শিরোনাম

অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে মিসরকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা

০০: ১০

অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা, কাঁদলেন মেসি

অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা, কাঁদলেন মেসি
চলতি বিশ্বকাপে অষ্টম গোল করলেন মেসি

ম্যাচের ৬৭ মিনিটে দ্বিতীয় গোল করে মিসর। আর্জেন্টিনা তখন পিছিয়ে ২-০ তে। পরিসংখ্যান বলছে বিশ্বকাপের ম্যাচে ২ গোলে পিছিয়ে থেকে কখনো ম্যাচ জেতেনি আর্জেন্টিনা! তবে আলবিসেলেস্তেরা বিশ্বাস হারাননি মাঠে। ৭৯ মিনিটে মেসির অ্যাসিস্ট থেকে হেডে এক গোল শোধ দেন রোমেরো। লিওনেল মেসি ৮৩ মিনিটে গোল করলে ২-২ সমতা হয়। যোগকরা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে লাউতারো মার্তিনেজের ক্রস থেকে এনজো ফার্নান্দেজের গোলে ম্যাচে প্রথমবার এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে শেষ পর্যন্ত ৩-২ ব্যবধানে মিসরকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা। ম্যাচ শেষে কাঁদেন মেসি, একে একে সতীর্থরা জড়িয়ে ধরেন মেসিকে। এই কান্না আনন্দের। মেসিও এনজো ফার্নন্দেজকে বুকে জড়িয়ে রাখলেন বেশ কিছুক্ষণ। এরপর সতীর্থরা সবাই মিলে মেসিকে হাওয়ায় উপরে তুলে আনন্দে মাতলেন।

প্রথম ১০ মিনিটে চলে শুধুই বল দখলের লড়াই। এরপর আক্রমণ করে আর্জেন্টিনা। তবে ১৫ মিনিটে মিসর নিজেদের প্রথম আক্রমণ থেকেই গোল পায়। মাঝমাঠ থেকে মারওয়ান আত্তিয়ার চমৎকার এক ক্রস খুঁজে নেন আর্জেন্টিনার বক্সে থাকা ইয়াসের ইব্রাহিম। আলবিসেলেস্তে ডিফেন্ডারদের ফাঁকি দিয়ে কাছ থেকে দারুণ এক হেডে বল জালে জড়ান এই মিসরের ডিফেন্ডার। এমিলিয়ানো মার্তিনেজ ঝাঁপিয়েও বলের নাগাল পাননি।

১৯ মিনিটে পেনাল্টি পায় আর্জেন্টিনা। স্পটকিকে মেসির শট রুখে দেন মিসরের গোলকিপার মোস্তফা শোবের। বিশ্বকাপে এ নিয়ে মোট ৮টি পেনাল্টি নিলেন লিওনেল মেসি। তার মধ্যে ৪টিই মিস! বিশ্বকাপে এক অনন্য ও অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ড গড়লেন মেসি। চলতি আসরে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে পেনাল্টি মিসের পর আজ মিসরের বিপক্ষেও স্পট কিক থেকে গোল করতে ব্যর্থ হলেন তিনি। এর মাধ্যমে (টাইব্রেকার বাদে) বিশ্বকাপের এক আসরে দুটি পেনাল্টি মিস করা ইতিহাসের প্রথম খেলোয়াড় হলেন মেসি।

৩১ মিনিটে মেসির শট লাগে পোস্টে। ৩৮ মিনিটে হুলিয়ান আলভারেজের গোলের চেষ্টা রুখে দেন মিসরের গোলকিপার। প্রথমার্ধে পিছিয়ে থেকে বিরতিতে যায় আর্জেন্টিনা।

