
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

নাটকীয় প্রথমার্ধ শেষে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে আছে মিসর। লিওনেল মেসি পেনাল্টি থেকে গোল করতে ব্যর্থ হন। এছাড়া তার একটি শট পোস্টে লেগে ফেরে।
প্রথম ১০ মিনিটে চলে শুধুই বল দখলের লড়াই। এরপর আক্রমণ করে আর্জেন্টিনা। তবে ১৫ মিনিটে মিসর নিজেদের প্রথম আক্রমণ থেকেই গোল পায়। মাঝমাঠ থেকে মারওয়ান আত্তিয়ার চমৎকার এক ক্রস খুঁজে নেন আর্জেন্টিনার বক্সে থাকা ইয়াসের ইব্রাহিমকে। আলবিসেলেস্তে ডিফেন্ডারদের ফাঁকি দিয়ে একদম কাছ থেকে দারুণ এক হেডে বল জালে জড়ালেন এই মিসরের ডিফেন্ডার। এমিলিয়ানো মার্তিনেজ ঝাঁপিয়েও বলের নাগাল পাননি, বল আশ্রয় নেয় ডান দিকের একদম কোণায়।
ম্যাচের ১৯ মিনিটে পেনাল্টি পায় আর্জেন্টিনা। স্পটকিকে মেসির শট রুখে দেন মিসরের গোলকিপার মোস্তফা শোবের। ৩১ মিনিটে মেসির শট লাগে পোস্টে। ৩৮ মিনিটে হুলিয়ান আলভারেজের গোলের চেষ্টা রুখে দেন মিসরের গোলকিপার।
প্রথমার্ধে ৬০ শতাংশ সময় বল দখলে রাখে আর্জেন্টিনা। গোলের জন্য ৭টি শট নিয়ে ৩টি লক্ষ্যে রাখে তারা। তবে মিসরের গোলকিপারের কারণে গোল পায়নি আলবিসেলেস্তেরা। মিসরের ২ শটের একটি ছিল লক্ষ্যে। সেটিই গোল হয়।
ম্যাচের ৩৮ মিনিটে মাঠের বাঁ-প্রান্ত দিয়ে বল নিয়ে ঢুকেছিলেন তাগলিয়াফিকো। তার ক্রস থেকে হুলিয়ান আলভারেজের শট কর্নারের বিনিময়ের রক্ষা করেন মিসরের গোলকিপার মোস্তফা শোবের।
পেনাল্টি মিসের পর এবার আরও এক সুযোগ হাতছাড়া হলো লিওনেল মেসির। ৩১ মিনিটে বক্সের বেশ কিছুটা দূর থেকে বাঁ পায়ের এক দুর্দান্ত বুলেট গতির শট নিয়েছিলেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। মিসরীয় গোলকিপারকে পরাস্ত করলেও তার সেই শটটি এবার সাইড পোস্টে লেগে ফিরে আসে।
মিসরের হাইসেম হাসান বলের নিয়ন্ত্রণ নিতে গিয়ে বক্সের ভেতর ফাউল করে বসেন আর্জেন্টাইন খেলোয়াড়কে। রেফারি বাঁশি বাজিয়ে পেনাল্টির নির্দেশ দেন। স্পট কিক থেকে সমতায় ফেরার সুবর্ণ সুযোগ ছিল আর্জেন্টিনার সামনে। শট নিতে এসেছিলেন লিওনেল মেসি। কিন্তু ডান দিকের নিচু কোণ দিয়ে নেওয়া মেসির শটটি দুর্দান্ত দক্ষতায় রুখে দেন মিসরীয় গোলকিপার মোস্তফা শোবের।

ম্যাচের ১৫ মিনিটেই এগিয়ে গেছে মিসর। নিজেদের প্রথম আক্রমণ থেকেই গোল পেলো আফ্রিকার দলটি। মাঝমাঠ থেকে মারওয়ান আত্তিয়ার চমৎকার এক ক্রস খুঁজে নেন আর্জেন্টিনার বক্সে থাকা ইয়াসের ইব্রাহিমকে। আলবিসেলেস্তে ডিফেন্ডারদের ফাঁকি দিয়ে একদম কাছ থেকে দারুণ এক হেডে বল জালে জড়ালেন এই মিসরের ডিফেন্ডার। এমিলিয়ানো মার্তিনেজ ঝাঁপিয়েও বলের নাগাল পাননি, বল আশ্রয় নেয় ডান দিকের একদম কোণায়। ১-০ গোলে পিছিয়ে পড়ল আর্জেন্টিনা!
আটলান্টায় আর্জেন্টিনা-মিসর ম্যাচে ৮ মিনিট পেরিয়েছে। এখনো কোনো দলই গোলমুখে শট নিতে পারেনি। দুই দলের মধ্যে চলছে বল দখলের লড়াই। আর্জেন্টিনা খেলছে ৪-১-৩-২ ফরমেশনে। মিসর খেলছে ৪-৪-২ ফরমেশনে।
দুই দলের আগের দুই দেখাতেই জিতেছে আর্জেন্টিনা। প্রথম দেখা হয়েছিল প্রায় এক শতাব্দী আগে, ১৯২৮ অলিম্পিকের সেমিফাইনালে মিসরকে ৬-০ গোল হারিয়েছিল আলবিসেলেস্তেরা। আর শেষ দেখায়, ২০০৮ সালের মার্চে কায়রোতে এক প্রীতি ম্যাচে ২-০ গোলে জিতেছিল আর্জেন্টিনা।
বিশ্বকাপে আফ্রিকান দেশগুলোর বিপক্ষে টানা ৮ ম্যাচ জিতেছে আর্জেন্টিনা। শুধু তাই নয়, এই ৮ ম্যাচের শেষ ৬ টিতেই প্রথমার্ধে এগিয়ে ছিল আর্জেন্টিনা।