শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়।

মন্ত্রণালয়-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, এবার মোট ৮২ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দেওয়া হবে। এর মধ্যে ৩৩ হাজার শিক্ষার্থী পাবে ট্যালেন্টপুল (মেধাবৃত্তি)। মেধাবৃত্তির এ কোটার মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ২৭ হাজার ৫০০টি এবং বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ৫ হাজার ৫০০টি বৃত্তি নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ ছাড়া সাধারণ বৃত্তি পাবে ৪৯ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থী। এর মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ৪১ হাজার ২৫০টি এবং বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ৮ হাজার ২৫০টি বৃত্তি বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

/এফআর/