৫৮ মিনিটে দ্বিতীয়বার বল জালে পাঠিয়েছিল মিসর। তবে গোলের বিল্ডআপের সময় আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডার লিসান্দ্রো মার্তিনেজর এর পায়ের ওপর দাঁড়িয়ে ছিলেন মারওয়ান আত্তিয়া। ফলে বল জালে পাঠালেও ভিএআর-এ গোলটি বাতিল করা হয়। দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণাত্মক খেলে মিসর। ফলও পায় তারা হাতে নাতে। ৬৭ মিনিটে আর্জেন্টিনার কর্নার থেকে পাল্টা আক্রমণ করে মিসর। সালাহ বল দেন হাসানকে। মাঠের ডানপ্রান্ত দিয়ে এগিয়ে গিয়ে করেন হাসান, বল জালে পাঠান মিসর।

এরপর ৭৯ মিনিট থেকে আর্জেন্টিনার অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের শুরু। মেসির অ্যাসিস্ট থেকে রোমেরো হেডে গোল এক গোল শোধ দেন। পরে মেসি চলতি বিশ্বকাপে নিজের অষ্টম গোলে দলকে সমতায় ফেরান। আর যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে এনজো ফার্নান্দেজের গোলে জয় পায় আর্জেন্টিনা। ম্যাচ শেষে কাঁদলেন মেসি তবে এবারের কান্না আনন্দের।

০০: ০১

এনজোর গোলে এগিয়ে আর্জেন্টিনা

এনজোর গোলে এগিয়ে আর্জেন্টিনা
এনজো ফার্নান্দেজের গোল

ম্যাচের যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে হেডে গোল করে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দিলেন এনজো ফার্নান্দেজ। ম্যাচে এখন আর্জেন্টিনা এগিয়ে ৩-২ ব্যবাধানে। যোগ করা সময় ৭ মিনিট। আর্জেন্টিনা ব্যবধান ধরে রেখে জয় পায় কিনা সেটি দেখার।

২৩: ৫৩

মেসি জাদুতে সমতা ফেরালো আর্জেন্টিনা

মেসি জাদুতে সমতা ফেরালো আর্জেন্টিনা
চলতি বিশ্বকাপে অষ্টম গোল করলেন মেসি

প্রথম গোল শোধের চার মিনিটের মধ্যে দ্বিতীয় গোলও পেলো আর্জেন্টিনা। এবার গোলদাতা লিওনেল মেসি। চলতি বিশ্বকাপে এটি মেসির অষ্টম গোল।

২৩: ৪৭

ব্যবধান কমালেন রোমেরো

বিশ্বকাপ ম্যাচে ২ গোলে পিছিয়ে থেকে জয়ের রেকর্ড নেই আর্জেন্টিনার। তবে ৭৯ মিনিটে এক গোল শোধ দিলো লিওনেল স্কালোনির দল। ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো হেডে ব্যবধান কমান।

২৩: ৩৭

ব্যবধান বাড়ালেন জিকো

ব্যবধান বাড়ালেন জিকো
দ্বিতীয় গোলের পর মিসরের খেলোয়াড়দের উদযাপন

৫৮ মিনিটে মোস্তফা জিকো বল জালে পাঠালেও এক ফাউলের কারণে গোলটি বাতিল হয়েছিল। তবে দ্বিতীয় গোলের জন্য বেশিক্ষণ অফেক্ষা করতে হয়নি তাকে। ৬৭ মিনিটে মোস্তফা জিকোর গোলেই ব্যবধান বাড়ায় মিসর।

আর্জেন্টিনার কর্নার থেকে পাল্টা আক্রমণ করে মিসর। সালাহ বল দেন হাসানকে। মাঠের ডানপ্রান্ত দিয়ে এগিয়ে গিয়ে করেন হাসান, বল জালে পাঠান মিসর। ৭০ মিনিট শেষে মিসর এগিয়ে ২-০ তে।

২৩: ২৭

ফাউলে মিসরের গোল বাতিল

ম্যাচের ৫৮ মিনিটে দ্বিতীয়বার বল জালে পাঠিয়েছিল মিসর। তবে গোলের বিল্ডআপের সময় আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডার লিসান্দ্রো মার্তিনেজর এর পায়ের ওপর দাঁড়িয়ে ছিলেন মারওয়ান আত্তিয়া। ফলে বল জালে পাঠালেও ভিএআর-এ গোলটি বাতিল করা হয়। দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণাত্মক খেলছে মিসর।

২৩: ১১

পেনাল্টিতে মেসির বিব্রতকর রেকর্ড

লিওনেল মেসির নামের পাশে এই পরিসংখ্যান আসলেই বড্ড বেমানান! বিশ্বকাপে এ নিয়ে মোট ৮টি পেনাল্টি নিলেন লিওনেল মেসি। তার মধ্যে ৪টিই মিস!

বিশ্বকাপে এক অনন্য ও অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ড গড়লেন মেসি। চলতি আসরে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে পেনাল্টি মিসের পর আজ মিসরের বিপক্ষেও স্পট কিক থেকে গোল করতে ব্যর্থ হলেন তিনি। এর মাধ্যমে (টাইব্রেকার বাদে) বিশ্বকাপের এক আসরে দুটি পেনাল্টি মিস করা ইতিহাসের প্রথম খেলোয়াড় হলেন মেসি।

২২: ৫৮

আর্জেন্টিনা ১-০ মিসর (প্রথমার্ধ)

আর্জেন্টিনা ১-০ মিসর (প্রথমার্ধ)
ইয়াসের ইব্রাহিমের (জার্সি নম্বর ২) গোলের পর উল্লাস

নাটকীয় প্রথমার্ধ শেষে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে আছে মিসর। লিওনেল মেসি পেনাল্টি থেকে গোল করতে ব্যর্থ হন। এছাড়া তার একটি শট পোস্টে লেগে ফেরে।

প্রথম ১০ মিনিটে চলে শুধুই বল দখলের লড়াই। এরপর আক্রমণ করে আর্জেন্টিনা। তবে ১৫ মিনিটে মিসর নিজেদের প্রথম আক্রমণ থেকেই গোল পায়। মাঝমাঠ থেকে মারওয়ান আত্তিয়ার চমৎকার এক ক্রস খুঁজে নেন আর্জেন্টিনার বক্সে থাকা ইয়াসের ইব্রাহিম। আলবিসেলেস্তে ডিফেন্ডারদের ফাঁকি দিয়ে কাছ থেকে দারুণ এক হেডে বল জালে জড়ান এই মিসরের ডিফেন্ডার। এমিলিয়ানো মার্তিনেজ ঝাঁপিয়েও বলের নাগাল পাননি।

১৯ মিনিটে পেনাল্টি পায় আর্জেন্টিনা। স্পটকিকে মেসির শট রুখে দেন মিসরের গোলকিপার মোস্তফা শোবের। ৩১ মিনিটে মেসির শট লাগে পোস্টে। ৩৮ মিনিটে হুলিয়ান আলভারেজের গোলের চেষ্টা রুখে দেন মিসরের গোলকিপার।

প্রথমার্ধে ৬০ শতাংশ সময় বল দখলে রাখে আর্জেন্টিনা। গোলের জন্য ৭টি শট নিয়ে ৩টি লক্ষ্যে রাখে তারা। তবে মিসরের গোলকিপারের কারণে গোল পায়নি আলবিসেলেস্তেরা। মিসরের ২ শটের একটি ছিল লক্ষ্যে। সেটিই গোল হয়।

২২: ৪২

এবার মোস্তফা রুখলেন আলভারেজের শট

ম্যাচের ৩৮ মিনিটে মাঠের বাঁ-প্রান্ত দিয়ে বল নিয়ে ঢুকেছিলেন তাগলিয়াফিকো। তার ক্রস থেকে হুলিয়ান আলভারেজের শট কর্নারের বিনিময়ের রক্ষা করেন মিসরের গোলকিপার মোস্তফা শোবের।

২২: ৩৯

মেসির শট লাগলো পোস্টে

পেনাল্টি মিসের পর এবার আরও এক সুযোগ হাতছাড়া হলো লিওনেল মেসির। ৩১ মিনিটে বক্সের বেশ কিছুটা দূর থেকে বাঁ পায়ের এক দুর্দান্ত বুলেট গতির শট নিয়েছিলেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। মিসরীয় গোলকিপারকে পরাস্ত করলেও তার সেই শটটি এবার সাইড পোস্টে লেগে ফিরে আসে।

২২: ৩৪

মেসির পেনাল্টি ঠেকালেন মিসর গোলকিপার

মেসির পেনাল্টি ঠেকালেন মিসর গোলকিপার
মেসির পেনাল্টি ঠেকিয়ে দেন মিসরের গোলকিপার

মিসরের হাইসেম হাসান বলের নিয়ন্ত্রণ নিতে গিয়ে বক্সের ভেতর ফাউল করে বসেন আর্জেন্টাইন খেলোয়াড়কে। রেফারি বাঁশি বাজিয়ে পেনাল্টির নির্দেশ দেন। স্পট কিক থেকে সমতায় ফেরার সুবর্ণ সুযোগ ছিল আর্জেন্টিনার সামনে। শট নিতে এসেছিলেন লিওনেল মেসি। কিন্তু ডান দিকের নিচু কোণ দিয়ে নেওয়া মেসির শটটি দুর্দান্ত দক্ষতায় রুখে দেন মিসরীয় গোলকিপার মোস্তফা শোবের।

২২: ২১

এগিয়ে গেলো মিসর

এগিয়ে গেলো মিসর
গোল করেছেন ইয়াসের ইব্রাহিম

ম্যাচের ১৫ মিনিটেই এগিয়ে গেছে মিসর। নিজেদের প্রথম আক্রমণ থেকেই গোল পেলো আফ্রিকার দলটি। মাঝমাঠ থেকে মারওয়ান আত্তিয়ার চমৎকার এক ক্রস খুঁজে নেন আর্জেন্টিনার বক্সে থাকা ইয়াসের ইব্রাহিমকে। আলবিসেলেস্তে ডিফেন্ডারদের ফাঁকি দিয়ে একদম কাছ থেকে দারুণ এক হেডে বল জালে জড়ালেন এই মিসরের ডিফেন্ডার। এমিলিয়ানো মার্তিনেজ ঝাঁপিয়েও বলের নাগাল পাননি, বল আশ্রয় নেয় ডান দিকের একদম কোণায়। ১-০ গোলে পিছিয়ে পড়ল আর্জেন্টিনা!

২২: ১০

বল দখলের লড়াইয়ে দুই দল

আটলান্টায় আর্জেন্টিনা-মিসর ম্যাচে ৮ মিনিট পেরিয়েছে। এখনো কোনো দলই গোলমুখে শট নিতে পারেনি। দুই দলের মধ্যে চলছে বল দখলের লড়াই। আর্জেন্টিনা খেলছে ৪-১-৩-২ ফরমেশনে। মিসর খেলছে ৪-৪-২ ফরমেশনে।

২১: ৫৭

পরিসংখ্যানে এগিয়ে কারা

দুই দলের আগের দুই দেখাতেই জিতেছে আর্জেন্টিনা। প্রথম দেখা হয়েছিল প্রায় এক শতাব্দী আগে, ১৯২৮ অলিম্পিকের সেমিফাইনালে মিসরকে ৬-০ গোল হারিয়েছিল আলবিসেলেস্তেরা। আর শেষ দেখায়, ২০০৮ সালের মার্চে কায়রোতে এক প্রীতি ম্যাচে ২-০ গোলে জিতেছিল আর্জেন্টিনা।

বিশ্বকাপে আফ্রিকান দেশগুলোর বিপক্ষে টানা ৮ ম্যাচ জিতেছে আর্জেন্টিনা। শুধু তাই নয়, এই ৮ ম্যাচের শেষ ৬ টিতেই প্রথমার্ধে এগিয়ে ছিল আর্জেন্টিনা।